খুঁজুন
, ,

জনগণের সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় আইন প্রণয়নের আহবান মেয়রের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 19 November, 2019, 7:14 pm
জনগণের সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় আইন প্রণয়নের আহবান মেয়রের

২৪ ঘন্টা চট্টগ্রাম ডেস্ক : জনগণের অংশগ্রহন ব্যতিত আইন বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। জনগণের সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে আইন প্রণেতাদেরকে আইন প্রণয়নের আহবান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ.জ.ম.নাছির উদ্দীন।

সিটি মেয়র আরো বলেন, সিটি কর্পোরেশন ট্যাক্সরুলস ১৯৮৬ ইংরেজী অনুযায়ী প্রতি পাঁচ বছর পর পর কর পূর্ণঃমুল্যায়ন করার নিয়ম আছে। সেই নিয়ম অনুযায়ী ২০১৬ সালে কর মুল্যায়ন করতে গিয়ে চসিককে অনেক বাধা-বিপত্তির সম্মুখিন হতে হয়েছে।

সেদিন নগরবাসীর একমাত্র সেবাদানকারী এই প্রতিষ্ঠানের পক্ষে কেউ সহযোগিতার হাত বাড়ায়নি। এমনকি আর্দশ কর তফশিল-২০১৬-তে পরিচ্ছন্নতায় ৭ শতাংশ, আলোকায়ন ৫ শতাংশ, স্বাস্থ্য সেবায় ৮ শতাংশ এবং হ্যোল্ডিং-এ ৭ শতাংশ কর ও রেইটস নির্ধারণ করা আছে।

তবে এক্ষেত্রে চসিক পূর্বের ন্যায় কর আদায় করে আসছে। কোনোরুপ কর ও রেইটস হার বৃদ্ধি করেনি। তারপরেও সেবা গ্রহনকারীগন নিয়মিত ট্যাক্স পরিশোধ করে না। অনাদায়ী হ্যাল্ডিং ট্যাক্স আদায়ের জন্য আইন আছে, করদাতাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা বিবেচনা করে এখনো পর্যন্ত আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে না।

জনগণের সামর্থ্য ও অন্যান্য আনুসাংগিক বিষয়াদি বিবেচনা করে আইন প্রণয়ন করা হলে সকল করদাতা কর পরিশোধে উৎসাহিত হবে এবং কোনোরুপ সংক্ষুদ্ধও হবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

মঙ্গলবার সকালে সিটি কর্পোরেশন কনফারেন্স হলে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) আইন শৃংখলা বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সিটি কর্পোরেশনের আইন প্রয়োগ সংক্রান্ত অন্যান্য বিভাগের কর্মকর্তাদের দক্ষতা বিষয়ক দিন ব্যাপি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সচিব মোহাম্মদ আবু শাহেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় চসিক প্যানেল মেয়র কাউন্সিলর চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, আইন শৃংখলা স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান কাউন্সিলর এইচ.এম.সোহেল, আলহাজ্ব মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, প্রধান শিক্ষা কর্মকতা সুমন বড়ৃয়া, স্পেশাল ম্যাজিষ্ট্রেট জাহানারা ফেরদৌস, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আফিয়া আকতার, সিটি মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম, প্রধান পরিকল্পনাবিদ একেএম রেজাউল করিম, উপপরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম চৌধুরী, সিনিয়র গভারনেন্স স্পেশালিষ্ট মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, জুনিয়র ফ্যাসিলিটেটর মোহাম্মদ আমিনুর হোসেনসহ চসিক আইন শৃংখলা কমিটির সদস্য এবং বিভিন্ন বিভাগের প্রধানগন এই সময় বক্তব্য রাখেন।

সিটি মেয়র বলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রাথমিক দায়িত্ব হলো নগরবাসীর উন্নত পরিসেবা প্রদান করা, যাতে নগরের অধিবাসীগণ উন্নত জীবন যাপন করতে পারে। নগরবাসীদের দিতে হবে বিভিন্ন সেবা। থাকতে হবে নিরবিছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ, উন্নত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, প্রশস্থ সড়ক ও নর্দমা সুবিধাদি, চিত্ত বিনোদনের জন্য খোলা জায়গা ও বাগানের সুবিধাদি, কেনা কাটার জন্য উন্নত মার্কেট সুবিধা ইত্যাদি।

সিটি কর্পোরেশনকে এই সকল সুযোগ প্রদানের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা বাঞ্চিনীয়। তাই সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাদের আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে যথেষ্ট অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য প্রত্যেক শাখার নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শাখার কার্যক্রম পরিচালনা সংক্রান্ত আইনী বিষয় শিক্ষাদান ও সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরী বলে তিনি মনে করেন।

এই প্রসঙ্গে সিটি মেয়র বলেন,একটি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য প্রাথমিক মানদন্ড বা শর্ত হলো আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। এটি প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা আনয়ন করে। প্রতিষ্ঠানে যদি কোন শৃঙ্খলা না থাকে, তাহলে কোন প্রতিষ্ঠানে মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন ও নীতিমালা সুষ্ঠভাবে বাস্তবায়নে বাধাগ্রস্থ হয়। তাই উন্নয়নের নানাবিধ সমস্যা কাটিয়ে ওঠার জন্য সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন।

সিটি কর্পোরেশন এলাকার সঠিক ও যথাযথ ব্যবস্থাপনার জন্য উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং নগরের নাগরিকদের উন্নত পরিসেবা প্রদান করার ক্ষেত্রে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার কোন বিকল্প নেই মর্মে তিনি মন্তব্য করেন।

Feb2
Feb2

চট্টগ্রামে ডিবি অফিসের সামনেই ইয়াবার হাট, হাটের রাজা ইয়াবা সম্রাট জয়, জড়িত গোয়েন্দা পুলিশের কিছু অসাধু সদস্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 9:56 pm
চট্টগ্রামে ডিবি অফিসের সামনেই ইয়াবার হাট, হাটের রাজা ইয়াবা সম্রাট জয়, জড়িত গোয়েন্দা পুলিশের কিছু অসাধু সদস্য

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি::চট্টগ্রামের মুনছুরাবাদে ডিবি (গোয়েন্দা) পুলিশের কার্যালয়ের সামনে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে প্রকাশ্যে মাদক বেচাকেনার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

জানাগেছে, চট্টগ্রামের ইয়াবা সম্রাট নামে খ্যাত জয় প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬ টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে প্রকাশ্যে ইয়াবাসহ নানা নেশাজাত দ্রব্য বিক্রি করে । প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার মাদক জাত দ্রব্য বিক্রি হয় কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে। এ ছাড়া পার্শ্ববর্তী রেশন স্টোর ও পুলিশের ব্র্যাক থেকেও ইয়াবা সাপ্লাই করে জয়।

অনুসন্ধানে জানা যায়, জয় এর এই অবৈধ মাদক ব্যবসার সাথে কিছু অসাধু গোয়েন্দা পুলিশের সদস্য জড়িত । ফলে নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে মাদকের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে জয়।

‎অনুসন্ধানে জানাযায়, গনি আহামদের ছেলে জাবেদ ওরফে জয়, কাজীর দেউড়ি ২ নং গলির বাসিন্দা হলেও বর্তমানে বাকলিয়া থানার বলির হাট এলাকায় বসবাস করে।

সুত্র জানায়, ডিবি পুলিশের কনেস্টেবল আজাদ, রবিউল,  হানিফ, সঞ্জয়, আব্দুর রহিম, ইয়াবা সম্রাট জাবেদ ওরফে জয় এর সহযোগী বলে জানা গেছে।

‎এছাড়া কর্ণফুলী ক্লাব থেকে রূপসা বেকারী পর্যন্ত ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণ জয়কে ডিবি অফিসার হিসাবে চিনে ও জানে, অনেকেই আবার জয়কে জয় স্যার বলে সম্বোধন করে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ডিবি পুলিশের কয়েকজন সদস্য বলেন, আইনের লোকেরা যখন বেআইনি কাজে জড়িয়ে পড়ে তখন কিছুই বলার থাকে না। পুলিশের ব্র্যাকে মাদক দ্রব্য রেখে গোয়েন্দা পুলিশের অফিসের সামনে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে চট্টগ্রামের চিহ্নিত ইয়াবা ব্যবসায়ী মিস্ত্রী পাড়ার বিপ্লব ও বউ বাজারে ডাইল নুরুকে নিয়ে জয় যে মাদকের হাট বসায় তা মেনে নেওয়ার নয়। গোয়েন্দা পুলিশের যে সদস্যরা জয়ের সাথে জড়িত তারা সবাই কোটি কোটি টাকার মালিক তাদের টাকার দাপটে আমরা অসহায়। খোদ উর্ধ্বতনরাও টাকার কাছে জিম্মি বলে মনে হয়।

‎নেশাগ্রস্থ অবস্থায় জয় যখন পুলিশ ব্র্যাকে শুয়ে থাকে তখনও কিছুই বলার থাকেনা। সন্ধ্যা হলে নগরীর চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীরা আসে কর্ণফুলী ক্লাবের মাঠে ।

‎সিএমপিতে দীর্ঘ দিন ধরে চট্টগ্রামের বাকলিয়ার মাদক সম্ম্রাট ইছহাক, সোবহান, ও পাহারতলীর মাদক সম্ম্রাট টেক্সি জসিম আলমগীর ও কদম তলীর শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ি আলো সহ আরো অসংখ্য মাদক ব্যবসায়ীর নিকট মাদক ও ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রয় করে আসছে।

ক্লাবের ভিতরে মাঠে চেয়ার নিয়ে বসে থাকে, জয় , ডাইল নুরু ও ইয়াবা সম্রাট বিপ্লব। পার্টি আসলে ব্র্যাক থেকে মাদক দ্রব্য নিয়ে আসে অসাধু পুলিশ সদস্যরা।

‎এই বিষয়ে জয়ের কাছে জানতে চাইলে তিনি অসংলগ্ন কথাবার্তা বলেন। একবার বলেন আমি ফার্নিচার ব্যবসায়ী, আবার বলেন আমি এইসব ছেড়ে দিয়েছি। আবার অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে বলেন, আমি জানি কে এইসব আমার ব্যাপারে বলেছে। আপনার খবর নিয়ে দেখবো আপনি কে ?

‎মাদকের ব্যাপারে সারাদেশের প্রসাশন জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষনা করলেও সিএমপি গোয়েন্দা কার্যালয়ের সামনে এমন কান্ডকে ভাবিয়ে তোলে সচেতন মহলকে।

‎এই বিষয়ে ডিসি (ডিবি উত্তর) এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সিএমপিতে একসঙ্গে ৫ থানার ওসি রদবদল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 9:29 pm
সিএমপিতে একসঙ্গে ৫ থানার ওসি রদবদল

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) পাঁচ থানায় অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পদে বড় ধরনের রদবদল করা হয়েছে। একই আদেশে কয়েকজন ওসিকে বদলি এবং বিভিন্ন ইউনিট থেকে নতুন কর্মকর্তাদের থানায় পদায়ন করা হয়েছে।

শনিবার (২৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এ রদবদলের তথ্য জানানো হয়।

আদেশ অনুযায়ী, কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পুলিশ পরিদর্শক নুর আহমদকে কর্ণফুলী থানার ওসি, সিটিএসবির মোহাম্মদ আবদুর রহিমকে খুলশী থানার ওসি এবং কর্ণফুলী থানার বর্তমান ওসি মো. ইখতিয়ারউদ্দিনকে বায়েজিদ বোস্তামি থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

এ ছাড়া ডিবি বন্দর জোনের পুলিশ পরিদর্শক মো. জয়নাল আবেদীন মন্ডলকে হালিশহর থানার ওসি এবং খুলশী থানার বর্তমান ওসি মোজাম্মেল হককে পাঁচলাইশ মডেল থানার ওসি করা হয়েছে।

অন্যদিকে, পাঁচলাইশ মডেল থানার বর্তমান ওসি মো. জাহেদুল ইসলামকে বদলি করে সিটিএসবিতে পদায়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি সিটিএসবির মোহাম্মদ একরাম উল্লাহকে সদরঘাট থানার ওসি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

সিএমপির জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 23 August, 2026, 8:20 pm
পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের তিন জেলায় বসবাসরত পাহাড়ি-বাঙালি সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতি সুদৃঢ় করে সরকার ঘোষিত ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, শুধু অবকাঠামোগত উন্নয়নই যথেষ্ট নয়; দুর্গম ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে শিক্ষা, আধুনিক প্রযুক্তি এবং দক্ষতার বিকাশ ঘটিয়ে তাদের সুনাগরিক ও মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে।

আজ রোববার রাঙ্গামাটিতে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক আয়োজিত তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক প্রশিক্ষণ সনদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী ও নারীদের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে প্রতিমন্ত্রী উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তা- কর্মচারীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন।

প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও অধিকার নিশ্চিত করার বৃহৎ দর্শন নিয়ে ১৯৭৬ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই স্বপ্ন ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে ধর্ম, বর্ণ বা গোত্র নির্বিশেষে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে উন্নয়নের সুফল পৌঁছে দিতে হবে।

তরুণদের উদ্দেশ্যে ব্যারিস্টার মীর হেলাল বলেন, ফ্রিল্যান্সিংসহ আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে যেন তারা ঘরে বসেই উপার্জন করতে পারেন এবং এই আয়কে সরকার করমুক্ত ঘোষণা করেছে। একইসঙ্গে ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি যুবকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে উন্নয়ন বোর্ডকে নতুন নতুন স্কিম গ্রহণের নির্দেশনা দেন।

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সরকার জনগণের সেবক। সেবার মানসিকতা নিয়ে সর্বোচ্চ নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে যেন জনগণকে সেবার জন্য বারবার অফিসে আসতে না হয়, বরং সেবা পৌঁছে যায় মানুষের দোরগোড়ায়। এসডিজি অর্জনে মন্ত্রণালয় ও উন্নয়ন বোর্ডকে সমন্বিত পরিবারের মতো কাজ করতে হবে। এ সময় তিনি বোর্ডের শূন্য পদগুলো দ্রুত পূরণ করা, পেনশন সুবিধার বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ এবং পাড়া কেন্দ্রের কর্মীদের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা যৌক্তিক পর্যায়ে উন্নীত করতে ডিপিপি (DPP) সংশোধনের আশ্বাস দেন।

দিনব্যাপী সফরকালে প্রতিমন্ত্রী ৫০ জন নারীকে সেলাই মেশিন ও ২৫০টি স্কুলে মাল্টিমিডিয়া সামগ্রী বিতরণ করেন। এছাড়া তিনি রাঙ্গামাটি শিশু পার্কের ওয়াচ টাওয়ার, জেলা পরিষদের ই-লার্নিং সেন্টার এবং খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটি সড়কে মহাপুরম খালের ওপর ব্রিজের উদ্বোধন করেন।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ, জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, সদস্য (অর্থ) সুমন বড়ুয়া, সদস্য (পরিকল্পনা) জাহিদ ইকবালসহ সামরিক-বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।