খুঁজুন
রবিবার, ১৯শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারে প্রস্তুত ৫০৭ টি শেল্টার, স্বাস্থ্য বিভাগের ছুটি বাতিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ৯ নভেম্বর, ২০১৯, ৩:১৭ অপরাহ্ণ
কক্সবাজারে প্রস্তুত ৫০৭ টি শেল্টার, স্বাস্থ্য বিভাগের ছুটি বাতিল

কক্সবাজার প্রতিনিধি : কক্সবাজারের ৮ টি উপজেলায় ৫০৭ টি সাইক্লোন শেল্টার সম্পূর্ণ প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। নিজ নিজ উপজেলার ইউএনও গণ এসব সাইক্লোন শেল্টারে উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে লোকজনকে নিয়ে আসতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে।

তবে কক্সবাজার জেলা এখনো ৭ টি অতি ঝুঁকিপূর্ণ জেলাতে না পড়ায় মানুষের দূর্ভোগের কথা চিন্তা করে জেলার উপকূলবাসীকে আস্তে আস্তে সাইক্লোন শেল্টার সমুহে আনার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এছাড়া জেলার সকল প্রাইমারী ও মাধ্যমিক স্কুল গুলোকেও উপকূলবাসীর আশ্রয়ের জন্য তৈরি রাখা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ এর মোকাবেলায় জেলা প্রশাসনের প্রস্তুতি কেমন রয়েছে, এমন প্রশ্নের জবাবে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ এর গতি প্রকৃতি ও আবহাওয়ার সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে দ্রুততম সময়ে যেকোন সিদ্ধান্ত নিতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

ইতিমধ্যে ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবেলায় প্রস্তুতি নিতে জেলা ও উপজেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি সমুহ সভা করে সিদ্ধান্ত গুলো বাস্তবায়ন শুরু করেছে।

তিনি আরো বলেন, প্রতিটি উপজেলায় ২ লাখ ৬২ হাজার করে নগদ অর্থ দেওয়া হয়েছে। প্রতি উপজেলাতে ২০৬ মেঃ টন করে চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আরো ত্রান সামগ্রী জরুরী ভিত্তিতে প্রেরণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে চাহিদা পাঠানো হয়েছে।

জেলায় ৬৪৫০ জন রেডক্রিসেন্টের উদ্ধারকারী স্বেচ্ছাসেবককে স্টেনবাই রাখা হয়েছে। ৯৭ টি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। পানি বিশুদ্ধিকরণ টেবলেট ও পর্যাপ্ত শুকনো খাবার মজুদ রাখা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসকে যে কোন প্রতিকূল অবস্থা মোকাবেলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোঃ কামাল হোসেন ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে বলেন, জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সহ প্রতিটি উপজেলায় পৃথক নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। নিয়ন্ত্রণ কক্ষ গুলো ঘূর্ণিঝড় বুলবুল এর প্রভাব না কমা পর্যন্ত ২৪ ঘন্টা খোলা থাকবে। প্রত্যেক নিয়ন্ত্রণ কক্ষে মোবাইল ফোন দেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের মোবাইল ফোন নম্বর হলোঃ ০১৭১৫৫৬০৬৮৮। দুর্যোগকালীন সহায়তার জন্য সেনাবাহিনীকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এনজিও এবং আইএনজিও গুলোও তাদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে। আপদকালীন যেকোন সংকটের কথা সেবাপ্রার্থীরা মোবাইল ফোনে জানালেই প্রশাসনের লোকজন সম্ভব চাহিত সেবা দিতে তাৎক্ষণিক চলে যাবে ইনশাল্লাহ।

এছাড়া জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী দূর্যোগকালীন আপদ মোকাবেলায় জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ছুটি বাতিলের এ আদেশ বহাল থাকবে।

সার্বিক প্রস্তুতিটা এমন যে, যদি ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবেলা করতে হয়, তাহলে উপকূলবাসীর জানমালের নিরাপত্তা বিধান করে সফলভাবে মোকাবেলা করতে সক্ষম হবো বলে ডিসি মো. কামাল হোসেন দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ মোকাবেলায় তিনি সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা ও মহান আল্লাহতায়লার অসীম রহমত কামনা করেছেন। এছাড়া উপকূলবাসীকে ঘূর্ণিঝড় বিষয়ক সরকারি ও এনজিও-র সকল পরামর্শ মেনে চলে এ বিষয়ে সবসময় সচেতন থাকার অনুরোধ জানিয়েছেন।

কক্সবাজারের সিভিল ডা. এম.এ মতিন ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে বলেন, স্বাস্থ্য বিভাগের চিকিৎসক, কর্মকর্তা, কর্মচারীর শনিবার ও রোববার, ৯ ও ১০ নভেম্বরের ছুটি বাতিল করে কর্মস্থল ত্যাগ না করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য বিভাগের কন্ট্রোল রুমে মেডিকেল টিম গঠন, জরুরী ওষুধ পত্র, পরিবহন ও অন্যান্য সরঞ্জাম মজুদ রাখতে বলা হয়েছে। জেলা কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত রিপোর্ট সদর দপ্তরে প্রেরণের জন্যও বলা হয়েছে।

সিভিল সার্জন, জানান, কক্সবাজার স্বাস্থ্য বিভাগ ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবেলায় ইতিমধ্যে সবধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে এবং শুক্রবার থেকে কন্ট্রোল রুমের রিপোর্ট সদর দপ্তরে প্রেরন শুরু করেছে।

Feb2

বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম, মধ্যরাত থেকে কার্যকর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ণ
বাড়লো সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম, মধ্যরাত থেকে কার্যকর

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে অস্থির গোটা বিশ্বের জ্বালানির বাজার। বাংলাদেশেও গত দেড় মাস ধরে জ্বালানি তেল নিয়ে চলছে সংকট। এতদিন জেট ফুয়েল ছাড়া অন্য জ্বালানির দাম না বাড়ালেও শেষ পর্যন্ত সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে বিক্রয়মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে বলে শনিবার (১৮ এপ্রিল) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

এপ্রিল মাসে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার ডিজেলের দাম ১০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১৫ টাকা, অকটেনের দাম ১২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪০ টাকা, পেট্রোলের দাম ১১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিন ১১২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ক্ষেত্রে প্রতি লিটার ডিজেল ১৫ টাকা, অকটেন ২০ টাকা, পেট্রোল ১৯ টাকা ও কেরোসিনের দাম ১৮ টাকা বেড়েছে।

জ্বালানি তেলের নতুন দাম মধ্যরাত (১৯ এপ্রিল) থেকে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।

সর্বশেষ গত ১ ফেব্রুয়ারি সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে দুই টাকা কমানো হয়েছিল। সেই দাম মার্চ মাসেও বহাল থাকে। এপ্রিল মাসেও আগের দাম বহাল রাখা হয়।

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যৌথভাবে ইরানে‌ হামলা চালানোর পর অস্থিতিশীল হয়ে ওঠে মধ্যপ্রাচ্য। এ উত্তেজনার বড় প্রভাব পড়ে হরমুজ প্রণালিতে। এই প্রণালি বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বিশ্বের একটি বড় অংশের তেল এখান দিয়ে পরিবাহিত হয়।

বাংলাদেশেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। পেট্রোল পাম্পগুলোতে গত কিছুদিন ধরেই যানবাহনের ভিড়। মানুষের অভিযোগ চাহিদা মত তারা জ্বালানি তেল পাচ্ছেন না। তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, পর্যাপ্ত তেল মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ করা হচ্ছে। মানুষ আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত তেল কেনায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

এই পরিস্থিতির সুযোগে এক শ্রেণির অসাধু মানুষ জ্বালানি তেল মজুত করছে। জ্বালানি বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সারাদেশে অভিযান চালিয়ে এরই মধ্যে পাঁচ লাখের বেশি অবৈধভাবে মজুত করা জ্বালানি তেল উদ্ধার করা হয়েছে।

তবে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছিল, জনগণের ভোগান্তির কথা চিন্তা করে যতক্ষণ পর্যন্ত সম্ভব, সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়াবে না।

বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমা-বাড়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়। ‘জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকার (সংশোধিত)’ আলোকে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা।

সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু

সুনামগঞ্জে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে পাঁচ কৃষকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে জেলার তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, ধর্মপাশা ও দিরাই উপজেলার পৃথক হাওরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন—তাহিরপুর উপজেলার আবুল কালাম (২৫), জামালগঞ্জ উপজেলার নাজমুল হোসেন (২৬), ধর্মপাশা উপজেলার হাবিবুর রহমান (২৪) ও রহমত উল্লাহ (১৩) এবং দিরাই উপজেলার লিটন মিয়া (৩৮)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরে কৃষকরা হাওরে ধান কাটছিলেন। এ সময় হঠাৎ ঝোড়ো হাওয়া ও বৃষ্টিপাত শুরু হয়। একই সঙ্গে শুরু হয় বজ্রপাত।

তাহিরপুর উপজেলার মাটিয়ান হাওরে বজ্রপাত ঘটলে আবুল কালাম নামে এক কৃষক গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম।

একই সময়ে জামালগঞ্জ উপজেলার পাগনার হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে নাজমুল হোসেন নামে এক কৃষক নিহত হন। তিনি চানপুর গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় আরও একজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন জামালগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বন্দে আলী।

ধর্মপাশা উপজেলায় পৃথক দুটি ঘটনায় হাবিবুর রহমান ও রহমত উল্লাহ নামে দুই কৃষক নিহত হন। হাবিবুর রহমান পাইকুরাটি ইউনিয়নের বড়ইহাটি গ্রামের বাসিন্দা এবং বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। রহমত উল্লাহ জয়শ্রী ইউনিয়নের সরস্বতীপুর গ্রামের বাসিন্দা।

ধর্মপাশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সহিদ উল্যাহ বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

দিরাই উপজেলার কালিয়াগোটা (আতরার) হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে কৃষক লিটন মিয়া গুরুতর আহত হন। স্থানীয় বাসিন্দারা তাকে উদ্ধার করে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. প্রশান্ত দাস তালুকদার।

 

প্রধানমন্ত্রীর ৬০টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপে ‘অবিস্মরণীয়’ সাফল্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪০ অপরাহ্ণ
প্রধানমন্ত্রীর ৬০টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপে ‘অবিস্মরণীয়’ সাফল্য

রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের দুই মাস পূর্ণ করেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার। গতকাল ১৭ এপ্রিল এই দুই মাস পূর্ণ হয়েছে। সরকারের এই ৬০ দিনের পথচলাকে ‘অবিস্মরণীয় অর্জন’ হিসেবে অভিহিত করে প্রধানমন্ত্রীর উল্লেখযোগ্য ৬০টি উদ্যোগের বিস্তারিত তুলে ধরেছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সরকারের এসব সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেন কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহাদী আমিন।

লিখিত বক্তব্যে মাহাদী আমিন জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের প্রতিটি পরিবারের কাছে পর্যায়ক্রমে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দেওয়ার পাইলট প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এরইমধ্যে ৩৭,৫৬৭টি পরিবারকে এই কার্ড প্রদান করা হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারকে মাসিক ২,৫০০ টাকা নগদ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

সরকারের পক্ষ থেকে একে নারীর অর্থনৈতিক, পারিবারিক ও সামাজিক ক্ষমতায়নের একটি ‘আন্তর্জাতিক রোল মডেল’ হিসেবে দাবি করা হয়েছে।

প্রান্তিক কৃষকদের সুরক্ষা দিতে সরকারের বড় পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দেশের প্রায় ১২ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে।

বেকারত্ব নিরসন ও প্রশাসনের গতিশীলতা বাড়াতে সরকারি শূন্য পদ পূরণের বিশাল কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে। মাহাদী আমিন জানান, দেশের সব মন্ত্রণালয় ও সরকারি অফিসে বর্তমানে ৪ লাখ ৬৮ হাজার ২২০টি শূন্য পদ রয়েছে। এসব শূন্য পদ পূরণের জন্য ৬ মাস, ১ বছর ও ৫ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে।