খুঁজুন
বুধবার, ২২শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৯ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চা পানে দূর হবে হাইপার টেনশন!

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২১, ১২:৩৬ অপরাহ্ণ
চা পানে দূর হবে হাইপার টেনশন!

হাইপার টেনশনে ভুগছেন? ঘরোয়া উপায়ে দূর করুন হাইপার টেনশন। হাইপার টেনশন কী? রক্তচাপ বেড়ে গেলেই হাইপার টেনশনের কবলে পড়তে হয়। এটা অনেক সময় বুঝতে পারা যায় না। কুড়ি থেকে চল্লিশ যে কোনো বয়সীরা এর কবলে পড়ার ভয় খুব বেশি থাকে।

অফিসে কাজের চাপ, বাড়িতে অশান্তি, কিংবা সম্পর্ক নিয়ে রোজকার ঝামেলা? কিংবা ভবিষ্যতের চিন্তা নিয়ে সারাক্ষণ টেনশন? চিকিৎসকরা বলছেন, এ ধরনের সমস্যা একেবারেই অবহেলা করা উচিত নয়। প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

তবে ঘরোয়া উপায়ে হাইপার টেনশনের সমস্যার সমাধান হতে পারে খুব সহজেই। আর এ ব্যাপারে কয়েক ধরনের চা দারুণভাবে ওষুধের মতো কাজ করবে।
ঘরোয়া উপায়ে দূর করুন হাইপার টেনশন:

অশ্বগন্ধা চা:
চায়ের সঙ্গে ফুটিয়ে নিন অশ্বগন্ধা গাছের পাতা। কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রাখুন। উপকার পেতে হলে এ চায়ের সঙ্গে চিনি মেশাবেন না। তবে শুধু এ গাছের পাতা নয়, ফুল, ছালও ব্যবহার করতে পারেন। রাতে শোয়ার আগে এ চা খেলে ভালো ঘুম হবে।

দারুচিনি চা:
গরম জলে কয়েকটা দারুচিনি ফুটিয়ে নিন। এরপর এর মধ্যে চা পাতা মিশিয়ে নিন। নিয়মিত এই চা পান করলে টেনশন দূর হবে।

গ্রিন টি
বাজারে এখন গ্রিন টি পাওয়া যায়। ইচ্ছে করলে সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন। গ্রিন টি যেমন আপনার হাইপার টেনশন কমাতে সাহায্য করবে, তেমনি শরীরে মেদ কমাতেও কাজে লাগবে।

তুলসি চা
ঠান্ডা লাগা, সর্দি-কাশির নিরাময়ে তুলসি পাতা দারুণ কাজ দেয়। এ কথা মোটামুটি সবার জানা রয়েছে। কিন্তু তুলসি পাতা হাইপার টেনশনের ক্ষেত্রেও দারুণ কাজ করে। তাই চা পাতার সঙ্গে তুলসি পাতা মিশিয়ে নিয়ে জলে ফুটিয়ে নিন। চিনি ব্যবহার করবেন না।

তবে হাইপার টেনশন দূর করতে হলে শুধু চা পান করলে হবে না। সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন দরকার। যেমন বেশি রাত জাগবেন না, বেশিমাত্রায় মোবাইল ফোন দেখবেন না, যতটা পারবেন সোশ্যাল মিডিয়া থেকে নিজেকে দূর রাখার চেষ্টা করুন, যোগ ব্যায়াম করুন। দেখবেন দ্রুত হাইপার টেনশন থেকে মুক্তি পাবেন।

এন-কে

Feb2

৩ মে থেকে ধান-চাল ও গম সংগ্রহ করবে সরকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:১২ অপরাহ্ণ
৩ মে থেকে ধান-চাল ও গম সংগ্রহ করবে সরকার

আগামী ৩ মে থেকে ধান, চাল ও গম সংগ্রহ করবে সরকার। চলতি বোরো মৌসুমের ১৮ লাখ টন ধান-চাল ও ৫০ হাজার গম সংগ্রহ শুরু করবে হবে। এ সংগ্রহ চলবে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত।

এ বছর প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে বোরো ধান, ৪৯ টাকা দরে সিদ্ধ চাল, ৪৮ টাকা দরে আতব চাল এবং ৩৬ টাকা দরে গম কেনা হবে।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ কমিটির সভা শেষে এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

এবার এফপিএমসি সভা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সময় খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, চলতি মৌসুমে বোরো ধানের লক্ষ্যমাত্রা ৫ লাখ টন, সিদ্ধ চাল ১২ লাখ টন, আতপ চাল ১ লাখ টন এমং গম ৫০ হাজার টন নির্ধারণ করা হয়েছে।

এবার ধান ও গম সংগ্রহ শুরু হবে ৩ মে থেকে এবং চাল সংগ্রহ শুরু হবে ১৫ মে থেকে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশে এখন পর্যাপ্ত চালের মজুত রয়েছে। এখন সরকারি গুদামে ১৭-১৮ লাখ টন চাল মজুত আছে।

তিনি বলেন, দেশে গমের মোট চাহিদা ৮০ লাখ টন নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে দেশে উৎপাদন মোট ৭০ থেকে ৭২ লাখ টন। বাকি ৮ লাখ টন জি টু জি পদ্ধতিতে আমদানি করা হয়।

পদ্মায় টহলরত পুলিশের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, ওসিসহ ৫ সদস্য গুলিবিদ্ধ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩৪ অপরাহ্ণ
পদ্মায় টহলরত পুলিশের ওপর সন্ত্রাসী হামলা, ওসিসহ ৫ সদস্য গুলিবিদ্ধ

পাবনা ঈশ্বরদীর লক্ষীকুন্ডা নৌফাঁড়ির পুলিশ সদস্যদের ওপর অজ্ঞাত সন্ত্রাসীদের হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) পুলিশের পাঁচজন সদস্য গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কুষ্টিয়া জেলার হরিপুর এলাকায় পদ্মা নদীতে টহল ডিউটির সময় হামলার এ ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা ১০ মিনিট থেকে ১টা ৫০ মিনিটের মধ্যে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন—লক্ষীকুন্ডা নৌফাঁড়ির ইনচার্জ খন্দকার শফিকুল ইসলাম, পুলিশ সদস্য ইনামুল হক, শাহিনুর হক, নাজমুল হাসান এবং মানিক মিয়া। তারা সবাই একই নৌফাঁড়িতে কর্মরত। আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে পাবনা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।

জানা যায়, নিয়মিত টহল ডিউটি পালনকালে লক্ষীকুন্ডা নৌফাঁড়ির একটি দল পদ্মা নদীর কুষ্টিয়া অংশের হরিপুর এলাকায় পৌঁছালে সন্ত্রাসীরা অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। এতে ওসিসহ পাঁচজন পুলিশ সদস্য গুলিবিদ্ধ হন। আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে পাবনা সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে একজনের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়েছে। বর্তমানে আহত সবাই চিকিৎসাধীন।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মশিউর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পাটজাত ব্যাগ এবং স্কুল ড্রেস দেবে সরকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৩ অপরাহ্ণ
প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের পাটজাত ব্যাগ এবং স্কুল ড্রেস দেবে সরকার

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, দেশীয় পণ্য আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে দেশব্যাপী পর্যায়ক্রমে পাঠজাত ব্যাগ এবং স্কুল ড্রেস পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

তিনি বলেন, পাইলট প্রকল্প হিসেবে আগামী জুলাই থেকে সারাদেশের প্রতিটি উপজেলায় দুটি করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস ওয়ান শিক্ষার্থীদের পাটজাত ব্যাগ এবং স্কুল ড্রেস পৌঁছে দেওয়া সিদ্ধান্ত হয়েছে। প্রথম মাসে আমরা প্রায় ১ লাখের বেশি শিক্ষার্থীর মধ্যে এই পাটজাত ব্যাগ ও স্কুল ড্রেস পৌঁছে দেব।

বুধবার (২২ এপ্রিল) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের একথা জানান তিনি।

মাহদী আমিন বলেন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বস্ত্র এবং পাট মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জুলাই শুরু থেকে প্রাথমিকভাবে দুটি করে উপজেলা প্রতি মাসে এবং প্রতিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস ওয়ান থেকে শুরু হবে আমরা সব ছাত্রছাত্রীর কাছে পাটের তৈরি ব্যাগ এবং স্কুল ড্রেস পৌঁছে দেব।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমরা চাই আমাদের দেশে উৎপাদিত পণ্য যে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ স্লোগান আমরা সারা বিশ্বজুড়ে পৌঁছে দিতে চাই। তার অংশ হিসেবে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কাছে এগুলো পৌঁছে দেওয়া হবে। যার মূল উদ্দেশ্য হবে সারাদেশে আমরা যে সবসময় বলি, সমতা নিশ্চিত করা। এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে ফেয়ারনেস থাকবে, যেখানে ন্যায্যতা থাকবে। আমরা নিশ্চিত করতে পারব যে ধনী এবং দরিদ্রের মধ্যে যে পার্থক্য সেটি যেন কমে আসে। সমাজের কিছু সমতা নিশ্চিত হয়। সমাজে ন্যায্যতা নিশ্চিত হয়। আমরা সেটি শুরু করতে যাচ্ছি একদম আমাদের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে ক্লাস ওয়ান থেকে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ একদম তৃণমূল থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত প্রান্তিক এলাকায় আমরা ধাপে ধাপে এই একই ধরনের পোশাক, একই ধরনের ব্যাগ এবং দেশে উৎপাদিত পণ্য পৌঁছে দেব। এই উদ্যোগের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর যে দীর্ঘদিনের একটা ভিশন ছিল বাংলাদেশে আমাদের নিজেদের উৎপাদিত যে কোনো পণ্য, সারা বাংলাদেশে আমরা ছড়িয়ে দিতে পারবো।

তিনি আরো বলেন, আরেকটা বিষয় হচ্ছে এই যে পাটের ব্যাগটা আমরা দিচ্ছি এটাও একটা বিষয় এই যে, পরিবেশের সঙ্গে যাতে এটা আমাদের কোমলমতি শিশুদের একটা লার্নিং শুরু হয়। এখান থেকে এই পাটজাত পণ্য দ্রব্যগুলো ব্যবহারে মানুষকে উৎসাহিত করা। আমাদের হারানো ঐতিহ্য, গৌরবকে ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা এটা আমাদের কোমলমতি শিশুদের মধ্যে দিয়ে এটা একটা সিগনাল দিচ্ছি যে, আমরা এই পলিথিন বা এই ব্যাপারে যে আমরা পরিবেশ নষ্ট করে এটার বিরুদ্ধে, এটাকে চেঞ্জ করে আমরা এই পাটজাত পণ্যের দিকে মানুষকে ধাবিত করা, উৎসাহিত করা।