খুঁজুন
শুক্রবার, ১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কাভার্ডভ্যান চালক হত্যার রহস্য উদঘাটন, প্রেমিকা গ্রেফতার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৭ জুলাই, ২০২৩, ১০:১৩ পূর্বাহ্ণ
কাভার্ডভ্যান চালক হত্যার রহস্য উদঘাটন, প্রেমিকা গ্রেফতার

চট্টগ্রাম ইপিজেডে কাভার্ডভ্যান চালক আকরাম উল্লাহ (৪৩) খুনের রহস্য উদ্ধার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় জড়িত আকরাম উল্লাহর প্রেমিকা রোজিনা বেগম ওরফে রোজী আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম মহানগর হাকিম কাজী শরীফুল ইসলামের আদালতে দণ্ডবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই চট্টগ্রাম মেট্রোর পরিদর্শক মাসুদ পারভেজ বলেন, আকরাম উল্লাহ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার দায় স্বীকার করে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কাজী শরীফুল ইসলামের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন গ্রেফতার রোজিনা। জবানবন্দি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বিচারক।

গত ৩ জুলাই কাভার্ডভ্যানচালক আকরাম উল্লাহ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে রোজিনাকে খুলনা থেকে গ্রেফতার করা হয়। সে সময় প্রাথমিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়টি রোজিনা স্বীকার করেন বলে জানান পুলিশ সুপার নাঈমা সুলতানা।

রোজিনা বাগেরহাটের শরণখোলা থানা সংলগ্ন খুরিয়াখালী গ্রামের তাফালবাড়ীর কবির মোল্লার স্ত্রী। রোজীর স্বামী কবির মোল্লা সৌদি আরব প্রবাসী। নিহত আকরামের বাড়ি নোয়াখালীর সেনবাগে। সেখানে তার স্ত্রী ও তিন সন্তান রয়েছে। আকরাম খুনের ঘটনায় তার ছেলে বাদী হয়ে ইপিজেড থানায় হত্যা মামলা করেন।

গত ১ জুলাই রাতে নগরীর ইপিজেড থানাধীন নিউমুরিং এলাকার একটি ভবনের তালাবদ্ধ বাসা থেকে কাভার্ডভ্যান চালক আকরাম উল্লাহর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই বাসায় রোজিনার সঙ্গে থাকতেন আকরাম।

পিবিআই বলছে, রোজিনার সঙ্গে ২০১৫ সালে কবির মোল্লার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে পাঁচ বছর বয়সী এক কন্যাশিশু রয়েছে। রোজিনা নগরীর ইপিজেডে গার্মেন্টেসে চাকরি করতেন। স্বামী কবির মোল্লার ইপিজেড থানাধীন লেবার কলোনিতে চায়ের দোকান ছিল। ওই দোকানেই আকরামের সঙ্গে তার পরিচয় হয়। করোনা মহামারিতে চাকরি চলে যাওয়ায় স্বামী সন্তান নিয়ে গ্রামে চলে যান রোজিনা। স্বামী কবির মোল্লা গ্রামে কোনো কাজের ব্যবস্থা করতে না পেরে সৌদি আরব চলে যান।

রোজিনা তার মেয়েকে বড় বোনের বাসায় রেখে ২০২২ সালে চট্টগ্রামে এসে পুনরায় গার্মেন্টেসে চাকরি নেন। গত ডিসেম্বর মাসে বাসার নিচের চায়ের দোকানে আকরামের সঙ্গে দেখা হয় রোজিনার। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হয়। গত এপ্রিল মাসের এক তারিখ থেকে বন্দরটিলা এলাকায় একত্রে বাসা ভাড়া নেন তারা। তবে বিভিন্ন কারণে তাদের মধ্যে তর্কবিতর্ক লেগেই থাকতো।

ঘটনার দিন ৩০ জুন রাতে রোজিনার সঙ্গে আকরামের ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে রোজিনার মোবাইল নিয়ে আকরাম রোজিনার স্বামীকে ফোন করতে উদ্যত হয়। এসময় মোবাইল নিয়ে দুইজনের মধ্যে হাতাহাতি হয়। এক পর্যায়ে আকরামকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। পরে সেখান থেকে খুলনা চলে যান রোজিনা। পরদিন সকালে বাসার কেয়ারটেকার রুমে তালাবদ্ধ দেখে আশপাশের ভাড়াটিয়াদের সহায়তায় দরজা ভেঙে ফেলে। পরে খাটের নিচে আকরামের লাশ দেখতে পায় তারা। এরপর থানায় খবর দিলে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…