খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রথম দিনে ২২৭ রানে অলআউট বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২২, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
প্রথম দিনে ২২৭ রানে অলআউট বাংলাদেশ

মোমিনুল হকের হাফ-সেঞ্চুরির পরও ভারতের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের প্রথম দিন ৭৩ দশমিক ৫ ওভারে ২২৭ রানে অলআউট হয়েছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। এ ভেন্যুতে ভারতের বিপক্ষে টেস্টে নিজের সর্বোচ্চ ৮৪ রান করে আউট হন টাইগারদের সাবেক অধিনায়ক মোমিনুল।

বাংলাদেশের ইনিংস শেষে ব্যাট হাতে নেমে ৮ ওভারে বিনা উইকেটে ১৯ রান করেছে ভারত। ১০ উইকেট হাতে নিয়ে ২০৮ রানে পিছিয়ে ভারত।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্বান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

চট্টগ্রাম টেস্টের একাদশ থেকে দু’টি পরিবর্তন আনে বাংলাদেশ। ইয়াসির আলি ও এবাদত হোসেনের পরিবর্তে একাদশে নেয়া হয়েছে ব্যাটার মোমিনুল হক ও পেসার তাসকিন আহমেদকে।

ভারতের একাদশে একটি পরিবর্তন হয়েছে। চট্টগ্রামের টেস্টের সেরা খেলোয়াড় স্পিনার কুলদীপ যাদবের পরিবর্তে একাদশে নেয়া হয়েছে পেসার জয়দেব উনাদকতকে।

ব্যাট হাতে সাবধানী শুরু ছিলো বাংলাদেশের দুই ওপেনার নাজমুল হোসেন শান্ত ও জাকির হাসানের। চট্টগ্রাম টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে ১২৪ রানের সূচনা গড়েছিলেন তারা। আরও একবার বড় জুটির লক্ষ্য ছিলো শান্ত ও জাকিরের। সেই লক্ষ্যে ১৪ ওভারও কাটিয়ে দেন তারা। প্রথম ঘন্টায় অবিচ্ছিন্ন ছিলেন শান্ত ও জাকির।

১৫তম ওভারের বাংলাদেশের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন ১২ বছর ৬ দিন পর টেস্ট খেলতে নামা ভারতীয় পেসার জয়দেব উনাদকত। উনাদকতের বল ঠিকঠাক খেলতে না পারায় জাকিরের গ্লাভসে লেগে ভারতের অধিনায়ক রাহুলের হাতে ক্যাচ যায়। ৩৪ বলে ১৫ রান করেন জাকির। ৩৯ রানে পতন হয় বাংলাদেশের প্রথম উইকেট।
জাকির ফেরার চার বল পরই থামেন শান্তও। ১৬তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ব্যক্তিগত ২৪ রানে ভারতের স্পিনার রবীচন্দ্রন অশি^নের বলে লেগ বিফোর আউট হন শান্ত।
৩৯ রানে দুই উইকেট পতনের পর তৃতীয় উইকেটে জুটি বেঁধে অবিচ্ছিন্ন ৪৩ রান তুলে মধ্যাহ্ন-বিরতিতে যান মোমিনুল ও অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।

তবে দ্বিতীয় সেশনের প্রথম বলেই পেসার উমেশ যাদবের ডেলিভারি মিড অফের উপর দিয়ে মারতে গিয়ে চেতেশ^র পূজারাকে ক্যাচ দেন সাকিব। ১টি করে চার-ছক্কায় ৩৯ বলে ১৬ রান করেন সাকিব।

সাকিবের বিদায়ের পর মোমিনুলে সাথে বড় জুটি ইঙ্গিত দিয়েও আউট হন মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস। চতুর্থ উইকেট মুশফিকের সাথে ৪৮ ও পঞ্চম উইকেটে লিটনের সাথে ৪২ রান তুলেন মোমিনুল।

সাবধানে খেলতে থাকা মুশফিক ৩৮তম ওভারে অশি^নের শেষ তিন বলে তিনটি চার মারেন। ৪১তম ওভারের শেষ বলে উনাদকতের অফ-স্টাম্পের বল খেলতে গিয়ে উইকেটরক্ষককে ক্যাচ দেন মুশফিক। ৫টি চারে ২৬ রান করেন মুশফিক।

মুশফিকের বিদায়ে উইকেটে এসে সেট হয়ে বড় ইনিংস খেলার ইঙ্গিত দিয়ে ফিরেন লিটন। পেসার সিরাজের এক ওভারে ১টি করে চার ও ছয়ও মারেন তিনি। কিন্তু অশি^নের অফ-স্টাম্পের বলে ফ্লিক করে শর্ট মিড উইকেটে রাহুলকে ক্যাচ দিয়ে আউট হন লিটন। ২৬ বলে ২৫ রান করেন লিটন।

লিটনের সাথেই জুটিতে বাউন্ডারি মেরে টেস্ট ১৬তম হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নেন মোমিনুল। মোমিনুলের অর্ধশতকে ৫ উইকেটে ১৮৪ রান নিয়ে চা-বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। মোমিনুল ৬৫ ও মিরাজ ৪ রানে অপরাজিত ছিলেন।
দিনের শেষ সেশন শুরু করেই বিপদে পড়ে বাংলাদেশ। ভারতের দুই বোলার অশি^ন ও উমেশের তোপে ৪৩ রানে শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ।
মিরাজকে ১৬, উইকেটরক্ষক নুরুল হাসানকে ৬ ও তাসকিনকে ১ রানে শিকার করে বিরতির পর বাংলাদেশকে বড় ধাক্কা দেন উমেশ। এতে ২২৩ রানে অষ্টম উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

তারপরও ভারতের মাথা ব্যাথার কারন ছিলেন মোমিনুল। নবম ব্যাটার হিসেবে মোমিনুলকে থামান অশি^ন। অশি^নের অফ-স্টাম্পের বল ছাড়তে গিয়ে নিজের ভুলেই আউট হন মোমিনুল। অশি^নের ডেলিভারিটি ছাড়া সনা ছাড়ার দ্বিধায় পড়লে বল মোমিনুলের গ্লাভসে লেগে উইকেটরক্ষকের হাতে জমা পড়ে। ১৫৭ বল খেলে ১২টি চার ও ১টি ছক্কা মারেন মোমিনুল।

শেষ ব্যাটার খালেদকে শূন্যতে ফিরিয়ে বাংলাদেশের ইনিংসে ইতি টানেন অশি^ন। ভারতের অশি^ন ৭১ রানে ও উমেশ ২৫ রানে ৪টি করে উইকেট নেন। উনাদকত ৫০ রানে নেন ২ উইকেট।

আলেঅর স্বল্পতার কারণে দিনের শেষ বেলায় ৮ ওভার ব্যাটিং করার সুযোগ পায় ভারত। শেষ বিকেলে বাংলাদেশের দুই বোলার তাসকিন ও সাকিবকে সামলাতে হিমশিম খেয়েছেন রাহুল ও গিল। রাহুল ৩ ও শুভমান গিল ১৪ রানে অপরাজিত আছেন।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…