খুঁজুন
, ,

জিয়াউর রহমানই দেশে গুম-খুনের সংস্কৃতি চালু করেছিল: শেখ হাসিনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 17 December, 2022, 9:17 pm
জিয়াউর রহমানই দেশে গুম-খুনের সংস্কৃতি চালু করেছিল: শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জিয়াউর রহমানই এ দেশে গুম-খুনের সংস্কৃতি চালু করেছিল। জিয়ার আদেশ পালন করা জেলের জল্লাদরাও অবাক হয়ে যাচ্ছিলেন যে, কী ঘটে যাচ্ছে এসব?

শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় গণভবনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় কমিটির সভায় সূচনা বক্তব্যে দলীয় সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ যখন এ দেশে সরকার গঠন করেছে তখনই গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রেখেছে। দেশের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নতি করা, দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করার জন্য একমাত্র আওয়ামী লীগ সরকারই কাজ করেছে। আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় এসেছে তখনই মানুষের অধিকারগুলো নিশ্চিত হয়েছে।

জিয়াউর রহমানের শাসন আমলের কথা স্মরণ করিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সে সময়ে সাদা মাইক্রোবাসে যাদের তুলে নিয়ে গেছে তাদের লাশও আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। সেনাবাহিনীতে যে হাজার হাজার মানুষ হত্যা করেছে জিয়াউর রহমান। রাজশাহী-বগুড়া-ঢাকা-খুলনা কারাগারসহ বিভিন্ন কারগারে হিসাব মিলিয়ে দেখবেন শত শত সেনা অফিসার, সৈনিক, বিমানবাহিনীর অফিসার এবং অগণিত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীকে তারা হত্যা করেছে। তাদের পরিবার তো লাশই পায়নি। লাশও গুম করে ফেলা হয়েছে। তাদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। ক্ষমতায় এসে গুমের সংস্কৃতি চালু করে দেয় এ দেশে।

তিনি বলেন, এমনকি দেড়শ মানুষ একসঙ্গে হত্যা করেছিল রাজশাহী কারাগারে। তালিকা দেখলে দেখবেন এবং জল্লাদ থেকে শুরু করে যারা কাজ করেছে তারাই মানসিক যন্ত্রণায় ভুগেছে, এটা কী হচ্ছে? ঢাকা কারাগারে প্রতিরাতে ১০ জন, ১২ জন করে ফাঁসি দিয়েছে। একইসঙ্গে দুজন তিনজন করে ফাঁসি দিয়েই গেছে। তারা জানে না কী তাদের অপরাধ? তাদের চিৎকার, তাদের আহাজারিতে আকাশ-বাতাস ভারি হয়েছে। এটাই তো ছিল বাংলাদেশের চিত্র। ১৯টা ক্যু হয়েছে এ দেশে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যাদের জন্ম হয়েছে অবৈধভাবে, ক্ষমতা দখল করে, মার্শাল ল’ এর মধ্য দিয়ে। তারা আবার আমাদের গণতন্ত্রের ছবক দেয়, পরামর্শ দেয়। তারা নাকি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করবে। মার্শাল ল’ দিয়ে, সারারাত কারফিউ দিয়ে যারা রাষ্ট্র পরিচালনা করেছে তারা গণতন্ত্র কিভাবে দেয় আর কিসের গণতন্ত্র দেয় আমি বুঝি না। আমাদের দেশে কিছু মানুষ আছে যারা নিজেদের বুদ্ধিজীবী বলে পরিচয় দেয়, জ্ঞানী-গুণী বলে পরিচয় দেয়, তাদেরও মুখে শুনি দেশে নাকি গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হবে। আমার এখানে প্রশ্ন হচ্ছে তাহলে মিলিটারি ডিক্টেটরিদের সময় যারা মার্শাল ল’ দিয়ে রাষ্ট্র চালিয়েছিল, সেটাকেই কি তারা গণতন্ত্র বলতে চান? ওটাই কি গণতান্ত্রিক ধারা ছিল?

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, পাঁচাত্তরের হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে বলে ইনডেমনিটি অর্ডিনারি জারি করা হয়। হত্যাকারীদের পুরস্কৃত করা হয়। সংবিধান লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের পালা শুরু হয়। আর সেটা করতে গিয়ে অবৈধ মিলিটারি ডিক্টেটর সেনাবাহিনীর বহু মুক্তিযোদ্ধা অফিসার, হাজার হাজার সৈনিকদের হত্যা করে। বিমানবাহিনীর সদস্যদের হত্যা করে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর অকথ্য নির্যাতন করে। তাদেরকে গ্রেফতার করে দিনের পর দিন। বছরের পর বছর কারাগারে নিক্ষিপ্ত করে। এই অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে ক্ষমতায় বসে একটা দলও গঠন করে ফেলে এবং মানুষের ভোটের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেলে।

Feb2
Feb2

সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধানকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার, সতর্ক করল আইএসপিআর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 11 October, 2026, 9:55 am
সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধানকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার, সতর্ক করল আইএসপিআর

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও সেনাবাহিনী প্রধানকে জড়িয়ে বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তথ্য প্রচার করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

শনিবার (১০ অক্টোবর) ঢাকায় প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, এসব তথ্য প্রচারের মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে প্রতীয়মান হয়।

এ ধরনের বিভ্রান্তিকর ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারে প্রভাবিত না হওয়ার জন্য সবার প্রতি বিনীত অনুরোধ জানিয়েছে আইএসপিআর।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, সুদৃঢ় চেইন অব কমান্ড, পারস্পরিক আস্থা, ঐক্য, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বদা ঐক্যবদ্ধ রয়েছে। দেশ ও জনগণের প্রতি অর্পিত দায়িত্ব পালনে সেনাবাহিনী দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

এ ছাড়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও সেনাবাহিনী প্রধান সম্পর্কিত যে কোনো তথ্যের ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র অনুসরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

রিয়াদ বিমানবন্দরে হুথিদের মিসাইল হামলায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১২

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 11 October, 2026, 9:13 am
রিয়াদ বিমানবন্দরে হুথিদের মিসাইল হামলায় বাংলাদেশিসহ নিহত ১২

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুথিদের মিসাইল হামলায় অন্তত ১২ জন নিহত এবং ৩০৯ জন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে শনিবারের (১০ অক্টোবর) এ হামলার বিষয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

এর কয়েকদিন আগে, ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা রিয়াদের বাদশা খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অবকাঠামো লক্ষ্য করে মিসাইল হামলা চালানোর দাবি করে আসছিল।

শনিবারের এ হামলার ঘটনায় সৌদি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে চারজন সৌদি আরবের এবং দুজন বাংলাদেশের নাগরিক রয়েছেন।

এ ছাড়া মিশর, জর্ডান, ফিলিস্তিন, সুদান, সিরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের একজন করে নাগরিক এ হামলায় নিহত হয়েছেন। হামলার পর রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সব কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।

অন্যদিকে, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে, পূর্ব সৌদি আরবের দাম্মামে অবস্থিত কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছেও একটি ক্ষেপণাস্ত্র বা অন্য কোনো নিক্ষিপ্ত বস্তু এসে পড়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ইরান-সমর্থিত হুতিরাই এসব হামলা চালাচ্ছে।

গত এক সপ্তাহে রিয়াদ বিমানবন্দরে অন্তত এ নিয়ে চারবার হামলা হয়েছে। এর মধ্যে গত বৃহস্পতিবার এক পাইলটসহ তিন সৌদির নাগরিক নিহত হন।

হুথিরা ওই দিন বিমানবন্দরের অবকাঠামোর পাশাপাশি সৌদিয়া এয়ারলাইন্সের একটি বিমানকেও টার্গেট করে হামলা চালায়। এতে ওই পাইলটের মৃত্যু হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রায় দুই মাস ধরে ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী এবং সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের মধ্যে হামলা ও পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটছে। হুথিরা এক্ষেত্রে রিয়াদ বিমানবন্দরকে সবচেয়ে বড় টার্গেটে পরিণত করেছে।

তারা এর আগে সতর্কতা দিয়েছিল, যদি কোনো বিমানসংস্থা সৌদির আকাশ দিয়ে বিমান চালায় তাহলে কঠোর পরিণতি ভোগ করতে হবে। এরপর, গতকাল (শনিবার) রাজধানী রিয়াদের বিমানবন্দরে এ বড় হামলার ঘটনা ঘটে।

কলকাতায় মারা গেছেন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোটন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 10 October, 2026, 8:35 pm
কলকাতায় মারা গেছেন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোটন

নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন মারা গেছেন। ফুসফুসের ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল ৭টায় ভারতের কলকাতার একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগের সদস্য জয়নাল আবেদীন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সকাল ৭টার কিছুক্ষণ পর রোটনের মৃত্যু হয়। তার লাশ দেশের আনার প্রস্তুতি চলছে।

ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম বিষয়টি জানিয়েছেন। ‍তিনি লেখেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক, আমাদের সবার অত্যন্ত প্রিয়, আমার ভাই, সহযোদ্ধা, সুখ-দুঃখের সাথী,পরম স্নেহের মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন আমাদের মাঝে আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহস্পদ ও রাজপথের সহযোদ্ধাকে হারানোর বেদনা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। এত দ্রুত রোটন আমাদের মাঝে নেই ভাবতেই খুব কষ্ট হচ্ছে।

মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ওই কমিটির সভাপতি ছিলেন মাহমুদ হাসান রিপন।

ছাত্রলীগের রাজনীতি শেষ করে পরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতেও সক্রিয় ছিলেন তিনি। চট্টগ্রামের রাউজানের এই রাজনীতিবিদ ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছিলেন। ২০২১ সালে আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তিবিষয়ক উপকমিটির সদস্য হিসেবেও মনোনীত হন তিনি।