খুঁজুন
, ,

দেশকে আরও এগিয়ে নিতে হলে হাতে অস্ত্র নয়, বই রাখবো: সচিব খলিল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 14 October, 2023, 8:52 pm
দেশকে আরও এগিয়ে নিতে হলে হাতে অস্ত্র নয়, বই রাখবো: সচিব খলিল

সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব খলিল আহমদ বলেছেন, আমরা যে কোন জায়গায় গেলে হাতে অস্ত্র নয়, একটা বই রাখবো, তাহলে আমাদের দেশ আরও অনেকদূর এগিয়ে যাবে। বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র মানবিক কাজ করছে। এ বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ঘিরে যারা পাঠাভ্যাস গড়ে তুলবে তারা আলোকিত মানুষ হবে। আজ ১৪ অক্টোবর শনিবার বিকেল ৪টায় নগরীর চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন মিউনিসিপ্যাল মডেল স্কুল এন্ড কলেজে মাঠে আয়োজিত সপ্তাহব্যাপী বিভাগীয় বইমেলার শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের ব্যবস্থাপনায়, বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির সহযোগিতায় এ বই মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। শুরুতে বেলুন উড়িয়ে সপ্তাহব্যাপী চট্টগ্রাম বিভাগীয় বইমেলার শুভ উদ্বোধন করেন তিনি।

তিনি বলেন, ২০০৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় সফরকালীন সময়ে দেখি বাস-ট্রেনে সবার হাতে বই। তখন মনে হতো কোরিয়ার মতো বই পড়ার অভ্যাস আমার বাংলাদেশে কবে হবে। আমার মনে হয় সেদিন আর বেশি দেরী নেই। বাংলাদেশে এমন অনেক উদারণ রয়েছে। বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রে দায়িত্বে রয়েছেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সাঈদ। তিনিও একজন আলোািকত মানুষ। বই পড়ে যারা জ্ঞান অর্জন করতে চাই তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে একদিন মানবিক মানুষ হয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে এগিয়ে আসবে। চট্টগ্রামের বই মেলাটি একটি অন্যতম বড় মেলায় পরিণত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সচিব খলিল আহমদ আরও বলেন, বিগত ২০০২-২০০৪ সাল পর্যন্ত সময়ে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে ইউএনও থাকাকালীন সময়ে একুশে বই মেলা দেখতে ঢাকায় যেতাম, আর তখন দুঃখ করতাম-চট্টগ্রামে কেন বই মেলা হয়না। এখন হচ্ছে, বইমেলার জন্য চট্টগ্রামবাসীকে বাইরে যেতে হবে না। জাতির পিতার সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতিকে আলোকিত করতে সকল বিভাগ ও জেলা পর্যায়ে বই মেলার আয়োজন করা হচ্ছে। বই মনস্ক জাতি গঠন করতে পারলে দেশ থেকে সন্ত্রাস ও মাদকসহ সকল ধরণের অপকর্ম দূর হবে।

অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোহাম্মদ শামীম আলমের সভাপতিত্বে সিনিয়র সহকারী কমিশনার নীলুফা ইয়াসমিন চৌধুরী ও রাজীব হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম বিভাগীয় বইমেলার শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মুহম্মদ নুরুল হুদা, সিএমপি’র অতিরিক্ত কমিশনার এমএ মাসুদ, জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের পরিচালক মিনার মনসুর, চট্টগ্রাম জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ আবদুল মালেক প্রকাশ মালেক মুস্তাকিম, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর আহমদ, বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির পরিচালক নেসার উদ্দিন আয়ুব ও সৃজনশীল প্রকাশক পরিষদের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মহিউদ্দিন শাহ আলম নিপু। লেখক, প্রকাশক, বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক শিক্ষার্থী, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মোহাম্মদ শামীম আলম বলেন, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে বইপড়ার আগ্রহ সৃষ্টি করা, গবেষকদের সহায়তা ও উৎসাহ প্রদানের মাধ্যমে বইমনস্ক জাতি গঠনের লক্ষ্যে প্রথম বারের মতো বিভাগীয় পর্যায়ে বই মেলার আয়োজন। বইমেলা প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে। মেলায় ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ দেশের খ্যাতনামা প্রকাশনী সংস্থা ৭৫টি স্টলের মাধ্যমে অংশগ্রহণ করেছে। বাংলা একাডেমিসহ সরকারি প্রকাশনী সংস্থার ১০টি, জাতীয় পর্যায়ের ৪৭টি প্রকাশনী সংস্থা ও চট্টগ্রামের সৃজনশীল প্রকাশক পরিষদ ১৭টি প্রকাশনা সংস্থার স্টল রয়েছে।মেলায় প্রতিদিন স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণে রচনা, বিতর্ক, চিত্রাংকন প্রতিযোগিতাসহ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ও শিশু একাডেমির অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আগামী ২০ অক্টোবর শুক্রবার বিকেল ৪টায় পুরস্কার বিতরণ ও সমাপনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বইমেলার সমাপ্তি ঘটবে।

অনুষ্ঠানে অতিথিবৃন্দরা তাদের বক্তব্যে বলেন, উন্নত জাতি গঠনে বই পড়ার কোন বিকল্প নেই। প্রতিটি মানুষই এক একটি বই। মানুষ বেচেঁ থাকবেনা, কিন্তুু বই থাকবে। উন্নত জাতি গঠনে তরুণ প্রজন্ম ও যুব সমাজকে বইমুখী করতে হবে। তাহলে সন্তানেরা মাদকসহ অন্যান্য অপকর্ম থেকে সরে আসবে। বই শুধু জ্ঞান বিকাশের হাতিয়ার নয়, সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডকে আরও বেগবান করে। জ্ঞানকে ধরে রাখতে হলে পড়তে, বলতে, লিখতে ও জানতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, জন্ম থেকে আমৃত্যু পর্যন্ত জ্ঞানার্জনের শেষ নেই। জাতিকে শিক্ষিত করতে হলে বেশী বেশী করে বই পড়তে হবে। এজন্য জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তরুণ ও যুব সমাজেকে মহান মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানাতে হবে। নতুন প্রজন্মকে বই পড়ার মাধ্যমে মানবিক জাতি হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে আমরা একদিন উন্নত জাতি হিসেবে বিশ্বে মাথা উচুঁ করে দাড়াঁতে পারবো।

Feb2
Feb2

সরকার পারছে না, এখন দোষ দিয়ে লাভ নেই : বন্যা প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 12 July, 2026, 6:49 pm
সরকার পারছে না, এখন দোষ দিয়ে লাভ নেই : বন্যা প্রসঙ্গে নাহিদ ইসলাম

চট্টগ্রামের আনোয়ারায় বন্যা ও জলাবদ্ধতায় পানিবন্দি মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় হুইপ নাহিদ ইসলাম।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে উপজেলার ৩ নম্বর রায়পুর ইউনিয়নের দোভাষী বাজার এলাকায় তিনি এই ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।

ত্রাণ বিতরণ শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সাঙ্গে আলাপকালে দেশের বর্তমান বন্যা পরিস্থিতি ও সরকারের ভূমিকা নিয়ে কথা বলেন নাহিদ ইসলাম। দেশের মানুষের এই দুর্যোগকালীন সময়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, যে কারণেই হোক, সরকার পারছে না। এখন দোষ দিয়ে লাভ নেই, মূল জিনিস হচ্ছে মানুষ কষ্ট পাচ্ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দল-মত নির্বিশেষে সামর্থ্যবান ও ছাত্র সমাজসহ জনসাধারণকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমরা তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও বাজেট নিয়ে বারবার কথা বলছি। কক্সবাজার, পার্বত্য অঞ্চল ও চট্টগ্রামে যখনই বৃষ্টি শুরু হয়, আমরা বিষয়টি নিয়ে সংসদে সোচ্চার হয়েছি। ত্রাণ ও দুর্যোগ মন্ত্রী তখন সংসদে দাঁড়িয়ে বিভিন্ন ব্যবস্থার কথা বললেও, বর্তমানে খোদ প্রধানমন্ত্রী নিজেই স্থানীয় প্রশাসন ও দলীয় নেতা-কর্মীদের নিষ্ক্রিয়তায় নাখোশ বলে নিউজে দেখা যাচ্ছে। আমরা আশা করব, সরকার দ্রুত সময়ের মধ্যে কার্যকরী উদ্যোগ নেবে।’

আনোয়ারার উপকূলীয় এলাকার বেড়িবাঁধের বেহাল দশা এবং স্থানীয় প্রশাসনের উদাসীনতার তীব্র সমালোচনা করে বিরোধী দলীয় হুইপ বলেন, ‘আমাদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যরা আগে থেকেই এখানে কাজ করছেন। আমরা এসে দেখলাম, দীর্ঘ ৫–৭ দিন ধরে এখানে কয়েকশো পরিবার পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। অথচ স্থানীয় এমপি কিংবা প্রশাসনের কাউকে এখানে দেখা যায়নি। মানুষ কোনো ত্রাণও পায়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানলাম, বেড়িবাঁধের সমস্যার কারণেই বছরের পর বছর ধরে এই কৃত্রিম বন্যা ও জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছে। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বেড়িবাঁধের নামে বরাদ্দকৃত কোটি কোটি টাকা লুটপাট করা হয়েছে। তবে এবার বাজেটে বেড়িবাঁধের জন্য যে টাকা রাখা হয়েছে, তার একটা টাকাও আমরা দুর্নীতি বা লুটপাট হতে দেব না। সংসদে আমরা এই বেড়িবাঁধের কথা শক্তভাবে তুলব, যাতে বরাদ্দকৃত অর্থ সঠিকভাবে ব্যয় করে দ্রুত বাঁধের কাজ শেষ করা হয়।’

চট্টগ্রামের পাশাপাশি ঢাকা ও দেশের অন্যান্য অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন এনসিপির এই শীর্ষ নেতা। তিনি জানান, আনোয়ারা শেষে তারা বাঁশখালীসহ বন্যাদুর্গত অন্যান্য জেলাগুলোতেও নিজেদের সক্ষমতা অনুযায়ী ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

ত্রাণ বিতরণকালে স্থানীয় জনগণের উদ্দেশ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণ অঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, বন্যাদুর্গত এলাকায় চিকিৎসা ও অন্যান্য জরুরি যেকোনো প্রয়োজনে এনসিপির পক্ষ থেকে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য জুবাইরুল আলম মানিক সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবেন।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন– ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক খান তালাত মাহমুদ রাফি প্রমুখ।

‘ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক দায়িত্ব’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 12 July, 2026, 6:11 pm
‘ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো নৈতিক দায়িত্ব’

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না বলেছেন, সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। দুর্গত এলাকায় আমাদের উদ্যোগে মেডিক্যাল ক্যাম্প পরিচালনার পাশাপাশি খাদ্য ও জরুরি ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে। জেলা পর্যায়ের নেতৃত্ব সার্বক্ষণিক বন্যাকবলিত এলাকার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর রাখছে।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে ত্রাণসামগ্রী বিতরণকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আবদুল মোনায়েম মুন্না বলেন, সরকারের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীরাও সমন্বিতভাবে মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে কাজ করছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো যেন দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারে, সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত থাকবে। দুর্যোগ মোকাবিলায় সবাইকে মানবিকতা, সহযোগিতা ও ঐক্যের মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।

এসময় যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি মাহফুজুর রহমান মাহফুজ, আহমেদ মুন্না, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহেদ, সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও মহানগর যুবদল নেতা মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম শহিদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা অব্যাহত থাকবে: প্রতিমন্ত্রী অমিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 12 July, 2026, 5:57 pm
দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা অব্যাহত থাকবে: প্রতিমন্ত্রী অমিত

দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে কোনো ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে অসহায় অবস্থায় ফেলে রাখা হবে না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত মানবিক নীতির আলোকে সরকারের সব প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিরা সমন্বিতভাবে কাজ করছে। প্রয়োজনীয় খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধসহ অন্যান্য সহায়তা অব্যাহত থাকবে।

রোববার (১২ জুলাই) নগরের চান্দগাঁও সিএন্ডবি, মোহরা ও দক্ষিণ কাট্টলি এলাকার বন্যা ও জলাবদ্ধতায় পানিবন্দি মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুর্যোগ পরবর্তী পুনর্বাসন, ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ এবং প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মকভাবে কাজ করবেন। জনগণের যেকোনো দুর্যোগে জনপ্রতিনিধিরা সবসময় মানুষের পাশে রয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বাড়ি বাড়ি গিয়ে দুর্গত মানুষের খোঁজখবর নেন। জলাবদ্ধতা ও বন্যাজনিত দুর্ভোগ সম্পর্কে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং বিশুদ্ধ পানির সংকট, খাদ্য ও জরুরি সেবার বিষয়গুলো পর্যালোচনা করেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন।

পরে প্রতিমন্ত্রী ও উপস্থিত জনপ্রতিনিধিরা পানিবন্দি পরিবারের মধ্যে শুকনো খাবার, চাল, ডাল, তেল, বিশুদ্ধ পানি ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন।

এ সময় চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ ও সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।