খুঁজুন
শনিবার, ২রা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৯শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনায় আ.লীগ অফিসে বিস্ফোরণ, আইএস’র দায় স্বীকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর, ২০১৯, ১:৫৫ অপরাহ্ণ
খুলনায় আ.লীগ অফিসে বিস্ফোরণ, আইএস’র দায় স্বীকার

-দায়-স্বীকার

খুলনার খানজাহান আলী ‘শিরোমণি আওয়ামী লীগ অফিসে বোমা বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেছে আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)।

সোমবার (১ অক্টোবর) রাতে জঙ্গি তৎপরতা পর্যবেক্ষণকারী মুনাফাভিত্তিক মার্কিন ওয়েবসাইট ‘সাইট ইন্টেলিজেন্স’ এ রিতা কাটজ তার অফিসিয়াল টুইটার একাউন্টে বলেন, দেশের তৃতীয় বৃহত্তম শহর খুলনায় আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে আইএস। যা চলতি বছরে আইএসের ষষ্ঠ হামলা এবং ঢাকার বাইরে প্রথম আক্রমণ।

৩০ সেপ্টেম্বর সোমবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে খুলনা নগরের শিরোমণিতে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে কেউ হতাহত হননি। পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আলামত পর্যবেক্ষণ করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, এখানে ককটেল জাতীয় কিছু বিস্ফোরণ হয়েছে।

খানজাহান আলী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আবিদ হোসেন বিস্ফোরণের অল্প সময় আগে ওই কার্যালয় থেকে বেরিয়ে যান। তিনি বের হয়ে যাওয়ার পর কার্যালয়ে আর কেউ ছিলেন না।

দলীয় কার্যালয়ের মধ্যে অবস্থান করা সুমন জানান, প্যান্ট পরিহিত মধ্য বয়েসের এক ব্যক্তি দলীয় কার্যালয়ের মধ্যে একটি ব্যাগ রাখেন। এ সময় তাকে জিজ্ঞাসা করি, ব্যাগের মধ্যে কী আছে? তিনি জানান, কলা আছে। এরপর টয়লেট করার কথা বলে চলে যান। এর কিছু সময় পরই বিস্ফোরণ ঘটে। আওয়ামী লীগ অফিসটি বন্ধ থাকায় হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। বিস্ফোরণের পর পরই এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রিমোর্ট কন্ট্রোলের সাহায্যে শক্তিশালী বোমাটির বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। বোমা হামলার স্থলটি ঘেরাও করে রেখেছে পুলিশের ক্রাইমসিন ইউনিট।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (নর্থ) মোল্লা জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, শিরোমনি এলাকায় আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সন্ধ্যায় এক ব্যক্তি একটি ব্যাগ রেখে চলে যান। এর ১০ মিনিট পর বিকট শব্দে ব্যাগের মধ্যে থাকা বোমা বিস্ফোরিত হয়।

Feb2

দেশেই লন্ডন-ইউরোপের মতো স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ১:৩৯ অপরাহ্ণ
দেশেই লন্ডন-ইউরোপের মতো স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী

সরকার দেশেই লন্ডন ও ইউরোপের মতো স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে চায় বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (২ মে) সিলেটের চাঁদনীঘাট এলাকায় সুধী সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

জলাবদ্ধতার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতি বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতা রোধে ও শুষ্ক মৌসুমে পানি ধরে রাখার জন্য খাল খনন কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা মাটির নিচ থেকে পানি তুলছি, কৃষিকাজের জন্যও পানি তুলছি। এটি ধীরে ধীরে ভয়াবহ অবস্থার দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হলে আমাদের প্রথম কাজটি হচ্ছে খাল খনন।

তারেক রহমান বলেন, বর্তমান সরকারের বয়স আড়াই মাসের মতো। এরই মধ্যে আমরা দেশের মানুষের সামনে যেসব প্রতিশ্রুতি উপস্থাপন করেছিলাম সেগুলো বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি।

তিনি বলেন, সিলেটের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতাল দ্রুত চালু করে এক হাজার ২০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। মানুষকে শারীরিকভাবে সুস্থ রাখাই মানুষের লক্ষ্য।

এ সময় ঢাকা-সিলেট রেললাইন ডাবল লেনে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। একই সঙ্গে কর্মসংস্থান বৃদ্ধিসহ অর্থনীতির ভিত্তি মজবুত করতে বন্ধ কল কারখানা চালু করারও আশ্বাস দেন তিনি।

এর আগে শনিবার সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটে সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে সরকারপ্রধান। এক দিনের এই সফরে সঙ্গে রয়েছেন স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।

দিনের কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যা ৭টায় ঢাকার উদ্দেশে সিলেট ত্যাগ করার কথা রয়েছে তারেক রহমানের।

ইরানে বোমা অপসারণের সময় বিস্ফোরণে ১৪ আইআরজিসি সদস্য নিহত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ণ
ইরানে বোমা অপসারণের সময় বিস্ফোরণে ১৪ আইআরজিসি সদস্য নিহত

ইরানের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলীয় শহর জানজানে একটি অবিস্ফোরিত বোমা অপসারণের সময় হঠাৎ করেই সেটি বিস্ফোরিত হয়েছে। এত নিহত হয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিজাত শাখা ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) ১৪ জন সদস্য এবং আহত হয়েছেন আরও ২ জন।

আইআরজিসির আনসার আল মাহদি ইউনিট এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়ে বলেছে, বিস্ফোরিত বোমাটি কী ধরনের— তা শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। নিহতরা সবাই সেই ইউনিটের সবচেয়ে অভিজ্ঞ এবং বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের সদস্য ছিলেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।

জানজান শহরে যে এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটেছে— সেখানে বেশ কিছু ক্লাস্টার বোমা এবং এয়ার-ড্রপড মাইন রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত ২৮ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় ওই এলাকায় বেশ কিছু বোমা ফেলেছিল মার্কিন বিমানবাহিনী— যেগুলো অবিস্ফোরিত থেকে গেছে।

টানা ৪০ দিন যুদ্ধের পর গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। জানজান শহরের ঘটনাকে চলমান যুদ্ধবিরতি পরিস্থিতিতে আইআরজিসির সবচেয়ে বড় ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা বলে উল্লেখ করা হয়েছে ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলোতে।

যুদ্ধবিরতির পর থেকেই দেশের বিভিন্ন স্থানে অবিস্ফোরিত বোমার অনুসন্ধান এবং সেগুলো নিষ্ক্রিয় করার কাজ শুরু করে রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের সদস্যরা। আইআরজিসির তথ্য অনুসারে, এ পর্যন্ত ১৫ হাজারেরও বেশি অবিস্ফোরিত বোমা নিষ্ক্রিয় করেছে বাহিনীর বোমা বিশেষজ্ঞ টিম।

জিয়াউর রহমান সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন: রাষ্ট্রপতি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২ মে, ২০২৬, ১০:১৮ পূর্বাহ্ণ
জিয়াউর রহমান সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সর্বপ্রথম এ দেশের মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, পাহাড়-সমতল প্রত্যেক নাগরিকের নিজস্ব সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্যকে সংহত করে সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া তা সমুন্নত রাখেন। জাতির যা কিছু সাফল্য, অর্জন তা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার।

শুক্রবার (১ মে) বিকেলে বঙ্গভবনে শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বিশিষ্ট ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে রাষ্ট্রপতি এসব কথা বলেন।

শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিজন কান্তি সরকার, বিভিন্ন রাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত, বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রধান আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারের প্রধান পুরোহিত ধর্মপ্রিয় মহাথের, বৌদ্ধ ধর্মের অন্যান্য সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।

রাষ্ট্রপতি এ সময় বিশ্বের সব বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, গৌতম বুদ্ধের মানবতা, সাম্য ও অহিংসার বাণী বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় আজও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বর্তমান সরকার ‘ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার’− মূলনীতির ভিত্তিতে প্রত্যেক নাগরিকের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। তিনি এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে পারস্পরিক সৌহার্দ ও সম্প্রীতি বজায় রেখে একটি সমতাভিত্তিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও মানবিক রাষ্ট্র গঠনে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সর্বপ্রথম এ দেশের মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, পাহাড়-সমতল প্রত্যেক নাগরিকের নিজস্ব সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্যকে সংহত করে সবাইকে ‘বাংলাদেশি’ পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া তা সমুন্নত রাখেন।’ তিনি আরও বলেন, জাতির যা কিছু সাফল্য, অর্জন তা ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার।

রাষ্ট্রপতি এ সময় বর্তমান বৈশ্বিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতি ও যুদ্ধ-সংঘাতের প্রেক্ষাপটে সবাইকে ধৈর্য্য, সংযম এবং জাতীয় ঐক্য বজায় রাখার উদাত্ত আহ্বান জানান।

পরে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও তার সহধর্মিণী ড. রেবেকা সুলতানা আগত অতিথিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, ধর্ম সচিব ও রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।