খুঁজুন
, ,

নানা কর্মসূচীতে কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস ১৯ পালিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 18 December, 2019, 5:04 pm
নানা কর্মসূচীতে কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস ১৯ পালিত

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ।ডেস্ক : “আমরা একসাথে” এই স্লোগান নিয়ে বিশ্বের অন্যান্য জায়গার মতো বুধবার কক্সবাজারে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস পালন করেছে জাতিসংঘের অভিবাসন-বিষয়ক সংস্থা আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।

এ বছর আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবসের বৈশ্বিক প্রতিপাদ্য ছিল ‘সামাজিক সহাবস্থান’ এবং বাংলাদেশে দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল ‘দক্ষতা’ যা কক্সবাজারের মত অভিবাসী-প্রবণ এলাকার জন্য জরুরী। কক্সবাজার ২০১৭ সাল থেকে ৮৪০,০০০ এর বেশি রোহিঙ্গা মানুষদের আশ্রয় দিচ্ছে।

আইওএম কক্সবাজার জেলা প্রশাসন এবং জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) কে দিবসটি উপলক্ষে নানা আয়োজনে সহায়তা করে। একটি বড় শোভাযাত্রার মাধ্যমে বুধবার দিনটি শুরু হয়। কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ আশরাফুল আফসার শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন।আন্তর্জাতিক আইএমও

কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, বিএমইটি, বিভিন্ন সরকারী দপ্তর, আইওএম এবং অন্যান্য উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে বর্ণাঢ্য এই শোভাযাত্রা শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসন অফিসের সামনে শেষ হয়।

বুধবার সকালে জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় যেখানে বক্তারা বাংলাদেশী অভিবাসীদের গুরুত্ব এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে রেমিটেন্সের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা।

১১,৭০০,০০০ বাংলাদেশী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রবাসী হিসেবে আছেন জানিয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশরাফুল আফসার বলেনঃ “নিরাপদ ও বৈধ অভিবাসন এবং দক্ষতা বিকাশের পাশাপাশি রেমিট্যান্স বাড়াতে সর্বক্ষেত্রে দেশের মানুষকে সচেতন করতে হবে।

এ বছর, ৬১৪,০০০ মানুষ বিদেশে গিয়েছে এবং তারা রেমিটেন্স-এর মাধ্যমে আমাদের অর্থনীতিতে অবদান রাখছে। আমাদের উচিত অভিবাসন মাইগ্রেশন সুবিধাগুলো কাজে লাগানো এবং দেশের মানুষকে সঠিক ও বৈধ উপায়ে অনুপ্রাণিত করা।“

আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবসে উদযাপনে সহযোগীতা করায় কক্সবাজারবাসীকে ধনবাদ জানিয়ে আইওএম বাংলাদেশ মিশনের উপ-প্রধান ম্যানুয়েল পেরেইরা বলেনঃ “আজ আমাদের এই স্বীকৃতি দেওয়া উচিত যে অভিবাসন এমন এক উপকার যা সকলের পক্ষে কাজ করে।

আজ আমরা অভিবাসীদের সাফল্য সহ অভিবাসনের ইতিবাচক দিকগুলি উদযাপন করছি। আমি সন্তুষ্ট যে আমরা যুবসমাজ সম্পর্কে, রেমিট্যান্স এবং সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তা, সঠিক এবং নিরাপদ অভিবাসন পথ সম্পর্কে কথা বলছি এবং চিন্তা করছি।“

সেমিনার শেষে প্রধান অতিথি এডিসি আশরাফুল দিবসটি উপলক্ষে শিক্ষার্থীদের মাঝে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন।

দিবসটি উপলক্ষে গত ১৭ ডিসেম্বর, কক্সবাজার সরকারী কলেজ এবং কক্সবাজার ডিসি কলেজে একটি রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছিল যেখানে শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশী অভিবাসী ইস্যু এবং রেমিটেন্সের গুরুত্ব সম্পর্কে তাদের চিন্তাভাবনা প্রকাশ করে।

নিরাপদে অভিবাসনে কক্সবাজারের লোকদের অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে, আইওএম গ্লোবাল মাইগ্রেশন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের (জিএমএফএফ) অংশ হিসাবে ১৮ টি চলচ্চিত্রের প্রদর্শনী, চিত্র-প্রদর্শনী, তিন দিনব্যাপী আর্ট কর্মশালার আয়োজন করেছিল।

দিবসটি উপলক্ষে সামাজিক সংহতির বাড়ানোর জন্য স্থানীয় ও রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের পারস্পরিক অংশগ্রহণে টেকনাফে একটি ফুটবল ম্যাচ আয়োজন করা হয়েছে।

২০১৮ সালে, ১৫.৫ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স গ্রহণ করে বাংলাদেশ শীর্ষ দশটি রেমিট্যান্স গ্রহণকারী দেশের তালিকায় স্থান নেয়। ২০০০ সালে ৪ ডিসেম্বর, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ, বিশ্বজুড়ে অভিবাসীদের বিশালতা এবং ক্রমবর্ধমান সংখ্যার কথা বিবেচনা করে ১৮ ডিসেম্বরকে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস হিসাবে ঘোষণা করে।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।