খুঁজুন
বুধবার, ১৫ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পিএইচপির তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৪ মার্চ, ২০২২, ১১:৩২ পূর্বাহ্ণ
পিএইচপির তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলা

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলাস্থ বাড়বকুণ্ড পিএইচপি ফ্লোট গ্লাস কারখানার পূর্ব পাশের একটি পাহাড় টিলা কেটে পরিকল্পিতভাবে পাহাড়ি ছড়ায় পানিপ্রবাহ বন্ধ করে দিয়ে কৃত্রিম জলাধার সৃষ্টি করার অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছেন পরিবেশ অধিদপ্তর।

অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপপরিচালক ফেরদৌস আনোয়ারের নেতৃত্বে একটি তদন্ত দল গত ৩০ জানুয়ারি রবিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেন।

এ সময় কারখানাটির আমবাগান প্রকল্পের ব্যবস্থাপক মো. আলফাতুন ও পিএইচপি ফ্লোট গ্লাস কারখানার মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান অভিজিৎ চক্রবর্তী উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শণে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি পিএইচপি ফ্লোট গ্লাস কারখানা কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তাদের শুনানিতে হাজির থাকার নোটিশ দেয় অধিদফতর।

ওইদিন যথাসময়ে শুনানি শেষে সাত দিনের মধ্যে বাঁধটি সরিয়ে পানির প্রবাহ সচল করার জন্য প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড না করার জন্য অঙ্গীকারনামা নেওয়া হয়।

তবে পরিবেশ অধিদপ্তরের এ আদেশ আমলে নেয়নি পিএইচপি ফ্লোট গ্লাস ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড কর্তৃপক্ষ। পাহাড়ের টিলা কেটে বন্ধ করা ছড়া (ঝিরি) পানিপ্রবাহের জন্য খুলে দেওয়ার নির্দেশ অমান্য করায় প্রতিষ্ঠানটির ৩ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছে অধিদপ্তর।

গত বুধবার (২ মার্চ) পরিবেশ অধিদফতর চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আশরাফ উদ্দিন বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় প্রতিষ্ঠানের তিন কর্মকর্তাকে আসামি করা হয়। মামলার এজাহারে উপরোক্ত তথ্যগুলো উল্লেখ করা হয়।

আসামিরা হলেন, কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, কারখানার আমবাগান প্রকল্পের ব্যবস্থাপক মো. আলফাতুন ও মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান অভিজিৎ চক্রবর্তী।

পরিবেশ অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে মামলা দায়েরের তথ্যটি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ।

মামলার বাদী পরিবেশ অধিদফতর চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আশরাফ উদ্দিন মুঠোফোনে গণমাধ্যমকে বলেন, প্রায় দেড় মাস আগে আমাদের কাছে অভিযোগে আসে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, একটি পাহাড় টিলা কেটে পরিকল্পিতভাবে পাহাড়ি ছড়ায় পানিপ্রবাহ বন্ধ করে কৃত্রিম জলাধার সৃষ্টি করেছেন পিএইচপি ফ্লোট গ্লাস কারখানা কর্তৃপক্ষ। অধিদপ্তরের একটি তদন্ত টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করে অভিযোগের সত্যতা পাই।

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি কর্তৃপক্ষকে অধিদপ্তরের শুনানিতে হাজির থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। শুনানিতে সাতদিনের মধ্যে বাঁধটি সরিয়ে ঝিরি আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে নির্দেশ দেওয়া হলেও তারা তা অপসারণ করেনি। ফলে পরিবেশের নির্দেশনা না মানায় কারখানা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

এদিকে মামলাটি একতরফাভাবে করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন পিএইচপি ফ্লোট গ্লাস কারখানার মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান অভিজিৎ চক্রবর্তী। তিনি গণমাধ্যমে বলেন, পাহাড়ে তাদের একটি টিলায় প্রায় ১৫ হাজারেরও বেশি আমগাছ নিয়ে একটি আমবাগান প্রকল্প রয়েছে।

শুষ্ক মৌসুমে বাগানের গাছগুলোতে পানি দেওয়ার লক্ষ্যে ছড়ার ওপর বাঁধ দিয়ে পানি জমিয়ে রাখা হয়েছে। তবে এতে যদি পরিবেশের ক্ষতি হয় তাহলে তারা বাঁধ সরিয়ে ফেলতেন।

বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করার জন্য এবং বাঁধটি তুলে নিতে ১৫ দিন সময় দেওয়ার জন্য পরিবেশ অধিদপ্তরের কাছে অনুরোধ করেছেন। এর মধ্যে মামলা করা হলো। যা একতরফা। সূত্র-প্রথম আলো।

Feb2

টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১:৩২ অপরাহ্ণ
টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী অনলাইনের মাধ্যমে কৃষক কার্ডের উদ্বোধন করেন। পরে টাঙ্গাইলের ১৫ জন কৃষক-কৃষানির মধ্যে এই কার্ড ও ফলজ গাছ বিতরণ করা হয়।

টাঙ্গাইলের প্রথম কৃষক হিসেবে কৃষক কার্ড পান সদর উপজেলার বড়রিয়া গ্রামের মোহাম্মদ আবু কায়সার।

প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে প্রথম কৃষক কার্ড পাওয়া মোহাম্মদ আবু কায়সার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে কৃষক কার্ড পেয়ে আমি আনন্দিত ও গর্বিত। কৃষক কার্ড দিয়ে সব সুযোগ-সুবিধা পাব। এখন আমরা এদেশের একজন গর্বিত কৃষক। কৃষক কার্ড পেয়ে আমি খুবই খুশি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।

চারুকলার বর্ণাঢ্য ‘বৈশাখী শোভাযাত্রায়’ নতুন বছরকে বরণ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ
চারুকলার বর্ণাঢ্য ‘বৈশাখী শোভাযাত্রায়’ নতুন বছরকে বরণ

বাঙালির প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ আজ। বাংলা সন ১৪৩৩ বরণ করে নিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) চারুকলা অনুষদ আয়োজন করেছে বর্ণাঢ্য ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’। এবারের শোভাযাত্রার মূল প্রতিপাদ্য ছিল ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলামের নেতৃত্বে চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে এই শোভাযাত্রা শুরু হয়। পরে শাহবাগ থানার সামনে থেকে ইউটার্ন নিয়ে রাজু ভাস্কর্য ও টিএসসি প্রাঙ্গণ ডান পাশে রেখে দোয়েল চত্বর হয়ে বাংলা একাডেমির সামনে দিয়ে পুনরায় চারুকলা অনুষদের সামনে এসে শেষ হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে ৯টা ৩ মিনিটে সম্মিলিত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয় এবং এর ঠিক তিন মিনিট পরেই বর্ণিল সাজে সজ্জিত হয়ে শোভাযাত্রাটি বের হয়।

শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী ছাড়াও অংশ নিয়েছেন সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীসহ রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

শোভাযাত্রা উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সর্বস্তরের মানুষের উপচেপড়া ভিড়ে পুরো এলাকা এক আনন্দঘন জনসমুদ্রে পরিণত হয়। শোভাযাত্রাটি চারুকলা অনুষদের উত্তর গেট থেকে বের হয়ে শাহবাগ থানার সামনে দিয়ে ইউটার্ন নিয়ে রাজু ভাস্কর্য ও টিএসসি হয়ে দোয়েল চত্বর প্রদক্ষিণ করে।

এরপর বাংলা একাডেমির সামনে দিয়ে ঘুরে পুনরায় চারুকলা অনুষদে এসে এটি শেষ হয়। নিরাপত্তার স্বার্থে এবারের উৎসবে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় মাস্ক বা মুখোশ পরা নিষিদ্ধ থাকায় অংশগ্রহণকারীরা চারুকলার তৈরি মুখোশগুলো হাতে নিয়ে প্রদর্শন করেন।

এবারের শোভাযাত্রায় বাংলার লোক-ঐতিহ্য ও সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতির মেলবন্ধনে পাঁচটি প্রধান মোটিফ বা প্রতীক তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে ‘মোরগ’ মোটিফটি ছিল বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর দেশে গণতন্ত্রের নবযাত্রাকে স্বাগত জানাতে মোরগকে নতুন ভোর ও জাগরণের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।

চারুকলা অনুষদের ডিন আজহারুল ইসলাম শেখ এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে বলেন, একটি দীর্ঘ দুঃশাসনের পর গণতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে যে নতুন সূর্যের উদয় হয়েছে, মোরগের ডাকে সেই শুভক্ষণকেই উদযাপন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষাও ফুটে উঠেছে এই প্রতীকে।

সংস্কৃতি ও সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিতে শোভাযাত্রায় রাখা হয়েছে আরও চারটি মোটিফ। বাউল শিল্পীদের ওপর সাম্প্রতিক হামলা ও লোকজ সংগীতের অবমূল্যায়নের প্রতিবাদে এবং সাংস্কৃতিক শিকড়কে তুলে ধরতে আনা হয়েছে বিশালাকৃতির ‘দোতারা’।

শান্তি ও সহাবস্থানের বৈশ্বিক ডাক দিতে রাখা হয়েছে ‘পায়রা’। এ ছাড়া লোকশিল্পের আভিজাত্য ও শক্তির প্রতীক হিসেবে নারায়ণগঞ্জের লোকশিল্প জাদুঘরের আদলে নির্মিত হয়েছে ‘কাঠের হাতি’ এবং গ্রামীণ ঐতিহ্যের স্মারক হিসেবে কিশোরগঞ্জের বিখ্যাত ‘টেপা ঘোড়া’ শোভাযাত্রাকে করেছে আরও আকর্ষণীয়।

এবারের পহেলা বৈশাখে বিশ্ববিদ্যালয় এরিয়ায় মুখোশ পড়া নিষিদ্ধ থাকায় চারুকলা অনুষদ কর্তৃক প্রস্তুতকৃত মুখোশ হাতে নিয়ে প্রদর্শন করতে দেখা যায় শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের। শোভাযাত্রার সম্মুখভাগে ছিল পুলিশের সুসজ্জিত ১২টি ঘোড়ার বহর।

এরপরই বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০ শিক্ষার্থীর হাতে শোভা পাচ্ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা। বাদ্যযন্ত্রশিল্পীদের বাজানো ‘এসো হে বৈশাখ’ ও দেশাত্মবোধক গানের সুরে মাতোয়ারা হয়ে ওঠেন অংশগ্রহণকারীরা।

শোভাযাত্রা শেষে টিএসসি প্রাঙ্গণে লোকজ সংস্কৃতির গান ও নৃত্যের মাধ্যমে বাংলা নববর্ষের মূল অনুষ্ঠানমালার সমাপ্তি ঘটে। চারুকলার এই বর্ণিল আয়োজন কেবল আনন্দ উৎসব নয়, বরং অন্ধকার ভেদ করে আলোর পথে ফেরার এক বলিষ্ঠ সংকল্পে রূপ নেয় এবারের পহেলা বৈশাখে।

চট্টগ্রামে বৈশাখী শোভাযাত্রার মাধ্যমে বর্ষবরণ শুরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:২৮ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে বৈশাখী শোভাযাত্রার মাধ্যমে বর্ষবরণ শুরু

নতুন বছরের প্রথম সূর্য উঠতেই উৎসবের রঙে রাঙা হয়ে উঠেছে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম। সকাল বৈশাখী শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে শুরু হয় বর্ষবরণ। বৈশাখের সকাল ঘিরে নগরের বিভিন্ন এলাকায় মানুষের ঢল নেমেছে। আনন্দ-উচ্ছ্বাস আর বর্ণিল আয়োজনে চলছে বর্ষবরণের বিভিন্ন অনুষ্ঠান।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকাল ৯টার দিকে বৈশাখী শোভাযাত্রা শুরু করে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন। শোভাযাত্রায় ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু হয় বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রাটি নগরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ডিসি হিলে গিয়ে শেষ হয়। এতে অংশ নেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক কর্মীসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ।

এদিকে নগরের ডিসি হিল, সিআরবি শিরিষতলা, শহীদ মিনারসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ভিড় জমাতে শুরু করেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। বৈশাখকে বরণ করতে লাল-সাদা পোশাকে সেজে পরিবার-পরিজন নিয়ে বের হন নগরবাসী।

শোভাযাত্রা শেষে ডিসি হিল ও আশপাশ এলাকায় শুরু হবে দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। একই সময়ে সিআরবি শিরিষতলায়ও চলবে গান, নৃত্য ও লোকজ আয়োজন।

এদিকে, কাজীর দেউড়ি থেকে ডিসি হিল পর্যন্ত প্রায় দেড় কিলোমিটার সড়কজুড়ে আঁকা বৈশাখী আলপনা নগরবাসীর নজর কেড়েছে। রঙিন এ সজ্জা উৎসবের আমেজ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

পরিবার নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া সংস্কৃতিকর্মী সাদিকুল ইসলাম বলেন, করোনা মহামারি ও রমজানের জন্য কয়েকবছর পয়লা বৈশাখে বিভিন্ন আয়োজনে ভাটা ছিল। তাই এই বছর বর্ষবরণ নিয়ে সবার আগ্রহ বেশি। পরিবার নিয়ে শোভাযাত্রায় এসে ভালো লাগছে।

বর্ষবরণের বিভিন্ন কর্মসূচিতে নিরাপত্তা নিশ্চিতে সকাল থেকেই নগরের বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। বিশেষ করে ডিসি হিল ও সিআরবি এলাকায় যান চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী বলেন, বাংলা নববর্ষ বাঙালির সর্বজনীন উৎসব। এ উৎসবকে ঘিরে নগরবাসী যেন নিরাপদ ও নির্বিঘ্নে আনন্দ উদযাপন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।