খুঁজুন
, ,

‘মার্কিন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা হয়েছে’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 9 October, 2023, 4:48 pm
‘মার্কিন প্রতিনিধি দলের সঙ্গে নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ নিয়ে কথা হয়েছে’

বাংলাদেশে সফররত যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক-নির্বাচনী প্রতিনিধি দল মধ্যস্ততা করতে আসেনি বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, মার্কিন পর্যবেক্ষক দলের সঙ্গে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের চ্যালেঞ্জ ও গণতন্ত্র নিয়ে কথা হয়েছে।

সোমবার (৯ অক্টোবর) দুপুরে মার্কিন প্রাক-নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের। দুপুরে সাড়ে ১২টায় রাজধানীর বনানীর শেরাটন হোটেলে বৈঠকটি হয়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রতিনিধি দল আমাদের বলেছে, তারা কোনো বিষয়ে মধ্যস্ততা করতে আসেননি। আমরাও বলেছি, আমরা একটি অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে আমরা জাতির কাছে অঙ্গীকারাবদ্ধ। আমরা সেভাবেই কাজ করছি।

সেতুমন্ত্রী বলেন, তাদের কথাবার্তা পজিটিভ মনে হয়েছে। তারা কোনো পক্ষ নিয়ে এসেছে, এমন মনে হয়নি।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, আইআরআই ও এনডিআই এর একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে এসেছে। নির্বাচনী পরিবেশ মূল্যায়নের জন্য এসেছেন। তারা অন্যান্যদের মতো আমাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ১২ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধি দল। সেখানে আমাদের জাতীয় নির্বাচন নিয়ে আমরা আমাদের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছি। তাদের সঙ্গে শুধু বাংলাদেশ না বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গণতন্ত্রের চ্যালেঞ্জ নিয়েও কথা হয়েছে।

সেতুমন্ত্রী বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে জাতির কাছে প্রধানমন্ত্রীর যে অঙ্গীকার, আমরা তা প্রতিনিধি দলকে জানিয়েছি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, গত ১৫ বছরে বাংলাদেশের গণতন্ত্র, নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করতে ৮২টি রিফর্ম সংস্কার শেখ হাসিনা সরকার করেছে, সে ব্যাপারে আমরা কথা বলেছি। অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনে দেশরত্ন শেখ হাসিনার যে অঙ্গিকার জাতির কাছে, সে বিষয়ে আমরা কথা বলেছি।

আওয়ামী লীগের তিনবারের এই সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি যে অভিযোগ তাদের কাছে করেছে, তার জবাব আমরা তাদেরকে (প্রতিনিধি দলকে) জানিয়েছি। আমরা জানি যে বিএনপি সভা-সমাবেশ নিয়ে যেভাবে ভুল তথ্য পরিবেশন করে, আইনের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে আসছে, সে ব্যাপারে আমাদের সঠিকতার বিষয়টি আমাদের অবশ্যই তাদের বলতে হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা কারও বিরুদ্ধে কিছু বলতে চাই না। কিন্তু দেশে আজকে এমন এমন গুজব, মিথ্যাচার চলছে, যার জবাব অবশ্যই রাজনৈতিক দল হিসেবে, ক্ষমতাসীন দল হিসেবে অবশ্যই তার জবাব দিতে হয়।

ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রতিনিধি দল অবশ্য বলেছেন, তারা কোনো বিষয়ে মধ্যস্থতা করতে আসেনি। তারা এখানে একটা ভালো নির্বাচন দেখতে চান, আমরাও বলেছি- আমরা একটা অবাধ, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে অঙ্গীকারবদ্ধ, জাতির কাছে ওয়াদাবদ্ধ এবং আমরা সে লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি।

প্রতিনিধি দলের কথাবার্তা আমাদের কাছে খুব পজিটিভ মনে হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা যেকোনো পক্ষ নিয়ে বা কোনো বায়াস এটিটিউট নিয়ে তারা আমাদের সাথে কথা বলেছেন- এমন নয়। আমাদের দেশের টেলিভিশন চ্যানেলে আমি তো যাই না। যারা যান, তারা উপলব্ধি করতে পারেন, এখানে উপস্থাপক নিজেই একটা পক্ষ নিয়ে কথা বলেন। এই প্রতিনিধি দল কোনো পক্ষ নিয়ে কথা বলেননি। তারা একটা ডেমোক্রেটিক পার্টি, আরেকটা রিপাবলিকান পার্টি। সে হিসেবে তারা এসেছেন, তারা এখানে অস্থিতিশীলতা এসেসমেন্ট করতে চান, সঠিকভাবে, আমরা তাদের কথাবার্তায় সেটাই বুঝেছি। ভায়োলেন্সের কোনো আশঙ্কা আছে কিনা এসব বিষয়গুলো তারা পর্যবেক্ষণ করছেন।

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, তারা আসলে আমাদের মনোভাবটা জানতে চেয়েছে, পরিবেশটা জানতে চেয়েছে, আমরা আসলে কি করতে চাই, কি ধরণের ইলেকশন করতে চাই এবং ভবিষ্যৎটা কীভাবে দেখছি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের, এ বিষয়ে কথা হয়েছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমি বলেছি, বিএনপি নিশ্চয়ই তোমাদের কাছে এসব বিষয়গুলো বলেছে। তারা বলেছে, কম্প্রোমাইজ অ্যান্ড অ্যাডজাস্টমেন্টে কি কোনো সমাধান খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না? তখন আমরা বলেছি- কম্প্রোমাইজ অ্যান্ড অ্যাডজাস্টমেন্টে সেটারও স্পেস থাকতে হবে। কম্প্রোমাইজ অ্যান্ড অ্যাডজাস্টমেন্ট করার যে স্পেস, সেটা বিএনপি রাখেনি, ব্লক করে দিতেছে। তারা প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ চায়। আমরা প্রতিনিধি দলের কাছে জানতে চেয়েছি, প্রধানমন্ত্রী কেন পদত্যাগ করবে?

আওয়ামী লীগের শীর্ষ এই নেতা বলেন, তারা বিএনপি বা বিরোধী দলে আমাদের দেশে যা চলছে, সে বিষয়ে কিছু বলেনি। আমরা কি ধরণের নির্বাচন চাই, আমরা তাদের সেটা বলেছি।

বৈঠকে আওয়ামী লীগের পক্ষে নেতৃত্ব দেন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন- দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য লেফটেন্যান্ট কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত মুহাম্মদ ফারুক খান, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ড. শাম্মী আহমেদ, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ এবং কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ এ আরাফাত। বৈঠকে মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন মারিয়া চিন বিনতে আব্দুল্লাহ।

গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রাক নির্বাচনী পর্যবেক্ষক দলটি ঢাকায় পৌছায়। রোববার (৮ অক্টোবর) থেকে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করে। সফরের তৃতীয় দিন সোমবার সকালে বিএনপির সঙ্গে, এরপর আওয়ামী লীগের সঙ্গে বৈঠক করে তারা।

গত শনিবার বিকেলে এবং রাতে দুই ভাগে প্রতিনিধি দলের সদস্যর ঢাকায় এসে পৌঁছান। প্রতিনিধি দলে সাতজন সদস্য রয়েছেন৷ প্রতিনিধি দলটি ৭ থেকে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলাদেশ সফর করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের অর্থায়নে পরিচালিত ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) এবং ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক ইনস্টিটিউট (এনডিআই) আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের জন্য এনডিআই-এর নীতিমালার ঘোষণা অনুযায়ী স্বাধীনভাবে এবং নিরপেক্ষভাবে এ যৌথ প্রাক-নির্বাচন মূল্যায়ন মিশন (পিইএএম) পরিচালনা করবে। প্রতিনিধি দলটি এক সপ্তাহ ঢাকায় অবস্থানকালে রাজনৈতিক দল, নির্বাচন কমিশন, সরকারি সংস্থা, বিদেশি কূটনীতিক, সুশীল সমাজ, গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন সংস্থার সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করবে।

Feb2
Feb2

চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লংমার্চ’ শুরু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 10:12 am
চট্টগ্রাম অভিমুখী ১১ দলীয় ঐক্যের ‘লংমার্চ’ শুরু

গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার, বিদ্যুৎ, তেল, গ্যাস ও সার সংকট নিরসন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধ চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং সংকীর্ণ দলীয়করণ বন্ধের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী ‘লংমার্চ’ শুরু হয়েছে।

এর আগে আজ (শনিবার) সকাল ৭টায় রাজধানীর শাপলা চত্বরে উদ্বোধনী সমাবেশ করেন ১১ দলীয় ঐক্য। সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সমাবেশ শেষে চট্টগ্রাম অভিমুখী এ ‘লং মার্চ’ শুরু হয়।

পবিত্র কোরআন তেলাওয়ায়াতরে মাধ্যমে শুরু হওয়া সমাবেশে উদ্বোধনী বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ।

এতে বক্তব্য রাখছেন ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতারা। ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ নেতা, বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পর চট্টগ্রাম অভিমুখে লং মার্চের বহর রওনা হয়।

লং মার্চের রুটে পূর্বনির্ধারিত বিভিন্ন পয়েন্টে পথসভা হবে। প্রথমটি নারায়ণঞ্জের কাচপুর ব্রিজের কাছে ট্রাকস্টান্ডে, কুমিল্লার পদুয়া বাজার বিশ্বরোড, ফেনীর মহীপাল, মীরের সরাই এবং সবশেষ চট্টগ্রামের লালদিঘি ময়দানে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।

সিফাতকে ছেড়ে দেন, ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন : শফিকুর রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 9:57 am
সিফাতকে ছেড়ে দেন, ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন : শফিকুর রহমান

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অতিষ্ঠ হয়ে, বিরক্ত হয়ে সিফাত নামের একজন তরুণ কী বলেছিল, তাতে বাংলাদেশ উলটপালট হয়ে যাওয়ার মতো করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দলীয় সন্ত্রাসীরা থানায় নিয়ে তাকে নাজেহাল করেছে। ওকে ছেড়ে দেন। ভালোই ভালোই ছেড়ে দেন। যদি না ছাড়েন, তাহলে মনে রাখবেন, এক নূর হোসেন, এক ইয়াসমিন, এক ডাক্তার মিলন অনেকের গদিকে একদম ওলটপালট করে দিয়েছিল। কখন যে পচা শামুকে পা কাটবে, কেউ বলতে পারবে না।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মতিঝিলে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আমরা পরিষ্কারভাবে বলে দিতে চাই, সিফাতের মুখের ভাষা দিয়ে নয়, কিন্তু যে বিষয়ে সে প্রতিবাদ করেছে, এই বিষয়ে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ প্রয়োজনে সিফাত হয়ে গর্জন করবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দাবি স্পষ্ট, ছয় দফা দাবি আপনারা দেখেছেন। তার সাথে সপ্তম দফা হবে, কোনো চাঁদাবাজ এবং দুর্নীতিবাজের অস্তিত্ব বাংলাদেশে আমরা বরদাস্ত করব না।’

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণ চাঁদাবাজদের জ্বালায় অতিষ্ঠ। দুর্নীতিবাজদের হাতে জনগণের অধিকার লুণ্ঠিত। গ্যাস নাই, পানি নাই, ইলেকট্রিসিটি নাই। কিন্তু গ্যাসের বিলও যথারীতি আছে। কারেন্টের ভূতুড়ে বিল আছে। পানির জন্য কথা বলা যাবে না।

তিনি বলেন, ঢাকাবাসী আপনারা দোয়া করবেন। আমরা আপনাদের এ দেশের ১৮ কোটি মানুষের দাবি আদায়ের জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। সেই অঙ্গীকার পূরণ করতেই আমরা এই কর্মসূচি শুরু করেছি। আমরা দেখতে পাচ্ছি, আমাদের কর্মসূচির ঔষধ ইতোমধ্যে কাজ করতে শুরু করেছে।

তিনি আরও বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় তার ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে। ক্রিয়া হলে মোবারকবাদ। প্রতিক্রিয়া হলে আমরা বলে দিচ্ছি। আপনারা বলছেন, এই করলে সেই করলে ছাড় দিয়ে কথা বলা হবে না। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি, জনগণের অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি করলে জনগণও কাউকে ছাড় দিয়ে কথা বলবে না।’

তিনি আরও বলেন, আমরা আজ কোনো দল, ব্যক্তিগোষ্ঠীর জন্য এই রাস্তায় নামিনি। আমরা নেমেছি বাংলাদেশে ১৮ কোটি মানুষের পক্ষে। আমরা জনগণের জন্য রাস্তায় নেমেছি। জনগণের অধিকার আদায় করে ঘরে ফিরব। আমাদের এই আন্দোলন চলবে রাস্তায়, রাজপথে এবং জাতীয় সংসদে। সমান্তরালে আন্দোলন চলতে থাকবে যতক্ষণ পর্যন্ত ১৮ কোটি মানুষের প্রত্যেকটি অধিকার প্রতিষ্ঠিত না হবে।

আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক, আমাদের লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 5 September, 2026, 9:11 am
আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক, আমাদের লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘আজকে যত বাধা-বিপত্তি আসুক না কেন, আমাদের এই লং মার্চ চট্টগ্রাম পৌঁছাবেই পৌঁছাবে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সারা বাংলাদেশের মানুষ লং মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচিতে সবাই ঢাকায় একত্রিত হয়ে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছিল। এবার আমরা ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম এবং অন্যান্য বিভাগের উদ্দেশ্যে লং মার্চের যাত্রা শুরু করেছি। নতুন করে যারা স্বৈরাচার হতে যাচ্ছে, সেই স্বৈরাচার হওয়ার পথ বন্ধ করার জন্য আমাদের এই লং মার্চ।’

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে মতিঝিলে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখী শান্তিপূর্ণ লং মার্চের উদ্বোধনী সমাবেশ তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘এই লং চাঁদাবাজ, সন্ত্রাস, মাদকের বিরুদ্ধে লং মার্চ। এই লং মার্চ যারা তেল, গ্যাস, বিদ্যুতের সিন্ডিকেট করে দাম বৃদ্ধির পাঁয়তারা করছে, তাদের বিরুদ্ধে লং মার্চ। এই লং মার্চ যারা ৭০ শতাংশ জনগণের গণরায়ের সঙ্গে প্রতারণা করেছে, তাদের বিরুদ্ধে লং মার্চ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা জনগণের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা দলে দলে এই লং মার্চে অংশগ্রহণ করুন। এই লং মার্চ কোনো ১১ দলের লং মার্চ নয়। এই লং মার্চ বাংলাদেশের আপামর সাধারণ মানুষের লং মার্চ।’

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা লং মার্চ শান্তিপূর্ণভাবে পালন করব। যদি সরকার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে, এই লং মার্চের ছয় দফা এক দফাতে পরিণত হবে।’