খুঁজুন
, ,

রমজানকে কেন্দ্র করে ভোগ্যপণ্য সিন্ডিকেটের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান: সুজন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 17 February, 2021, 10:07 pm
রমজানকে কেন্দ্র করে ভোগ্যপণ্য সিন্ডিকেটের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান: সুজন

রমজানকে কেন্দ্র করে ভোগ্যপণ্য সিন্ডিকেটের অপতৎপরতা রুখে দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি বিনীত আবেদন জানিয়েছেন নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সদ্য বিদায়ী প্রশাসক আলহাজ্ব মোহাম্মদ খোরশেদ আলম সুজন।

বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় সদ্য বিদায়ী চসিক প্রশাসকের উত্তর কাট্টলীস্থ বাসভবনে নাগরিক উদ্যোগের নীতি নির্ধারণী সভায় তিনি উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন।

নাগরিক উদ্যোগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাজী মো: ইলিয়াছ’র সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব হাজী মো: হোসেন’র সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন রাজনীতিবিদ ইন্দু নন্দন দত্ত, চট্টগ্রাম চেম্বারের পরিচালক সৈয়দ ছগির আহমদ, দীপঙ্কর চৌধুরী কাজল, আলাউদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, আবদুচ ছালাম, এস এম আবু তাহের, আবদুর রহমান মিয়া, মো: হারুন, মহিউদ্দিন আহমেদ, সাইদুর রহমান, এজহারুল হক, ছালেহ আহমদ জঙ্গী, নুরুল কবির, মোরশেদ আলম, কামরুল হোসেন, মো: শাহজাহান, মো: সেলিম, শিশির কান্তি বল, ডা: অঞ্জন কুমার দাশ, মো; জানে আলম, অর্নিবাণ দাশ বাবু, শেখ মামুনুর রশিদ, সমীর মহাজন লিটন, জাহাঙ্গীর আলম, সাইফুল্লাহ আনছারী, সোলেমান সুমন, শহিদ উল্লাহ লিটন, নাছির উদ্দিন, মো: ওয়াসিম, জমির উদ্দিন মাসুদ, মো: সেলিম, মো: বেলাল, মনিরুল হক মুন্না, তানভীর হাসান, উৎপল দত্ত, মো: জাবেদ, মো: এমরান, সালাউদ্দিন জিকু, হাসান মুরাদ।

এ সময় সুজন আরো বলেন, প্রতি বছরই রমজানকে কেন্দ্র করে কতিপয় অসাধু সিন্ডিকেট অহেতুক দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি করে জনগণকে ভোগান্তিতে ফেলে। আসন্ন রমজানকে কেন্দ্র করে তাদের সে অপতৎপরতা এখন থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে। আমরা দেখতে পাচ্ছি যে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রীর দাম আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। প্রতি বছর রমজানকে কেন্দ্র করে সরকার দ্রব্যমূল্যের দাম জনগণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখার জন্য নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করে। সে সময় আইন শৃঙ্খলা বাহিনীসহ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দাসংস্থা দ্রব্যমূল্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে বিভিন্ন কর্মতৎপরতা অব্যাহত রাখে। তাই সেই সময় দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধির ঝুঁকি না নিয়ে এখন থেকেই দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধির অসাধু তৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে ঐ সিন্ডিকেটটি। যাতে রমজানকে কেন্দ্র করে তাদের অসাধু তৎপরতাগুলো লোকচক্ষুর অন্তরালে থেকে যায়। আমরা নাগরিক উদ্যোগের পক্ষ থেকে এ ধরনের সমস্ত অসাধু তৎপরতার তীব্র নিন্দা জানাই। আমরা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের নিকট ঐ সব সিন্ডিকেটের অপতৎপরতা রোধ করার জন্য এখন থেকেই কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করার সবিনয় অনুরোধ জানাচ্ছি। সেই সাথে রমজানের প্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী এখন থেকে সরকারের পর্যাপ্ত মজুদ রাখার জন্য বিনীত আবেদন জানাই।

তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রামের আদি বাসিন্দাদের জায়গাজমি সরকারের বিভিন্ন সংস্থা কলকারখানা সহ নানাবিধ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য হুকুম দখল করে নিয়েছে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে যে, হুকুম দখলকৃত জায়গা যে সকল প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা বলে হুকুম দখল করা হয়েছিল সে সকল প্রকল্প অদ্যবদি বাস্তবায়ন করা হয় নাই। বছরের পর বছর হুকুম দখলকৃত জায়গা অব্যবহৃত হয়ে পড়ে আছে। ফলত এ সব গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলি বিভিন্ন প্রভাবশালী মহল নামে বেনামে লুটেপুটে খাচ্ছে। এ সকল জায়গাগুলি সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রয়োজনেও পাওয়া যায় না। তাই হুকুম দখলকৃত জায়গাগুলো যে কারণে হুকুম দখল করা হয়েছিল সেকারণে ব্যবহার করা না হলে হুকুম দখলকৃত মূল্যে ঐসব জায়গাগুলি স্ব স্ব মালিকের নিকট ফেরত দেওয়ারও সবিনয় আহ্বান জানান সুজন।

এছাড়া সভায় বিভিন্ন নাগরিক সমস্যা সমাধানে আগামী মার্চে একটি কনভেনশন আয়োজনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

Feb2
Feb2

যুবদল নেতা ইকবাল হোসেন’র পরিবারের পক্ষ থেকে রান্না করা খাবার বিতরণ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 3:21 pm
যুবদল নেতা ইকবাল হোসেন’র পরিবারের পক্ষ থেকে রান্না করা খাবার বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি ইকবাল হোসেন এর পরিবারের পক্ষ থেকে উত্তর পতেঙ্গা সি ইউনিট বিএনপি নেতা হাজী ইলিয়াছ হোসেন এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে অতিবৃষ্টির কারণে পানি বন্দি পরিবার এর মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়।

ইকবাল হোসেন পানিবন্দি মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন এবং মাইজপাড় স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ নিয়েছি। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার আশ্বাস দেন। মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে উত্তর মাইজপাড়া ৪১ নং এবং ৪০ নং ওর্য়াড় মাইজপাড়া এলাকার ২০০ পরিবারের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করা হয়।

এ সময় নেতৃবৃন্দরাসহ এলাকার বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

জেলা-উপজেলা হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 2:34 pm
জেলা-উপজেলা হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, জেলা-উপজেলার হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে সরকার কাজ করছে।

শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

এর আগে সকালে ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাসে পৌঁছান। তার আগমনকে ঘিরে সকাল থেকেই ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা দিয়ে ঢামেকের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। শহীদ মিনার এলাকায় পৌঁছালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজ, তিতুমীর কলেজ এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সড়কের দুই পাশে অবস্থান নিয়ে স্লোগান ও শুভেচ্ছার মাধ্যমে তাকে স্বাগত জানান।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর আওতায় দুটি ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।

বন্যা-পাহাড়ধসে কক্সবাজারে ২৬ প্রাণহানি, দুর্বিষহ লাখো মানুষের জীবন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 12:35 pm
বন্যা-পাহাড়ধসে কক্সবাজারে ২৬ প্রাণহানি, দুর্বিষহ লাখো মানুষের জীবন

টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা ও পাহাড়ধসের কারণে গত ৭ দিন ধরে দুর্বিষহ জীবন পার করছে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলা কক্সবাজারের প্রায় তিন লক্ষাধিক মানুষ। গত রোববার (৫ জুলাই) থেকে শুক্রবার (১০ জুলাই) পর্যন্ত এ জেলায় পানিতে ডুবে এবং পাহাড়ধসে ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সর্বশেষ শুক্রবার দুপুরে, চকরিয়ার বরইতলী ইউনিয়নে বসতবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার পথে নৌকাডুবিতে রসুলাবাদ এলাকার আবদুল মালেকের মেয়ে হাসনাতুল জান্নাত ঝর্ণার (১২) মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ঝর্ণার দুই বোনকে জীবিত উদ্ধার করা হয় যারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন।

আগের দিন বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার কাকারা ইউনিয়নে মাইজ কাকারা এলাকায় পানিতে ডুবে প্রাণ হারায় স্থানীয় সোলতান আহমদের ২ বছর বয়সী ছেলে মোহাম্মদ ওয়াকিম।

একই দিন সকালে বন্যার পানিতে ভেসে গিয়ে চকরিয়া থেকে বিভক্ত হয় নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের চরপাড়া এলাকার আরিফুল ইসলামের ছেলে পুষ্পর (৩) এর মৃত্যু হয়। এছাড়া একইদিন ভোরে চকরিয়া উপজেলার মছনিয়া কাটা এলাকায় বসতঘরের ওপর পাহাড়ের মাটি চাপা পড়ে মারা যায় একটি পরিবারের দুই শিশু। কক্সবাজার সদর উপজেলা, পেকুয়া ও উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১৫ জন রোহিঙ্গাসহ আরও ২১ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

জেলা প্রশাসনের তথ্যানুযায়ী, বন্যায় ১০টি উপজেলার ৩৫টি ইউনিয়নের অন্তত ১৫০টি গ্রাম পানিতে তলিয়ে গেছে। চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী উপজেলা বন্যার কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি সদর উপজেলা, রামু, উখিয়া, টেকনাফ, মহেশখালী, কুতুবদিয়া ও ঈদগাঁও উপজেলার বিভিন্ন বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নূরুল ইসলাম বলেন, বান্দরবান শহর থেকে পানি নামতে শুরু করায় মাতামুহুরি নদীর পানিও বেড়েছে। তাই চকরিয়া ও পেকুয়ার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার (মাতামুহুরীর অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) বলেন, চকরিয়া ও মাতামুহুরীতে এক লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন। ৯৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নেওয়া দুর্গতদের শুকনো খাবারসহ জরুরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামত এবং পানি দ্রুত নামাতে স্লুইস গেটগুলো সচল রাখতে প্রশাসন সার্বক্ষণিক কাজ করছে বলে জানান তিনি।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজাদ রহমান বলেন, সরকারি হিসেবে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কক্সবাজার জেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ১ লাখ ৫০ হাজার ৬৬২ জন যার মধ্যে ৬৪৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে ১৪ হাজার ৬১ জন।

এছাড়া তিনি জানান, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারিভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২০০ টন চাল, ৪৫০ প্যাকেট শুকনো খাবার এবং ১২ লাখ ৪৫ হাজার নগদ টাকা। ত্রাণ বিতরণ এবং জরুরি সহায়তা কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য কন্ট্রোল রুম চালু করেছে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়।

কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ মোহাম্মদ আবদুল হান্নান বলেন, শুক্রবার রাত পর্যন্ত জেলায় গত ৬ দিনে ৭শ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী দুই দিন মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। এতে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি এবং নতুন করে পাহাড় ধসের আশঙ্কা রয়েছে।

এ কারণে সমুদ্রবন্দর ও উপকূলীয় এলাকার জন্য স্থানীয় সতর্ক সংকেত নম্বর ৩ বহাল রয়েছে বলে জানান আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান।