১১ যুবক নিহতের ঘটনায় হাটহাজারীতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে

চলন্ত ট্রেনের ধাক্কায় কেটে নিলো টগবগে তাজা এগারোটি প্রাণ। মুহূর্তেই খালি হলো ১১ মায়ের বুক। চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে পর্যটকবাহী মাইক্রোবাসে চলন্ত ট্রেনের ধাক্কায় হাটহাজারীর ১১ যুবক নিহত হয়েছে। এতে আহত হয়েছেন আরও ৬ জন। ধারণা করা হচ্ছে আহত-নিহতরা সবাই মিরসরাইয়ের খৈয়াছড়া ঝর্ণা দেখতে গিয়েছিল। নিহত আহতদের বাড়ি চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার চিকনদন্ডি ইউনিয়ন আমানবাজার এলাকায়।
২৯ জুলাই (শুক্রবার) দুপুরে চট্টগ্রাম মিরসরাইয়ে এদুর্ঘটনা ঘটেছে বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শীরা। চট্ট-মেট্রো-চ ৫১-২৩৫০ নম্বার মাইক্রোবাস পর্যটকদের বহন করছিল।
এনিয়ে বইছে পুরো হাটহাজারী এলাকায় শোকের ছায়া। মৃত্যুর খবরে স্বজনরা আহাজারি করছে। মিরসরাইয়ে উদ্দেশ্যে হাটহাজারী থেকে ছেড়ে যাওয়ার আগ মুহূর্তে এ ছবিটি এখন শুধুই স্মৃতি। পরিবার-পরিজন, এলাকাবাসীরা অজরে কাঁদছে তাদের স্মৃতিচারণ করছে।
চিকনদন্ডি ইউপি চেয়ারম্যান হাসানুজ্জামান বাচ্চু বলেন, আমরা আহত নিহতদের পরিবারে আসছি। শোকের এ মাতমে কাউকে সান্ত¡না দেওয়ার ভাষা আমার জানা নেই। নিজের চোখের পানিও ঝরছে অঝরে। একটু সাবধানতা অবলম্বন করলে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটত না।

এঘটনায় নিহত হয়েছেন, মারুফ (১৮), সজিব (২২), রিদুয়ান (১৯), জিসান (১৯), হিসাম (২১),হাসান (১৮), সৈকত (১৮), তাসমির (১৮), হাসান (১৯), আয়াত (১৮), রাকিব (১৮) এবং আহতদের হসপিটালে ভর্তি করানো হয়েছে।
আহতদের মধ্যে আরো একজন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনার পর মারা গেছেন। সর্ব মোট ১২ জন মারাগেছেন।
পাঁচলাইশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাদেকুর রহমান বলেন, মিরসরাইয়ে দুর্ঘটনায় আহত ছয়জনকে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।

তারা হলো- মাইক্রো বাসের হেলপার তৌকিদ ইবনে শাওন (২০), তছমির পাবেল (১৬), মাহিম (১৮), সৈকত (১৮), তানভীর হাসান হৃদয় (১৮) ও ইমন (১৯)। নিহতের ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে তাদের স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হবে।
জে-আর


আপনার মতামত লিখুন