খুঁজুন
, ,

চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতার গাড়িবহরে হামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 17 June, 2023, 9:15 pm
চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতার গাড়িবহরে হামলা

মিরসরাই প্রতিনিধি: চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য নিয়াজ মোর্শেদ এলিটের গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলার নেতৃত্বে উঠে এসেছে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেনের নাম। হামলায় রক্তাক্ত আহত হয়েছেন ৪ যুবলীগ কর্মী।

শনিবার (১৭ জুন) বিকেল ৩টার সময় উপজেলার ১১ নম্বর মঘাদিয়া ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে। হামলায় আহতরা হলেন নিয়াজ মোর্শেদ এলিটের অনুসারী আসিফ রহমান শাহিন (৩৮), মো: আলি (৩৮), রমজান আলী বাবলু (৩৬), মো: শাহাবুদ্দিন (৩৭)।

কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা নিয়াজ মোর্শেদ এলিট জানান, মঘাদিয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামীলীগ নেতা ইদ্রীস মিয়ার কবর জেয়ারত করার জন্য গাড়ি বহর নিয়ে মঘাদিয়া এলাকায় যাই। কবর জিয়ারত শেষে ফেরার পথে ১১ নম্বর মঘাদিয়া ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন মাস্টারের নেতৃত্বে সন্ত্রাসী তৌহিদ আনোয়ার বাপ্পী,আবদুল্লাহ আল নাঈম রবিন, ফিরোজ খান, আবু নসর রিপন, মোমিনুল ইসলাম সহ অর্ধশতাধিক যুবক তার গাড়িবহর ঘিরে ধরে অতর্কিত হামলা চালায়। এতে বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী রক্তাক্ত আহত হয় ও তার ব্যাক্তিগত গাড়ি সহ কর্মীদের গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

হামলার ঘটনা অস্বীকার করে চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন মাষ্টার জানান, চট্টগ্রামে বঙ্গবন্ধুর ছবি ভাঙ্গচুরের ঘটনার প্রতিবাদে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি পালন করে আমি বাড়ি চলে যাই। পরবর্তীতে মঘাদিয়া স্কুলের সামনে মারামারি খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গেলে এলিটের কর্মীবাহিনী আমার উপর ও আমার অনুসারীদের উপর হামলা করে ও বৃষ্টি গুলি ছোঁড়ে। এতে আমার বেশ কয়েকজন কর্মী আহত হয়।

গুলি ছোঁড়া সম্পর্কে এলিট জানান, আমার গাড়িতে অতর্কিত চোরা গুপ্তা হামলার পর আমার গাড়ি ও কর্মীদের লক্ষ করে অবৈধ অস্ত্র দিয়ে উপর্যুপরি এলোপাথাড়ি গুলি ছোঁড়ে চেয়ারম্যানের সন্ত্রাসি বাহিনী। এসময় জীবন রক্ষার তাগিদে আমাকে ও আমার কর্মীদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে আমার গানম্যান একরাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোঁড়ে। সেই সুযোগে আমরা আত্মরক্ষা করে আহতদের চিকিৎসার জন্য উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাই।

এদিকে সংঘর্ষে আহতদের ছবি ও নাম ঠিকানা জানতে চাইলে তাদের তালিকা ও ছবি দিতে ব্যার্থ হয়েছেন জাহাঙ্গীর হোসেন চেয়ারম্যান। তিনি দাবি করেন এলিটের অনুসারীদের ছোঁড়া গুলির আঘাতে বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী আহত হয়েছে তার। তবে নেতা কর্মীদের আহতের ছবি ও নাম চাইলে তিনি ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেন। এর পর বেশ কয়েকবার ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

তবে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সূত্রে জানা যায়, চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর হোসেন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স যান। সেখানে দুই কর্মীকে ইমার্জেন্সিতে কিছুক্ষণ রেখে আবার ফেরত আসেন।

সংঘর্ষের ঘটনায় থানার গৃহীত উপস্থিত পদক্ষেপ ও ঘটনা সম্পর্কে জানার জন্য ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি কবির হোসেনের ফোন নাম্বারে বারবার কল করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি। দায়িত্বরত বিউটি অফিসার এএসআই আজমীর জানান, হামলায় ঘটনায় হতাহতের খবর শুনেছি। পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে আছে। তবে বিস্তারিত কিছু বলতে পারছি না। অন্যদিকে মঘাদিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ আগামীকাল এক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের ডাক দিয়েছে কেন্দ্রীয় যুবলীগ নেতা নিয়াজ মোর্শেদ এলিটের বিরুদ্ধে। মিরসরাইতে আর পা রাখতে দেয়া হবেনা বলেও ঘোষণা দেয়া হয়েছে উপজেলা আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে।

এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী জানান, সাংগঠনিক নিয়মের বাইরে কেউ উপজেলা রাজনীতি করতে চাইলে তাকে উপজেলা আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে অবশ্যই প্রতিহত করা হবে। মিরসরাইতে আওয়ামীলীগ করতে হলে মিরসরাই উপজেলা আওয়ামীলীগের মাধ্যমে রাজনীতি করতে হলে। যুবলীগ করতে হলেও মিরসরাই উপজেলা যুবলীগের মাধ্যমে রাজনীতি করতে হবে। এর বাইরে মিরসরাই উপজেলায় কারো রাজনীতি করার সুযোগ নাই।

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।