খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জাহাঙ্গীরের স্বপ্ন পূরণে আর্থিক সহযোগিতা চায় তার পরিবার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ৬:০২ অপরাহ্ণ
জাহাঙ্গীরের স্বপ্ন পূরণে আর্থিক সহযোগিতা চায় তার পরিবার

মিরসরাইয়ের জাহাঙ্গীরের স্বপ্ন পূরণে আর্থিক সহযোগিতা চায় তার পরিবার

জাহাঙ্গীর আলম, বয়স ১৬ বছর। মিরসরাই উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে তার বাড়ি, যেখান থেকে সাইকেল নিয়ে স্কুলে যেতে সময় লাগে আধা ঘণ্টারও বেশি। যেখানে শিক্ষার হার খুবই কম, ছোটবেলা থেকে সেখানকার ছেলেরা শিখে বন থেকে গাছ কাটার নিয়ম-কানুন। জাহাঙ্গীর এমনি একটি প্রত্যন্ত এলাকা থেকে পড়াশোনার সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন। পাঁচ ভাই-বোনের মধ্যে সবার বড় সে । বাবা নুর উদ্দিন, পেশায় একজন দিনমজুর। জাহাঙ্গীরের ছোট বেলায় পড়ে গিয়ে হাত ভেঙ্গে যায়, তাই ভারী কোন কিছু করতে না পারলেও প্রত্যাহ সকালটা শুরু হয় বাবাকে কৃষি কাজের সহযোগিতা দিয়ে, এরপর স্কুলে যেতে হয়। আবার স্কুল থেকে ফিরে সন্ধ্যা কিংবা রাত অব্দি বাবার কাজে নেমে পড়ে। তাদের নিজস্ব কোন জমির উপর ঘর নেই। মিরসরাই উপজেলার সাহেরখালী ইউনিয়নের ডোমখালী বেড়িবাঁধ এলাকায় সরকারি জায়গার উপর দু’রুমের ঘর বেঁধে পরিবার নিয়ে কোন রকম বসবাস করছেন। এই বয়সে শত সংগ্রামের মাঝেও আর্থিক সহযোগিতা পেলে নিজের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চান জাহাঙ্গীর।

স্থানীয় জামাল শফিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি শেষ করে বর্তমানে সাহেরখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র জাহাঙ্গীর। টাকার অভাবে আজ-অব্দি পড়াশোনায় কোন টিউটর শিক্ষকের সহযোগিতার নিতে পারেনি, তবে স্থানীয় সামাজিক সংগঠন ‘সোনালী স্বপ্ন’র সহযোগিতায় এই পর্যন্ত এগিয়ে আসলেও নবম শ্রেণি থেকে পড়াশোনার চাপ বাড়ায় একদিকে পড়াশোনার খরচ আবার অন্যদিকে পারিবার। সবমিলিয়ে চরম দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়েছে তাঁর কপালে। তাই পড়াশোনায় স্থানীয় বিত্তশালীদের সহযোগিতা চায় তার পরিবার।

তাঁর বাবা নুর উদ্দিন জানান, ছেলেটা ছোট বেলা থেকে অসুস্থ। ভারী কোন কাজ করতে পারে না, তাই যদি পড়াশোনাটা করতে পারে তাহলে অন্তত একটা চাকরি করে হলেও নিজের জীবনটা অতিবাহিত করতে পারবে। আমি চাই আমার মত যেন সে দিনমজুরী করে খেতে না হয়। আমার পাঁচ সন্তান তাই সে এক ছেলে হওয়াতেও পড়াশোনার খরচ চালাতে পারছিনা। সমাজের মানুষ এগিয়ে আসলে হয়তো আমার ছেলেটা তার স্বপ্ন পূরণ করতে পারবে।

জাহাঙ্গীর বলেন, আমার স্বপ্ন পড়াশোনা করে ভালো একটা সরকারি চাকরি করা। যাতে আমার পরিবারকে সাপোর্ট দিতে পারি। সোনালী স্বপ্নের সহযোগিতায় এই পর্যন্ত এসেছি। কিন্তু এখন আমার পড়াশোনার খরচটা বেড়েছে। জানিনা কতটুকু চালিয়ে যেতে পারবো। তবে শত সংগ্রাম করে হলেও আমি পড়াশোনা করতে চাই। আমার স্বপ্ন পূরণে সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

সোনালী স্বপ্নের সাধারণ সম্পাদক জি এন ইকবাল জানান, জাহাঙ্গীরের পড়াশোনার প্রতি অনেক আগ্রহ। তৃতীয় শ্রেণি থেকে আমরা তাকে শিক্ষা উপকরণ দিয়ে সহযোগিতা করে আসছি। এখন তার স্কুলের মাসিক বেতন মওকুফ এবং কেউ যদি তার জন্য মাসিক কোন বৃত্তির ব্যবস্থা করে দেয়। তাহলে সে ভবিষ্যতে ভালো কিছু করতে পারবে। অন্যথায় তার শিক্ষা জীবন হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সাহেরখালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেজবাহ উদ্দিন বলেন, বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতির সাথে জাহাঙ্গীরের মাসিক বেতন মওকুফের বিষয়ে কথা বলবো। স্কুল থেকে তার পড়াশোনায় সর্বোচ্চ সহযোগিতার চেষ্টা করবো।

সাহেরখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কামরুল হায়দার চৌধুরী বলেন, ছেলেটির বিষয়ে খোঁজ-খবর নিবো এবং সহযোগিতার চেষ্টা করবো।

২৪ঘণ্টা.জেআর

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…