সেন্টমার্টিনে আটকে আছে ১২০০ পর্যটক, পর্যটন ব্যবসায়ীরা ক্ষতির সম্মুখীন
কক্সবাজার প্রতিনিধি : পূর্ব মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ এর কারনে কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলে ৪নং স্থানীয় সতর্ক সংকেত থাকায় বৃহস্পতিবার সেন্টমার্টিন থেকে ফিরতে পারেনি প্রায় ১২০০ পর্যটক।
আজ শুক্রবার সকালে টেকনাফ জাহাজঘাট থেকে কোন পর্যটকবাহী জাহাজ সেন্টমার্টিন উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়নি। সে হিসেবে প্রবাল দ্বীপে আটকে থাকা পর্যটকেরা আজ ফিরতে পারছেনা।
দ্বীপের আবাসিক হোটেলগুলোতে তারা নিরাপদে অবস্থান করছে। আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে গন্তব্যে ফিরবে আটকে পড়া পর্যটকেরা।
সেন্টমার্টিন ইউপি সদস্য হাবিব খান মুঠোফোনে ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে জানান, বৃহস্পতিবার বেড়াতে আসা পর্যটকদের অনেকে টেকনাফ ফিরেনি। হঠাৎ বৈরি আবহাওয়ায় প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞার কারণে তারা আটকে গেছে।
তবে, স্থানীয় প্রশাসন পর্যটকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে। সার্বক্ষণিক খোঁজখবর নিচ্ছে। সেন্টমার্টিন থেকে না ফেরা পর্যটকের সংখ্যা প্রায় ১২০০ হবে বলে জানান হাবিব মেম্বার।
সমুদ্রে ৪ নং সতর্ক সংকেত থাকায় সেন্টমার্টিনগামী কোন জাহাজ আজ শুক্রবার না ছাড়তে নির্দেশ জারী করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ আশরাফুল আফসার। বৃহস্পতিবার (৭ নভেম্বর) বিকালে জারিকৃত এই নোটিশ যথারীতি সংশ্লিষ্ট জাহাজ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়। প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত মতে আজ শুক্রবার সকালে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন সমুদ্রপথে কোন জাহাজ ছাড়েনি।
গতকাল বৃহস্পতিবার অনেক পর্যটকের টিকিটের টাকা ফেরত দেয় জাহাজ কর্তৃপক্ষ। এতে করে মৌসুমের শুরুতেই একটি ধাক্কা খেলো পর্যটন ব্যবসায়ীরা।
সেন্টমার্টিন দ্বীপের আবাসিক কটেজ সী প্রবালের মালিক আব্দুল মালেক ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে জানান, ৮-১১ নভেম্বর এই ৪ দিন তার কটেজ বুকিং ছিলো। ইতোমধ্যে অনেক পর্যটক সেন্টমার্টিন গিয়ে পৌঁছেছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে হঠাৎ সমুদ্রগামী জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকায় তাদের ব্যবসার বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে গেল।
উল্লেখ্য, টেকনাফ-সেন্টমার্টিন সমুদ্র পথে বর্তমানে কেয়ারি ক্রুজ এন্ড ডাইন, দ্যা আটলান্টিক ক্রুজ, এমভি ফারহান ও এমভি বে-ক্রুজার চলাচল করছে।


আপনার মতামত লিখুন