খুঁজুন
রবিবার, ১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এ বছর যেসব সেবা বন্ধ করেছে গুগল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০২১, ১২:৪৮ অপরাহ্ণ
এ বছর যেসব সেবা বন্ধ করেছে গুগল

প্রতি বছরের মতো ২০২১ সালেও গুগল তাদের বেশ কয়েকটি পণ্য এবং পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছে। সেবাগুলো বন্ধ হওয়ার কারণের মধ্যে অন্যতম হলো ব্যবহারকারীর মধ্যে আগ্রহের অভাব। আবার কিছু পণ্য বছরের পর বছর ধরে চললেও বর্তমানে নতুন প্রযুক্তি এবং প্ল্যাটফর্ম আসার ফলে এগুলো প্রাসঙ্গিকতা হারিয়েছে। তাই গুগল সেগুলো বন্ধ করে দিয়েছে।

২০২১ সালে গুগলের বন্ধ হয়ে যাওয়া পণ্য ও পরিষেবাগুলো সম্পর্কে চলুন জেনে নেওয়া যাক।

>গত বছর লঞ্চ হয়েছিল গুগল টুলবার। অথচ এ বছরের ডিসেম্বরেই এটি বন্ধ করে দিয়েছে গুগল। এটি একটি ওয়েব ব্রাউজার টুলবার ছিল, যা ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ও ফায়ারফক্সের মতো একাধিক ওয়েব ব্রাউজারে সার্চ বক্সের সুবিধা দিত।

>এটি একটি আন্ড্রয়েড অ্যাপ। ব্যক্তিগত কাস্টমাইজড ম্যাপস এবং মোবাইল ডিভাইস থেকে লোকেশন শেয়ার করার জন্যই অ্যাপটি ব্যবহৃত হতো। ২০১৪ সালে লঞ্চ হওয়া এই অ্যাপটি দুই মাস আগে বন্ধ করে দিয়েছে গুগল।

>গুগল ডায়লগফ্লো চ্যাটবট এবং অন্যান্য সার্ভিসের জন্য ব্যবহৃত একটি অ্যানালিটিক্স প্ল্যাটফর্ম এই গুগল চ্যাটবেস। ২০১৭ সালে লঞ্চ করার মাত্র চার বছর পর ২০২১ সালে বন্ধ করা হয় এই সার্ভিস।

>চলতি বছরে বিদায় নেওয়া গুগলের অন্যতম অ্যাপ হলো ফিটস্টার ইয়োগা। এটি ভিডিওভিত্তিক ইয়োগা অ্যাপ। ব্যবহারকারীর পছন্দ এবং দক্ষতার লেভেলের ওপর ভিত্তি করে অনন্য ইয়োগা ভিডিওর সুবিধা দিত এ অ্যাপটি। ২০১৪ সালে লঞ্চ হওয়া এ অ্যাপটির যাত্রা এ বছর ইতি টেনেছে গুগল।

>আগে এ অ্যাপটির নাম ছিল ফিটস্টার। পরবর্তীতে নাম হয় ফিটবিট কোচ। ২০১৩ সালে চালু হওয়ার ৮ বছরের মাথায় এরও সমাপ্তি ঘটল। এটি ছিল ওজন কমাতে শরীরচর্চার ভিডিওভিত্তিক অ্যাপ।

> এটি ব্যবহারকারীদের গুগল আর্থের ভেতরে ইন্টার‌্যাক্টিভ ট্যুর তৈরি এবং ছবি ও ভিডিওসহ লোকেশন শেয়ার করার সুবিধা দিত। ২০১৩ সালে লঞ্চ হওয়া এই পরিষেবা পাঁচ মাস আগে বন্ধ করে দিয়েছে গুগল।

>স্কুলের ক্লাসরুমে শিক্ষক এবং পড়ুয়াদের জন্য ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি অভিজ্ঞতা দিতে পারে গুগল এক্সপেডিশনস। গুগল কার্ডবোর্ডের মাধ্যমেই কাজ করত এই বিশেষ প্রোগ্রাম। ২০১৫ সালে লঞ্চ করা হয়েছিল এই প্রোগ্রাম।

>গুগল ট্যুর ক্রিয়েটর ২০১৮ সালে লঞ্চ হয়েছিল। ব্যবহারকারীদের ৩৬০ ডিগ্রি গাইডেড ট্যুর তৈরি করার সুবিধা দিত এটি। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ডিভাইসের সাহায্যে যা দেখা যেত। মাত্র ৩ বছরেই গুগল টুর ক্রিয়েটর বন্ধ করা হলো।

>থ্রিডি অবজেক্ট শেয়ার করার জন্য ক্রিয়েটরদের জন্য ২০১৭ সালে পলি প্ল্যাটফর্ম চালু করে গুগল। ছয় মাস আগে পরিষেবাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এ বছর বন্ধ হয়ে যাওয়া গুগলের পণ্য বা পরিষেবাগুলোর মধ্যে আরো রয়েছে-

গুগল প্লে মুভিজ অ্যান্ড টিভি (২০১১ সালে লঞ্চ করা হয়েছিল), মেজার (২০১৬ সালে লঞ্চ করা হয়েছিল), জিঙ্গ রেন্ডার (২০১৪ সালে লঞ্চ করা হয়েছিল), টাইমলি (২০১৩ সালে লঞ্চ করা হয়েছিল), গুগল শপিং মোবাইল অ্যাপ (২০১৯ সালে লঞ্চ করা হয়েছিল), গুগল পাবলিক অ্যালার্টস (২০১২ সালে লঞ্চ করা হয়েছিল), গুগল গো লিংক (২০১০ সালে লঞ্চ করা হয়েছিল), গুগল ক্রাইসিস ম্যাপ (২০১১ সালে লঞ্চ করা হয়েছিল), গুগল কার্ডবোর্ড (২০১৪ সালে লঞ্চ করা হয়েছিল), সুইফট ফর টেনসরফ্লো (২০১৮ সালে লঞ্চ করা হয়েছিল), টিল্ট ব্রাশ (২০১৬ সালে লঞ্চ করা হয়েছিল), লুন (২০১৪ সালে লঞ্চ করা হয়েছিল)।

এন-কে

Feb2

ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা: খুলশী থানার ওসি বদলি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ণ
ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে হেনস্তা: খুলশী থানার ওসি বদলি

জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে হেনস্তার অভিযোগ ওঠার পর চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুর রহমানকে বদলি করা হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ বদলি করা হয়।

শনিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) সহকারী পুলিশ কমিশনার (সদর), অতিরিক্ত দায়িত্বে সহকারী পুলিশ কমিশনার (জনসংযোগ) আমিনুর রশিদ।

আদেশ অনুযায়ী, খুলশী থানার ওসি মো. আরিফুর রহমানকে সিএমপির লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

একইসঙ্গে সিটিএসবিতে কর্মরত নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক মো. জাহেদুল কবিরকে বাকলিয়া থানার ওসি এবং বাকলিয়া থানার ওসি মোহাম্মদ সোলাইমানকে খুলশী থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

এর আগে শুক্রবার (১২ জুন) রাতে জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পিনার নাঈম হাসানকে পুলিশ পরিচয়ে আটক, মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ ওঠে।

এ ঘটনায় ইতোমধ্যে খুলশী থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও দুই কনস্টেবলকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

বাজেট উপস্থাপনের পর কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ণ
বাজেট উপস্থাপনের পর কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি : প্রধানমন্ত্রী

বাজেট উপস্থাপনের পর এই প্রথমবারের মতো বাজারে কোনো জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে সকালে যখন আমি ঢাকা থেকে প্লেনে উঠলাম, তখন প্লেনে পত্রিকা থাকে, আমি পত্রিকাগুলো দেখলাম কী কী নিউজ আছে। পত্রিকাগুলোর মধ্যে দেখলাম সবগুলো পত্রিকা কমবেশি একটি নিউজ করেছে যে, প্রতিবছর বাজেট উপস্থাপনের পরদিন বিভিন্ন জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যেত। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমতে গত পরশুদিন বাজেট উপস্থাপনের পর এই প্রথমবারের মতো কোনো জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি।

তিনি বলেন, যেই বাজেট উপস্থাপন করলে জিনিসের দাম বাড়ে না, সেই বাজেট জনগণের পক্ষের বাজেট। এই বাজেটে আমরা বিভিন্ন ওষুধপত্র থেকে শুরু করে বিভিন্ন চিকিৎসার যে বিষয়গুলো ছিল, সেগুলোর ওপর থেকে আমরা ট্যাক্স কমিয়ে এনেছি।

চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য: ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:৩৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য: ডিসি জাহিদ

চট্টগ্রামে আগামী পাঁচ বছরে প্রায় দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত বিপর্যয় মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোকে বাঁচিয়ে রেখে পরিচর্যার মাধ্যমে বড় করে তুলতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার ( ১৩ জুন) কর্ণফুলী উপজেলার চাদগাঁও বেড়িবাঁধ এলাকায় আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ‘গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন নারায়ণগঞ্জ’ কর্মসূচির আওতায় মাত্র দুই মাসে এক লাখ বৃক্ষরোপণ করে আলোচনায় আসা জাহিদুল ইসলাম বলেন, “সারা দেশে আজ থেকে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, বন বিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর, সিডিএসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান এ কর্মসূচির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে।”

তিনি বলেন, “আমরা ইতিমধ্যে ৭০ হাজার বৃক্ষরোপণের কার্যক্রম শুরু করেছি। আগামী পাঁচ বছরে শুধু চট্টগ্রাম জেলাতেই প্রায় দেড় কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে। চলতি বছর জেলায় প্রায় ২৫ লাখ চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে।”

জেলা প্রশাসক বলেন, “পৃথিবী মানুষের বসবাসের একমাত্র গ্রহ। কিন্তু মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণেই পরিবেশ বিপর্যয় বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে পরিবেশ রক্ষার জন্য বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজ যে গাছগুলো রোপণ করা হচ্ছে, সেগুলো সঠিকভাবে পরিচর্যা করা গেলে ভবিষ্যতে পরিবেশগত ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।”

অনুষ্ঠানে একটি সোনালু গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক।

কর্মসূচির আওতায় কর্ণফুলী বেড়িবাঁধের চাদগাঁও এলাকায় প্রায় ১ দশমিক ৫০ একর জমিতে ১৯ প্রজাতির ১ হাজার ২০০টি চারা রোপণ করা হয়। রোপিত চারার মধ্যে রয়েছে সোনালু, চালতা, জারুল, রাধাচূড়া, কৃষ্ণচূড়া, বকুল, পলাশ, মহুয়া, কাঞ্চন, আমলকি, অর্জুন, জলপাই, কাঠবাদাম, ঝাউ, হিজল, বহেরা, চিকরাশি ও মেহগনি।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর চট্টগ্রাম জেলায় প্রায় ২৫ লাখ চারা রোপণ করা হবে। এর মধ্যে বন বিভাগের আওতায় প্রায় ১৮ লাখ চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগে ৭ লাখ ৫০ হাজার, দক্ষিণ বন বিভাগে ৮ লাখ ৩৪ হাজার ৫০০, উপকূলীয় বন বিভাগে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫০০ এবং চট্টগ্রাম বোটানিক্যাল গার্ডেনে ১৫ হাজার ২৮৯টি চারা রোপণ করা হবে।

এ ছাড়া সিডিএ ও বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে কর্ণফুলী বেড়িবাঁধ সড়কের দুই পাশে প্রায় ১৬ হাজার গাছ লাগানো হবে।

গাছের সুরক্ষার বিষয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, “প্রতিটি চারার উচ্চতা ন্যূনতম পাঁচ ফুট নিশ্চিত করা হয়েছে। গবাদিপশুর ক্ষতি থেকে রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নাগরিক সচেতনতা। এই গাছ আমাদের পরিবেশ, জীবন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করবে।”

তিনি আরও বলেন, “করোনাকালে আমরা অক্সিজেনের গুরুত্ব উপলব্ধি করেছি। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজের গাছ মনে করে এসব চারার পরিচর্যা করতে হবে।”

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোছাইন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল রানা, উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এম এ হাসান এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক রাজীব দাশসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, সরকারের এই বৃহৎ সবুজায়ন কর্মসূচি চট্টগ্রামে পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।