চট্টগ্রামে মাস্টার প্ল্যান প্রনয়নে কাউন্সিলরদের সাথে অংশীজন মেয়রের
চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোঃ রেজাউল করিম চৌধুরী বলেছেন, চট্টগ্রাম নগরীকে পর্যটন এলাকা হিসেবে গুরুত্ব দিয়ে আগামী ২০২০ থেকে ৪১ সালের জন্য মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন পরিকল্পনায় বন্দর নগরীকে বাণিজ্যিক নগরী এবং পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিতে হবে। শুধু পরিকল্পনা গ্রহণ করলে হবে না, পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য সকলকে আন্তরিক হতে হবে।
আজ বুধবার বিকেলে আন্দরকিল্লা পুরাতন নগর ভবনের কে বি আব্দুস ছত্তার মিলনায়তনে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকার মাস্টার প্ল্যান ২০২০-২০৪১ প্রণয়ন শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় ওয়ার্ড ভিত্তিক মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের জন্য চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলরদের সাথে অংশীজন সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
মেয়ের বলেন, মাস্টার প্ল্যান এর মধ্যে সিএসআরএস জরিপ অনুযায়ী সমস্ত বিলুপ্ত খাল গুলো উদ্ধারের পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সিডিএ’র যে কোনো প্ল্যান অনুমোদনে চসিকের সংশ্লিষ্টতা থাকার উপর গুরুত্ব দিতে হবে। তাহলেই অপরিকল্পিত নগরায়নের সৃষ্টি হবে না। মাস্টার প্ল্যান অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির অংশ হিসেবে কাজ করবে এবং সকল বৈষম্য দূরীকরণে ভূমিকা রাখবে।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম নগরী প্রকৃতিগতভাবে সমুদ্র, পাহাড়, নদী, সমতল ভূমি বিস্তৃত এক অনন্য সুন্দর নগরী। পাহাড় কেটে বৃক্ষ নিধন করে এই সৌন্দর্যের হানি ঘটানো হয়েছে। মাস্টার প্ল্যান প্রস্তুতির ক্ষেত্রে বিষয়টি অতীব গুরুত্ব দিতে হবে।
চসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ শহীদুল আলমের সভাপতিত্বে ও প্রকৌশলী আশিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এম জহিরুল আলম দোভাষ, প্যানেল মেয়র আফরোজা কালাম, কাউন্সিলর মোবারক আলী, আবুল হাসনাত মোহাম্মদ বেলাল, হাসান মুরাদ বিপ্লব, চসিক প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, মেয়রের একান্ত সচিব মোঃ আবুল হাশেম, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নগর পরিকল্পনাবিদ প্রকৌশলী ঈসা আনসারী ও প্রকল্প বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানের টিম লিডার ডঃ আহসানুল কবির প্রমুখ।
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এম জহিরুল আলম বলেন, নগরীর মাস্টার প্ল্যান তৈরি করতে গেলে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ওয়ার্ড কাউন্সিলরদের মতামত গ্রহণ অপরিহার্য। এই লক্ষ্য নিয়ে আজকের এই অংশীজন সভা।


আপনার মতামত লিখুন