খুঁজুন
রবিবার, ১২ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মেয়র হজ কাফেলার হজ প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুন, ২০২২, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
মেয়র হজ কাফেলার হজ প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

দেশের ঐতিহ্যবাহী হাজী সেবা প্রতিষ্ঠান মেয়র হজ কাফেলার হাজী সাহেবানদের এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা আজ শনিবার (১১ জুন) বেলা ৩ টায় জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদের নীচ তলায় অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন।

হজের করনীয়ের উপর গুরুত্বপূর্ন বয়ান করেন গরীবউল্ল্যাহ শাহ মসজিদের খতিব বিশিষ্ট ইসলামী গবেষক ও চিন্তাবিদ আলহাজ্ব মাওলানা আনিসুজ্জামান এবং আলহাজ্ব মাওলানা আবুল কাসেম।

সভায় আলেমে দ্বীনগন বলেন, মোহমায়া ত্যাগ করে পরম করুনাময়ের নৈকট্য লাভের আশায় যারা নিজেকে পুরোপুরি সমর্পন করতে পেরেছে তারাই হজ্বের পূর্ণতা নিয়ে ঘরে ফিরতে পেরেছে। মেয়র হজ্ব কাফেলার হজ্ব যাত্রা পবিত্র মদিনা শরীফ দিয়ে শুরু করে হুজুর পাক সাল্লালাহু আলাইহিসালামের দোয়া নিয়ে হজ্বের উদ্দেশ্যে মক্কা শরীফ যাত্রার মধ্যে এক মহান আধ্যাত্নিকতা রয়েছে।

প্রশিক্ষন কর্মশালায় হজ্বের করনীয়ের উপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন বলেন, হজ্ব ইবাদতের ক্যাম্প লাইফ। হাজীগন কঠোর শৃংখলা, ধৈর্য্য, নিয়মানুবর্তিতা এবং শারীরিক ও মানসিক একাগ্রতার মাধ্যমে হজ্বের ইবাদত সম্পন্ন করে থাকেন। হাজীগন হজ্বব্রত পালনের মাধ্যমে যেমন আল্লাহপাক নির্ধারিত একটি ফরজ ইবাদত সম্পন্ন করেন অন্যদিকে হজ্বের সফরে আচার আচরনের মধ্য দিয়ে নিজ দেশের সামাজিক উৎকর্ষতাকেও তুলে ধরতে পারেন। কোন অবস্থাতেই ইবাদতের মগ্ন পরিবেশ যাতে ক্ষুন্ন না হয় সেদিকে খুবই সর্তক থাকতে হবে। সফরের মূল শিক্ষা আপনি পরিবেশের সাথে নিজেকে মানিয়ে নিবেন। পরিবেশকে নিজের অনুকুলে আনতে গিয়ে ইবাদতের বিঘ্ন ঘটাবেন না। মনে রাখতে হবে দেশ থেকে ভিন্নতর আবহাওয়া ও সামাজিক পরিবেশে গিয়ে হজ্বের কাজ সমাধা করতে হবে। হজ্বে এমন কোন কাজকে প্রধান্য দেওয়া যাবে না যেটা হজ্বের মূল ইবাদতকে ব্যাহত করে। আরব দেশের আইন কানুন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবেশকে সম্মান করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, স্বল্পমূল্যে সুশৃঙ্খলভাবে হজ্বের করনীয় পালনে হাজীদের সেবাদানের জন্য চট্টগ্রামের প্রথম নির্বাচিত মেয়র আলহাজ্ব এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী সম্পূর্ন অলাভজনক সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কতিপয় ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণকে নিয়ে মেয়র হজ্ব কাফেলা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

মক্কা ও মদিনায় এবং জমারায় থেকে নির্বিঘ্নে হজ্ব পালনে সহযোগিতা করাই এ প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য। ৩০ বছর ধরে খেদমত করা এ প্রতিষ্ঠানটি এ বছর ২৪৮ জন হাজী নিয়ে মক্কা-মদিনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করবেন। বর্তমানে ৩১নং মুয়াল্লিম এর তত্ত্বাবধানে মক্কা-মদিনায় যাবতীয় সেবা গ্রহণ করবেন মেয়র হজ্ব কাফেলা। দীর্ঘ পথচলায় তাই সৌদি রাজকীয় সরকার বার বার সংস্থাটিকে সম্মাননা প্রদান করেছেন।

সংস্থার অন্যতম পরিচালক আলহাজ্ব আবদুচ ছালাম দেশের উত্তরোত্তর সফলতা ও সমৃদ্ধি কামনা এবং সর্বোপরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু কামনায় হাজী সাহেবানদের কাছে দোয়া কামনা করেন।

প্রশিক্ষন কর্মশালায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্বা হাসিনা মহিউদ্দিন, আলহাজ্ব মো. হাসান, আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, আলহাজ্ব আবদুচ ছালাম, আলহাজ্ব বোরহানুল হাসান চৌধুরী সালেহীন, আলহাজ্ব শহিদুল ইসলাম, আলহাজ্ব সাজ্জাদ হোসেন, আলহাজ্ব মুসা মিরদাদ এবং সংস্থার সিইও আলহাজ্ব একেএম নুরুল আনোয়ার প্রমূখ।

Feb2

দাম বাড়ল ফার্নেস অয়েলের

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
দাম বাড়ল ফার্নেস অয়েলের

ফার্নেস অয়েলের (এইচএফও) দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিইআরসি)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার ফার্নেস অয়েলের দাম ৭০ টাকা ১০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৯৪ টাকা ৬৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ লিটারে দাম বেড়েছে ২৪ টাকা ৫৯ পয়সা। নতুন এই মূল্য রোববার মধ্যরাত ১২টা থেকে কার্যকর হবে।

রোববার জারি করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কমিশন জানায়, বাংলাদেশ জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশন আইন, ২০০৩-এর ধারা ৩৪(৪) ও ৩৪(৬) অনুসারে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি) এবং তেল বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে গণশুনানি শেষে বিস্তারিত পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের আদেশ অনুযায়ী ফার্নেস অয়েলের মূল্য প্রতি তিন মাস অন্তর বা প্রয়োজন অনুযায়ী সমন্বয়ের বিধান রয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের মার্চ মাসে অপরিশোধিত তেল আমদানি না হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে পরিশোধিত ফার্নেস অয়েলের গড় দর এবং মার্কিন ডলারের বিনিময় হার বিবেচনায় নিয়ে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ লক্ষ্যে ১৫ মার্চ একটি কমিটি গঠন করা হয়, যা মার্চ মাসের প্ল্যাটস সূচকভিত্তিক গড় মূল্য এবং বিনিময় হার বিশ্লেষণ করে এপ্রিল মাসের জন্য নতুন মূল্য সুপারিশ করে। পরে ৫ ও ১২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিশন সভায় ওই সুপারিশ পর্যালোচনা করে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।

নতুন দামের ফলে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প খাত এবং বৃহৎ জ্বালানি নির্ভর প্রতিষ্ঠানের ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। বিশেষ করে ফার্নেস অয়েলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে উৎপাদন খরচ বাড়ার প্রভাব শেষ পর্যন্ত ভোক্তা পর্যায়েও পড়তে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা।

ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫১ অপরাহ্ণ
ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

দেশে আপাতত ভোজ্যতেলের দাম বাড়ছে না। রোববার দেশের ভোজ্যতেল সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যালোচনা বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।

তিনি বলেন, দেশের মানুষেরা এ সময় বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে-যুদ্ধ নানা কারণে শঙ্কার মধ্যে আছে। আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হচ্ছে- এরমধ্যে যেন কোনো পণ্যের দাম না বাড়ে। সেটিকে লক্ষ্য হিসেবে নিয়ে আমরা পদক্ষেপ নেব।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ভোজ্যতেল নিয়ে আমরা নিয়মিত বসি। এটি একটি সংবেদনশীল পণ্য। এটির দাম বাড়লে ক্রেতারা নাখোশ হন। এজন্য নিয়মিত বিরতিতে আমরা দেশের তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি, আমদানি পর্যালোচনা করি। তবে এ বৈঠকে দাম বাড়ানোর বিষয়ে এখনো বলার মতো কোন কিছু হয়নি।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ সময় দেশের ভোজ্যতেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার থেকে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়ে রেখেছিল মিলমালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। তার কয়েকদিন আগে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে তারা এ প্রস্তাব দিয়েছিল।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) প্রস্তাবটি যাচাই-বাছাই করে দাম না বাড়ানোর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়।

এদিকে আজ অনুষ্ঠিত দুদফা বৈঠকে দেশের তেল সরবরাহকারীদের দাম না বাড়িয়ে মুনাফা সমন্বয়ের জন্য কিছু বাড়তি সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে কি ধরনের সুবিধা দেওয়া হবে সে বিষয়টি চূড়ান্ত হয়নি।

সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবির ঘটনায় মঈনকে প্রধান আসামি করে মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ৩:৩০ অপরাহ্ণ
সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবির ঘটনায় মঈনকে প্রধান আসামি করে মামলা

রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি (সিকেডি) হাসপাতালে চাঁদা দাবির ঘটনায় সাবেক যুবদল নেতা মঈন উদ্দিনকে (মঈন) এক নম্বর আসামি করে মামলা দায়ের করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (১১ এপ্রির) রাতে সিকেডি হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার ইনচার্জ মো. আবু হানিফ সাবেক যুবদল নেতা মঈনকে প্রধান আসামি করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় সাত থেকে আট জনকে আসামি করে শেরেবাংলা নগর থানায় তিনি এই মামলা দায়ের করেছেন।

রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তেজগাঁও বিভাগের শেরে বাংলা নগর জোনের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) আক্কাস আলী। তিনি বলেন, হাসপাতালে চাঁদাবাজির ঘটনায় একজনের নাম উল্লেখ ও আরও ৭/৮ জনকে অজ্ঞাত উল্লেখ করে মামলা নেওয়া হয়েছে। জড়িতদের গ্রেপ্তারে আমাদের টিম কাজ করছে।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেছেন, মঈন ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করে আসছে। দাবি করা চাঁদা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে আসামিরা আমাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১০ এপ্রিল সকালে শেরেবাংলা নগর থানাধীন শ্যামলী ৩ নম্বর রোডে আমার বাসার সামনে এসে দরজা খুলতে বলে। আমার স্ত্রী দরজা খুলে দিলে আসামি মঈন আমার স্ত্রীকে বলে যে, চাঁদা বাবদ এখনই তাদেরকে ৫ লাখ টাকা দিতে হবে। টাকা না দিলে আমাকেসহ আমার স্ত্রীর বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিসাধন করার হুমকি দেয়। আমার স্ত্রী আসামিদের চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করাসহ চিল্লাচিল্লি শুরু করে। এ সময় আমি আসামিদের উপস্থিতি টের পেয়ে বাসার অন্য একটি রুমে অবস্থান করি এবং পরিস্থিতির অবনতি আশঙ্কা করে হাসপাতালে অবস্থানরত আমার ছোট ভাই মো. মনির তালুকদারকে (৩৫) দ্রুত বাসায় আসার জন্য ফোন করি। পরবর্তীতে আমার ভাই বাসায় পৌঁছালে আসামি মঈনসহ অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জন আসামি ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে আরও লোকজন জড়ো করতে থাকে। একপর্যায়ে তারা প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জন লোক সমবেত করে সিকেডি হাসপাতালের সামনে এসে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা করে। তারা হাসপাতালের সামনে অবস্থান নিয়ে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করে, উচ্চস্বরে স্লোগান দেয়, গালাগালি করে এবং পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা চালায়।

আরো উল্লেখ করা হয়, এমনকি তারা সিকেডি হাসপাতালের মালিক মো. কামরুল ইসলামকে উদ্দেশ করে বলে ‘কামরুলের দুই গালে জুতা মারো’ এবং ‘কামরুলের পিঠের চামড়া তুলে নেব’ মর্মে হুমকি সূচক স্লোগান দিতে থাকে। এছাড়াও তারা অকথ্য ভাষায় গালাগালি করে এবং পুরো ঘটনাটিকে পরিকল্পিতভাবে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে তারা মেডিকেলের ইমার্জেন্সি ডিপার্টমেন্টের সামনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করে, যার ফলে হাসপাতালের স্বাভাবিক পরিবেশ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। উক্ত ঘটনার বিষয়ে আমি শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশকে সংবাদ দিলে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে হাজির হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।