খুঁজুন
, ,

মেয়রের উৎসাহ ও দিক-নির্দেশনায় বেড়েছে চসিকের রাজস্ব বিভাগের কর আদায়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 1 July, 2021, 8:57 pm
মেয়রের উৎসাহ ও দিক-নির্দেশনায় বেড়েছে চসিকের রাজস্ব বিভাগের কর আদায়

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) রাজস্ব বিভাগ গত অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রার ৪৭ শতাংশ পৌরকর আদায় করেছে। এর মধ্যে বেসরকারি হোল্ডিং ৫১ শতাংশ এবং সরকারি হোল্ডিংয়ে আদায় হয়েছে ৪৪ শতাংশ। বেসরকারি হোল্ডিং থেকে রাজস্ব আদায়ে প্রথম হয়েছে রাজস্ব সার্কেল-৫। গত অর্থ বছরে পৌরকরসহ সব খাত থেকে রাজস্ব বিভাগ আয় করেছে ২৭৯ কোটি ৫৮ লাখ ৯১ হাজার ৭৮৭ টাকা। তার আগের অর্থবছরে আয় হয়েছিল ২৫৩ কোটি ৭ লাখ ১৯ হাজার ৯৮৬ টাকা।

অর্থাৎ গত বছরে ২৬ কোটি ৫১ লাখ ৭১ হাজার ৮০১ টাকা বেশি আদায় হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব এম. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, রাজস্ব বিভাগকে তিনি নিয়মিত মনিটরিং করেন। সার্কেল ভিজিট করে কর আদায়ে উৎসাহ দেন। কর আদায়কারীরা যাতে দ্রুত হোল্ডিং মালিকদের কাছে যেতে পারেন সেই লক্ষ্যে সিটি কর্পোরেশন থেকে ঋণ দিয়ে তাদেরকে মোটরসাইকেল কিনে দেয়ার ফাইল তিনি ইতোমধ্যে অনুমোদন করেছেন। এই ঋণের কিস্তি প্রতি মাসে তাদের বেতন থেকে গ্রহণ করা হবে। যারা কর আদায়ে ভাল পারফরমেন্স করেছেন তাদেরকে পুরষ্কার প্রদানেরও ঘোষণা দেন তিনি।

চসিকের রাজস্ব বিভাগ জানায়, গত অর্থবছরে সরকারি এবং বেসরকারি মিলে চসিকের মোট পৌরকর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৩৩ কোটি ২৪ লাখ ২১ হাজার ৮৬৩ টাকা। ২০২০ সালের ১ জুলাই হতে ২০২১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত চসিকের মোট ৮টি রাজস্ব সার্কেল পৌরকর আদায় করেছে ১৫৭ কোটি ৯২ লাখ ২১ হাজার ৬০ টাকা ৪৫ পয়সা। এর মধ্যে সরকারি হোল্ডিং থেকে আয় হয়েছে ৭০ কোটি ৩৮ লাখ ৪৩ হাজার ৬৪৮ টাকা ২০ পয়সা। যা মোট লক্ষ্যমাত্রার ৪৪ শতাংশ। বেসরকারি হোল্ডিং থেকে আয় হয়েছে ৮৭ কোটি ৫৩ লাখ ৭৭ হাজার ৪১২ টাকা ২৫ পয়সা। সার্কেলসমূহের মধ্যে সর্বোচ্চ বেসরকারি গৃহকর আদায় হয়েছে ৫ নম্বর সার্কেলে।

এই সার্কেলে আদায়ের হার ৭২ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ৬ নম্বর সার্কেল এবং ৩ নম্বর সার্কেল। এই দুই সার্কেলের আদায়ের হার ৬৯ শতাংশ। এর পরে রয়েছে সার্কেল ৪ – এর আদায় ৫৮ শতাংশ। ২ নম্বর সার্কেলে আদায় ৫৬ শতাংশ। ৭ নম্বর সার্কেল আদায় করেছে ৫৪ শতাংশ এবং সার্কেল-১ এর আদায় ৫০ শতাংশ। সর্বনিন্ম ২০ শতাংশ আদায় করেছে সার্কেল-৮। এছাড়া সরকারি পৌরকর আদায়ের ক্ষেত্রে প্রথম হয়েছে তিন নম্বর সার্কেল। এই সার্কেলের আদায় ১৬৯ শতাংশ। দ্বিতীয় হয়েছে ৭ নম্বর সার্কেল। তাদের আদায় ৭৯ শতাংশ। ৫৮ শতাংশ আদায় করে তৃতীয় হয়েছে সার্কেল-২। ৪৫ শতাংশ আদায় করেছে ৮ নম্বর সার্কেল, ৩৯ শতাংশ আদায় করেছে ১ নম্বর সার্কেল, ২৯ শতাংশ আদায় করেছে ৬ নম্বর সার্কেল, ২৪ শতাংশ আদায় করেছে ৪ নম্বর সার্কেল এবং ১৪ শতাংশ আদায় করেছে ৫ নম্বর সার্কেল।

এছাড়াও ট্রেড লাইসেন্স বাবদ আদায় করেছে ২৩ কোটি ২০ লাখ ৪৫ হাজার ৮০৯ টাকা, ভূমি হস্তান্তর কর ৫৬ কোটি ৪৪ লাখ ৭৩ হাজার ২০৬ টাকা, বিজ্ঞাপণ কর ৩৩ লাখ ২৯ হাজার ৬৯ টাকা, সপসাইন ফি ৫ কোটি ৮১ লাখ ৭১৩৮ টাকা, বিনোদন কর ২৩ হাজার ৪৫৬ টাকা, যান্ত্রিক যানবাহন ফি ১৫ লাখ ৮১ হাজার ১০ টাকা, অযান্ত্রিক যানবাহন ফি এক লাখ ১৮ হাজার ৪৬০ টাকা, বিবিধ আয় ২৭ লাখ ৬৩ হাজার ৬১৬ টাকা, এস্টেট ৩৫ কোটি ৪২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬২ টাকা।

জানতে চাইলে চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম বলেন, অর্থবছরের শেষের দিকে রাজস্ব আদায়ে ক্রাস প্রোগ্রাম চালানো হয়েছে। তাতে ইতিবাচক সাড়া মিলেছে। ভবিষ্যতে আদায়ের হার আরো বাড়ানোর পরিকল্পনা নিয়ে তারা কাজ করছেন বলে জানান তিনি।

জানতে চাইলে রাজস্ব সার্কেল-৫ এর কর কর্মকর্তা এ কে এম সালাউদ্দিন বলেন, বর্তমান মেয়র দায়িত্ব নেয়ার পর রাজস্ব আদায়ের দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। হোল্ডিং মালিকদের ভয়-ভীতি দেখিয়ে নয়, তাদেরকে বুঝিয়ে কর আদায় করতে হবে। মেয়র মহোদয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী মানুষকে বুঝানোর চেষ্টা করেছি। মানুষ স্বেচ্ছায় কর প্রদান করেছে। তিনি এর আগে ৬ নম্বর সার্কেলে ছিলেন উল্লেখ করে বলেন, ওইসময়েও কর আদায়ের ক্ষেত্রে পরপর তিন বার প্রথম হয়েছিলেন। ৫ নম্বর সার্কেলে বদলি হয়ে এসেছেন। এখানেও প্রথম হয়েছেন। ৫ নম্বর সার্কেলও প্রথমবারের মত কর আদায়ে প্রথম হয়েছে।

বর্তমান মেয়র ভাগ্যবান উল্লেখ করে বলেন, তিনি দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই অনেক পুরানো বকেয়া আদায় হয়েছে। তাছাড়া নতুন প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা অতিরিক্ত চাপ না দিয়ে কাজের স্বাধীনতা দিয়েছেন। তাছাড়া ৬ নম্বর সার্কেলে যে টিম নিয়ে কাজ করেছি সেই টিম ৫ নম্বর সার্কেলেও পেয়েছি। তাদের সাথে নিয়ে কাজ করে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছি।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।