খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যে ৫ অভ্যাস আপনার বিপাক ক্ষমতা নষ্ট করছে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৩:১৫ অপরাহ্ণ
যে ৫ অভ্যাস আপনার বিপাক ক্ষমতা নষ্ট করছে

সক্রিয় মেটাবলিজম বা বিপাক ক্ষমতা আমাদের অতিরিক্ত ক্যালোরি ঝরিয়ে ওজন কমাতে সাহায্য করে। বিপাকীয় হার নির্ধারণ করে যে কত ক্যালোরি পোড়ানো হবে। এটি আমাদের রক্তে শর্করা, কোলেস্টেরল, ট্রাইগ্লিসারাইড এবং রক্তচাপের মাত্রার যত্ন নিয়ে শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। যদিও আমরা সবাই মেটাবলিজম বাড়ানোর বিভিন্ন উপায় জানি, কিন্তু আমরা যা জানি না তা হলো কিছু সহজ অভ্যাস আমাদের মেটবলিজম বা বিপাক ক্ষমতাকে নষ্ট করতে পারে।

জেনে নিন এমন পাঁচটি অভ্যাস সম্পর্কে-

খুব কম খাবার খাওয়া
অনেকের একটি ভুল ধারণা আছে যে কম ক্যালোরি খেলেই তা ওজন কমাতে সাহায্য করে। কিন্তু আপনি জেনে অবাক হবেন যে ক্যালোরি কম গ্রহণ করলে তা বিপাক কমাতে পারে। যদিও ওজন কমানোর জন্য ক্যালোরি ঘাটতি (শরীর যা পোড়াতে পারে তার চেয়ে কম ক্যালোরি খাওয়া) তৈরি করতে হবে, তবে খুব কম ক্যালোরি গ্রহণ করলে তা উল্টো ফল দিতে পারে। এক্ষেত্রে আমাদের শরীর খাদ্যের অভাব অনুভব করে এবং ক্যালোরি পোড়ানোর হার কমায়।

অলস জীবনযাপন
অলস বা নিষ্ক্রিয় জীবনযাপন করলে তা প্রতিদিনের ক্যালোরি পোড়ানোর হার অনেকটা কমিয়ে আনে। করোনাভাইরাস মহামারির এই সময়ে আমরা অনেকেই বাড়িতে বসে অফিসের কাজ করছি। ফলে সারাদিন বসে থাকা হচ্ছে। এতে বিপাকসহ সামগ্রিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। প্রতিটি শারীরিক ক্রিয়াকলাপ যেমন হাঁটা, ঘর পরিষ্কার করা, সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা করা, রান্না করা সবকিছুই আপনাকে ক্যালোরি পোড়াতে সাহায্য করতে পারে। এই ধরনের কার্যকলাপকে নন-ব্যায়াম কার্যকলাপ থার্মোজেনেসিস বলা হয়।

প্রোটিন গ্রহণ না করা
স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখার জন্য পর্যাপ্ত প্রোটিন খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। প্রোটিন দীর্ঘ সময়ের জন্য পেট ভরিয়ে রাখে এবং আপনার শরীরের ক্যালোরি পোড়ানোর হার বাড়ায়। যখন আপনি খাবার হজম করেন, তখন বিপাকের বৃদ্ধি ঘটে, যাকে বলা হয় খাবারের তাপীয় প্রভাব।

প্রোটিনের তাপীয় প্রভাব চর্বি বা কার্বসের তুলনায় অনেক বেশি। প্রোটিন খেলে আপনার বিপাক ২০-৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পায়, কার্বোহাইড্রেট খেলে ৫-১০ শতাংশ এবং চর্বিতে ৩ শতাংশ বা তার চেয়ে কম।

পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া
সামগ্রিক স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য পর্যাপ্ত ঘুম গুরুত্বপূর্ণ। কম ঘুম হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং বিষণ্নতাসহ অসুস্থতার ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে। অপর্যাপ্ত ঘুম বিপাকীয় হার কমিয়ে দিতে পারে এবং ওজন বৃদ্ধির সম্ভাবনা বাড়ায়। সময়মতো না ঘুমালে তা ঘুমের চক্রকে ব্যাহত করে। এতে নষ্ট হতে থাকে মেটবলিজম ক্ষমতা।

প্রচুর রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট খাওয়া
রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট কঠিন কার্বোহাইড্রেটের মতো নয়। এগুলো সহজেই হজম হয় এবং রক্তে শর্করার মাত্রায় বৃদ্ধি পায়। এগুলো ভাঙার জন্য আমাদের শরীর কম শক্তি ব্যবহার করে। প্রচুর রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট খেলে তা মেটাবলিজমকে ধীর করে দেয়। এর বদলে আস্ত শস্য খাওয়ার অভ্যাস করুন। এগুলো ভেঙে শক্তি বের করার জন্য শরীর কঠোর পরিশ্রম করে এবং এতে আপনার ক্যালোরি পোড়ানো সহজ হয়।

এন-কে

Feb2

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ১০০ দিন-জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

সুপার সাব মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। বুধবার ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হারিয়েছে নেপালকে।

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর টানা তৃতীয়বার ফাইনালে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগের দু’বার এই নেপালকে হারিয়েই হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এবার চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক করার মিশন বাংলাদেশের সামনে।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে দুই বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও সাগরিকার চমৎকার বোঝাপড়ায় লিড নেয় বাংলাদেশ। ডান দিক দিয়ে ঢুকে শামসুন্নাহার বল ফেলেন গোলমুখে। কোনো ভুল করেননি সাগরিকা। নেপালের এক ডিফেন্ডার তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও পারেনি। বল ঠেলে দেন জালে। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। বাকি কয়েক মিনিট ওই লিড ধরে রেখে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা উঠে যায় ফাইনালে। এই নিয়ে বাংলাদেশ টানা তিনবার উঠলো সাফের ফাইনালে।

২৩ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তারপর সমতায় ফেরে ইনজুরি সময়ে প্রথম মিনিটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে করা গোলে স্বস্তি ফিরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েদের ডাগআউটে। ডানপ্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার নেওয়া অসাধারণ কর্নার কিকটি হাতে লাগিয়েছিলেন নেপালের গোলরক্ষক। তবে থামাতে পারেননি। গোলরক্ষকের হাত হয়ে বল চলে যায় জালে।

দিপা শাহীর কর্নার হাতে লাগিয়েও ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি মিলি আক্তার। বল চয়ে যায় একটু ফাঁকায় দাড়ানো গিতা রানার কাছে। তিনি সুযোগ বুঝে বলটি পাঠিয়ে দেন জালে। ম্যাচের প্রথম লিড নিয়েছিল নেপাল।

৩৬ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে প্রীতি রানীর নেওয়া শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে ক্রসবার হয়ে ফিরে আসলে বাংলাদেশ বেঁচে যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম অর্ধ।

কোচ পিটার বাটলার ৪০ মিনিটে দুটি পরিবর্তন করেন। সুরভী আকন্দ প্রীতির জায়গায় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও উমেহলা মারমার জায়গায় তহুরা খাতুনকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। শেষ দিকে আনিকাকে উঠিয়ে কোচ মাঠে নামান সাগরিকা। সেই সাগরিকাই বাংলাদেশকে ভাসান ফাইনালে ওঠার আনন্দে।

নেপালকে ফাইনালে হারিয়ে গত দুটি সাফের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের লড়াইও জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নও টিকে থাকলো।

৪৭ মিনিটে বাংলাদেশ গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ভুলে শট নিয়েছিলেন রেখা পাউদেল। তবে তার শট পোস্টে লেগে ফিরলে আবার বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে বদলি সাগরিকার শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন নেপালের গোলরক্ষক আনজিলা।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের কাছে টানা তিন ম্যাচ হারলো নেপাল। তবে ভুটানের রেফারি ৬ মিনিটের ইনজুরি সময়ের খেলা চালিয়েছেন ১৩ মিনিটের মতো।

বাংলাদেশ একাদশ

মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, শামসুন্নাহার, কোহাতি কিসকু, মমিতা খাতুন (মনিকা চাকমা, ৪৬ মিনিট), মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী (সাগরিকা), উমেহলা মারমা (তহুরা খাতুন, ৪০ মিনিট), সুরভী আকন্দ প্রীতি (শামসুন্নাহার জুনিয়র, ৪০ মিনিট), সুরভী আক্তার আরফিন ও ঋতুপর্ণা চাকমা।

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের ষষ্ঠ তলায় কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি।

নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

এর আগে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছে।

তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।

সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।