খুঁজুন
সোমবার, ২৫শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জনগণের সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় আইন প্রণয়নের আহবান মেয়রের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর, ২০১৯, ৭:১৪ অপরাহ্ণ
জনগণের সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় আইন প্রণয়নের আহবান মেয়রের

২৪ ঘন্টা চট্টগ্রাম ডেস্ক : জনগণের অংশগ্রহন ব্যতিত আইন বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। জনগণের সার্বিক অবস্থা বিবেচনা করে আইন প্রণেতাদেরকে আইন প্রণয়নের আহবান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আলহাজ্ব আ.জ.ম.নাছির উদ্দীন।

সিটি মেয়র আরো বলেন, সিটি কর্পোরেশন ট্যাক্সরুলস ১৯৮৬ ইংরেজী অনুযায়ী প্রতি পাঁচ বছর পর পর কর পূর্ণঃমুল্যায়ন করার নিয়ম আছে। সেই নিয়ম অনুযায়ী ২০১৬ সালে কর মুল্যায়ন করতে গিয়ে চসিককে অনেক বাধা-বিপত্তির সম্মুখিন হতে হয়েছে।

সেদিন নগরবাসীর একমাত্র সেবাদানকারী এই প্রতিষ্ঠানের পক্ষে কেউ সহযোগিতার হাত বাড়ায়নি। এমনকি আর্দশ কর তফশিল-২০১৬-তে পরিচ্ছন্নতায় ৭ শতাংশ, আলোকায়ন ৫ শতাংশ, স্বাস্থ্য সেবায় ৮ শতাংশ এবং হ্যোল্ডিং-এ ৭ শতাংশ কর ও রেইটস নির্ধারণ করা আছে।

তবে এক্ষেত্রে চসিক পূর্বের ন্যায় কর আদায় করে আসছে। কোনোরুপ কর ও রেইটস হার বৃদ্ধি করেনি। তারপরেও সেবা গ্রহনকারীগন নিয়মিত ট্যাক্স পরিশোধ করে না। অনাদায়ী হ্যাল্ডিং ট্যাক্স আদায়ের জন্য আইন আছে, করদাতাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা বিবেচনা করে এখনো পর্যন্ত আইন প্রয়োগ করা হচ্ছে না।

জনগণের সামর্থ্য ও অন্যান্য আনুসাংগিক বিষয়াদি বিবেচনা করে আইন প্রণয়ন করা হলে সকল করদাতা কর পরিশোধে উৎসাহিত হবে এবং কোনোরুপ সংক্ষুদ্ধও হবে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

মঙ্গলবার সকালে সিটি কর্পোরেশন কনফারেন্স হলে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) আইন শৃংখলা বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সিটি কর্পোরেশনের আইন প্রয়োগ সংক্রান্ত অন্যান্য বিভাগের কর্মকর্তাদের দক্ষতা বিষয়ক দিন ব্যাপি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সচিব মোহাম্মদ আবু শাহেদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় চসিক প্যানেল মেয়র কাউন্সিলর চৌধুরী হাসান মাহমুদ হাসনী, আইন শৃংখলা স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান কাউন্সিলর এইচ.এম.সোহেল, আলহাজ্ব মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, প্রধান শিক্ষা কর্মকতা সুমন বড়ৃয়া, স্পেশাল ম্যাজিষ্ট্রেট জাহানারা ফেরদৌস, নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট আফিয়া আকতার, সিটি মেয়রের একান্ত সচিব আবুল হাশেম, প্রধান পরিকল্পনাবিদ একেএম রেজাউল করিম, উপপরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম চৌধুরী, সিনিয়র গভারনেন্স স্পেশালিষ্ট মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, জুনিয়র ফ্যাসিলিটেটর মোহাম্মদ আমিনুর হোসেনসহ চসিক আইন শৃংখলা কমিটির সদস্য এবং বিভিন্ন বিভাগের প্রধানগন এই সময় বক্তব্য রাখেন।

সিটি মেয়র বলেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রাথমিক দায়িত্ব হলো নগরবাসীর উন্নত পরিসেবা প্রদান করা, যাতে নগরের অধিবাসীগণ উন্নত জীবন যাপন করতে পারে। নগরবাসীদের দিতে হবে বিভিন্ন সেবা। থাকতে হবে নিরবিছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ, উন্নত ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, প্রশস্থ সড়ক ও নর্দমা সুবিধাদি, চিত্ত বিনোদনের জন্য খোলা জায়গা ও বাগানের সুবিধাদি, কেনা কাটার জন্য উন্নত মার্কেট সুবিধা ইত্যাদি।

সিটি কর্পোরেশনকে এই সকল সুযোগ প্রদানের ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা বাঞ্চিনীয়। তাই সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তাদের আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে যথেষ্ট অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য প্রত্যেক শাখার নির্বাহী কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শাখার কার্যক্রম পরিচালনা সংক্রান্ত আইনী বিষয় শিক্ষাদান ও সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরী বলে তিনি মনে করেন।

এই প্রসঙ্গে সিটি মেয়র বলেন,একটি প্রতিষ্ঠানে জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য প্রাথমিক মানদন্ড বা শর্ত হলো আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। এটি প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা আনয়ন করে। প্রতিষ্ঠানে যদি কোন শৃঙ্খলা না থাকে, তাহলে কোন প্রতিষ্ঠানে মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন ও নীতিমালা সুষ্ঠভাবে বাস্তবায়নে বাধাগ্রস্থ হয়। তাই উন্নয়নের নানাবিধ সমস্যা কাটিয়ে ওঠার জন্য সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা প্রয়োজন।

সিটি কর্পোরেশন এলাকার সঠিক ও যথাযথ ব্যবস্থাপনার জন্য উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং নগরের নাগরিকদের উন্নত পরিসেবা প্রদান করার ক্ষেত্রে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার কোন বিকল্প নেই মর্মে তিনি মন্তব্য করেন।

Feb2

ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ৩:৪৯ অপরাহ্ণ
ঝিনাইদহে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর উপর ডিম নিক্ষেপ ও হামলা

ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ ও অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠেছে। এসময় ছাত্রদলের হামলায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতা-কর্মী আহত হন।

আজ শুক্রবার (২২ মে) দুপুর ২টার দিকে শহরের পুরাতন কালেক্টরেট মসজিদের সামনে এই ঘটনাটি ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার জুমার নামাজ আদায় শেষে মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। এ সময় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ তাঁর সঙ্গে কথা বলতে এগিয়ে যান।

তাদের মধ্যে কথা বলার এক পর্যায়ে হঠাৎ পেছন থেকে কয়েকজন যুবক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করে এবং অতর্কিত হামলা চালায়। এই হামলায় এনসিপির স্থানীয় কয়েকজন যুবক আহত হয়েছেন।

ভুক্তভোগী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডি থেকে এক পোস্টে হামলার বিস্তারিত জানান। তিনি অভিযোগ করেন, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী জুমার নামাজ আদায় করে মসজিদ থেকে বের হওয়ার পরপরই পুলিশের উপস্থিতিতেই ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা এই হামলা চালায়।

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পোস্টে লেখেন, “প্রথমে ডিম, ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করা হয়, এরপর হকিস্টিক দিয়ে অতর্কিতভাবে আঘাত করা হয়। তিনজনের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন। আমাকে লক্ষ্য করেও কিল-ঘুষি মারা হয়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা এ সময় তাদের মোবাইল ফোন, ক্যামেরা এবং মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার পর তারা থানায় অবস্থান নিয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও জানান। একই সাথে ছাত্রদল, যুবদল ও বিএনপি থানার সামনে আবারও হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে তিনি ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন।

এই ঘটনার পর এনসিপির নেতাকর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন। বিক্ষোভ থেকে তারা স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন এবং হামলায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।

 

চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৪৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে তিন বছরের শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা

চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় তিন বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আজ (শুক্রবার) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাকলিয়া থানার এক কর্মকর্তা।

তিনি বলেন, ভুক্তভোগী শিশুর পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় গ্রেপ্তার মনিরকে আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় তিন বছর বয়সী এক শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজন ও স্থানীয়দের সন্দেহ হয়, সে যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে। খবরটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে বিকেলের দিকে রাস্তায় নেমে আসেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত যুবকের নাম মনির। তিনি স্থানীয় একটি ডেকোরেশন দোকানে কাজ করেন। তাদের অভিযোগ, মনির তাদের কাছে নিজের অপরাধ স্বীকারও করেছেন।

অভিযুক্ত মনির নিজের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে একটি তথ্য ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লেও এর সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গতকাল বিকেল ৪টার দিকে স্থানীয়রা অভিযুক্তের অবস্থান নিশ্চিত করে ‘বিসমিল্লাহ ম্যানশন’ নামের একটি ভবন ঘেরাও করে রাখেন। একপর্যায়ে ভবনটির কলাপসিবল গেট ভেঙে ফেলার চেষ্টাও করা হয়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠায়। অন্যদিকে অভিযুক্তকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার সময় বিক্ষুব্ধ জনতা পথ আটকে দেয় এবং তাকে নিজেদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানায়। বিকেল সাড়ে চারটা থেকে পুলিশকে অবরুদ্ধ করে রাখে স্থানীয়রা। এরপর রাত আটটার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে।

এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়েন স্থানীয়রা। এতে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। স্থানীয়দের বাধার মুখে তখন পুলিশ অভিযুক্ত নিয়ে যেতে পারেনি।

পরে রাত ১১টা সময় দিকে জনবল বাড়ায় পুলিশ। পরে বিদ্যুৎ বন্ধ করে অভিযুক্তকে পুলিশের পোশাক পরিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় ফাঁকা গুলি, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে পুলিশ। এসময় স্থানীয়রা পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন দেয়। এতে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
রামিসার বাসার সামনে বিক্ষোভ, কুলখানির জন্য ঢাকা ছাড়লেন বাবা-মা

রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যার শিকার আট বছরের শিশু রামিসা আক্তারের মৃত্যুর ঘটনায় এখনও থামেনি মানুষের ক্ষোভ আর কান্না।

শুক্রবার (২২ মে) সকাল থেকেই পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় রামিসাদের বাসার সামনে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ছোট-ছোট সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের ব্যানারে মানববন্ধন, বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করতে দেখা যায় স্থানীয়দের।

সেখানে গিয়ে দেখা যায়, বেলা ১১টার পর থেকে রামিসাদের বাসার সামনের গলিতে একে একে জড়ো হন নারী-পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সী মানুষ। অনেকের হাতে ছিল ‘রামিসার হত্যাকারীর ফাঁসি চাই’, ‘শিশু ধর্ষণ ও হত্যার বিচার চাই’ লেখা প্ল্যাকার্ড।

এসময় এলাকাজুড়ে ছিল থমথমে পরিবেশ। স্থানীয়দের অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচার না হলে সমাজে শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না।

একটি মানববন্ধনে অংশ নেওয়া লামিয়া খানম নামে এক নারী বলেন, আমরা নিজের সন্তানদের নিয়েই এখন আতঙ্কে আছি। একটা শিশুকে এত নির্মমভাবে হত্যা কোনো মানুষ করতে পারে না।

এদিকে সন্তান হারানোর শোকে এখনও প্রায় নির্বাক রামিসার মা-বাবা। শুক্রবার (আজ) দুপুর ১২টার দিকে মেয়ের কুলখানি ও মিলাদে অংশ নিতে মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়েন তারা। যাওয়ার আগে বাসার সামনে জড়ো হওয়া মানুষদের কান্না আর সান্ত্বনার শব্দে ভারী হয়ে ওঠে পরিবেশ।

পরিবারের স্বজনরা জানান, বৃহস্পতিবার (২১ মে) রাতে সিরাজদিখানে পারিবারিক কবরস্থানে দাফনের সময় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। রামিসার মা এখনও মেয়ের জামাকাপড় ও ব্যবহৃত জিনিসপত্র বুকে জড়িয়ে কাঁদছেন। আর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বারবার মেয়ের শেষ আবদারের কথা মনে করে ভেঙে পড়ছেন। দুই দিন আগে মেয়ের জন্য একটি বোরকা কিনে এনেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বোরকা আর পরা হয়নি রামিসার।

গত মঙ্গলবার সকালে পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় নিজ বাসার পাশ থেকে নিখোঁজ হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা। পরে প্রতিবেশী সোহেল রানার ফ্ল্যাট থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ গোপনের চেষ্টা করেন। ঘটনার পর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আদালতে তিনি হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন। এ ঘটনায় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।