খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুই বছর পর সাংবাদিক কামরুল ইসলাম দুলু’র মোবাইল উদ্ধার করল পিবিআই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৩, ১০:৫২ পূর্বাহ্ণ
দুই বছর পর সাংবাদিক কামরুল ইসলাম দুলু’র মোবাইল উদ্ধার করল পিবিআই

সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি: সীতাকুণ্ডে হারিয়ে যাওয়ার ২ বছর ১ মাস ২০ দিন পর মোবাইল ফোন উদ্ধার করে মালিককে ফিরিয়ে দিয়েছে পুলিশ।

প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উদ্ধারের পর রোববার রাতে ফোনের মালিকের হাতে এটি হস্তান্তর করা হয়েছে।

জানা গেছে, সীতাকুণ্ড উপজেলার সিপ্লাস টিভি ও দৈনিক ভোরের দর্পণ প্রতিনিধি কামরুল ইসলাম দুলু কর্মস্থল থেকে সীতাকুণ্ড- অলংকার রোডে চলাচলকারী ৮নং বাসে করে বাড়ি ফেরার পথে ২০২০ সালের ২১ শে ডিসেম্বর সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার সময় স্মার্ট ফোনটি হারিয়ে ফেলেন। ওই দিনই তিনি সীতাকুণ্ড থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপর ঘটনাটি তদন্তভার পান থানার এসআই মামুন। মোবাইলটি বন্ধ থাকায় তখন সেটা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

দুই বছর পর সোমবার (২৯ জানুয়ারী ২০২৩) আবার মোবাইল উদ্ধারে আবেদন করা হয় পিআইবি চট্টগ্রাম জেলা বরাবরে। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান এর সহযোগীতায় উপ-পুলিশ পরিদর্শক মোঃ শাহাদাত হোসেন ফোনের আইএমইআই নম্বরের সূত্র ধরে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ১২ ঘন্টার মধ্যে নগরীর পূর্ব মাদারবাড়ীর এক নারীর কাছে ফোনের সন্ধান পান। ফোনটি ওই নারী রিয়াজউদ্দিন বাজারের একটি দোকান থেকে কম মুল্যে কিনেছিলেন। রোববার রাতে ফোনটি সাংবাদিক কামরুল ইসলাম দুলু’র হাতে হস্তান্তর করেন।

কামরুল ইসলাম দুলু জানান, তিনি ধরেই নিয়েছিলেন ফোনটি আর ফিরে পাবেন না। কিন্তু দুই বছর ১ মাসেরও বেশি সময় পর ফোন উদ্ধার করতে পারায় তিনি পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান এবং উপ-পুলিশ পরিদর্শক মোঃ শাহাদাত হোসেনকে ধন্যবাদ জানান।

শাহাদাত হোসেন জানান, প্রযুক্তির সহায়তায় তিনি হারিয়ে যাওয়া অনেক স্মার্ট ফোন উদ্ধার করেছেন। তিনি বলেন, দুই বছরের বেশি সময় পরে হলেও হারিয়ে যাওয়া ফোনটি উদ্ধারের পর মালিককে ফেরত দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…