খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএনপি কর্মী ভেবে পুলিশ সদস্যকে পেটালেন ওসি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
বিএনপি কর্মী ভেবে পুলিশ সদস্যকে পেটালেন ওসি

বিএনপির কর্মী ভেবে প্রকাশ্যে রাস্তায় জেলা বিশেষ শাখা (ডিএসবি) কনস্টেবল আবুল বাশারকে পেটালেন মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন।

বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) সকাল ১১টার দিকে মৌলভীবাজার পৌর শহরের চৌহমুনায় এই ঘটনাটি ঘটে।

জানা গেছে, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজের প্রতিবাদে ও তার মুক্তির দাবিতে মৌলভীবাজার চৌমূহনা থেকে সকাল ১০টায় বিএনপির মিছিল হওয়ার কথা ছিল। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দায়িত্ব পালন করতে চৌমূহনা এলাকায় আসেন ডিএসবি সদস্য আবুল বাশার। এসময় মডেল থানার এসআই তাপসের নেতৃত্বে একদল পুলিশ চৌমূহনায় দায়িত্ব পালনরত ছিল।

বেলা ১১টার দিকে বিএনপির ১৫-২০ জন লোক জড়ো হয়েছিল রাস্তায়। এমন সময় আবুল বাশার দায়িত্ব পালন করছিলেন চৌমূহনায়। পুলিশের ড্রেস পরিহিত অবস্থায় মডেল থানার ওসি আলমঙ্গীর হোসেন ডিএসবি সদস্য আবুল বাশারকে পিছন দিক থেকে এসে পিটাতে থাকেন বিএনপি কর্মী বলে।

ডিএসবি সদস্য আবুল বাশার বলেন, সকালে আমি অফিসে আসার পর পুলিশ সুপার স্যারের নির্দেশে ডিআইও-১ আবু তাহের স্যারের সঙ্গে চৌমূহনা পয়েন্টে যাই গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ ও ছবি তুলতে। ঘটনার সময় আমি যখন ছবি তুলতে যাই হঠাৎ করে পেছন দিক থেকে আমাকে ড্রেস পরিহিত অবস্থায় আক্রমণ করেন ওসি। তখন তাকে বলি যে আমি ডিএসবি সদস্য। এরপরও তিনি আমাকে মাথায় আঘাত করেন।

এ সময় মডেল থানার এসআই তাপস বলেন আমার উদ্দেশে বলেন, ‘পুলিশের লোক হলে কী হবে? ডিএসবির লোক কিছু করতে পারবে না। ডিএসবি অফিস একটি বাজে অফিস’।

অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত এসআই তাপস বলেন, ‘ওসি স্যারের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে ডিএসবি সদস্যের’। তবে তিনি মন্তব্যের বিষয়টি অস্বীকার করেন।

মৌলভীবাজার মডেল থানার ওসি আলমঙ্গীর হোসেন জানান, ছত্রভঙ্গ করতে অজান্তে ঘটনাটি ঘটেছিল। বিষয়টি নিয়ে কথা বলা লজ্জার।

এ বিষয়ে নিয়ে পুলিশ সুপার ফারুক আহমদ সাংবাদিকদের জানান, রাজনৈতিক একটা কর্মসূচি ছিল। সেটি ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ ব্যবস্থা নিতে গিয়েছিল। সেখানে নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে।

Feb2

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…

অস্ত্র মামলায় ফয়সাল করিমের ১০ বছরের কারাদণ্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৫৪ অপরাহ্ণ
অস্ত্র মামলায় ফয়সাল করিমের ১০ বছরের কারাদণ্ড

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফয়সাল করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদকে অস্ত্র আইনের মামলায় দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মাহমুদুল মোহসীন এ রায় ঘোষণা করেন। গত রোববার মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে আদালত রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন। মামলায় ফয়সাল করিম পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি রয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৭ নভেম্বর আদাবরের বায়তুল আমান হাউজিং সোসাইটির একটি ফ্ল্যাটে অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব-২। তখন পালানোর চেষ্টাকালে ফয়সাল করিমকে আটক করা হয়। তার বাসায় তল্লাশি চালিয়ে চার রাউন্ড গুলিসহ বিদেশি পিস্তল উদ্ধার করে র‌্যাব।

এ ঘটনায় পরদিন আদাবর থানায় ফয়সাল করিমের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেন র‌্যাবের হাবিলদার মশিউর রহমান।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ফয়সাল করিম এলাকার চিহ্নিত অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ এবং মাদক কেনাবেচার হোতা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে সংঘবদ্ধভাবে চাঁদাবাজি, খুন-জখম এবং জমি দখলসহ সন্ত্রাসী কার্যক্রমের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। অপরাধ সংঘটনের জন্য অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র নিজের কাছে রেখেছিলেন।

তদন্ত শেষে ফয়সাল করিমকে অভিযুক্ত করে গত বছরের ২৮ মার্চ আদাবর থানার উপ-পরিদর্শক জাহিদ হাসান আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ১৪ জনের মধ্যে ১৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

গত বছরের ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ফয়সাল করিম এ মামলায় জামিনে ছিলেন। এরপর ওসমান হাদি হত্যার ঘটনার পর থেকে তাকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। এর মধ্যে গত মাসে তিনি ভারতে গ্রেপ্তার হয়েছেন।

ভারত থেকে ২০০ ব্রডগেজ কোচের ক্যারেজ রেলের বহরে যুক্ত হবে : রেলমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ণ
ভারত থেকে ২০০ ব্রডগেজ কোচের ক্যারেজ রেলের বহরে যুক্ত হবে : রেলমন্ত্রী

২০২৬ সাল থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর নাগাদ ২০০টি ব্রডগেজ ক্যারেজ বাংলাদেশ রেলওয়ের বহরে যুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন রেলপথ, সড়ক ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে ১২তম দিন টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নোত্তরে তিনি এ তথ্য জানান।

ফরিদপুর-১ সংসদ সদস্য মো. ইলিয়াস মোল্লা লিখিত প্রশ্ন রেখে বলেন, ঢাকা-কমলাপুর থেকে ফরিদপুর-রাজবাড়ী হয়ে মধুখালি, বোয়ালমারী দিয়ে গোপালগঞ্জ পর্যন্ত কোনো রেলগাড়ি পরিচালনা করার পরিকল্পনা আছে কিনা?

জবাবে শেখ রবিউল আলম বলেন, বাংলাদেশ রেলওয়ের অধীনে এই বছরে ইউরোপিয়ান ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকের অর্থায়নে ভারত থেকে ২০০ ব্রডগেজ কোচের সরবরাহ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। প্রকল্পের আওতায় ২০২৬ সালের জুন থেকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর নাগাদ ২০০টি ব্রডগেজ ক্যারেজ বাংলাদেশ রেলওয়ে বহরে যুক্ত হবে মর্মে আশা করা যায়। ক্যারেজগুলো সরবরাহ পাওয়া সাপেক্ষে নতুন ট্রেন পরিচালনার বিষয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে রুট নির্ধারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে রেলপথ মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে বনলতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ঢাকা পর্যন্ত চলাচল করছে। তাছাড়া আন্তঃনগর চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাটল-২-এর মাধ্যমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে রাজশাহী এসে আন্তঃনগর পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে করে ঢাকা পর্যন্ত যাতায়াত করার সুবিধা রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়ের পশ্চিমাঞ্চলে ইঞ্জিন, কোচ ও ক্রুর অভাবে ১৯টি মেইল/কমিউটার ও ২১টি লোকাল ট্রেন চলাচল বন্ধ আছে এবং প্রতিদিন ৭/৮টি মালবাহী ট্রেন পুশব্যাক হচ্ছে।