খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মেয়র হজ কাফেলার হজ প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুন, ২০২২, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
মেয়র হজ কাফেলার হজ প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

দেশের ঐতিহ্যবাহী হাজী সেবা প্রতিষ্ঠান মেয়র হজ কাফেলার হাজী সাহেবানদের এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা আজ শনিবার (১১ জুন) বেলা ৩ টায় জমিয়াতুল ফালাহ জাতীয় মসজিদের নীচ তলায় অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন।

হজের করনীয়ের উপর গুরুত্বপূর্ন বয়ান করেন গরীবউল্ল্যাহ শাহ মসজিদের খতিব বিশিষ্ট ইসলামী গবেষক ও চিন্তাবিদ আলহাজ্ব মাওলানা আনিসুজ্জামান এবং আলহাজ্ব মাওলানা আবুল কাসেম।

সভায় আলেমে দ্বীনগন বলেন, মোহমায়া ত্যাগ করে পরম করুনাময়ের নৈকট্য লাভের আশায় যারা নিজেকে পুরোপুরি সমর্পন করতে পেরেছে তারাই হজ্বের পূর্ণতা নিয়ে ঘরে ফিরতে পেরেছে। মেয়র হজ্ব কাফেলার হজ্ব যাত্রা পবিত্র মদিনা শরীফ দিয়ে শুরু করে হুজুর পাক সাল্লালাহু আলাইহিসালামের দোয়া নিয়ে হজ্বের উদ্দেশ্যে মক্কা শরীফ যাত্রার মধ্যে এক মহান আধ্যাত্নিকতা রয়েছে।

প্রশিক্ষন কর্মশালায় হজ্বের করনীয়ের উপর বক্তব্য রাখতে গিয়ে আলহাজ্ব খোরশেদ আলম সুজন বলেন, হজ্ব ইবাদতের ক্যাম্প লাইফ। হাজীগন কঠোর শৃংখলা, ধৈর্য্য, নিয়মানুবর্তিতা এবং শারীরিক ও মানসিক একাগ্রতার মাধ্যমে হজ্বের ইবাদত সম্পন্ন করে থাকেন। হাজীগন হজ্বব্রত পালনের মাধ্যমে যেমন আল্লাহপাক নির্ধারিত একটি ফরজ ইবাদত সম্পন্ন করেন অন্যদিকে হজ্বের সফরে আচার আচরনের মধ্য দিয়ে নিজ দেশের সামাজিক উৎকর্ষতাকেও তুলে ধরতে পারেন। কোন অবস্থাতেই ইবাদতের মগ্ন পরিবেশ যাতে ক্ষুন্ন না হয় সেদিকে খুবই সর্তক থাকতে হবে। সফরের মূল শিক্ষা আপনি পরিবেশের সাথে নিজেকে মানিয়ে নিবেন। পরিবেশকে নিজের অনুকুলে আনতে গিয়ে ইবাদতের বিঘ্ন ঘটাবেন না। মনে রাখতে হবে দেশ থেকে ভিন্নতর আবহাওয়া ও সামাজিক পরিবেশে গিয়ে হজ্বের কাজ সমাধা করতে হবে। হজ্বে এমন কোন কাজকে প্রধান্য দেওয়া যাবে না যেটা হজ্বের মূল ইবাদতকে ব্যাহত করে। আরব দেশের আইন কানুন, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক পরিবেশকে সম্মান করতে হবে।

তিনি আরো বলেন, স্বল্পমূল্যে সুশৃঙ্খলভাবে হজ্বের করনীয় পালনে হাজীদের সেবাদানের জন্য চট্টগ্রামের প্রথম নির্বাচিত মেয়র আলহাজ্ব এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী সম্পূর্ন অলাভজনক সেবামূলক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কতিপয় ধর্মপ্রাণ মুসলমানগণকে নিয়ে মেয়র হজ্ব কাফেলা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

মক্কা ও মদিনায় এবং জমারায় থেকে নির্বিঘ্নে হজ্ব পালনে সহযোগিতা করাই এ প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য। ৩০ বছর ধরে খেদমত করা এ প্রতিষ্ঠানটি এ বছর ২৪৮ জন হাজী নিয়ে মক্কা-মদিনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা করবেন। বর্তমানে ৩১নং মুয়াল্লিম এর তত্ত্বাবধানে মক্কা-মদিনায় যাবতীয় সেবা গ্রহণ করবেন মেয়র হজ্ব কাফেলা। দীর্ঘ পথচলায় তাই সৌদি রাজকীয় সরকার বার বার সংস্থাটিকে সম্মাননা প্রদান করেছেন।

সংস্থার অন্যতম পরিচালক আলহাজ্ব আবদুচ ছালাম দেশের উত্তরোত্তর সফলতা ও সমৃদ্ধি কামনা এবং সর্বোপরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু কামনায় হাজী সাহেবানদের কাছে দোয়া কামনা করেন।

প্রশিক্ষন কর্মশালায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্বা হাসিনা মহিউদ্দিন, আলহাজ্ব মো. হাসান, আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু, আলহাজ্ব আবদুচ ছালাম, আলহাজ্ব বোরহানুল হাসান চৌধুরী সালেহীন, আলহাজ্ব শহিদুল ইসলাম, আলহাজ্ব সাজ্জাদ হোসেন, আলহাজ্ব মুসা মিরদাদ এবং সংস্থার সিইও আলহাজ্ব একেএম নুরুল আনোয়ার প্রমূখ।

Feb2

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ১০০ দিন-জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

সুপার সাব মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। বুধবার ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হারিয়েছে নেপালকে।

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর টানা তৃতীয়বার ফাইনালে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগের দু’বার এই নেপালকে হারিয়েই হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এবার চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক করার মিশন বাংলাদেশের সামনে।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে দুই বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও সাগরিকার চমৎকার বোঝাপড়ায় লিড নেয় বাংলাদেশ। ডান দিক দিয়ে ঢুকে শামসুন্নাহার বল ফেলেন গোলমুখে। কোনো ভুল করেননি সাগরিকা। নেপালের এক ডিফেন্ডার তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও পারেনি। বল ঠেলে দেন জালে। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। বাকি কয়েক মিনিট ওই লিড ধরে রেখে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা উঠে যায় ফাইনালে। এই নিয়ে বাংলাদেশ টানা তিনবার উঠলো সাফের ফাইনালে।

২৩ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তারপর সমতায় ফেরে ইনজুরি সময়ে প্রথম মিনিটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে করা গোলে স্বস্তি ফিরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েদের ডাগআউটে। ডানপ্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার নেওয়া অসাধারণ কর্নার কিকটি হাতে লাগিয়েছিলেন নেপালের গোলরক্ষক। তবে থামাতে পারেননি। গোলরক্ষকের হাত হয়ে বল চলে যায় জালে।

দিপা শাহীর কর্নার হাতে লাগিয়েও ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি মিলি আক্তার। বল চয়ে যায় একটু ফাঁকায় দাড়ানো গিতা রানার কাছে। তিনি সুযোগ বুঝে বলটি পাঠিয়ে দেন জালে। ম্যাচের প্রথম লিড নিয়েছিল নেপাল।

৩৬ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে প্রীতি রানীর নেওয়া শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে ক্রসবার হয়ে ফিরে আসলে বাংলাদেশ বেঁচে যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম অর্ধ।

কোচ পিটার বাটলার ৪০ মিনিটে দুটি পরিবর্তন করেন। সুরভী আকন্দ প্রীতির জায়গায় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও উমেহলা মারমার জায়গায় তহুরা খাতুনকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। শেষ দিকে আনিকাকে উঠিয়ে কোচ মাঠে নামান সাগরিকা। সেই সাগরিকাই বাংলাদেশকে ভাসান ফাইনালে ওঠার আনন্দে।

নেপালকে ফাইনালে হারিয়ে গত দুটি সাফের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের লড়াইও জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নও টিকে থাকলো।

৪৭ মিনিটে বাংলাদেশ গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ভুলে শট নিয়েছিলেন রেখা পাউদেল। তবে তার শট পোস্টে লেগে ফিরলে আবার বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে বদলি সাগরিকার শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন নেপালের গোলরক্ষক আনজিলা।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের কাছে টানা তিন ম্যাচ হারলো নেপাল। তবে ভুটানের রেফারি ৬ মিনিটের ইনজুরি সময়ের খেলা চালিয়েছেন ১৩ মিনিটের মতো।

বাংলাদেশ একাদশ

মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, শামসুন্নাহার, কোহাতি কিসকু, মমিতা খাতুন (মনিকা চাকমা, ৪৬ মিনিট), মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী (সাগরিকা), উমেহলা মারমা (তহুরা খাতুন, ৪০ মিনিট), সুরভী আকন্দ প্রীতি (শামসুন্নাহার জুনিয়র, ৪০ মিনিট), সুরভী আক্তার আরফিন ও ঋতুপর্ণা চাকমা।

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের ষষ্ঠ তলায় কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি।

নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

এর আগে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছে।

তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।

সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।