খুঁজুন
, ,

পটিয়ায় বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্থ আমন ধান ও সবজী ক্ষেত, কৃষকের মাথায় হাত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 11 November, 2019, 9:44 pm
পটিয়ায় বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্থ আমন ধান ও সবজী ক্ষেত, কৃষকের মাথায় হাত

সনজয় সেন.পটিয়া প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের পটিয়ায় ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি হওয়ায় উপজেলার আমন এবং শীতকালীন সবজি ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয়েছে। যদিও পটিয়া কৃষি সম্পাচারণ বিভাগ দাবী করছেন পটিয়ায় ঘূর্নিঝড় বুলবুল তেমন কোন ক্ষতি করতে পারেনি।

পটিয়া উপজেলায় এই বছর রোপা আমন ধানের চাষ হয়েছে ১৩ হাজার ৩শ ৫০ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে কিছু জমির ধান কাটা শুরু হয়েছে আবার কিছু জমির ধানের ফুল আসতে শুরু হয়েছে। আবার কিছু জমির ধান গাছে দানা এখনো কাচাঁ থাকলেও তা বৃষ্টি এবং বাতাসে মাটিতে নুয়ে গেছে।

গত তিনদিনের বৃষ্টি এবং দমকা বাতাসে পটিয়া উপজেলার ২২টি ইউনিয়নের কৃষকদের বেশ কিছু জমির পাকা ধান বাতাসে নুয়ে পড়ে পানি এবং মাটির সাথে মিশে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। একদিকে নষ্ট হচ্ছে গরুর খড় অন্যদিকে কৃষকের সারা বৎসরের পেটের খাবার।

পটিয়া কৃষি সম্পাচারন বিভাগের উপ-সহকারী কর্মকর্তা মো. আলী ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে বলেন, পটিয়ায় এইবার ১৬টি জাতের আমন ধানের চাষ করা হয়েছে। যে পরিমান চাষাবাদ হয়েছে তার মধ্যে এই ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাবে সৃষ্ট টানা কদিনের বৃষ্টিতে কিছু সংখ্যক রোপা আমান মাটিতে নুয়ে পড়ে ক্ষতি হয়েছে এবং কিছু সংখ্যক কৃষকের সবজি ক্ষেত নষ্ট হয়েছে।

তবে এখনও ক্ষতিগ্রস্থ ধানী জমি গুলো থেকে পানি বের করে দিতে পারলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কম হবে বলে মতপ্রকাশ করেন এ কর্মকর্তা। তাছাড়া সবজির ক্ষেত ছত্রাকে আক্রমণ হতে পরে। সঠিকভাবে পরিচর্যা করলে এসব সবজি ক্ষেত থেকেও ভাল ফসল পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করছেন তিনি।

সোমবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, এবার উপজেলার সবচেয়ে বেশি সবজি উৎপাদিত হয়েছে  শ্রীমাই চরে। এ চরে কৃষকরা মুলা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, বরবটি, শসা, ঢেরশ, ধনিয়া পাতা ছাড়াও নানা রকমের শাক সবজির চাষ করেছে। তবে গত তিনদিনের বৃষ্টি এবং বাতাসে কিছু কিছু ক্ষেত পানিতে ঢুবে আছে আবার কিছু ক্ষেত বাতাসে মাটিতে নুয়ে পড়েছে।

কৃষক রতন দাশ এবং মো. শফিউলের সাথে কথা হলে তারা ২৪ ঘন্টা ডট নিউজকে জানিয়েছেন, এই চরে সবজি উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় পানি শ্রীমাই খালে থাকায় এখানে প্রায় ২শত কৃষক বিভিন্ন রকমের শীতকালীন আগাম সবজি চাষ করেছেন। এমনকি ইতিমধ্যে অনেক ক্ষেতে ভালো ফলনও আসা শুরু করেছে।

কয়েকজন চাষী কিছু কিছু সবজি উত্তোলন করে বিক্রিও করেছেন। বৃষ্টি এবং বাতাস অনুকুলে থাকলে ভালো লাভ হতো। কিন্তু কয়েকদিনের দমকা বাতাস এবং বৃষ্টিতে কৃষকদের স্বপ্ন ধুলিসাৎ করে দিয়েছে। অনেক ফসল এখন মাটিতে পড়ে নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে দুঃস্বপ্ন নিয়ে শ্রীমাই চরের অনেক কৃষক ক্ষতিগ্রস্থ জমির দিকেই তাকিয়ে আছে।

জানা যায়, পটিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষকরা প্রতি বছর নভেম্বর-ডিসেম্ভর মাসে বিভিন্ন রকমের শীতকালীন সবজি চাষ করে নতুন সবজি বাজারে নিয়ে ভালো দাম পায়। উপজেলার খরনা, কচুয়াই, শ্রীমাই, কেলিশহর, হাইদগাঁও, ধলঘাট এলাকা থেকে প্রতি বছর নভেম্বর মাসে বাজারে নতুন নতুন সবজি নিয়ে বাজার ভরপুর করে এবং ক্রেতাদের নতুন সবজী দিয়ে মন কাড়ে। এই ইউনিয়নের উৎপাদিত সবজিতে পটিয়ার বাজার গুলোতে ভরপুর হয়ে থাকে।

কিন্তু এবার আগাম শীতকালীন সবজি ক্ষেত করে এই বৃষ্টিতে তাদের বীজতলা এবং আগাম সবজি চারা নষ্ট হয়ে মাথায় হাত ওঠে। ভালো দাম পাওয়ার আশায় চাষাবাদ করলে এই বৃষ্টি বাতাসে নষ্ট হয়ে যাওয়ায় কৃষকের মুখের হাসি ফোটা বন্ধ হয়ে গেছে।

কৃষকদের অভিযোগ শ্রীমাই খাল থেকে অপরিকল্পিত ভাবে বালু উত্তোলন এবং খালের পাড় থেকে অবৈধ ভাবে মাটি নিয়ে যাওয়ায় তারা প্রতি বৎসর বরাবরই ক্ষতিসাধিত হয়। যদি অবৈধভাবে মাটি ও বালু উত্তোলন না করে তারা সুন্দর ভাবে চাষা বাদ করে সবজি উৎপাদিত করে তবে ক্রেতাদের চাহিদা মেঠানোর পাশাপাশি তারা স্বচ্ছল থাকবে।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।