খুঁজুন
, ,

সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করে ফেনী নদীর তীরে প্রাচীর নির্মাণ করেছে ভারত; পতাকা বৈঠকে কড়া প্রতিবাদ বিজিবি’র

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 5 May, 2021, 7:27 pm
সীমান্ত আইন লঙ্ঘন করে ফেনী নদীর তীরে প্রাচীর নির্মাণ করেছে ভারত; পতাকা বৈঠকে কড়া প্রতিবাদ বিজিবি’র

ফটিকছড়ি প্রতিনিধিঃ আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন লঙ্গণ করে ফেনী নদীর তীরে পাথর ও সিমেন্টের শক্ত প্রচীর নির্মাণ করছে ভারত। খবর পেয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ১৯৭৫ সালের (ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি) সীমান্ত আইন লংঘনের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ’র কাছে। গত শনিবার ফেনী নদীর রামগড় ও ত্রিপুরার সাব্রুম সীমান্ত এলাকায় এঘটনা ঘটে।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রামগড় পৌরসভার মন্দিরঘাট সীমান্তের ওপারে ফেনী নদীর তীর ঘেঁষে জিরো লাইলের মাত্র ৩০-৪০ গজের মধ্যে
পাথর ও সিমেন্টের ঢালাইয়ে নির্মাণ করেছে ভারত। যা আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন অনুসারে জিরো পয়েন্টের ১৫০ মিটারের মধ্যে কোন স্থাপনা নির্মাণ অবৈধ।

অপর দিকে রামগড় থানার বিপরীতে সাব্রুমের দশমিঘটে এলাকায় সীমান্তের দেড়‘শ গজের মধ্যে পাকা ওয়াল নির্মাণের কাজ শুরু করলে বিজিবির বাঁধায় তা বন্ধ করেছে।

জানা গেছে, গত শনিবার (১ মে) রামগড়-সাব্রুম সীমান্তে মৈত্রী সেতুর উপর ভারতীয় সীমান্ত রক্ষীবাহিনী বিএসএফের সাথে অনুষ্ঠিত এক পতাকা বৈঠকে বিজিবি এ প্রতিবাদ জানায়। বৈঠকে রামগড়স্থ ৪৩ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পরিচালক লে.কর্ণেল মোহাম্মদ আনোয়ারুল মাযহার এবং সাব্রুমের ৬৬ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের কমান্ড্যান্ট দীনেশ কুমার সিং নিজ নিজ পক্ষের নেতৃত্ব দেন। বৈঠক শেষে ৪৩ বিজিবির পরিচালক লে.কর্ণেল মোহাম্মদ আনোয়ারুল মাযহার সাংবাদিকদের জানান, রামগড় মন্দিরঘাট ও থানাঘাট এলাকার বিপরীত অংশে (ভারতের সাব্রুমে) দুটি কাজই বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, রামগড় পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের মন্দিরঘাট এলাকায় ২২১৬/৬ আর.বি সীমানা পিলারের বিপরীত অংশে ভারত ফেনী নদীর কিনারাঘেঁষে তরিগরি করে পাথর ও সিমেন্টের ঢালাইয়ে একটি বড় মজবুত প্রাচীর নির্মাণ করে। বিএসএফের পাহারায় ভারী মেশিনারিজ ব্যবহার করে তারা বিজিবির নজরে আসার আগেই অল্প সময়ের মধ্যে প্রাচীরটির নির্মাণ কাজ শেষ করেছে। বিষয়টি সীমান্তের দুই পাড়ের মানুষকে ভাবিয়ে তুলেছে। তারা দুই পাড়ের আন্তর্জাতিক সীমান্ত আইন লঙ্গণ এবং দীর্ঘ দিনের সম্প্রীতির ফাঁটল ধরাতে এই প্রচীর নির্মাণ করে বলে সমালোচনা করেন।

সাব্রুমের প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সীমান্তে পাকা সড়ক নির্মাণের জন্যই তারা মজবুত প্রাচীরটি নির্মাণ করছে। প্রাচীরের পাশে মাটি ভরাট করা হয়েছে। বিজিবির নজরে আসার আগেই দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য তারা স্কেভেটর, মিক্সার ভ্যাহিক্যাল, ড্রাম ট্রাক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। প্রাচীরের নির্মাণ কাজ শেষে মাটি ভরাটের কাজ করার সময় শনিবার (১ মে) এটি বিজিবির নজরে আসার পর বাঁধা দিয়ে কজ বন্ধ করে দেয়া হয়।
অন্যদিকে, রামগড় থানা এলাকায় ২২১৫/৬ আর.বি সীমানা পিলারের বিপরীতে সাব্রুম বাজার সংলগ্ন দশমি ঘাট এলাকায় ফেনী নদীর তীর ঘেঁষে জিরো লাইন হতে ১৫০ গজের মধ্যে প্রায় ১০ ইঞ্চি প্রস্থের ইট সিমেন্টের পাকা প্রাচীরের নির্মাণ কাজ শুরু করে ভারত। কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের অজুাহাতে তারা শতাধিক ফুট লম্বা এ প্রাচীরের নির্মাণ কাজ করছিল। শনিবার( ১ মে) বিজিবি বাধা দিয়ে কাজটি বন্ধ করে দেয়।

রবিবার (২ মে) দুপুরে থানাঘাট ও মন্দির ঘাট সীমান্ত এলাকা ঘুরে দেখা যায়, দুইটি এলাকায়ই ভাারতের নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে। এপারে বিজিবির প্রহরা রয়েছে।

এ ব্যাপারে বিজিবি লে.কর্ণেল মোহাম্মদ আনোয়ারুল মাযহার বলেন, রামগড়-সাব্রুম সীমান্তে দুটি স্থানে প্রাচীর নির্মানের বিষয়টি বিজিবি গুরুত্বের সাথে পর্যবেক্ষণ করছে। কড়া পাহারা রাখা হয়েছে।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।