খুঁজুন
বুধবার, ১৭ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনায় আ.লীগ অফিসে বিস্ফোরণ, আইএস’র দায় স্বীকার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর, ২০১৯, ১:৫৫ অপরাহ্ণ
খুলনায় আ.লীগ অফিসে বিস্ফোরণ, আইএস’র দায় স্বীকার

-দায়-স্বীকার

খুলনার খানজাহান আলী ‘শিরোমণি আওয়ামী লীগ অফিসে বোমা বিস্ফোরণের দায় স্বীকার করেছে আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)।

সোমবার (১ অক্টোবর) রাতে জঙ্গি তৎপরতা পর্যবেক্ষণকারী মুনাফাভিত্তিক মার্কিন ওয়েবসাইট ‘সাইট ইন্টেলিজেন্স’ এ রিতা কাটজ তার অফিসিয়াল টুইটার একাউন্টে বলেন, দেশের তৃতীয় বৃহত্তম শহর খুলনায় আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে আইএস। যা চলতি বছরে আইএসের ষষ্ঠ হামলা এবং ঢাকার বাইরে প্রথম আক্রমণ।

৩০ সেপ্টেম্বর সোমবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে খুলনা নগরের শিরোমণিতে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে কেউ হতাহত হননি। পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আলামত পর্যবেক্ষণ করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, এখানে ককটেল জাতীয় কিছু বিস্ফোরণ হয়েছে।

খানজাহান আলী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আবিদ হোসেন বিস্ফোরণের অল্প সময় আগে ওই কার্যালয় থেকে বেরিয়ে যান। তিনি বের হয়ে যাওয়ার পর কার্যালয়ে আর কেউ ছিলেন না।

দলীয় কার্যালয়ের মধ্যে অবস্থান করা সুমন জানান, প্যান্ট পরিহিত মধ্য বয়েসের এক ব্যক্তি দলীয় কার্যালয়ের মধ্যে একটি ব্যাগ রাখেন। এ সময় তাকে জিজ্ঞাসা করি, ব্যাগের মধ্যে কী আছে? তিনি জানান, কলা আছে। এরপর টয়লেট করার কথা বলে চলে যান। এর কিছু সময় পরই বিস্ফোরণ ঘটে। আওয়ামী লীগ অফিসটি বন্ধ থাকায় হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। বিস্ফোরণের পর পরই এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রিমোর্ট কন্ট্রোলের সাহায্যে শক্তিশালী বোমাটির বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছে। বোমা হামলার স্থলটি ঘেরাও করে রেখেছে পুলিশের ক্রাইমসিন ইউনিট।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (নর্থ) মোল্লা জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, শিরোমনি এলাকায় আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সন্ধ্যায় এক ব্যক্তি একটি ব্যাগ রেখে চলে যান। এর ১০ মিনিট পর বিকট শব্দে ব্যাগের মধ্যে থাকা বোমা বিস্ফোরিত হয়।

Feb2

চট্টগ্রামের বাজারে অনুমোদনহীন ওজন কমানোর ওষুধ, অভিযানে জরিমানা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৭:০৫ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের বাজারে অনুমোদনহীন ওজন কমানোর ওষুধ, অভিযানে জরিমানা

চট্টগ্রাম নগরের একটি অভিজাত শপিং সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করেছেন বিভাগীয় বিএসটিআই কার্যালয়ের কর্মকর্তারা।

বুধবার (১৭ জুন) নগরের সিডিএ অ্যাভিনিউ এলাকার সানমার ওশান সিটিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এসময় বিউটিওলজি নামে একটি প্রতিষ্ঠানে অনুমোদনহীন ওজন কমানোর ওষুধ পাওয়া যায়। পরবর্তীতে প্রতিষ্ঠানটি ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাইয়ান ফেরদৌস। এ সময় বিএসটিআই বিভাগীয় অফিস, চট্টগ্রামের কর্মকর্তা অন্তর চৌধুরী, ফিল্ড অফিসার (সিএম) এবং প্রিময় মজকুরী জয়, পরীক্ষক (মেট্রোলজি, ভৌত) দায়িত্ব পালন করেন।

বিএসটিআই সূত্র জানায়, অভিযানে বিউটিওলজি নামের প্রতিষ্ঠানটিতে ওজন হ্রাসের ওষুধ পাওয়া যায় এবং প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা বিএসটিআইয়ের লাইসেন্স রয়েছে মর্মে মিথ্যা তথ্য প্রদান করছে বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় বিএসটিআই আইন, ২০১৮-এর ৩০ ধারা লঙ্ঘনের দায়ে প্রতিষ্ঠানটিকে জরিমানা করা হয়।

বিএসটিআই জানিয়েছে, জনস্বার্থে ভেজাল, অননুমোদিত ও মানহীন পণ্যের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

মৌলভীবাজারে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:১৮ অপরাহ্ণ
মৌলভীবাজারে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

মৌলভীবাজারে ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ে বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার (১৭ জুন) বিকেল সাড়ে ৪টায় মৌলভীবাজারের সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মিজ ফারজানা শারমীন, মৌলভীবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য এম নাসের রহমান, মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী, সংসদ সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু, নাসির উদ্দিন আহমেদসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মৌলভীবাজারে রাজনগর উপজেলার টেংরা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ১৫৫ জন উপকারভোগীকে পাইলটিং কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনের সঙ্গেসঙ্গেই উপকারভোগী এই টাকা মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক হিসাবে সরাসরি ভাতার অর্থ পৌঁছে যায়।

পরে অনুষ্ঠান মঞ্চে ১৫৫ জন নারীর হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। এ ছাড়া, বিশেষ সামাজিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ক্যান্সার, কিডনি, লিভার, সিরোসিস, স্টোকে প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের আর্থিক অনুদান, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় দক্ষতা প্রশিক্ষণ অনুদান, ক্ষুদ্র জাতিস্বত্বা ও নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের উন্নয়নে এককালীন আর্থিক অনুদান, নৃগোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের এককালীন আর্থিক অনুদান, চা শ্রমিকদের জন্য টেকসই আবাসনের বরাদ্দপত্র অনুদানের চেক উপকারভোগীর মধ্যে বিতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।

ফ্যামিলি কার্ডের উপকারভোগী গিতা রাণী কর জানান, ফ্যামিলি কার্ডের টাকা দিয়ে বাচ্চার লেখাপড়ার খরচ চালাবেন। একইসঙ্গে হাঁস-মুরগি কিনে লালন-পালন করে স্বাবলম্বী হবেন। ফ্যামিলি কার্ড পাওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

চট্টগ্রামে শিশু আয়াত হত্যা : আসামি আবিরের মৃত্যুদণ্ড

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ জুন, ২০২৬, ৬:০৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে শিশু আয়াত হত্যা : আসামি আবিরের মৃত্যুদণ্ড

চট্টগ্রামে ৫ বছরের শিশু আয়াতকে হত্যার পর মরদেহ ছয় টুকরো করার মামলায় আসামি মো. আবীরকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আক্কাস এই রায় দেন।

এ সময় আদালতে আসামি আবির উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর মোহাম্মদ রায়হানুল ওয়াজেদ চৌধুরী বলেন, আসামি আবীর আলী স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি, সুরতহাল রিপোর্ট, ময়নাতদন্ত রিপোর্ট, আলামত উদ্ধার এবং সাক্ষীদের জবানবন্দি পর্যালোচনায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হ‌ওয়ায় আসামির বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের রায় আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে ১ লাখ অর্থদণ্ড, অনাদায়ে ১ বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, আদালত পর্যবেক্ষণে বলেছেন, এই ঘটনাটি পূর্ব পরিকল্পিত, নিষ্ঠুর নৃশংস, নির্মম ও সমাজে আতঙ্ক সৃষ্টিকারী ক্রাইম পেট্রোল থেকে উদ্বুদ্ধ হয়েছে।’

রাষ্ট্রপক্ষের সরকারি কৌঁসুলি জালাল উদ্দিন জানান, মামলায় মোট ৩৩ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। যুক্তিতর্ক শেষে আদালত রায় এই দিয়েছেন।

পুলিশ ও আদালত সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানার বন্দরটিলা এলাকার বাসিন্দা সোহেল রানার মেয়ে আলিনা ইসলাম আয়াত ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় ইপিজেড থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে পরিবারের আবেদনে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ছায়া তদন্ত শুরু করে।

তদন্তে উঠে আসে, আয়াতকে অপহরণ ও হত্যার ঘটনায় জড়িত ছিলেন তাদের বাসার ভাড়াটে মো. আবির। ২৫ নভেম্বর তাকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেন।

পিবিআই সূত্র জানায়, মুক্তিপণ আদায়ের উদ্দেশ্যে আয়াতকে অপহরণ করা হয়েছিল। পরে পরিকল্পনা ভেস্তে গেলে তাকে হত্যা করা হয়। পরে তার খণ্ডিত মরদেহ সাগরপাড় ও খালের পাশে ফেলে দেওয়া হয়।

তদন্ত শেষে ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর পিবিআইয়ের তৎকালীন পরিদর্শক মনোজ দে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। এতে মো. আবির ও তার ১৭ বছর বয়সী এক বন্ধুকে আসামি করা হয়। তিনি কিশোর হওয়ায় আলাদাভাবে শিশু আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।