খুঁজুন
, ,

নেইমারের জোড়া পেনাল্টিতে ব্রাজিলের বড় জয়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 2 June, 2022, 8:57 pm
নেইমারের জোড়া পেনাল্টিতে ব্রাজিলের বড় জয়

তিতের ব্রাজিলের সামনে আশা জাগিয়েও প্রতিরোধ গড়তে পারল না দক্ষিণ কোরিয়া। আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে স্বাগতিকদের ৫-১ গোলে হারিয়েছে ব্রাজিল। পেনাল্টি থেকে জোড়া গোল করেছেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের পোস্টার বয় নেইমার। একটি করে গোল পেয়েছেন রিচার্লিসন, ফিলিপ কৌতিনিয়ো ও গ্যাব্রিয়েল হেসুস।

সিউলের অলিম্পিক স্টেডিয়ামে দীর্ঘ সময় পর আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে মাঠে নেমেছিল ব্রাজিল, প্রতিপক্ষ স্বাগতিক দক্ষিণ কোরিয়া। এশিয়ান ফুটবলের অন্যতম পরাশক্তি হলেও পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের চেয়ে কাগজে-কলমে অনেক পিছিয়ে হিউন-মিন সনের দক্ষিণ কোরিয়া। ম্যাচের প্রথম বাঁশি থেকেই দুরন্ত শুরুতে স্বাগতিকদের চেপে ধরে সেটাই প্রমাণ করে ব্রাজিল। আগ্রাসী শুরুতে সফলতাও ধরা দেয়।

স্টেডিয়ামের দর্শকরা ঠিকঠাক আসন গ্রহণের আগেই ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটে দক্ষিণ কোরিয়ার জালে বল পাঠায় ব্রাজিল। রাফিনহার ফ্রি-কিক থেকে হেডে লক্ষ্যভেদ করেছিলেন ডিফেন্ডার থিয়াগো সিলভা। তবে অফসাইডের কারণে গোলটি টেকেনি।

তবে দারুণ ছন্দে ম্যাচ শুরু করা ব্রাজিলকে বেশি সময় ঠেকিয়ে রাখতে পারেনি দক্ষিণ কোরিয়া। অফসাইডে গোল বাতিলের মিনিট পাঁচেক পরেই প্রথম গোল পেয়ে যায় সেলেসাওরা। সপ্তম মিনিটে বাঁ প্রান্ত দিয়ে দুই ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে কোরিয়ার বক্সে ঢুকে ফ্রেডের উদ্দেশ্যে বল বাড়িয়েছিলেন অ্যালেক্স সান্দ্রো। ফ্রেড শট নিয়েছিলেন গোলের লক্ষ্যে, তার সামনে থাকা রিচার্লিসনের পায়ে লেগে বল ঠাঁই পায় জালে। ১-০।

দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার পর দক্ষিণ কোরিয়ার গোল অভিমুখে আক্রমণে আরও ক্ষুরধার হয়ে ওঠে ব্রাজিল। তবে পরিষ্কার কোনো সুযোগ তৈরি করতে পারছিল না তিতের দল। ২৪ মিনিটে বক্সের ভেতর ফাউলের শিকার হয়ে রিচার্লিসন পেনাল্টির জন্য জোরালো আবেদন করেছিলেন, তবে ভিএআর সেই দাবি আমলে নেয়নি।

এরপরই ৩১ মিনিটে অনেকটা ধারার বিপরীতে গোল পেয়ে ম্যাচে ফেরে স্বাগতিকরা। বক্সের মধ্যে বল পেয়ে ব্রাজিলের বর্ষীয়ান ডিফেন্ডার থিয়াগো সিলভাকে এক প্রকার বিব্রত করেই দলকে সমতায় ফেরান কোরিয়ান স্ট্রাইকার হোয়াং উই-জো। বক্সের ভেতর পাস ধরে সিলভাকে একপাশে রেখে গতিময় শটে ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষক ওয়েভারটনকে পরাস্ত করেন এই দক্ষিণ কোরিয়ান।

তবে ম্যাচে ১-১ সমতা বেশিক্ষণ টেকেনি। ৩৯ মিনিটে অ্যালেক্স সান্দ্রো বক্সে ফাউল হন। ভিএআর ম্যাচে ব্রাজিলের প্রথম পেনাল্টির আবেদন নাকচ করে দিলেও এবার আর তাদের হতাশ করেনি। পেনাল্টি থেকে লক্ষ্যভেদ করে বিরতির আগে সেলেসাওদের এগিয়ে দেন ম্যাচের আগে চোট শঙ্কায় থাকা তারকা ফরোয়ার্ড নেইমার।

বিরতির ১২ মিনিট পর এই গোলেরই যেন অ্যাকশন রিপ্লে দেখা যায়। ফের সান্দ্রো বক্সের মধ্যে ফাউল হন, ফের নেইমার স্পট কিক থেকে ঠাণ্ডা মাথায় বল জালে পাঠান। ৩-১ গোলে এগিয়ে যায় ব্রাজিল।

এরপর ম্যাচের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ ছিল ব্রাজিলের হাতে। মুহুর্মুহু আক্রমণে বেশ কয়েকবার দক্ষিণ কোরিয়ার গোলমুখে হানা দেন নেইমার-রাফিনহারা। তবে কোরীয় গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় ব্যবধান বাড়াতে পারছিল না ব্রাজিল।

তবে শেষদিকে দুই বদলি কৌতিনিয়ো এবং হেসুস আরও দুইবার দক্ষিণ কোরিয়ার জাল কাঁপিয়ে ব্রাজিলের বড় জয় নিশ্চিত করেন। নেইমারের বদলি হিসেবে মাঠে নামার মিনিট দুয়েকের মাঝেই বক্সের বাঁ পাশ থেকে অসাধারণ ফিনিশে ম্যাচে ব্রাজিলকে ধরাছোঁয়ার বাইরে নিয়ে যান কৌতিনিয়ো। যোগ করা সময়ে আরেক বদলি হেসুস লক্ষ্যভেদ করে কোরিয়ানদের চূড়ান্তভাবে হতাশ করেন।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।