খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জনগণের সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় আইন প্রণয়নের আহবান মেয়রের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৯, ৭:১৪ অপরাহ্ণ
জনগণের সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় আইন প্রণয়নের আহবান মেয়রের

২৪ ঘন্টা চট্টগ্রাম ডেস্ক : জনগণের অংশগ্রহন ব্যতিত আইন বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। জনগণের সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে আইন প্রণেতাদেরকে আইন প্রণয়নের আহবান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ.জ.ম.নাছির উদ্দীন।

সিটি মেয়র আরো বলেন, সিটি কর্পোরেশন ট্যাক্সরুলস ১৯৮৬ ইংরেজী অনুযায়ী প্রতি পাঁচ বছর পর পর কর পূর্ণঃমুল্যায়ন করার নিয়ম আছে। সেই নিয়ম অনুযায়ী ২০১৬ সালে কর মুল্যায়ন করতে গিয়ে চসিককে অনেক বাধা-বিপত্তির সম্মুখিন হতে হয়েছে।

সেদিন নগরবাসীর একমাত্র সেবাদানকারী এই প্রতিষ্ঠানের পক্ষে কেউ সহযোগিতার হাত বাড়ায়নি। এমনকি আর্দশ কর তফশিল-২০১৬-তে পরিচ্ছন্নতায় ৭ শতাংশ, আলোকায়ন ৫ শতাংশ, স্বাস্থ্য সেবায় ৮ শতাংশ এবং হ্যোল্ডিং-এ ৭ শতাংশ কর ও রেইটস নির্ধারণ করা আছে।

তবে এক্ষেত্রে চসিক পূর্বের ন্যায় কর আদায় করে আসছে। কোনোরুপ কর ও রেইটস হার বৃদ্ধি করেনি। তারপরেও সেবা গ্রহনকারীগন নিয়মিত ট্যাক্স পরিশোধ করে না। অনাদায়ী হ্যাল্ডিং ট্যাক্স আদায়ের জন্য আইন আছে, করদাতাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা বিবেচনা করে এখনো পর্যন্ত আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে না।

জনগণের সামর্থ্য ও অন্যান্য আনুসাংগিক বিষয়াদি বিবেচনা করে আইন প্রণয়ন করা হলে সকল করদাতা কর পরিশোধে উৎসাহিত হবে এবং কোনোরুপ সংক্ষুদ্ধও হবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

মঙ্গলবার সকালে সিটি কর্পোরেশন কনফারেন্স হলে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) আইন শৃংখলা বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সিটি কর্পোরেশনের আইন প্রয়োগ সংক্রান্ত অন্যান্য বিভাগের কর্মকর্তাদের দক্ষতা বিষয়ক দিন ব্যাপি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সচিব মোহাম্মদ আবু শাহেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় চসিক প্যানেল মেয়র কাউন্সিলর চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, আইন শৃংখলা স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান কাউন্সিলর এইচ.এম.সোহেল, আলহাজ্ব মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, প্রধান শিক্ষা কর্মকতা সুমন বড়ৃয়া, স্পেশাল ম্যাজিষ্ট্রেট জাহানারা ফেরদৌস, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আফিয়া আকতার, সিটি মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম, প্রধান পরিকল্পনাবিদ একেএম রেজাউল করিম, উপপরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম চৌধুরী, সিনিয়র গভারনেন্স স্পেশালিষ্ট মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, জুনিয়র ফ্যাসিলিটেটর মোহাম্মদ আমিনুর হোসেনসহ চসিক আইন শৃংখলা কমিটির সদস্য এবং বিভিন্ন বিভাগের প্রধানগন এই সময় বক্তব্য রাখেন।

সিটি মেয়র বলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রাথমিক দায়িত্ব হলো নগরবাসীর উন্নত পরিসেবা প্রদান করা, যাতে নগরের অধিবাসীগণ উন্নত জীবন যাপন করতে পারে। নগরবাসীদের দিতে হবে বিভিন্ন সেবা। থাকতে হবে নিরবিছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ, উন্নত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, প্রশস্থ সড়ক ও নর্দমা সুবিধাদি, চিত্ত বিনোদনের জন্য খোলা জায়গা ও বাগানের সুবিধাদি, কেনা কাটার জন্য উন্নত মার্কেট সুবিধা ইত্যাদি।

সিটি কর্পোরেশনকে এই সকল সুযোগ প্রদানের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা বাঞ্চিনীয়। তাই সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাদের আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে যথেষ্ট অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য প্রত্যেক শাখার নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শাখার কার্যক্রম পরিচালনা সংক্রান্ত আইনী বিষয় শিক্ষাদান ও সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরী বলে তিনি মনে করেন।

এই প্রসঙ্গে সিটি মেয়র বলেন,একটি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য প্রাথমিক মানদন্ড বা শর্ত হলো আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। এটি প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা আনয়ন করে। প্রতিষ্ঠানে যদি কোন শৃঙ্খলা না থাকে, তাহলে কোন প্রতিষ্ঠানে মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন ও নীতিমালা সুষ্ঠভাবে বাস্তবায়নে বাধাগ্রস্থ হয়। তাই উন্নয়নের নানাবিধ সমস্যা কাটিয়ে ওঠার জন্য সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন।

সিটি কর্পোরেশন এলাকার সঠিক ও যথাযথ ব্যবস্থাপনার জন্য উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং নগরের নাগরিকদের উন্নত পরিসেবা প্রদান করার ক্ষেত্রে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার কোন বিকল্প নেই মর্মে তিনি মন্তব্য করেন।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…