খুঁজুন
, ,

ওয়ানডে দলের দায়িত্বও রোহিত শর্মার কাঁধে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 8 December, 2021, 10:14 pm
ওয়ানডে দলের দায়িত্বও রোহিত শর্মার কাঁধে

ভারতের ওয়ানডে দলের নেতৃত্বও হারালেন বিরাট কোহলি। এই ফরম্যাটেও দলকে নেতৃত্ব দেবেন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক রোহিত শর্মা। বুধবার (৮ ডিসেম্বর) তাকে নতুন অধিনায়ক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার কথা জানিয়েছে ভারত ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড (বিসিসিআই)।

দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের আগে রোহিতকে অধিনায়ক করেছে ভারত। টি-টোয়েন্টির পর একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও বিরাট কোহলির জায়গায় স্থলাভিষিক্ত হলেন তিনি। টেস্টেও রোহিত সহঅধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।

অনেক দিন আগে থেকেই বিরাট কোহলি অধিনায়কত্ব হারাতে পারেন বলে গুঞ্জন ছিল।

কেউ কেউ বলছিলেন, দক্ষিণ আফ্রিকায় একদিনের সিরিজে কোহলিকেই অধিনায়ক রাখা উচিত। আগামী সাত মাসে ভারতের মাত্র ৯টি একদিনের ম্যাচ রয়েছে। তাই নতুন করে অধিনায়ক পরিবর্তন করার প্রয়োজন নেই। আবার কেউ বলছিলেন, সীমিত ওভারের ক্রিকেটে আলাদা অধিনায়ক রাখা ঠিক নয়। রোহিত শর্মা যখন পাকাপাকিভাবে টি-টোয়েন্টির দায়িত্ব নিয়েছেন, তাকে একদিনের ক্রিকেটেও অধিনায়ক করা উচিত। বিশেষ করে ২০২৩ সালে ভারতের মাটিতে একদিনের বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে এখনই এটি করা উচিত।

১৬ সেপ্টেম্বর টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের নেতৃত্বভার থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন বিরাট কোহলি। এক টুইটে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর ভারত দলের এই ফরম্যাটে অধিনায়কত্ব ছাড়বেন বলে ঘোষণা দেন। টুইটে কোহলি বলেন, আমার চাপের কথা ভেবে দেখলাম, তিন ফরম্যাটে খেলা আবার অধিনায়কত্ব, গত ৪-৫ বছর ধরে আমার জন্য একটু বেশি খাটুনি যাচ্ছে। সব সময়ই আমি দলকে সেরাটা দিয়ে এসেছি, দেওয়ার চেষ্টা করেছি। এখন মনে হচ্ছে আমার একটু বিরতি দরকার। তাই বিশ্বকাপের পর থেকে টি-টোয়েন্টিতে আমি আর ভারতকে নেতৃত্ব দেব না। ব্যাটার হিসেবে দলের সঙ্গে থাকব।

ভারত অধিনায়ক যোগ করেন, হ্যাঁ, আমি অনেক চিন্তাভাবনা করার পর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি, অনেকের সঙ্গে আলাপ করার পর। রবি ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলেছি, রোহিতের সঙ্গে আলাপ হয়েছে। আমার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত, আমি টি-টোয়েন্টিতে অধিনায়কত্ব করব না।

কোহলির পর ৯ নভেম্বর ভারতীয় ক্রিকেট দলের টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের নেতৃত্ব পান রোহিত শর্মা। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দল ঘোষণার দিনই তাকে অধিনায়ক করে বিসিসিআই। অধিনায়ক হিসেবে বিরাট সবশেষ ম্যাচটি খেলেছেন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। এটিই তার নেতৃত্বে ভারতের টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে শেষ ম্যাচ- এমন ঘোষণা দিয়েই মরুর বুকে খেলতে নেমেছিলেন কোহলি।

উল্লেখ্য, দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে তিনটি টেস্ট খেলবে ভারত। এই সিরিজকে সামনে রেখে বুধবার (৮ ডিসেম্বর) ১৮ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বিসিসিআই।

ভারত দল
বিরাট কোহলি(অধিনায়ক), রোহিত শর্মা (সহঅধিনায়ক), লোকেশ রাহুল, মায়াঙ্ক আগরওয়াল, চেতেশ্বর পুজারা, আজিঙ্কা রাহানে, শ্রেয়াস আয়ার, হানুমা ভিহারি, রিশভ পন্ত, ঋদ্ধিমান সাহা, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, জয়ন্ত যাদব, ইশান্ত শর্মা, মোহাম্মদ শামি, উমেশ যাদব, জাসপ্রীত বুমরাহ, শার্দুল ঠাকুর ও মোহাম্মদ সিরাজ।

এন-কে

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।