খুঁজুন
, ,

আজ সন্দ্বীপ উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 30 November, 2019, 9:55 am
আজ সন্দ্বীপ উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন

সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : দীর্ঘ ৮ বছর পর সন্দ্বীপ উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে আজ ৩০ নভেম্বর। এই উপলক্ষে প্রার্থী, নেতা কর্মী ও কাউন্সিলরদের মাঝে উৎসব মুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

কাউন্সিলকে ঘিরে পদ প্রত্যাশীরা ইতিমধ্যে তাদের প্রচারণা শেষ করেছেন, আবার কেউ কেউ উপর মহলের আশির্বাদে পদ পাওয়ার জন্য লবিং করে যাচ্ছে। সেই ক্ষেত্রে বর্তমান সাংসদের অনুসারী প্রার্থীদের সংখ্যায় বেশি বলে কাউন্সিলরদের আশংকা প্রকাশ করছেন শেষ পর্যন্ত সব নিয়ম মাফিক শেষ হবে কিনা।

সম্মেলনে ভোটাভুটির মাধ্যমে নাকি সমঝোতায় নতুন নেতৃত্ব আসছে তা নিয়েও আলোচনার কমতি নেই। তবে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ কমিটির গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পদে নতুন মুখ আসতে পারে বলে দলের কেন্দ্র ও জেলা হাইকমান্ড সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। উৎসবের পাশাপাশি সম্মেলন অনুষ্ঠানে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে ঘিরে কোনো অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটে কি না—এ নিয়ে আতঙ্কে আছেন কেউ কেউ।

দেশের বৃহৎ এ সংগঠনের উপজেলা কমিটির সভাপতি পদে দুই জন সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশীরা সংখ্যা এক ডজনেরও বেশি। পদ প্রত্যাশীদের অনুসারী ও শুভাকাঙ্খিরা পছন্দের প্রার্থীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার-প্রচারণায় সরব রয়েছেন।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে সভাপতি পদে বর্তমান সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মাস্টার শাহজাহান, সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলামকে নিয়ে তৃনমূলের নেতাকর্মীদের আগ্রহ চোখে পড়ার মতো।

সাধারণ সম্পাদক পদ পাওয়ার জন্য যারা লড়ছেন তাদের মধ্যে- উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ – সভাপতি হাজী ফোরকান উদ্দীন আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান মাঈন উদ্দীন মিশন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মো. আলী খসরু, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দীন বেদন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাকসুদুর রহমান খাঁন শাহীন, সাংগঠনিক সম্পাদক মশিউর রহমান বেলাল, দপ্তর সম্পাদক আবু তাহের, জেলা যুবলীগের অর্থ সম্পাদক আতিকুর রহমান ফরহাদ পৌর আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ জামিল ফরহাদ লবিং ও প্রচারণা শেষ করেছেন, মুলত এই পদের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে দুই থেকে তিনজনের মধ্যে।

সর্বশেষ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয় ২০১১ সালে। দীর্ঘ ৮ বছর পর সন্দ্বীপ উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হচ্ছে তাই তৃণমূল নেতাকর্মীদেরও আগ্রহের কমতি নেই। তবে কাউন্সিলে দলীয় আদর্শে বিশ্বাসী ত্যাগী আর নিবেদিতদের স্থান দিতে আহবান জানিয়েছেন তৃণমূল কর্মীরা।

সভাপতি সাধারণ সম্পাদক পদে একাধিক জনের আগ্রহ থাকায় কাউন্সিলরদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত করা হতে পারে এমন ধারণা সকলের।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি থাকবেন সাবেক মন্ত্রী, আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন এমপি। বিশেষ অতিথি থাকবেন উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী এমপি, সাধারণ সম্পাদক এম এ সালাম ও স্থানীয় সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমান মিতা এমপি।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাস্টার শাহজাহান বলেন, দীর্ঘ দিন উপজেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্ব পালন করে আসছি। দলের যেকোন দুঃসময়ে ছিলাম এবং আমৃত্যু থাকবো। যদি তৃনমূলের নেতাকর্মীরা মনে করে আমি থাকলে উপজেলা আওয়ামী লীগের জন্য মঙ্গলজনক হবে তাহলে আমি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার জন্য কাজ করার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সভাপতি পদ প্রত্যাশী সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন ৭৫ পরবর্তী দলের দুঃসময়ে হাল ধরেছিলাম। দলের যেকোন আন্দোলন সংগ্রামে ওতপ্রোত জড়িত ছিলাম। আশা করি দলের নীতিনির্ধাকরা এবং তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আমাকে সভাপতি পদে নির্বাচিত করবেন।

এমপি মন্ত্রীদের উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হওয়ার বিষয়ে বিধি নিষেধ থাকায় সন্দ্বীপের সংসদ সদস্য মাহফুজুর রহমান মিতা সভাপতি পদে আগ্রহী নয় বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘোষণা দিয়েছেন।

এমপি মিতা আরো বলেন, বর্তমান উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মাস্টার শাহজাহান এর নেতৃত্বে উপজেলা আওয়ামী লীগ এখনো পর্যন্ত ঐক্যবদ্ধ আছে। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের বটবৃক্ষ। পুনরায় তিনি সভাপতি হলে উপজেলা আওয়ামী লীগ শক্তিশালী হবে বলে নেতৃস্থানীয়রা মনে করছেন। তাই আমি মনে প্রাণে চাইব মাস্টার শাহজাহান আবারও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হোক। কারণ তিনি আমার পিতার মতো। আগামী দিনে আমরা বাবা ছেলে মিলে উপজেলা আওয়ামী লীগকে সুসংগঠিত করতে কাঁধে কাঁধ রেখে কাজ করে যাব।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।