খুঁজুন
, ,

মিরসরাই উপজেলা চেয়ারম্যান জসিমের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টার মামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 10 June, 2023, 4:55 pm
মিরসরাই উপজেলা চেয়ারম্যান জসিমের বিরুদ্ধে হত্যা চেষ্টার মামলা

মিরসরাই প্রতিনিধি:::মিরসরাই উপজেলা চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন ও তার ছোট ভাই রুবেল সহ ৭ জনের নাম উল্লেখ করে জবর দখল ও হত্যা চেষ্টায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় প্রথম আসামি উপজেলা চেয়ারম্যানের ভাই রুবেল ও দ্বিতীয় আসামি উপজেলা চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিনকে রাখা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ( ৮ জুন) চট্টগ্রামের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ম আদালতে ১৪৭ নং মামলাটি দায়ের করা হয়। একটি গোয়েন্দা সংস্থাকে মামলার তদন্তের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

মামলার এজাহারে বিবরণে জানা যায়, মিরসরাই সদর ইউনিয়নের ঘড়িয়াইশ এলাকার গাজি নুরআহম্মদের ছেলে কাজী মোঃ নুরুল মোস্তফার পৈতৃক সম্পত্তি (বিএস দাগ ২১৩৪) রয়েছে মিঠাছড়া বাজারে। তার পাশেই জমি খরিদ করেছেন জোরারগঞ্জ থানার দুর্গাপুর ইউনিয়নের রঘুনাথপুর এলাকার মৃত মজিবুল হকের ছেলে মিরসরাই উপজেলা চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন। জমি ক্রয়ের পর উপজেলা চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন আশপাশের গরীব অসহায় মানুষ ও সরকারী খাস জমি দখল করতে থাকেন। পরবর্তীতে নুরুল মোস্তফার পৈতৃক সম্পত্তিতে পুরাতন দোকান ঘরের পাশে খালি জায়গা দখলের ফন্দী করেন তিনি। এই সময় জায়গা দখলের মতলবে নুরুল মোস্তফার খালি জায়গায় জনগণের গভীর নলকূপ জনগণকে না দিয়ে অবৈধভাবে বসানোর চেষ্টা করেন। এসময় চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিনকে বাধা দিলে উভয়ের মধ্যে ঝগড়ার সৃষ্টি হয় ও নলকূপটি সরিয়ে নিজের জায়গায় বসাতে বাধ্য হন তিনি। এতে চেয়ারম্যান জসিম ক্ষিপ্তহয়ে দেখে নেয়ার হুমকি দেন বলে নুরুল মোস্তফার অভিযোগ।

পরবর্তীতে গত ৬ জুন নুরুল মোস্তফা নিজের খালি জায়গায় নতুন দোকান ঘর নির্মাণ করতে গেলে চেয়ারম্যান জসিমের নির্দেশে তার ছোট ভাই নাজিম উদ্দিন রুবেলের নেতৃত্বে সন্ত্রাসী মেজবাহ উদ্দিন, মনিরুল ইসলাম ইয়াহিয়া, আলাউদ্দিন, সামছুদ্দিন ও সবুজ সহ ২০ থেকে ২৫ জনের একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল তার উপর হামলা চালায়। এসময় চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন এর ছোট ভাই নাজিম উদ্দিন রুবেল কোমর থেকে একটি চাইনিজ কুড়াল বের করে নুরুল মোস্তফার মাথায় উপর্যুপরি এলোপাথাড়ি কুপিয়ে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করে। এসময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য মিরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। উন্নত চিকিৎসা চলাকালীন নুরুল মোস্তফা গত ৮ জুন হামলা ও জবর দখলের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন।

ভুক্তভোগী নুরুল মোস্তফা জানান, উপজেলা চেয়ারম্যান জসিম তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে তার লালিত সন্ত্রাসি বাহিনীর মাধ্যমে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন। সরকারী মূল্যবান খাস জমি ও হতদরিদ্রের সম্পত্তি দখল করছেন। ভয়ে তার বিরুদ্ধে কোন আইনি পদক্ষেপ নিচ্ছে না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। থানায় গেলে মামলা নেয় না প্রশাসন। ফলে ব্যাপরোয়া হয়ে উঠেছেন তিনি।

নুরুল মোস্তফা জানান, তার পৈতৃক সম্পত্তিতে অবৈধভাবে গভীর নলকূপ বসিয়ে দখল করতে চেষ্টা করেছিল চেয়ারম্যান জসিম। বাধা দেয়ার সেটি করতে পারেনি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে মেরে ফেলার উদ্দেশ্য ছোটভাই ও সন্ত্রাসী পাঠিয়ে হামলা করেছে। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে না আসলে আমাকে হত্যা করে ফেলতো।

এব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন জানান, আমার ক্রয়কৃত জমি অবৈধভাবে দোকান নির্মাণ করছে জানতে পেরে আমি আমার ছোট ভাই রুবেলকে থানায় পাঠাই পুলিশের কাছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে নুরুল মোস্তফা পুলিশ দেখে পালানোর সময় পড়ে গিয়ে আহত হয়েছে। এর বাইরে আমি কিছু জানিনা।

চেয়ারম্যান জসিমের ছোট ভাই নাজিম উদ্দিন রুবেল জানান, আমাদের ক্রয়কৃত সম্পত্তির সীমানা নিয়ে পাশ্ববর্তী জায়গার মালিক নুরুল মোস্তফার সাথে মতবিরোধ রয়েছে। সেটি নিরসনের জন্য নুরুল মোস্তফাকে বার বার বৈঠক বসাতে চেষ্টা করে আমরা ব্যার্থ হয়েছি। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ ও ভুমি অফিসের মাধ্যমে জমি পরিমাপ করে সীমানা নির্ধারণ করার জন্য চেষ্টা করে ব্যার্থ হয়েছি। স্থাপনা নির্মাণের জন্য আমাদের জায়গায় মালামাল রাখার হলে সেগুলো দিয়ে নুরুল মোস্তফা অমিমাংসিত স্থানে কাজ করা শুরু করেন। খবর পেয়ে পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়ার পথে পুলিশ জ্বালানি নিতে আমাকে অগ্রসর হতে বলে ফিলিং স্টেশনে যায়। আমি ঘটনাস্থলে প্রবেশ করতেই নুরুল মোস্তফা বাধা দেয়। এসময় নুরুল মোস্তফা একটি লোহার রড় নিয়ে এগিয়ে আসতে চাইলে স্থানীয় লোকজনের সাথে হাতাহাতি হয়। তখন নুরুল মোস্তফার মাথায় লোহার আঁচড় লাগে। এব্যাপারে মিরসরাই থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি এবং পরদিন সকল সাংবাদিকদের ডেকে সংবাদ সম্মেলন করেছি।

মিরসরাই থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি কবির হোসেন জানান, এব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন আমাকে কোন প্রকার ফোন করেননি। এমনকি থানায় ও কেউ আসে নাই। পুলিশ ঘটনাস্থলে যাওয়ার প্রশ্নই আসে না।

Feb2
Feb2

জেলা-উপজেলা হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 2:34 pm
জেলা-উপজেলা হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, জেলা-উপজেলার হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে সরকার কাজ করছে।

শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এ কথা বলেন তিনি।

এর আগে সকালে ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাসে পৌঁছান। তার আগমনকে ঘিরে সকাল থেকেই ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী ডা. জুবাইদা রহমান।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা দিয়ে ঢামেকের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। শহীদ মিনার এলাকায় পৌঁছালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, ইডেন কলেজ, তিতুমীর কলেজ এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা সড়কের দুই পাশে অবস্থান নিয়ে স্লোগান ও শুভেচ্ছার মাধ্যমে তাকে স্বাগত জানান।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ‘২০ হোস্টেল প্রকল্প’-এর আওতায় দুটি ছাত্রী হোস্টেলের নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন।

বন্যা-পাহাড়ধসে কক্সবাজারে ২৬ প্রাণহানি, দুর্বিষহ লাখো মানুষের জীবন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 12:35 pm
বন্যা-পাহাড়ধসে কক্সবাজারে ২৬ প্রাণহানি, দুর্বিষহ লাখো মানুষের জীবন

টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা ও পাহাড়ধসের কারণে গত ৭ দিন ধরে দুর্বিষহ জীবন পার করছে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলা কক্সবাজারের প্রায় তিন লক্ষাধিক মানুষ। গত রোববার (৫ জুলাই) থেকে শুক্রবার (১০ জুলাই) পর্যন্ত এ জেলায় পানিতে ডুবে এবং পাহাড়ধসে ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সর্বশেষ শুক্রবার দুপুরে, চকরিয়ার বরইতলী ইউনিয়নে বসতবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার পথে নৌকাডুবিতে রসুলাবাদ এলাকার আবদুল মালেকের মেয়ে হাসনাতুল জান্নাত ঝর্ণার (১২) মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ঝর্ণার দুই বোনকে জীবিত উদ্ধার করা হয় যারা বর্তমানে চিকিৎসাধীন।

আগের দিন বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার কাকারা ইউনিয়নে মাইজ কাকারা এলাকায় পানিতে ডুবে প্রাণ হারায় স্থানীয় সোলতান আহমদের ২ বছর বয়সী ছেলে মোহাম্মদ ওয়াকিম।

একই দিন সকালে বন্যার পানিতে ভেসে গিয়ে চকরিয়া থেকে বিভক্ত হয় নবগঠিত মাতামুহুরী উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের চরপাড়া এলাকার আরিফুল ইসলামের ছেলে পুষ্পর (৩) এর মৃত্যু হয়। এছাড়া একইদিন ভোরে চকরিয়া উপজেলার মছনিয়া কাটা এলাকায় বসতঘরের ওপর পাহাড়ের মাটি চাপা পড়ে মারা যায় একটি পরিবারের দুই শিশু। কক্সবাজার সদর উপজেলা, পেকুয়া ও উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ১৫ জন রোহিঙ্গাসহ আরও ২১ জন প্রাণ হারিয়েছেন।

জেলা প্রশাসনের তথ্যানুযায়ী, বন্যায় ১০টি উপজেলার ৩৫টি ইউনিয়নের অন্তত ১৫০টি গ্রাম পানিতে তলিয়ে গেছে। চকরিয়া, পেকুয়া ও মাতামুহুরী উপজেলা বন্যার কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি সদর উপজেলা, রামু, উখিয়া, টেকনাফ, মহেশখালী, কুতুবদিয়া ও ঈদগাঁও উপজেলার বিভিন্ন বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নূরুল ইসলাম বলেন, বান্দরবান শহর থেকে পানি নামতে শুরু করায় মাতামুহুরি নদীর পানিও বেড়েছে। তাই চকরিয়া ও পেকুয়ার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ার (মাতামুহুরীর অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) বলেন, চকরিয়া ও মাতামুহুরীতে এক লাখের বেশি মানুষ পানিবন্দি রয়েছেন। ৯৬টি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নেওয়া দুর্গতদের শুকনো খাবারসহ জরুরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামত এবং পানি দ্রুত নামাতে স্লুইস গেটগুলো সচল রাখতে প্রশাসন সার্বক্ষণিক কাজ করছে বলে জানান তিনি।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজাদ রহমান বলেন, সরকারি হিসেবে শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কক্সবাজার জেলায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা ১ লাখ ৫০ হাজার ৬৬২ জন যার মধ্যে ৬৪৮টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে ১৪ হাজার ৬১ জন।

এছাড়া তিনি জানান, দুর্যোগ মোকাবিলায় সরকারিভাবে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২০০ টন চাল, ৪৫০ প্যাকেট শুকনো খাবার এবং ১২ লাখ ৪৫ হাজার নগদ টাকা। ত্রাণ বিতরণ এবং জরুরি সহায়তা কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য কন্ট্রোল রুম চালু করেছে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়।

কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ মোহাম্মদ আবদুল হান্নান বলেন, শুক্রবার রাত পর্যন্ত জেলায় গত ৬ দিনে ৭শ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী দুই দিন মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। এতে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি এবং নতুন করে পাহাড় ধসের আশঙ্কা রয়েছে।

এ কারণে সমুদ্রবন্দর ও উপকূলীয় এলাকার জন্য স্থানীয় সতর্ক সংকেত নম্বর ৩ বহাল রয়েছে বলে জানান আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান।

ধসে পড়েছে সেতু, বান্দরবান-রাঙ্গামাটি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 11 July, 2026, 12:09 pm
ধসে পড়েছে সেতু, বান্দরবান-রাঙ্গামাটি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

বান্দরবান সদর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার দুধপুকুরিয়া-পদুয়া এলাকায় টানা ভারী বর্ষণ ও বন্যার পানির প্রবল স্রোতে একটি সেতু ধসে পড়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) সকালে এ ঘটনা ঘটে। এতে বান্দরবান-রাঙ্গামাটি সড়কপথে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে পানির তীব্র স্রোতের মুখে দুধপুকুরিয়া-পদুয়া এলাকার সেতুটি ধসে পড়ে। ফলে সড়কটিতে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায় এবং দুই পাশের মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সেতু ধসে পড়ায় কর্মস্থল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও জরুরি প্রয়োজনে যাতায়াতকারী মানুষ সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন। দ্রুত বিকল্প পারাপারের ব্যবস্থা ও নতুন সেতু নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

খবর পেয়ে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ এবং দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃস্থাপনে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।