খুঁজুন
, ,

দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতে টাইগারদের ব্যাটিং বিপর্যয়, ২১৮ রানের লিড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 5 February, 2021, 5:15 pm
দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতে টাইগারদের ব্যাটিং বিপর্যয়, ২১৮ রানের লিড

প্রথম ইনিংসেই বেশ বড় লিড যোগ হয়েছে বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে। তবে দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুটা মোটেও ভালো করতে পারেনি স্বাগতিকরা। দিনশেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৪৭ রান, এগিয়ে আছে ২১৮ রানে।

১৭১ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করতে নামে বাংলাদেশ। নিজের প্রথম ওভারেই তামিম ইকবাল নাজমুল হোসেন শান্তকে শিকার করেন রাহকীম কর্নওয়াল। তামিমকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন তিনি। তামিম রিভিউ আবেদন করেছিলেন তবে লাভ হয়নি, স্পষ্ট আউট হয়েছেন ফেরেন তিনি। এক বল বাদেই শান্তকেও শিকার করেন কর্নওয়াল। স্লিপে জার্মেইন ব্ল্যাকউডের হাতে ক্যাচ দেন শান্ত।

তামিম ও শান্ত উভয়েই শূন্য রানে আউট হন। ১ রানেই ২ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে ৩৩তম বারের মতো শূন্য রানে আউট হলেন তামিম। একই বিব্রতকর রেকর্ড আগে থেকেই আছে মাশরাফি বিন মুর্তজার।

মুশফিকুর রহিমকে সাথে নিয়ে দিন শেষ করেছেন মুমিনুল। মুশফিক ১০ রানে ও মুমিনুল ৩১ রানে অপরাজিত আছেন। বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪৭ রান ও লিড ২১৮ রান। কর্নওয়াল নিয়েছেন ২টি উইকেট।

সাদমান ইসলামকে সাথে নিয়ে এই ধাক্কা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন অধিনায়ক মুমিনুল হক। নিজের ২৯তম বলে প্রথম রান পান সাদমান। তবে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। শ্যানন গ্যাব্রিয়েলের বলে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দিয়ে তিনি ফেরেন ৪২ বলে কেবল ৫ রান করে। ৩৩ রানেই বাংলাদেশের ৩টি উইকেট শিকার করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

তার আগে দিনের প্রথম বলেই এনক্রমাহ বনারকে শিকার করেছিলেন তাইজুল ইসলাম। দিনের প্রথম সেশনেই ক্যারিবিয়ানদের ৩টি উইকেট শিকার করে স্বাগতিকরা। দ্বিতীয় সেশনটি নিজেদের দখলে নিয়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। চা বিরতির ঠিক আগে আউট হন দুই থিতু ব্যাটসম্যান জার্মেইন ব্ল্যাকউড ও জসুয়া ডা সিলভা।

চা বিরতি থেকে ফিরেই মেহেদী হাসান মিরাজের ঘূর্ণিতে অসহায় আত্মসমর্পণ করেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের টেলেন্ডাররা। জোমেল ওয়ারিকানকে বোল্ড করে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে অলআউট করে দেন তাইজুল ইসলাম। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সংগ্রহ করে ২৫৯ রান। ক্রেইগ ব্রাথওয়েট ৭৬ ও ব্ল্যাকউড ৬৮ রান করেন।

বাংলাদেশের পক্ষে ৪টি উইকেট শিকার করেন মিরাজ। ২টি করে উইকেট পান তাইজুল, নাঈম হাসান ও মুস্তাফিজুর রহমান। বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে করেছিল ৪৩০ রান। সেঞ্চুরি করেছিলেন মিরাজ। অর্ধশতক করেছিলেন সাকিব আল হাসান ও সাদমান। চোটের কারণে তৃতীয় দিনে মাঠে নামতে পারেননি সাকিব।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

টস : বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ৪৩০/৭ (১ম ইনিংস)
মিরাজ ১০৩, সাকিব ৬৮, সাদমান ৫৯, লিটন ৩৮, মুশফিক ৩৮, মুমিনুল ২৬, শান্ত ২৫, নাঈম ২৪, তামিম ৯;
ওয়ারিকান ৪/১৩৩, কর্নওয়াল ২/১১৪, বনার ১.১৬, রোচ ১/৬০, গ্যাব্রিয়েল ১/৬৯।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৫৯/১০ (৯৬.১ ওভার)
ব্রাথওয়েট ৭৬, ব্ল্যাকউড ৬৮, জসুয়া ৪২, মেয়ার্স ৪০, বনার ১৭, জসুয়া ১২*;
মিরাজ ৪/৫৮, মুস্তাফিজ ২/৪৬, নাঈম ২/৫৪, তাইজুল ২/৮৪।

বাংলাদেশ ৪৭/৩ (২০ ওভার)
মুমিনুল ৩১, মুশফিক ১০*, সাদমান ৫, তামিম ০, শান্ত ০;
কর্নওয়াল ২/২৮, গ্যাব্রিয়েল ১/১৩।

বাংলাদেশ ২১৮ রানে এগিয়ে।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।