খুঁজুন
, ,

চট্টগ্রামে ৩০ শয্যার আইসিইউ ইউনিট উদ্বোধন করলেন ভুমিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 7 January, 2023, 6:38 pm
চট্টগ্রামে ৩০ শয্যার আইসিইউ ইউনিট উদ্বোধন করলেন ভুমিমন্ত্রী

সাধারণ মানুষের দানের ২০ কোটি টাকায় চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে ৩০ শয্যার আইসিইউ ইউনিটের উদ্বোধন করা হয়েছে।

আজ শনিবার চট্টগ্রামের সবচেয়ে বড় ৩০ শয্যার আন্তর্জাতিক মানের আইসিইউ ইউনিটের উদ্বোধন করেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ। চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের কার্যনির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ডা. এম এ তাহের খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক আবুল বাসার মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমিমন্ত্রী বলেন, বরাবরের ন্যায় মা ও শিশু হাসপাতালের প্রতি চট্টগ্রামবাসীর আন্তরিকতা অক্ষুন্ন রয়েছে। যখনই প্রয়োজন হয়েছে, নগরবাসী সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। করোনার মতো সংকটময় মুহূর্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এই আইসিইউ ইউনিট।

তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে উদ্দেশ্য করে বলেন, হাসপাতাল পরিচালনা করতে হবে সস্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিকভাবে। যাতে মানুষ এ হাসপাতালে সেবা পেয়ে উপকৃত হয় এবং সেবা নিতে বারবার এ হাসপাতালকেই বেছে নেয়। এসময় তিনি আরও বলেন, আইসিইউ নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনায় কঠোর পদক্ষেপ অনুসরণ করতে হবে যাতে, বাহকের মাধ্যমে জীবাণু প্রবেশ করতে না পারে।

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল সুত্র জানায়, ধনাঢ্যদের দানের ২০ কোটি টাকায় চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে ৩০ শয্যার আইসিইউ স্থাপন করা হয়। সিঙ্গাপুর ও ব্যাংককের আদলে আধুনিক যন্ত্রপাতির ওই ৩০ শয্যার আইসিইউতে আছে সব ধরণের সুযোগ-সুবিধা। ওই আইসিইউতে একই ছাদের নিচে সব ধরণের সেবার পাশাপাশি কম খরচে সাধারণ মানুষ সেবা পাবে।

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের আইসিইউ প্রধান অলক নন্দী জানান, ধনাঢ্য ব্যক্তিদের দানের টাকায় স্থাপিত এই আইসিইউ থেকে কম খরচে উন্নতমানের সেবা পাবেন গরিব রোগীরা। করোনা মহামারিতে পাশে থাকবে সাধারণ মানুষের। আইসিইউতে আছে ডায়ালাইসিস ও আলাদা আইসোলেশন আইসিইউ। এটি নির্মাণে খরচ হয়েছ ২০ কোটি টাকা।

চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের জেনারেল সেক্রেটারি মো. রেজাউল করিম আজাদ বলেন, আমরা করোনার নতুন ধরন বিএফ সেভেন মোকাবিলায় প্রস্তুত। প্রয়োজন হলে আরও শয্যা বাড়াব। করোনায় শ্বাসকষ্টের রোগীদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন আইসিইউ সেবা। আগামীর ভয়ংকর নতুন ধরন বিএফ.৭ মোকাবিলায় আছে আলাদা আইসোলেশন আইসিইউও।

আইসিইউ ইনচার্জ ডা. মোহাম্মদ মেহেদী হাসান বলেন, সাধারণ মানুষ কম খরচে এক লাখ টাকার সেবা পাবে মাত্র ৮ হাজার টাকায়। উন্নত বিশ্বের আদলে এই আইসিইউ তৈরি করা হয়েছে। সিঙ্গাপুর ও ব্যাংককের আদলে হয়েছে সবই।
মহামারি করোনার ভয়াবহ সময়ে চট্টগ্রামে আইসিইউ বেডের জন্য স্বজনদের আহাজারি ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অসহায়ত্ব দেখেছে চট্টগ্রামবাসী। এমনকি ছেলের জন্য আইসিইউ বেড ছেড়ে দিয়ে মা প্রভা পালের মৃত্যুর মর্মান্তিক ঘটনাও সেই সময় নাড়া দিয়েছিল নগরবাসীকে। সেই ভয়াবহতা ও সংকটময় মুহূর্ত থেকে শিক্ষা নিয়ে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে স্থাপন করা হয়েছে আন্তর্জাতিক মানের ৩০ শয্যার আইসিইউ বেড।

Feb2
Feb2

১৬ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি-সমমান পরীক্ষা স্থগিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 7:54 pm
১৬ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি-সমমান পরীক্ষা স্থগিত

চলমান বন্যা পরিস্থিতির কারণে আগামী ১৬ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে সব জেলার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

চট্টগ্রাম বোর্ডের জেলাগুলো হলো- চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি।

শনিবার (১০ জুলাই) বিকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও কার্যালয়ের মুখপাত্র ড. মাহদী আমিন এ তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও রাঙামাটিতে বন্যায় সৃষ্ট পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, স্থানীয় প্রশাসন, স্থানীয় এমপি ও দলীয় সকল সংগঠনের নেতাকর্মীদের ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এরই মধ্যে ত্রাণ বাবদ ২ কোটি টাকা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এছাড়াও উদ্ধার কার্যক্রমে নিয়োজিত রাখা হয়েছে বিজিবি, সেনাবাহিনী, কোস্ট গার্ডসহ সরকারি বিভিন্ন বাহিনীকে। প্রস্তুত করা হয়েছে ১ হাজারের বেশি আশ্রয়কেন্দ্র। আশ্রয়কেন্দ্রে ওষুধ, স্যানিটেশনসহ স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলার নানা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে জানান ড. মাহদী আমিন।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আরও বলেন, সরকার দায়বদ্ধতা ও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় বহুমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

এর আগে, শুক্রবার বৈরী আবহাওয়া ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীন সব জেলার শনিবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়।

দুর্যোগের পর থেকেই কোথায় কী লাগবে, সবই জানছেন প্রধানমন্ত্রী: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 7:13 pm
দুর্যোগের পর থেকেই কোথায় কী লাগবে, সবই জানছেন প্রধানমন্ত্রী: ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী

দুর্যোগের শুরু থেকেই চট্টগ্রামের সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ রাখছেন প্রধানমন্ত্রী এবং বন্যাদুর্গত মানুষের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন।

শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে৷ চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার নাজিরহাট পৌরসভার রশিদের পুকুর এলাকায় বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনাদের দুর্যোগ শুরু হওয়ার পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রাখছেন। কোথায় কী লাগবে, কী প্রয়োজন—সবকিছু তিনি জানেন। গতকালও তিনি আমাকে বলেছেন, আপনি সেখানে যান, কী কী লাগবে দেখে আসেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী আমি আজ আপনাদের মাঝে এসেছি।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে আপনাদের খোঁজ নিতে পাঠিয়েছেন। আমরা এমন একজন প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি, যিনি দেশের মানুষের কল্যাণে ২৪ ঘণ্টাই চিন্তা করেন। সরকার যে কোনো দুর্যোগে আপনাদের পাশে আছে। আপনাদের জন্য যা যা প্রয়োজন, সরকার তা দিতে প্রস্তুত।

এম ইকবাল হোসেইন বলেন, বন্যাদুর্গত মানুষের কষ্ট লাঘবে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত রাখবে। ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনেও সরকার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেবে।

ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার আলমগীর, ফটিকছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাঈদ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন এবং তাদের খোঁজখবর নেন।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে কাজ করবে সরকার: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 6:38 pm
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে কাজ করবে সরকার: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা প্রতিমন্ত্রী

বন্যাকবলিত মানুষের পাশে সরকার সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসেইন। শনিবার (১১ জুলাই) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

পাহাড় ধসের ঝুঁকি প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসনের পরিকল্পনা করছে সরকার। এ লক্ষ্যে সরকারি খাসজমি ও পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবহার করা যায় কি না, তা বিবেচনা করা হচ্ছে।

নির্বিচারে পাহাড় কাটা ও বন উজাড়ের কারণে ভূমিধসের ঝুঁকি বাড়ছে। প্রকৃতির স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হলে এর বিরূপ প্রভাব পড়বেই।

বন্যা-পরবর্তী স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজনীয় ওষুধ মজুদ রয়েছে। সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সম্ভাব্য রোগব্যাধি প্রতিরোধে আগাম প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক, মৎস্যচাষি ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পুনর্বাসনে সরকার কাজ করবে। কৃষি উৎপাদন পুনরুদ্ধারের মাধ্যমে স্থানীয় অর্থনীতি সচল রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শিশু খাদ্যের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রয়োজন অনুযায়ী শিশু খাদ্য বিতরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানির সংকট মোকাবিলায় পানি পরিশোধন যন্ত্র ও বোতলজাত পানি সরবরাহের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জেলা প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, স্বাস্থ্য বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান সমন্বিতভাবে কাজ করছে। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল সভায় বন্যাকবলিত জেলার জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বন্যা পরিস্থিতি ও করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।