খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মিরসরাইয়ে দিন দুপুরে গরু চুরি;জনতার হাতে গরু সহ চোর আটক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ জুন, ২০২২, ৬:৩৬ অপরাহ্ণ
মিরসরাইয়ে দিন দুপুরে গরু চুরি;জনতার হাতে গরু সহ চোর আটক

মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : মিরসরাইয়ে গরু চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় জনতার হাতে এক গরু চোর আটক হয়েছে। বুধবার (১৫ জুন) দুপুরে উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের উত্তর দুর্গাপুর (তেমুহানী) এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। আটককৃত গরু চোর মো. আব্দুল মান্নান (২৫) উপজেলার কাটাছরা ইউনিয়নের মধ্যম কাটাছরা গ্রামের মো. হানিফের ছেলে।

স্থানীয় এস এম সেলিম জানান, বুধবার দুপুরে উত্তর দুর্গাপুর (তেমুহানি) গ্রাম দিয়ে একটি গরু নিয়ে যাওয়ার সময় সন্দেহ হলে স্থানীয়রা আব্দুল মান্নানকে গরু নেওয়ার বিষয়ে জিজ্ঞাসা করে। এসময় আবদুল মান্নান কোন সদুত্তোর দিতে পারেনি। গরু খুঁজতে খুঁজতে কিছুক্ষনের মধ্যে ঘটনাস্থলে এসে হাজির হন মালিক উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের পূর্ব রায়পুর এলাকার মো. নুরুল আমিন। এসময় তিনি গরুটি নিজের বলে নিশ্চিত করেন। এসময় উপস্থিত জনতা মান্নানকে গণধোলায় দিয়ে ৯৯৯ কল দেয়।

এরপর জোরারগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আব্দুল মান্নানকে ও গরু উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

গরুর মালিক নুরুল আমিন বলেন, আমি সকালে বাড়ির পাশের মাঠে ঘাস খাওয়ার জন্য গরু বেঁধে আসি। দুপুরে গরু দেখতে মাঠে যান আমার স্ত্রী। এসময় সে দেখে এক ব্যক্তি দ্রুত গরুটি নিয়ে চলে যাচ্ছে। পরবর্তীতে আমাকে ফোন দেওয়ার পর আমি পেছন পেছন গিয়ে তেমুহানী এলাকায় গিয়ে গরুটি পাই। স্থানীয় এলাকাবাসীদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি গরুটি উদ্ধার করে দেওয়া। আমি চাই গরু চোরকে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হোক।

জোরারগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রতন কান্তি দে জানান, ৯৯৯ এ কল পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে গরু সহ চোরকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। এ ঘটনায় গরুর মালিক নুরুল আমিন বাদি হয়ে থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন। মালিককে গরু বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, আটককৃত মান্নান আন্তঃজেলা চোর চক্রের সাথে জড়িত কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…