খুঁজুন
, ,

ঢাকায় আওয়ামী লীগের সমাবেশ ২৮ জুলাই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 26 July, 2023, 11:31 pm
ঢাকায় আওয়ামী লীগের সমাবেশ ২৮ জুলাই

আগামীকাল বৃহস্পতিবারের (২৭ জুলাই) নির্ধারিত সমাবেশ এক দিন পিছিয়ে শুক্রবার (২৮ জুলাই) করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম তিন সহযোগী সংগঠন যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগ।

শুক্রবার (২৮ জুলাই) বিকেল ৩টায় আগারগাঁওয়ে বাণিজ্য মেলার (পুরনো) মাঠে তাদের শান্তি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। বুধবার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম।

তিনি বলেন, আগারগাঁওয়ের বাণিজ্য মেলা মাঠটি সমাবেশের জন্য উপযোগী নয়। মাঠটি ব্যবহার উপযোগী করার জন্য এক দিন সময় প্রয়োজন। এজন্য আমাদের শান্তি সমাবেশ এক দিন পিছিয়ে ২৮ জুলাই শুক্রবার করা হয়েছে। আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াও বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

শুক্রবারের সমাবেশ প্রসঙ্গে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গাজী মেজবাউল হোসেন সাচ্চু বলেন, মাঠটি ব্যবহার উপযোগী নয়। গণপূর্ত মন্ত্রণালয় আমাদের কাছে এক দিন সময় চেয়েছে। এক দিন সময় দিলে তারা মাঠটি ঠিক করে দিতে পারবে। এ কারণে আমরা কালকের (বৃহস্পতিবার) শান্তি সমাবেশ পিছিয়ে শুক্রবার বিকাল ৩টায় ঠিক করেছি।

‘কয়েক দিন আগে এখানে বৃক্ষমেলা হয়েছিল। এখনও মাঠে বড় বড় গর্ত। রাতের মধ্যে এগুলো ভরাট করা সম্ভব নয়। গর্তগুলো ভরাট করে মাঠ ঠিক করতে এক দিন সময় চেয়েছে গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।’

স্বেচ্ছাসেবক লীগের এ নেতা বলেন, আমাদের প্রস্তুতি ছিল শান্তি সমাবেশে তিন থেকে পাঁচ লাখ ছাত্র, যুবকদের উপস্থিতি। সেটি বিবেচনায় নিয়ে মাঠটি আমরা পছন্দ করেছি। এখানে আমাদের নেতাকর্মীরা সহজে অবস্থান করতে পারবেন। সমস্যা হচ্ছে বিভিন্ন জেলা থেকে আমাদের অসংখ্য নেতাকর্মী ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। তাদের জন্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারপরও শান্তি সমাবেশের তারিখ পরিবর্তনের বিষয়টি তাদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এর আগে রাত ৯টার দিকে আগারগাঁওয়ে অবস্থিত বাণিজ্য মেলার (পুরনো) মাঠটি পরিদর্শনে যান আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দল। দলে ছিলেন- আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, কার্যনির্বাহী সদস্য শাহাবুদ্দিন ফারাজি ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম।

আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম তিন সহযোগী সংগঠন যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগ এর আগে বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) শান্তি সমাবেশ করার অনুমতি চায়। কিন্তু সেটি দেওয়া হয়নি। পরে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেসিয়াম মাঠে সমাবেশের অনুমতি চেয়ে আবেদন করে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কছে।

বায়তুল মোকাররম গেটে সমাবেশের অনুমতি না পাওয়া প্রসঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু ঢাকা পোস্টকে বলেন, ‘বায়তুল মোকাররমের দক্ষিণ গেটে শান্তি সমাবেশের অনুমিত দেয়নি ডিএমপি। এজন্য আমরা বিকল্প হিসেবে জিমনেসিয়াম মাঠে সমাবেশ করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছি।

যদিও পরে তারা আগারগাঁওয়ের পুরাতন বাণিজ্য মেলা মাঠে শান্তি সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নেয়।

শান্তি সমাবেশ ঘিরে ক্ষমতাসীনরা বিশাল জনসমুদ্রের প্রত্যাশা করছে। তিন সংগঠনের এ সমাবেশে কয়েক লাখ নেতাকর্মীকে টানার টার্গেট রয়েছে তাদের।

বিএনপির সমাবেশের দিনে আওয়ামী লীগের তিন সংগঠনের এ কর্মসূচিকে কোনোভাবেই পাল্টাপাল্টি বলতে নারাজ ক্ষমতাসীনরা। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে এক মতবিনিময় সভা শেষে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, আপনারা (বিএনপি) ডেকেছেন সমাবেশ আর আমাদেরটা হলো তারুণ্যের জয়যাত্রা। এখানে পাল্টাপাল্টি হলো কী করে? কোথায় পাল্টাপাল্টি হলো?

এ কর্মসূচিকে পাল্টাপাল্টি না বললেও রাজধানীকে নিজেদের দখলে রাখতে কয়েক লাখ নেতাকর্মী ও সমর্থককে আগামীকাল জড়ো করতে চায় আওয়ামী লীগ। নেতাকর্মী ও সমর্থকদের সমাবেশে আসার জন্য ঢাকা মহানগর যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও ছাত্রলীগের সকল ইউনিটের নেতাদের বার্তা পাঠানো হয়েছে বলেও দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

অনুমতি ছাড়া সমাবেশ করলে কঠোর ব্যবস্থা : ডিএমপি কমিশনার

এদিকে, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক বলেছেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। এই উৎকণ্ঠার কারণ হচ্ছে বিএনপি। যারা অনুমতি ছাড়া সমাবেশ করার চেষ্টা করবে, অরাজকতা, বিশৃঙ্খলা করবে, তাদের কঠোর হস্তে দমন করা হবে।

বুধবার (২৬ জুলাই) রাত ৮টায় ঢাকা পোস্টের সঙ্গে আলাপে এ কথা বলেন তিনি।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত কোনো দলকেই সমাবেশ করার অনুমতি দিইনি। আমরা পরিবেশ পরিস্থিতি অবজার্ভ করছি। ঢাকায় অরজাকাতা বিশৃঙ্খলা এড়াতে ডিএমপির পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

ডিএমপির অনুমতি ছাড়াই যদি কোনো দল সমাবেশের আয়োজন করে— এমন প্রশ্নের জবাবে খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, অনুমতি ছাড়া কারও সমাবেশ করার সুযোগ এ মুহূর্তে নেই। এরপরও কেউ সেটার চেষ্টা করলে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

 

Feb2
Feb2

রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 7:52 pm
রাঙ্গুনিয়ায় রাহাতিয়া দরবারে জশনে জুলূস ও মীলাদ মাহ্ফিল

আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ প্রাঙ্গণ থেকে ৯ রবীউল আউয়াল ২৩ আগস্ট সকাল ১১ টায় পবিত্র জশনে জুলূসে ঈদে মীলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও মীলাদ মাহ্ফিল অনুষ্ঠিত হয়।

জুলূসে নেতৃত্ব দেন রাহাতিয়া দরবার শরীফের সাজ্জাদানশীন, পীরে কামিল শাহ্ সূফী আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আবুল বয়ান শাহ্ নঈমী আশরাফী নকশবন্দী (মু.যি.আ.)।

রাঙ্গুনিয়া রাহাতিয়া দরবার শরীফ যিয়ারতের মাধ্যমে জুলূস শুরু হয়। রাঙ্গুনিয়া সরকারি কলেজ রোড হয়ে রাহাতুল্লাহ্ নকশবন্দী সড়ক হয়ে মরিয়ম নগর চৌমুহনী শাহী জামে মসজিদ সামনে সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও মুনাজাত হয়। পুনরায় কাপ্তাই সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙ্গুনিয়া কলেজ গেট হয়ে
রাহাতিয়া দরবার শরীফ পার্শস্থ রাহাতিয়া শাহী ঈদগাহ্ ময়দানে এসে জড়ো হয়। জুলূসে অংশ নেওয়া সুন্নী জনতার হাতে ছিল বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার পতাকা, প্লেকার্ড ও ফেস্টুন।

জলূসে অংশগ্রহণকারীদের কণ্ঠে “ইয়া নবী সালাম আলাইকা”, “মুস্তফা জানে রহমত পেহ্ লাখো সালাম” ইত্যাদি হামদ, না’তে রাসূল (সা.) এবং “না’রায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবর”, “না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ্ (দ.)”।

রাহমাতুল্লিল আলামীন (সা.)-এর শুভাগমণের শুকরগুযার সম্পর্কিত স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত হয়।

রাহাতিয়া দরবার শরীফের নায়েবে সাজ্জাদানশীন, পীরযাদাহ্ মাওলানা সৈয়্যদ মুহাম্মদ গোলাম রসুল শাহ্ নঈমী (মু.যি.আ.)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধান ও পরিচালনায় এতে প্রধান মেহমান ছিলেন ভারত থেকে আগত পীরযাদাহ্ মাওলানা মুহাম্মদ বায়েজীদ আশরাফী।

বক্তব্য রাখেন আনজুমান-এ আহলে তাসাওউফ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাওলানা গাজী মুঈনুদ্দীন রিজভী, বায়েজীদ দায়রায়ে মঈনিয়া রহমানিয়ার মুনতাজিম, মাওলানা মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম আশরাফী মাইজভান্ডারী, বাংলাদেশ সূফীবাদী ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান সাংবাদিক নূর মোহাম্মদ রানা, আনজুমান-এ রাহাতিয়া বিসমিল্লাহ্ শাহ্ বয়ানিয়ার মহাসচিব মুহাম্মদ নঈম উদ্দিন প্রমুখ।

না’তে রাসূল (সা.) পরিবেশন করেন শায়ের ওমর ফারুক ইরন, শায়ের আলভী হাসান।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত, না’তে রাসূল (সা.) শেষে মীলাদ, ক্বিয়াম ও মুনাজাতের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহ্’র শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দু’আ করা হয়।

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 2:52 pm
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কারাগারে শ্যামল-মোজাম্মেল-রুপা

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্ন করার নামে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তিন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর দিন ধার্য করা হয়েছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বাধীন দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। প্যানেলের অপর সদস্য বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

তিন সাংবাদিক হলেন, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, একাত্তর টেলিভিশনের সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল বাবু এবং একই প্রতিষ্ঠানের সাবেক প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ। সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর জহিরুল আমিন, মার্জিনা রায়হান, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর।

শুনানিতে প্রসিকিউটর ফারুক আহাম্মদ জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে ১৭ আগস্ট প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট জারি করা হয়েছিল। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের আজ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়েছে। এ মামলায় তিনজনকেই গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করছে প্রসিকিউশন। একইসঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য দুই মাস সময় চান তিনি।

শুনানি শেষে প্রসিকিউশনের আবেদন মঞ্জুর করে শ্যামল দত্ত, মোজাম্মেল বাবু ও ফারজানা রুপাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। পাশাপাশি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করা হয়।

প্রসিকিউশন জানায়, ২০২৪ সালের ১৪ জুলাই গণভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই দিন তাকে প্রশ্ন করার নামে কিছু উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছিলেন কয়েকজন সাংবাদিক। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলনকারীদের রাজাকারের বাচ্চা ও রাজাকারের নাতিপুতি বলেছিলেন শেখ হাসিনা।

রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, ওই উসকানিমূলক প্ররোচনার ধারাবাহিকতায় জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হয়। এ মামলায় ১৪ জুলাইয়ের ওই ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।

নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 24 August, 2026, 1:11 pm
নুসরাত হত্যা : হাইকোর্টে দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ জন খালাস

ফেনীর সোনাগাজীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ দুই আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১০ আসামিকে খালাস ও চার আসামিকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়েছে যে দুই আসামির তারা হলেন-সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা (৫৭) এবং শাহাদাত হোসেন শামীম(২০)।

আলোচিত এই মামলায় ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর রায় দিয়েছিলেন। রায়ে মাদ্রাসার বরখাস্ত হওয়া অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।

নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলা নিজ কক্ষে ডেকে নিয়ে নুসরাতের শ্লীলতাহানি করেন। এ ঘটনায় মামলা হলে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা তুলে না নেওয়ায় ৬ এপ্রিল মাদ্রাসার ছাদে ডেকে নিয়ে নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১০ এপ্রিল নুসরাতের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান (নোমান) সোনাগাজী থানায় মামলা করেন। পরে মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হয়।