খুঁজুন
শনিবার, ১৩ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

প্রতিটি সংবাদ যেন হয় বস্তুনিষ্ঠ : নূর হাকিম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৩, ১:৫১ অপরাহ্ণ
প্রতিটি সংবাদ যেন হয় বস্তুনিষ্ঠ : নূর হাকিম

দৈনিক সকালের সময় সম্পাদক ও প্রকাশক মো. নূর হাকিম বলেছেন, সাংবাদিকতা একটি মহান পেশা। সমাজ, দেশ ও জাতির কল্যাণে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম। আর সেই দায়িত্ব পালন করতে হলে প্রত্যেক সাংবাদিককেই পাঠকের কাছে সঠিক তথ্য তুলে ধরতে হবে। কোনভাবেই ভুল তথ্য প্রকাশ করা যাবেনা। আমরা দ্রুত সংবাদ প্রকাশের পক্ষে নই, আমরা নির্ভুল ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করে দেশ ও জাতির কল্যানে কাজ করতে চাই। তথ্যনির্ভর সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে পাঠকের হৃদয়ে থাকতে চাই আজীবন। তাদের ভালোবাসাই হোক আমাদের শক্তি। তাই প্রতিটি সংবাদই যেন বস্তুনিষ্ঠ হয় আমি সেটাই প্রত্যাশা করব আমাদের প্রতিটি সাংবাদিকের কাছে।

গত শনিবার (১৮ মার্চ) নগরীর অভিজাত এশিয়ান এসআর হোটেলের হলরুমে চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান এস.এম.পিন্টুর সভাপতিত্বে দিনব্যাপি অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বক্তব্যের শুরুতে তিনি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, আজ এমন একটি দিনে আমরা এই অনুষ্ঠান আয়োজন করেছি যে, গত কাল (১৭ মার্চ) ছিল জাতির পিতার জন্মদিন। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস। আর এই মাসে আমি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের, যারা দেশকে ভালোবেসে অকাতরে নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন, আর যারা আমাদের মুক্তির জন্য জীবন বাজি রেখে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছেন সেই অকুতোভয় বীর সৈনিকদের। শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্টে নির্মম হত্যাাণ্ডের শিকার সকল শহীদদের। এই মাসের গুরত্ব তুলে ধরে বলেন জাতির পিতার জন্ম না হলে আমরা আজ পত্রিকার মালিক হতে পারতামনা। আর তারই কণ্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদেরকে সঠিক তথ্যবহুল সংবাদ প্রকাশের প্রেরণা যুগিয়ে যাচ্ছেন। আমরা নিঃসংকোচে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা করতে পারছি। মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে পারছি।

নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে গিয়ে সম্পাদক নূর হাকিম বলেন, আমি একসময় একজন উপজেলা প্রতিনিধি ছিলাম, সেখান থেকে নিরপেক্ষ সাংবাদিকতার মাধ্যমে পাঠকের ভালোবাসায় আমি একটি পত্রিকার সম্পাদক হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলাম। আজ সেই স্বপ্ন পুরণ হয়েছে। পত্রিকাটি বর্তমানে আপনাদের অক্লান্ত পরিশ্রম ও পাঠকের ভালোবাসায় দেশের প্রথম সারিতেই জায়গা করে নিয়েছে। আমরা আশা করব এই সততা যেন সবসময় ধরে রাখতে পারি। পত্রিকাটি প্রতিষ্ঠার মাত্র ৭ বছরে আমরা এগিয়েছি অনেকদুর। আমি বিশ্বাস করি এই পত্রিকার মালিক আমি নয়, আপনার সবাই মালিক, এটা আপনাদের পত্রিকা। সুতরাং আমি আশা করব এই পত্রিকার বদনাম হয় এমন কোন কাজ আপনারা করবেন না। আপনাদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় আমরা খুব শীঘ্রই নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করব। আমাদের চলার পথ আরো প্রশস্ত হবে। আপনারা জানেন বৈশ্বিক মহামারি করোনার প্রভাব কাটতে না কাটতেই ইউক্রেন যুদ্ধে অর্থনীতির উপর একটা প্রভাব পড়েছে কিন্তু আমরা কোন প্রতিনিধিকে তা বুঝতে দেইনি। নিয়মিত পত্রিকা চালিয়ে যাচ্ছি ৮ পৃষ্ঠা থেকে ১২ পৃষ্ঠায় উন্নিত করেছি। আপনাদের মেধা ও শ্রমের সঠিক প্রয়োগের মাধ্যমে  আমরা প্রমান করতে চাই যে শুধু চটকদার সংবাদ নয়, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদের মাধ্যমেও আমারা অনেকটা কঠিন পথ পাড়ি দিতে সক্ষম হয়েছি।

আপনারা জানেন আমি বড় কোন শিল্পপতি নই, কোটি কোটি টাকা ভুর্তুকি দিয়ে পত্রিকা চালানোর সামর্থ আমার নেই। তবে এটাও সত্য যে, আপনাদের সকলের সার্বিক প্রচেষ্টায় আমাদের প্রচার সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি বিজ্ঞাপনের পরিমানও বাড়বে। সুতরাং অচিরেই দৈনিক সকালের সময় পাঠকের প্রিয় পত্রিকা হয়ে উঠবে এবং ভুর্তুকি কাটিয়ে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিনত হবে। আপনাদের আন্তরিকতার কোন ঘাটতি না থাকলে আমরাও আপনাদের সম্মানী বৃদ্ধি করতে চেষ্টা করব।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে দৈনিক সকালের সময়ের মফস্বল সম্পাদক মো. নুর আলম বলেন, আপনারা প্রত্যেক প্রতিনিধিই ভালো মানের সাংবাদিক। আপনাদের বিচক্ষণতা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সকালের সময় আজ পাঠকের অন্তরে জায়গা করে নিয়েছে। আমি এই পত্রিকায় আপনাদের সাথে কাজ করতে পেরে আনন্দিত ও গর্বিত। আমাদের এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে চলতে হবে। এই পত্রিকাটিকে আরো জনপ্রিয় করতে আমাদের সম্পাদক মহোদয় দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। আমরা চাই সারাটা জীবন কাধে কাধ মিলিয়ে একটি পরিবার হয়ে পথ চলতে। আমরা সবাই সকালের সময় পরিবারের সদস্য হয়ে কাজ করি। সাফল্য আমাদের কাছে আসবেই।

সভাপতির বক্তব্যে দৈনিক সকালের সময়ের চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান এস.এম.পিন্টু বলেন, আপনাদের মতো বিচক্ষণ সাংবাদিকদের সাথে কাজ করতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি। আমি বিশ্বাস করি আমাদের সম্পাদক মহোদয় আমাদের প্রতি যেমন আন্তরিক আপনারাও সেই আন্তরিকতার মুল্যায়ন করে, নিজেদের প্রতিষ্ঠান মনে করে কাজ করবেন। আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সকালের সময়কে আমরা সময়ের সেরা পত্রিকা হিসেবে পাঠকের কাছে তুলে ধরতে চাই। আমরা আপনাদের কাছে নির্ভুল ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ চাই। দেশের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরবেন। ভালো কাজগুলো বেশি করে প্রচার করবেন, যাতে অন্যরাও ভালো কাজে এগিয়ে আসার উৎসাহ পায়। দেশ ও জাতির জন্য কল্যাণমুলক সংবাদ বেশি করে প্রচার করতে সহায়তা করবেন। সম্পর্ক ভালো বা খারাপ যাই হোক নিউজে যেন তার কোন প্রতিফলন না ঘটে এই বিষয়টি সকলে মাথায় রেখে কাজ করবেন। মনে রাখবেন আপনাদের একটা ভুল নিউজের কারনে অনেকের অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। একটা প্রাণীও যেন আপনার ক্ষোভের শিকার না হয়।

চট্টগ্রাম অফিসে কর্মরত নিজস্ব প্রতিবেদক নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় বিভাগীয় প্রতিনিধি সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক সকালের সময়ের বিশেষ প্রতিনিধি মো. নুরুল আলম চৌধুরী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা আমিনুর রহমান, চট্টগ্রাম অফিসের নিজস্ব প্রতিবেদক মো. সেলিম চৌধুরী, কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি শাহেদ ফেরদৌস হিরু, লক্ষীপুর জেলা প্রতিনিধি মুহা. আলমগীর, চাঁদপুর জেলা প্রতিনিধি সুজন আহমেদ, বি.বাড়িয়া জেলা প্রতিনিধি প্রবীর চৌধুরী রিপন, নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি মো. সেলিমসহ সংশ্লিষ্ট এলাকার উপজেলা প্রতিনিধিগণ।

Feb2

বাজেট উপস্থাপনের পর কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:৫০ অপরাহ্ণ
বাজেট উপস্থাপনের পর কোনো জিনিসের দাম বাড়েনি : প্রধানমন্ত্রী

বাজেট উপস্থাপনের পর এই প্রথমবারের মতো বাজারে কোনো জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় কক্সবাজারের চকরিয়া পৌর বাস টার্মিনালে চকরিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে সকালে যখন আমি ঢাকা থেকে প্লেনে উঠলাম, তখন প্লেনে পত্রিকা থাকে, আমি পত্রিকাগুলো দেখলাম কী কী নিউজ আছে। পত্রিকাগুলোর মধ্যে দেখলাম সবগুলো পত্রিকা কমবেশি একটি নিউজ করেছে যে, প্রতিবছর বাজেট উপস্থাপনের পরদিন বিভিন্ন জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যেত। কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহর রহমতে গত পরশুদিন বাজেট উপস্থাপনের পর এই প্রথমবারের মতো কোনো জিনিসপত্রের দাম বাড়েনি।

তিনি বলেন, যেই বাজেট উপস্থাপন করলে জিনিসের দাম বাড়ে না, সেই বাজেট জনগণের পক্ষের বাজেট। এই বাজেটে আমরা বিভিন্ন ওষুধপত্র থেকে শুরু করে বিভিন্ন চিকিৎসার যে বিষয়গুলো ছিল, সেগুলোর ওপর থেকে আমরা ট্যাক্স কমিয়ে এনেছি।

চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য: ডিসি জাহিদ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৮:৩৭ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে পাঁচ বছরে দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য: ডিসি জাহিদ

চট্টগ্রামে আগামী পাঁচ বছরে প্রায় দেড় কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। তিনি বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশগত বিপর্যয় মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। তবে শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোকে বাঁচিয়ে রেখে পরিচর্যার মাধ্যমে বড় করে তুলতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শনিবার ( ১৩ জুন) কর্ণফুলী উপজেলার চাদগাঁও বেড়িবাঁধ এলাকায় আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ‘গ্রিন অ্যান্ড ক্লিন নারায়ণগঞ্জ’ কর্মসূচির আওতায় মাত্র দুই মাসে এক লাখ বৃক্ষরোপণ করে আলোচনায় আসা জাহিদুল ইসলাম বলেন, “সারা দেশে আজ থেকে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন, বন বিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর, সিডিএসহ সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠান এ কর্মসূচির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে।”

তিনি বলেন, “আমরা ইতিমধ্যে ৭০ হাজার বৃক্ষরোপণের কার্যক্রম শুরু করেছি। আগামী পাঁচ বছরে শুধু চট্টগ্রাম জেলাতেই প্রায় দেড় কোটি বৃক্ষরোপণ করা হবে। চলতি বছর জেলায় প্রায় ২৫ লাখ চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে।”

জেলা প্রশাসক বলেন, “পৃথিবী মানুষের বসবাসের একমাত্র গ্রহ। কিন্তু মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণেই পরিবেশ বিপর্যয় বাড়ছে। এ পরিস্থিতিতে পরিবেশ রক্ষার জন্য বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আজ যে গাছগুলো রোপণ করা হচ্ছে, সেগুলো সঠিকভাবে পরিচর্যা করা গেলে ভবিষ্যতে পরিবেশগত ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব হবে।”

অনুষ্ঠানে একটি সোনালু গাছের চারা রোপণের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক।

কর্মসূচির আওতায় কর্ণফুলী বেড়িবাঁধের চাদগাঁও এলাকায় প্রায় ১ দশমিক ৫০ একর জমিতে ১৯ প্রজাতির ১ হাজার ২০০টি চারা রোপণ করা হয়। রোপিত চারার মধ্যে রয়েছে সোনালু, চালতা, জারুল, রাধাচূড়া, কৃষ্ণচূড়া, বকুল, পলাশ, মহুয়া, কাঞ্চন, আমলকি, অর্জুন, জলপাই, কাঠবাদাম, ঝাউ, হিজল, বহেরা, চিকরাশি ও মেহগনি।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর চট্টগ্রাম জেলায় প্রায় ২৫ লাখ চারা রোপণ করা হবে। এর মধ্যে বন বিভাগের আওতায় প্রায় ১৮ লাখ চারা রোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগে ৭ লাখ ৫০ হাজার, দক্ষিণ বন বিভাগে ৮ লাখ ৩৪ হাজার ৫০০, উপকূলীয় বন বিভাগে ২ লাখ ৩২ হাজার ৫০০ এবং চট্টগ্রাম বোটানিক্যাল গার্ডেনে ১৫ হাজার ২৮৯টি চারা রোপণ করা হবে।

এ ছাড়া সিডিএ ও বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে কর্ণফুলী বেড়িবাঁধ সড়কের দুই পাশে প্রায় ১৬ হাজার গাছ লাগানো হবে।

গাছের সুরক্ষার বিষয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, “প্রতিটি চারার উচ্চতা ন্যূনতম পাঁচ ফুট নিশ্চিত করা হয়েছে। গবাদিপশুর ক্ষতি থেকে রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সুরক্ষা ব্যবস্থাও নেওয়া হবে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নাগরিক সচেতনতা। এই গাছ আমাদের পরিবেশ, জীবন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করবে।”

তিনি আরও বলেন, “করোনাকালে আমরা অক্সিজেনের গুরুত্ব উপলব্ধি করেছি। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজের গাছ মনে করে এসব চারার পরিচর্যা করতে হবে।”

অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ হোছাইন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোহেল রানা, উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এম এ হাসান এবং চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী প্রকৌশলী ও প্রকল্প পরিচালক রাজীব দাশসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, সরকারের এই বৃহৎ সবুজায়ন কর্মসূচি চট্টগ্রামে পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চট্টগ্রামবাসী গর্বিত, সর্ববিষয়ে বিশারদ একজন সর্বমন্ত্রী পেয়েছেন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬, ৭:৫৮ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামবাসী গর্বিত, সর্ববিষয়ে বিশারদ একজন সর্বমন্ত্রী পেয়েছেন

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, চট্টগ্রামবাসী গর্বিত, সর্ববিষয়ে বিশারদ একজন সর্বমন্ত্রী পেয়েছেন। সত্যি আপনারা ভাগ্যবান যে এক মন্ত্রী সব মন্ত্রণালয় চালায়। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর কথাও তাকে বলতে হয়।

শনিবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় সমাবেশে নেতাকর্মীরা ভুয়া ভুয়া স্লোগান দিলে জামায়াত আমির বলেন, নিজেদের সন্তানকে ভুয়া বলতে নেই। নিজের সন্তান কানা হলেও তো পদ্মলোচন।

প্রধানমন্ত্রীর জন্য আমার কষ্ট হয় উল্লেখ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তিনি আশেপাশে কাদেরকে বসিয়েছেন? ওনি কুমিল্লায় এসে ইপিজেড দেন। ফরিদপুরে গিয়ে সয়াবিন তেল দেন। তিনি দিনাজপুরে গিয়ে আম উপহার দেন। সিলেটে গিয়ে সাড়ে নয় ঘণ্টা উপহার দেন। জাতীয় সংসদে গিয়ে প্রাথমিক বিশ্ববিদ্যালয় উপহার দেন। আর কক্সবাজারে এসে তিনি বলেন বিরোধী দল বাজেটে মাদক ও ধূমপান জাতীয় দ্রব্যমূল্যের টেক্স বাড়ানো হয়েছে বলে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে মিছিল করেছে—এগুলো মিথ্যা, আর ভুয়া।

জামায়াত আমির বলেন, ‘বিরোধী দলের কেউ এটা করেনি। আমার করুনা লাগে। প্রধানমন্ত্রীর পদটা রাষ্ট্রীয় পদ। তিনি রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী। তার দিকে তাকিয়ে বিশ্বের লোকজন বাংলাদেশকে হিসাব করবে। তার মুখ দিয়ে যদি অনবরত এসমস্ত ভুলভাল কথা বের হতে থাকে, তাহলে বাংলাদেশ লজ্জিত হবে, ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ওদেরকে চিহ্নিত করুন যারা আপনাকে ভুল বুঝাচ্ছে। তারা আপনার সম্মান আর বাংলাদেশের সম্মান ধ্বংস করছে। এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেন। নইলে ক্ষতিগ্রস্ত শুধু আপনি হবেন না, গোটা জাতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবেন।

বাজেটে বিরোধী দল প্রতিক্রিয়া জানাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটা গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। এতে রাগ করার কি আছে? অল্পতে ধৈর্য হারালে ১৮ কোটি মানুষের দায়িত্ব পালন করবেন কীভাবে? তবে হা জনগণ যখন দেখবেন, জনআকাঙ্খা বাস্তবায়নে আপনি এবং আপনার সরকার আন্তরিক, তখন আপনাদের প্রশংসা করবে। কিন্তু যখন জনগণ দেখবে আপনারা ৭০ ভাগ মানুষের রায়কে অপমান অগ্রাহ্য করছেন, তখন জনগণ বসে বসে আঙুল চষবে না।

সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন– জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম এবং লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) সভাপতি কর্নেল (অব.) অলি আহমদ, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মামুনুল হকসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারা।