খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মিরসরাইয়ে মসজিদের কোটি টাকার সম্পদ আত্মসাতের অভিযোগ, মামলা ও হয়রানির প্রতিকার চেয়ে মুসল্লিদের সংবাদ সম্মেলন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ এপ্রিল, ২০২২, ৭:১৭ অপরাহ্ণ
মিরসরাইয়ে মসজিদের কোটি টাকার সম্পদ আত্মসাতের অভিযোগ, মামলা ও হয়রানির প্রতিকার চেয়ে মুসল্লিদের সংবাদ সম্মেলন

মিরসরাই প্রতিনিধিঃ মিরসরাইয়ে একটি মসজিদের কোটি টাকার জমি দখল, লক্ষটাকা আত্মসাৎ, অবৈধভাবে মসজিদের মতোয়াল্লি পদ দখলের অভিযোগ উঠেছে। মুসল্লীদের নামে মিথ্য মামলা করে হয়রানি ও অর্থ আত্মসাতের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মসজিদের মুসল্লীরা।

শুক্রবার (১ এপ্রিল) সকালে উপজেলার মিরসরাই সদর ইউনিয়নের পূর্ব কিছমত জাফরাবাদ গ্রামে মসজিদ প্রাঙ্গনে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন শ্রেণী বয়সের শতাধিক মুসল্লী।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সহ-প্রচার সম্পাদক মো. কামরুল আহসান বলেন, ১৯০৯ সালে উজীর আলী কামলার জামে মসজিদ প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর মসজিদ পরিচালনার জন্য কোন কার্যকরী কমিটি ঘঠন করা হয়নি। সেই সুযোগে স্থানীয় মো. অজিউল হক, জাগির হোসেন ও রবিউল হোসেন যোগসাজসে মসজিদের নামে দানকৃত লক্ষ লক্ষ টাকার চাঁদা, জমির আয় ও সামাজিক চাঁদা সংগ্রহ করে ব্যক্তিগত আয়ত্বে রেখে অনৈতিক সুবিধা ভোগ করছেন। কিন্তু মসজিদের উন্নয়নে কোন প্রকার পদক্ষেপ গ্রহণ করেন নি। মসজিদের নগদ টাকা ও কোটি টাকার সম্পদ থাকলেও সমজিদের কোন প্রকার উন্নয়ন না করায় মুসল্লিরা ক্ষোভ প্রকাশ করলে তাদের বিরুদ্ধে অর্ধ ডজন মামলা করে হয়রানি করেন।

যার প্রেক্ষিতে ২০১৯ সালের ১২ অক্টোবর মুসল্লিদের উদ্যোগে ৪১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যকরি কমিটি ও ৯ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি গঠনের পরও ওই তিন ব্যক্তি কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করতে নানা রকম তালবাহানা শুরু করে। স্থানিয় প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন ও থানা প্রশাসন বহুচেষ্টা করেও দখলদার দের সাথে কোন সুরাহা করতে পারে নাই।

উপরন্তু দখলদার মো. অজিউল হক বাদী হয়ে চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আদালতে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ দিয়ে মুসল্লীদের বিরুদ্ধে দুটি মিছ মামলা (নং-১৫৬/২০২০ ও নং-১২২/২২) দায়ের করেন। যেখানে মুসল্লী কামরুল আহছান, নবী, একরামুল হক, জিয়াউল হক, এহসানুল করিম, রেজাউল করিম, তাজুল ইসলামকে বিবাদী করা হয়।

দখলদার মো. অজিউল হক মসজিদের মোতোয়াল্লী সেজে উজীর আলী কামলার জামে মসজিদের নাম পরিবর্তন করে ছিদ্দিক হাজী বাড়ী জামে মসজিদ নামে সাইনবোর্ড স্থাপন করেন। এতে করে মুসল্লী ও গ্রামবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়।

কামরুল আহসান আরো বলেন, আমরা মসজিদের প্রায় ১০৬ শতক জমি, মসজিদের নামে দানকৃত আয়-ব্যয়ের হিসাব এবং মিথ্যা-হয়রানী মামলা থেকে মুসল্লীদের নাম বাদ দেওয়ার জন্য উক্ত সংবাদ সম্মেলন থেকে প্রশাসনের নিকট জোর দাবী জানাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ছলিম উদ্দিন বলেন, উজীর আলী কামলার জামে মসজিদের আয়-ব্যয় এবং মসজিদের মালিকানাধীন জমির আয়-ব্যয়ের হিসেবে নিয়ে মোতোয়াল্লী মো. অজিউল হকের সাথে মুসল্লীদের বিরোধ সমাধানের জন্য একাধিকবার উদ্যোগ নেওয়া হলেও তিনি সাড়া দেয়নি। ইউনিয়ন পরিষদ, মিরসরাই থানা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়কে অবজ্ঞা করে মো. অজিউল হক স্থানীয় মুসল্লীদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য উদ্যোগ নিয়েও স্থানীয় প্রশাসন ব্যর্থ হয়েছে।

এছাড়া মিরসরাই থানা উপ-পরিদর্শক আতাউর সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত সকল মুসল্লিকে আশ্বস্থ করেন বিষয়টি দ্রুত সমাধানে থানা প্রশাসন থেকে চেষ্টা করা হবে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…