খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে ইভটিজিং ও যাত্রী হয়রানী বন্ধে বাসের অভ্যন্তরে নাম্বার যুক্ত স্টিকার লাগাচ্ছে পুলিশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ১ জানুয়ারি, ২০২০, ৭:০৬ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামে ইভটিজিং ও যাত্রী হয়রানী বন্ধে বাসের অভ্যন্তরে নাম্বার যুক্ত স্টিকার লাগাচ্ছে পুলিশ

২৪ ঘন্টা ডট নিউজ। চট্টগ্রাম ডেস্ক : চট্টগ্রামে অভ্যন্তরীণ রুটগুলোতে চলাচলরত বাসের অভ্যন্তরে নম্বর যুক্ত স্টিকার লাগানো কার্যক্রম শুরু করেছে পুলিশ।

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ ট্রাফিক বিভাগের উদ্যোগে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) চট্টগ্রামের সহযোগিতায় যাত্রী হয়রানি, ইভটিজিং ও যৌন নির্যাতন প্রতিরোধ কল্পে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়।

আজ ১ জানুয়ারি বুধবার থেকে এ কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) এস এম মোস্তাক আহমেদ খান। উদ্বোধন কার্যক্রমে উপ পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক উত্তর) মো. শহিদুল্লাহ, অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক দক্ষিণ) নাজমুল হাসান, সহকারী পুলিশ কমিশনার সুলতান মোহাম্মদ আলী খান।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম জেলা সড়ক মালিক গ্রুপের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব গোলাম রাসুল বাবুল, মেট্রোপলিটন মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক অলি আহমেদসহ মালিক ও শ্রমিক সংঘটনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

স্টুডেন্ট কমিউনিটি পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত থেকে স্টিকার লাগানো এ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ হিসেবে চট্টগ্রাম মহানগরের চলাচলরত বাসের অভ্যন্তরে বাসের নম্বরযুক্ত এবং পুলিশ কনট্রোল রুমের নম্বরসহ ৫টি করে স্টিকার লাগানো হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) এস এম মোস্তাক আহমেদ খান বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন বাসে চালক ও হেলপার কর্তৃক যাত্রী হয়রানি ও ইভটিজিং এমনকি নারী নির্যাতনের মত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ঘটলেও তা সঠিকভাবে এবং সময়মতো অভিযোগ করে প্রতিকার পাচ্ছে না ভুক্তভোগীরা।নাম্বারযুক্ত স্টিকার লাগানো কার্যক্রম শুরু

এ বিড়ম্বনা হতে যাত্রী সাধারণকে রক্ষার জন্যে এবং অপরাধমূলক কর্মকান্ড প্রতিরোধের জন্যে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। নতুন বছরে যাত্রী হয়রানি বন্ধ ও নিরাপদ ভ্রমণের নিশ্চয়তা নিশ্চিতকল্পে গুচ্ছ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ কার্যক্রমের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…