খুঁজুন
শনিবার, ১৬ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মিরাজের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে খুলনার প্রতিশোধের জয়

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৯, ১১:৫১ অপরাহ্ণ
মিরাজের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে খুলনার প্রতিশোধের জয়

বিপিএলের চলতি আসরের চট্টগ্রাম পর্বে মুখোমুখি দেখায় সিলেট থান্ডারের কাছে ৮০ রানে হেরেছিল খুলনা টাইগার্স। ঢাকায় ফিরে বদলাটা বেশ ভালোভাবেই নিল খুলনা। টি-টোয়েন্টিতে মেহেদী হাসান মিরাজের ক্যারিয়ার সেরা ব্যাটিংয়ে ৮ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে দলটি।

এদিন সিলেটের দেওয়া ১৫৮ রানের লক্ষ্য টপকাতে নেমে খুলনার হয়ে ওপেনিং করতে আসেন মিরাজ ও শান্ত। শুরু থেকেই ব্যাট চালিয়ে খেলতে থাকেন মিরাজ, তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন শান্ত। সিলেটের বোলারদের শাসন করে পাওয়ার-প্লের ৬ ওভারে ৬৬ রান তুলে ফেলেন দুজন।

পরে চলতি বিপিএলে নিজের প্রথম ফিফটির স্বাদ পান মিরাজ। ৩১ বলে পাওয়া অর্ধশতকটি ৫টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে সাজান তিনি। পরে ১১৫ রানের সময় খুলনা শিবিরে প্রথম আঘাত হানেন এবাদত। শান্তকে ফেরান ৪১ রানে।

এরপর রুশোও ১৫ রানে আউট হয়ে গেলে মুশফিককে সাথে নিয়ে জয়ের বাকি আনুষ্ঠানিকতা সারেন মিরাজ। ১৩ বল হাতে রেখে ৮ উইকেটে পাওয়া জয়ে ৬২ বলে ক্যারিয়ার সেরা ৮৭ রানে অপরাজিত থাকেন মিরাজ।

এর আগে টসে হেরে সিলেটের হয়ে ইনিংসের গোড়াপত্তন করতে আসেন দুই ব্যাটসম্যান আন্দ্রে ফ্লেচার ও রুবেল মিয়া। ফ্লেচার একপ্রান্ত থেকে ঝড় তুললেও অপর প্রান্তে টেস্টের মেজাজে ব্যাটিং করতে থাকেন রুবেল। উদ্বোধনী জুটিতে দুজন যোগ করেন ৬২ রান। ফ্লেচার ২৪ বলে ৩৭ রান করে আউট হলে নতুন ব্যাটসম্যান জনসন চার্লেসকে সাথে নিয়ে দলীয় স্কোর বড় করার পথে ছুটেন রুবেল।

কিন্তু চার্লস সঙ্গ দিতে পারেননি বেশিক্ষণ, ১২ বল থেকে ১৭ রান করেন তিনি। দুই রান পরেই অবশ্য ৪৪ বলে ৩৯ রান করে শহিদুলের বলে আউট হন রুবেল। একই ওভারে মোহাম্মদ মিঠুন কোন রান না করে ফিরে গেলে মাত্র ৩ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে বসে সিলেট।

এরপর দলের হাল ধরেন অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন ও রাদারফোর্ড। শেষদিকে দুজনের ৫৩ রানের পার্টনারশিপে ১৫৭ রানের সংগ্রহ পায় সিলেট থান্ডার। রাদারফোর্ড ২০ বলে ২৬ ও মোসাদ্দেক অপরাজিত থাকেন ২৩ রানে।

আজকের এই ম্যাচ হারের ফলে ৭ ম্যাচে মোটে ১ জয়ে প্লে-অফের আশা অনেকটা ফিকে হয়ে গেল সিলেট থান্ডারের।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

সিলেট থান্ডার: ১৫৭/৪ (২০ ওভার)
রুবেল ৩৯, ফ্লেচার ৩৭, রাদারফোর্ড ২৬*; ফ্রাইলিঙ্ক ২/৫৮, শহিদুল ২/২৬।

খুলনা টাইগার্স: ১৫৮/২ (১৭.৫ ওভার)
মিরাজ ৮৭*, শান্ত ৪১, রুশো ১৫; রাদারফোর্ড ১/৯, এবাদত ১/২১/

ফল: খুলনা ৮ উইকেটে জয়ী।

Feb2

হামে আক্রান্ত শিশু জয়ার পাশে জেলা প্রশাসক, বকেয়া বিল মওকুফ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৪:৩৪ অপরাহ্ণ
হামে আক্রান্ত শিশু জয়ার পাশে জেলা প্রশাসক, বকেয়া বিল মওকুফ

চট্টগ্রামে হামে আক্রান্ত পাঁচ মাস বয়সী শিশু জয়া দাস ও তার অসহায় মা রিতা দাসের পাশে দাঁড়িয়েছেন চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিঞা। আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে তিনি জেলে পরিবারের খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসা-পরবর্তী সহায়তার কথাও জানান।

শুক্রবার (১৫ মে) সকালে নগরীর জিইসি এলাকার এশিয়ান স্পেশালাইজড হসপিটাল পরিদর্শনে গিয়ে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হওয়া শিশু জয়া দাসকে দেখতে যান জেলা প্রশাসক। এ সময় হাসপাতালের চেয়ারম্যান লায়ন আলহাজ্ব সালাউদ্দিন আলী ও জেলা সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক মো. জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, দারিদ্র্যের কারণে হাসপাতালে বিল পরিশোধ করতে পারছেন না হাম আক্রান্ত শিশু জয়া— এমন সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি তার নজরে আসে। পরে তিনি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারাও মানবিক উদ্যোগে সাড়া দেন।

এ বিষয়ে হাসপাতালের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আলী জানান, জেলা প্রশাসকের সঙ্গে আলোচনার পর হাসপাতালের মোট ২ লাখ ৩৮ হাজার ৩০২ টাকার বিলের মধ্যে বকেয়া ১ লাখ ৫৮ হাজার ৩০২ টাকা মওকুফ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এ ধরনের মানবিক উদ্যোগে অংশ নিতে পেরে আমরা আনন্দিত। জেলা প্রশাসকের আন্তরিকতায় একটি অসহায় পরিবার বড় ধরনের স্বস্তি পেয়েছে।

জ্বালানি নিরাপত্তায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত সমঝোতা সই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ১০:৩১ পূর্বাহ্ণ
জ্বালানি নিরাপত্তায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত সমঝোতা সই

মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ঘিরে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কৌশলগত জ্বালানি সহযোগিতা বিষয়ে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে বাংলাদেশ। এর ফলে সাশ্রয়ী মূল্যে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এলএনজি, এলপিজিসহ বিভিন্ন জ্বালানি পণ্য আমদানির নতুন সুযোগ তৈরি হবে বলে জানিয়েছে সরকার।

ওয়াশিংটন ডিসিতে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগে (ডিওই) এ সমঝোতা স্মারক সই অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে দেশটির জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট এবং বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান চুক্তিতে সই করেন।

ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস উইং জানিয়েছে, এই সমঝোতা স্মারক বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। বিশেষ করে সাশ্রয়ী মূল্য ও টেকসই সরবরাহব্যবস্থার ভিত্তিতে জ্বালানির উৎস বহুমুখীকরণে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চুক্তির আওতায় তেল, গ্যাস, ভূ-তাপীয় জ্বালানি ও জৈব জ্বালানি খাতে দুই দেশের মধ্যে জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনিময়, সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং যৌথ গবেষণার সুযোগ তৈরি হবে।

খলিলুর রহমান এ সমঝোতাকে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি এ উদ্যোগে সমর্থনের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানান।

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি সচিব ক্রিস রাইট এ চুক্তিকে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘ঐতিহাসিক অগ্রগতি’ বলে মন্তব্য করেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সারা দেশে জাল টাকার ভয়ানক কারবার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬, ৯:০৯ পূর্বাহ্ণ
সারা দেশে জাল টাকার ভয়ানক কারবার

উৎসব-পার্বণ ঘিরে সব সময় তৎপর হয়ে ওঠে জাল টাকার কারবারিরা। তবে কোরবানির ঈদকে নিজেদের সবচেয়ে সুসময় হিসেবে বিবেচনা করে তারা। কেননা, কোরবানির গরু কেনাকে কেন্দ্র করে শহর থেকে গ্রামে সবচেয়ে বড় অঙ্কের লেনদেন হয়ে থাকে। এবারও কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে সারা দেশেই সক্রিয় হয়ে উঠেছে জাল টাকার কারবারিরা।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে প্রায়ই ধরাও পড়ছে। যাদের জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জাল টাকার কারবার নিয়ে বেশ শঙ্কা প্রকাশ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। এরপরও রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নকল টাকার কারখানায় কোটি কোটি টাকার নোট তৈরি হচ্ছে বলে জানা গেছে।

যেগুলো ঈদ বাজারে ব্যাপক হারে সয়লাব হতে পারে। এদিকে এজেন্ট দিয়ে সারা দেশে জাল নোট ছড়ানোর রীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করা অনলাইন হোম ডেলিভারি সার্ভিস নিয়েও আতঙ্ক কমেনি। সমাজমাধ্যমগুলোতে জালনোট বিক্রির পোস্ট দিয়ে ৫০০ ও ১০০০ টাকার জাল নোট বিক্রি করা হচ্ছে দেদার।

ডিবি সূত্র জানায়, তৈরিতে খরচ কম হওয়ায় পাইকারি বাজারে দাম কমেছে জাল নোটের।

আগে যেখানে ১০০টি ৫০০ অথবা ১০০০ টাকার নোট তৈরিতে খরচ হতো কমপক্ষে ৪-৭ হাজার টাকা। বর্তমানে খরচ হচ্ছে মাত্র আড়াই হাজার টাকা। আগে তৈরি খরচ বেশি হওয়ায় পাইকারি মার্কেটে লাখ টাকার নোট বিক্রি হতো ৮-১৫ হাজার টাকায়। কিন্তু বর্তমানে পাইকারি বাজারে লাখ টাকার নোটের দাম মাত্র ৬ হাজার টাকা। ক্রেতা বুঝে লাখ টাকার নোট ৮-১০ হাজার টাকাতেও বিক্রি করা হচ্ছে।

এদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় করা নতুন নোট জাল কারবারিদের কাজ আরও সহজ করে দিয়েছে। নোটের ডিজাইনে ত্রুটি, নিম্নমানের গ্রাফিক্স ও নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যের সংযোজনের অভাবে নোটটি জাল করা খুবই সহজ করে দিয়েছে।

সূত্র বলছে, ইউনূস সরকারের সময় তৈরি করা নতুন ডিজাইনের নোটের প্রতি শুরু থেকেই মানুষের আস্থা কম। বিভাগীয় শহরের মানুষ নোটগুলো নিলেও এখনো জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সেভাবে প্রচলন ঘটেনি নোটগুলোর। এজন্য বানানো সহজ হলেও জাল কারবারিদের এই নোটের প্রতি এখনো আগ্রহ বাড়েনি। কারণ জাল টাকার কারবারিরা এই নোট কিনতে চান না। এখনো বঙ্গবন্ধুর ছবিসংবলিত পুরোনো নোটই বেশি তৈরি হচ্ছে।

অপরাধ বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক বলেন, জাল টাকা তৈরির সরঞ্জামের সহজলভ্যতা, সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়ার এজেন্টের ছড়াছড়ি, জামিনে থাকা কারবারিদের নজরদারির অভাব, বড় অপরাধে লঘু দণ্ড ও বিদেশি নাগরিকদের কেউ কেউ এসে জাল টাকা তৈরির প্রশিক্ষণ দেওয়ায় দেশে জাল টাকার বিস্তার শূন্যের কোটায় নামানো যাচ্ছে না।

যদিও সম্প্রতি সংসদ অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, দেশে জাল নোটের বিস্তার রোধে সরকার একটি শক্তিশালী আইনি কাঠামো তৈরির কাজ করছে। প্রস্তাবিত এ আইনে জাল নোট তৈরি বা আসল মুদ্রার আদলে কিছু তৈরির সঙ্গে জড়িতদের জন্য অত্যন্ত কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হচ্ছে।

একই কারিগররা বারবার গ্রেপ্তার : প্রাপ্ত তথ্য মতে, গত বুধবার রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় অভিযান চালিয়ে জাল নোট তৈরির সরঞ্জামসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৩। গ্রেপ্তাররা হলেন কামরুল ইসলাম ও নিষাদ হোসেন। তাদের কাছ থেকে ৪০টি ৫০০ টাকার ভুয়া নোট উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে গতকাল র‌্যাব-৩ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মেহেদী ইমরান সিদ্দিকী জানান, ঈদকে টার্গেট করে জাল নোট বাজারে ছাড়ার পরিকল্পনা ছিল তাদের। একই দিন রাজধানীর উত্তরার বিডিআর মার্কেট ও গাজীপুরের বাসন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩ কারবারিকেও গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। তারা হলেন মজিবুর রহমান, দুলাল মৃধা ও মো. মামুন। এ সময় ৩৪ লাখ জাল টাকাসহ জাল টাকা তৈরির সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ডিবি পুলিশকে জানিয়েছে, একই কারবারের জন্য এর আগেও তারা গ্রেপ্তার হয়েছিল। ধরা পড়ার আগে ১০ লাখ টাকার একটি চালানও তারা ডেলিভারি দিয়েছে। জাল টাকা তৈরির যেসব সরঞ্জাম সেগুলো তারা বিভিন্ন দোকান থেকে সহজেই সংগ্রহ করত। গত ১ মে রংপুরের পীরগাছায় জাল টাকার নোটসহ দুই যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ৩ মে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় জাল টাকাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গত ১৫ এপ্রিল রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল এলাকা থেকে ৪০ লাখ টাকার জাল নোটসহ আলী আজগর সিকদারকে গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালি থানা পুলিশ। গত ১২ এপ্রিল গুলশান থেকে ৫০ লাখ টাকার জাল নোটসহ তিনজনকে আটক করে পুলিশ। গত ৫ মার্চ তুরাগ থেকে ২৫ লাখ টাকার জাল নোট এবং তৈরির সরঞ্জামসহ মাইলস্টোনের দুই শিক্ষার্থীকে আটক করেছে র‌্যাব। গত দেড় মাসে সারা দেশে আরও বেশ কয়েকজন কারবারি গ্রেপ্তার হয়েছে।

সূক্ষ্ম জাল নোটে বাজার সয়লাব : সাধারণ প্রিন্টারে প্রিন্ট দেওয়ার পর কাগজকে জলছাপ দিয়ে, ফুয়েল কাগজ ও বিশেষ গামের মাধ্যমে খুব সহজেই তৈরি হচ্ছে জাল নোট। যেগুলো এতই সূক্ষ্ম যে আসল নাকি নকল সেটা কারও পক্ষে বোঝা কঠিন। সূত্র জানায়, জাল টাকার চক্র বরাবরই ৫০০ কিংবা হাজার টাকার বড় নোট প্রিন্ট করে। কারণ, এতে লাভ বেশি। জাল টাকা তৈরি থেকে শুরু করে বাজারজাত পর্যন্ত কয়েকটি ভাগে কাজ করে চক্রের সদস্যরা।