খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ১৪ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শুভ জন্মদিন জেমস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০১৯, ১:৪৮ অপরাহ্ণ
শুভ জন্মদিন জেমস

.jpg

বাংলাদেশের ব্যান্ড সঙ্গীতের অন্যতম জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী নগরবাউলখ্যাত ফারুক মাহফুজ আনাম জেমসের জন্মদিন আজ।

তবে দিনটি নিয়ে তার কোনো উচ্ছ্বাস নেই। বিশেষ কোনো আয়োজনও নেই বলে তিনি জানিয়েছেন। জাঁকজমক আয়োজনে মন টানে না তার। তাই নিজে সাদামাটাভাবে এ দিনটি কাটান।

কিন্তু ভক্তরা তার জন্মদিন উপলক্ষে নানা আয়োজন করেন। এসব দেখতে তার ভালো লাগে। তবে বেশি হৈহুল্লোড় ভালো লাগে না। তাই আজকের দিনটি জেমস আগের দিনের মতো করেই কাটাবেন।

জেমস

এ প্রসঙ্গে এ সঙ্গীতশিল্পী বলেন, ‘অন্যসব দিনের মতোই আজকের দিনটি কাটবে। বিশেষ কোনো আয়োজন নেই। ভক্তরা আয়োজন করবে। ওগুলো দেখতেই ভালো লাগে। তবে সবার কাছে দোয়া চাই। আগামীতে যাতে নতুন গান নিয়ে শ্রোতাদের সামনে হাজির হতে পারি।’

এই রকস্টারের জন্ম ১৯৬৪ সালে নওগাঁর পত্নীতলায়। তবে কৈশোর, তারুণ্য কাটিয়েছেন চট্টগ্রামে। বাবা সরকারি বড় কর্মকর্তা ছিলেন। যিনি পরবর্তীতে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।  জেমস ছিলেন অনেকটা বোহেমিয়ান। চট্টগ্রামে আজিজ বোর্ডিংয়ের একটি রুমে থেকে সঙ্গীত চর্চা ও সন্ধ্যার পর নাইট ক্লাবে গান করতেন। এভাবেই জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ সময় কেটেছে তার। পরে ঢাকা চলে আসেন।

জেমস ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ব্যান্ড ‘ফিলিংস’। ১৯৮৭ সালে প্রথম অ্যালবাম ‘ষ্টেশন রোড’ প্রকাশ পায়। ১৯৮৮ সালে ‘অনন্যা’ নামের একক অ্যালবাম প্রকাশ করে সুপারহিট হয়ে যান জেমস।

এরপর ১৯৯০ সালে ‘জেল থেকে বলছি’, ১৯৯৬ ‘নগর বাউল’, ১৯৯৮ সালে ‘লেইস ফিতা লেইস’, ১৯৯৯ সালে ‘কালেকশন অব ফিলিংস’ অ্যালবামগুলো প্রকাশ পায়।

এরপর ‘ফিলিংস’ ভেঙে জেমস গড়ে তোলেন নতুন লাইনআপে ব্যান্ড ‘নগর বাউল’। এই ব্যান্ড ‘দুষ্টু ছেলের দল’ এবং ‘বিজলি’ অ্যালবাম দুটির মধ্যেই আটকে যায়।

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার গ্রহণ

জেমসের উল্লেখযোগ্য অ্যালবামগুলোর মধ্যে রয়েছে স্টেশন রোড (১৯৮৭), জেল থেকে বলছি (১৯৯০), নগর বাউল (১৯৯৬), লেইস ফিতা লেইস (১৯৯৮), কালেকশন অফ ফিলিংস (১৯৯৯), দুষ্টু ছেলের দল (২০০১) প্রভৃতি।

জেমসের গাওয়া একক অ্যালবামগুলোর মধ্যে রয়েছে অনন্যা (১৯৮৮), পালাবি কোথায় (১৯৯৫), দুঃখিনী দুঃখ করোনা (১৯৯৭), ঠিক আছে বন্ধু (১৯৯৯), আমি তোমাদেরই লোক (২০০৩), জনতা এক্সপ্রেস (২০০৫), তুফান (২০০৬), কাল যমুনা (২০০৯)।

২০০৪ সালে কলকাতার সংগীত পরিচালক প্রিতমের সঙ্গে গান নিয়ে কাজ করেন জেমস। ২০০৫ সালে বলিউডে গ্যাংস্টার চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করেন। চলচ্চিত্রে তার গাওয়া ভিগি ভিগি গানটি ব্যপক জনপ্রিয়তা পায় এবং এক মাসেরও বেশি সময় গানটি বলিউড টপচার্টের শীর্ষে ছিল।
২০০৬ সালে আবারো বলিউডের ছবিতে কণ্ঠ দেন। ২০০৭ সালে তিনি লাইফ ইন এ মেট্রো চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক করেন। চলচ্চিত্রে তার গাওয়া গান দুইটি হল রিশতে এবং আলবিদা। আর তাতেই বাজিমাত।

জেমস

জেমসের গাওয়া সেরা ১০ গান এরমধ্যে, বাংলাদেশ, জেল থেকে আমি বলছি, মা, দুখিনী দুঃখ করো না, লেইস ফিতা লেইস, বাবা কতো দিন, বিজলী, দুষ্টু ছেলের দল, মিরাবাঈ, পাগলা হাওয়া, গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়া উল্লেখযোগ্য।

২০০৫ সালে বলিউডের ‘গ্যাংস্টার’ ছবিতে ‘ভিগি ভিগি’ নামে একটি গান করে সেখানেও বেশ আলোচিত হন। পরে বলিউডের আরও কয়েকটি ছবিতে গান করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে সেরা গায়ক হিসেবে ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার’ গ্রহণ করেন জেমস।

গানের মত তারায় তারায় রটিয়ে যাক জেমসের জীবনের সফলতা। সেই সাথে এ প্রজন্মের গুরুর হাত ধরে বাংলা ব্যান্ড গান রটিয়ে যাক বিশ্বজুড়ে। সেই শুভ কামনায় ২৪ ঘন্টা নিউজের পক্ষ থেকে শুভ জন্মদিন গুরু, শুভ জন্মদিন জেমস।

Feb2

আসলাম ও সরোয়ারের প্রার্থিতার বিরুদ্ধে আপিল শুনানি ৯ জুন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ৩:৪৪ অপরাহ্ণ
আসলাম ও সরোয়ারের প্রার্থিতার বিরুদ্ধে আপিল শুনানি ৯ জুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরী ও চট্টগ্রাম-২ আসনের প্রার্থী সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতার বিরুদ্ধে করা পৃথক আপিল শুনানির জন্য আগামী ৯ জুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

একই সঙ্গে স্থগিত থাকা ভোটের ফলাফলের গেজেট প্রকাশ ও শপথের জন্য বিএনপির এই দুই প্রার্থীর করা পৃথক আবেদন নথিতে রাখা হয়েছে। প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ আজ বৃহস্পতিবার এ আদেশ দেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় গত ১২ ফেব্রুয়ারি। চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে আসলাম চৌধুরী ও চট্টগ্রাম-২ আসনে সারোয়ার আলমগীর অংশ নেন। তবে নির্বাচনে তাঁদের ফলাফল প্রকাশ আদালতের সিদ্ধান্তে স্থগিত রয়েছে।

নির্বাচনের আগে হাইকোর্টের আদেশে চট্টগ্রাম-৪ আসনে আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহাল থাকে। অন্যদিকে হাইকোর্টে রিট করে প্রার্থিতা ফিরে পান চট্টগ্রাম-২ আসনের প্রার্থী সারোয়ার আলমগীর।

আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বহাল থাকার হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল (আপিল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন) করেন একই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ার সিদ্দিকী। অন্যদিকে সারোয়ার আলমগীরের প্রার্থিতা ফিরিয়ে দেওয়া হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করেন একই আসনে জামায়াতের প্রার্থী মুহাম্মদ নুরুল আমিন। ঋণখেলাপির অভিযোগ এনে তাঁরা এ আবেদন করেন।

জামায়াতের এই দুই প্রার্থীর করা পৃথক লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে গত ৩ ফেব্রুয়ারি আদেশ দেন আপিল বিভাগ। পৃথক আদেশে বলা হয়, যদি তাঁরা (আসলাম চৌধুরী ও সারোয়ার আলমগীর) নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে সফল হন, তবে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ (যতটুকু প্রার্থী হিসেবে তাঁদের জন্য প্রযোজ্য) এ–সংক্রান্ত আপিলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে।

লিভ টু আপিল মঞ্জুর হওয়ার পর জামায়াতের এই দুই প্রার্থী গত ৩১ মার্চ পৃথক আপিল করেন। গত ২৮ এপ্রিল আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত আপিল শুনানির জন্য আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে নির্ধারণ করেন।

আগের ধারাবাহিকতায় আপিল দুটি গতকাল বুধবার কার্যতালিকায় ওঠে। আপিলের সঙ্গে ফলাফলের গেজেট প্রকাশ ও শপথের জন্য বিএনপির দুই প্রার্থীর করা পৃথক আবেদনও কার্যতালিকায় ওঠে। আপিল বিভাগের ৩ ফেব্রুয়ারির আদেশ সংশোধন চেয়ে পৃথক দুটি আবেদন করেন বিএনপির দুই প্রার্থী। শুনানি নিয়ে আদেশের জন্য আজ দিন রাখেন আপিল বিভাগ।

আদালতে আপিলকারীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। আসলাম চৌধুরীর পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী নিহাদ কবির ও মোস্তাফিজুর রহমান খান, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী রোকন উদ্দিন মো. ফারুক। সারোয়ার আলমগীরের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম।

পরে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম বলেন, ফলাফলের গেজেট প্রকাশ ও শপথের জন্য বিএনপির দুই প্রার্থীর করা আবেদন নথিভুক্ত করে আপিল শুনানির জন্য আগামী ৯ জুন তারিখ ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ।

কড়াইল বস্তিতে ‘ফ্রি হার্ট ক্যাম্প’ উদ্বোধন করলেন জুবাইদা রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ২:৪৭ অপরাহ্ণ
কড়াইল বস্তিতে ‘ফ্রি হার্ট ক্যাম্প’ উদ্বোধন করলেন জুবাইদা রহমান

মহাখালীর কড়াইল বস্তি এলাকায় ‘ফ্রি হার্ট ক্যাম্প’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্ত্রী ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জুবাইদা রহমান।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে কড়াইল বস্তির আনসার ক্যাম্প মাঠে এ কর্মসূচি আয়োজন করা হয়।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিএনপিপন্থি চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) এ কর্মসূচি আয়োজন করে। এ ক্যাম্প থেকে স্থানীয়দের বিনামূল্যে ওষুধ ও শারীরিক নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। জুবাইদা রহমান কয়েকজন রোগীর সঙ্গে কথা বলেন। এসময় অন্যদের মধ্যে বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম উপস্থিত ছিলেন।

পরে জুবাইদা রহমান ‘জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন’ (জেডআরএফ) কার্যালয়ে যান। সেখানে তিনি নারীদের বিভিন্ন চিকিৎসা সমস্যা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন।

চোখ ভেদ করে মাথায় ঢুকে গুলি, অবশেষে মারা গেল ছোট্ট রেশমী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২৬, ২:২০ অপরাহ্ণ
চোখ ভেদ করে মাথায় ঢুকে গুলি, অবশেষে মারা গেল ছোট্ট রেশমী

চট্টগ্রাম নগরের বায়েজিদ বোস্তামীর রউফাবাদ কলোনিতে গুলিবিদ্ধ হওয়া পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী রেশমী আক্তার (১১) শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কাছে হার মানল। কয়েকদিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল পৌনে ১০টায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন শিশুটির মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত ৭ মে দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে বায়েজিদ বোস্তামী থানার রউফাবাদ কলোনির শহীদ মিনার গলিতে গোলাগুলির সময় ছুটে আসা একটি গুলি লাগে রেশমীর বাঁ চোখে। গুলিটি চোখ মাথায় ঢুকে যায়। ঘটনার পর তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলেও সেদিন রাতে আইসিইউ শয্যা খালি না থাকায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন সকালে অবস্থার অবনতি হলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। পরে চমেকে আইসিইউ শয্যা খালি হলে সেখানে স্থানান্তর করা হয়।

হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, গুলিটি রেশমীর বাঁ চোখ ভেদ করে মাথার ভেতরে ঢুকে মস্তিষ্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশে আটকে যায়। তার অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় অস্ত্রোপচার করা সম্ভব হয়নি এবং তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রিয়াজ-সাবেরা দম্পতির দুই ছেলে ও তিন মেয়ের মধ্যে রেশমী সবার ছোট। এক মেয়ে বিবাহিত, বড় ছেলে গার্মেন্টসে চাকরি করেন। রেশমী স্থানীয় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। স্বভাবগতভাবে সে চঞ্চল ছিল। পড়াশোনার পাশাপাশি ঘরেই সময় কাটত তার। প্রয়োজন ছাড়া বাইরে যেত না বলেও জানান পরিবারের সদস্যরা। ঘটনার দিন ২০ টাকা হাতে দিয়ে রেশমীকে পান আনতে পাঠিয়েছিলেন তার মা। কিন্তু গুলিবর্ষণের কারণে সে আর দোকানে পৌঁছাতে পারেনি।

পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার সময় এলাকায় চার থেকে পাঁচ মিনিট ধরে এলোপাতাড়ি গুলিবর্ষণ চলে। আশপাশের লোকজন ভয়ে সরে গেলেও রেশমী নিজেকে আড়াল করতে পারেনি। এদিন সন্ত্রাসীদের গুলিতে রাজু নামে এক যুবক ঘটনাস্থলেই মারা যায়।

পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত ২৬ এপ্রিল রাউজানের কদলপুর এলাকায় নাসির উদ্দিন নামে এক ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যার মধ্য দিয়ে। ওই ঘটনায় নিহত নাসিরের মেয়ে লাভলী আক্তার হাসান রাজুর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন। নাসির প্রবাসফেরত ও যুবদলের কর্মী ছিলেন। পরে তার সহযোগীরা কয়েকজন সন্ত্রাসীকে সঙ্গে নিয়ে রাজুকে হত্যার উদ্দেশ্যে নগরে আসে বলে জানা যায়। তাদের ছোড়া গুলিতেই আহত হয় রেশমী।