খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামের ১৬ আসনে নৌকার মাঝি হতে চায় ২২১ জন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৩, ৭:৪৫ অপরাহ্ণ
চট্টগ্রামের ১৬ আসনে নৌকার মাঝি হতে চায় ২২১ জন

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক নৌকার মনোনয়ন ফরম বিতরণ ও জমা দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার শেষদিনে ২৩ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। চার দিনে চট্টগ্রামের ১৬ আসনে নৌকা প্রতীকের ২৩০টি ফরম বিক্রি করা হয়েছে। এরমধ্যে কয়েকজন একাধিক আসন থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দিয়েছেন। ২২১ জন নৌকা-প্রত্যাশী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগের উপ-কমিটির সদস্য ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সালাউদ্দিন সাকিব বলেন, গতকাল শেষদিনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনেছেন ২৩ জন। গত চার দিনে ২৩০টি মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্র জানায়, চার দিনে চট্টগ্রামের ১৬ টি আসনে আওয়ামী লীগের ফরম কিনেছেন ২২১ জন। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন চট্টগ্রাম- ৮ (বোয়ালখালী-পাঁচলাইশ) আসনে।

চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই):
মাহবুব উর রহমান, মো. গিয়াস উদ্দিন, মোহাম্মদ মোস্তফা।

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি):
মোহাম্মদ শাহজাহান, সাদাত আনোয়ার সাদী, খদিজাতুল আনোয়ার, বেলাল মোহাম্মদ নূরী, সাবরিনা চৌধুরী, হাসিবুন সুহাদ, মোহাম্মদ গোলাম নওশের আলী, আফতাব উদ্দিন চৌধুরী, হোসাইন মো. আবু তৈয়ব, ফখরুল আনোয়ার, সৈয়দ রাজিয়া মোস্তফা, মোহাম্মদ হারুন, তৌহিদ মু. ফয়সল কামাল, সরোয়ার উদ্দিন চৌধুরী, এমআর আজিম, মোহাম্মদ ছালামত উল্লাহ চৌধুরী, মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, খোরশেদ আহমদ জুয়েল, এটিএম পেয়ারুল ইসলাম, কাজী মো. তানজীবুল আলম, আব্দুল নাসের।

চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ):

মো. রাজিবুল আহসান, মাহফুজুর রহমান, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, মো. জাফর উল্লাহ, মানিক মিয়া তালুকদার, একেএম বেলায়েত হোসেন, মহিউদ্দিন আহমেদ, মো. জামাল উদ্দিন চৌধুরী, সরোয়ার হাসান জামিল, রুমানা নাসরিন, রফিকুল ইসলাম, মো. ইউনুছ আলী জীবন।

চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুন্ড ও চসিক আংশিক):

মো. ফখরুদ্দিন চৌধুরী, আবদুল্লাহ আল বাকের ভূঁইয়া, মোহাম্মদ পারভেজ উদ্দীন, ড. নিছার উদ্দীন আহমদ মঞ্জু, মোহাম্মদ ইমরান, এসএম আল মামুন, দিদারুল আলম, চৌধুরী মোহাম্মদ জিন্নাত আলী, রতেন্দু ভট্টচার্য্য, আবু মনির মোহাম্মদ শহীদুল হক চৌধুরী, মহিউদ্দিন।

চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী ও চসিক আংশিক):

মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম, মোহাম্মদ শামীম, মুহাম্মদ শাহজাহান চৌধুরী, মনজুরুল আলম চৌধুরী, এড. মো. ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী, ইউনুস গনি চৌধুরী, মোহাম্মদ আবদুস সালাম, মোহাম্মদ মঈনুদ্দিন, মোহাম্মদ ইউনুছ, বাসন্তী প্রভা পালিত, মো. নাছির হায়দার করিম, ডা. নূরউদ্দিন জাহেদ, মাহমুদ সালাহউদ্দিন চৌধুরী, মাসুদুল আলম।

চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান):

এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী, মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী, মো. মুসলিম উদ্দিন চৌধুরী, ইমরানুল কবির, মোহাম্মদ আবুল কালাম, দেবাশীষ পালিত, বখতেয়ার উদ্দিন খান, মো. ছালামত আলী।

চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া ও বোয়ালখালী আংশিক):

মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ, মো. ওসমান গনি চৌধুরী।

চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী ও চসিক আংশিক) :

মো. খোরশেদ আলম, মো. মনছুর আলম পাপ্পী, এটিএম আলী রিয়াজ খান রক্সি, জিনাত সোহানা চৌধুরী, মো. এমরান, জাবেদুল আজম মাসুদ, মো. আরশাদুল আলম, মো. সাইফুল ইসলাম, কফিল উদ্দিন খান, নোমান আল মাহমুদ, মোহাম্মদ আবদুল কাদের, মো. মোবারক আলী, মো. বেলাল হোসেন, সেলিনা খান, আবদুচ ছালাম, এসএম কফিল উদ্দিন, মো. দিদারুল আলম, কাজী শারমিন সুমি, এসএম নুরুল ইসলাম, বিজয় কুমার চৌধুরী, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, মো. দিদারুল আলম, মুজিবুর রহমান, মো. নুরুল আনোয়ার, মো. আবু তাহের, আশেক রসুল খান, এম.এ সুফিয়ান সিকদার, শেখ আমেনা খাতুন।

চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী):

মুহাম্মদ শাহজাহান চৌধুরী, আমিনুল হক, শাহাজাদা মোহাম্মদ ফৌজল মুবিন খান, এড. মো. ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী, শফিক আদনান, শেখ ইফতেখার সাইফুল চৌধুরী, আ জ ম নাছির উদ্দীন, শফর আলী, মো. রাশেদুল হাসান, মহিবুল হাসান চৌধুরী, মুজিবুর রহমান, মো. দিদারুল আলম, মো. শহিদুল আলম, রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, এম. জহিরুল আলম দোভাষ, মশিউর রহমান চৌধুরী, মো. জালাল উদ্দীন।

চট্টগ্রাম-১০ (পাহাড়তলী-ডবলমুরিং):

মো. মহিউদ্দিন বাচ্চু, মোহাম্মদ এমদাদুল ইসলাম, আ জ ম নাছির উদ্দীন, শফর আলী, কেবিএম শাহজাহান, মো. খোরশেদ আলম, মোহাম্মদ ইউনুছ, সৈয়দ মাহমুদুল হক, মো. দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া, মো. আসলাম হোসেন, সাইফুদ্দিন খালেদ, জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর, আব্দুস সবুর লিটন, মো. ছালামত আলী, একেএম বেলায়েত হোসেন, মো. ফয়সল আমীন, মোহাম্মদ অহিদ সিরাজ চৌধুরী, মো. সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন, মো. এরশাদুল আমীন, আবুল ফজল কবির আহমদ।

চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা):

শেখ মাহমুদুল ইসহাক, মোহাম্মদ এনামুল হক, মো. আলতাফ হোসেন চৌধুরী, আ জ ম নাছির উদ্দীন, শফর আলী, জিয়াউল হক সুমন, মো. রাশেদুল হাসান, মো. খোরশেদ আলম, নজরুল ইসলাম বাহাদুর, এম. আবদুল লতিফ, দেবাশীষ পাল, রেখা আলম চৌধুরী, মো. জাবেদ ইকবাল, সওগাতুল আনোয়ার খান, মশিউর রহমান চৌধুরী, ইকবাল আলী, মোহাম্মদ আব্দুল লতিফ, মোজাফ্ফর আহমদ, হাজী জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, মো. ইলিয়াছ, ইমরান ফাহিম নূর, সায়রা বানু রুশনী, মো. মাহবুবুর রহমান, নওশাদ সরোয়ার, ছালেহ আহমদ চৌধুরী, আকবর হোসেন, এম.এনামুল হক চৌধুরী।

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া):

মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, মো. আবদুর রশীদ, আলাউদ্দিন মোহাম্মদ আবদুল ওয়াদুদ, সামশুল হক চৌধুরী, চেমন আরা বেগম, সত্যজিৎ দাশ রুপু, হাজী মুহাম্মদ হারুনুর রশিদ, জুলকারনাইন চৌধুরী, মো. হাবিবুল হক চৌধুুরী, মো. মহিউদ্দিন, মোহাম্মদ ফারুক, রাশেদ মনোয়ার, মো. আবুল কালাম আজাদ চৌধুরী, প্রদীপ কুমার দাশ।

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী):

শাহজাদা মহিউদ্দিন, সমীরন নাথ, সাইফুজ্জামান চৌধুরী, মুহাম্মদ বদিউল আলম।

চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া আংশিক):

মফিজুর রহমান, নাছির উদ্দীন, আফতাব মাহমুদ, মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী, এম. মাসুদ আলম চৌধুরী, ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমদ আসিফ, রফিকুল ইসলাম, মোহা. কায়কোবাদ ওসমানী, মোহাম্মদ আবদুল কৈয়ম চৌধুরী, মোহাম্মদ আবদুল জব্বার চৌধুরী, মো. জাহিদুল ইসলাম, মীর মো, মহিউদ্দিন, মো. আবুল বশর ভূঁইয়া, মাহবুবুর রহমান, মামুন উল হক চৌধুরী, শাহিদা আক্তার জাহান, আবু আহমেদ চৌধুরী।

চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া):

আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী, সৈয়দ মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন, আব্দুল মোতালেব, সাজেদা সুরাত, মো. মইনুল ইসলাম মামুন, কামরুন নাহার, মোহাম্মদ আমান উল্লাহ জাহাঙ্গীর, মোহাম্মদ মঈনুদ্দিন হাসান চৌধুরী, আ. ম. ম মিনহাজুর রহমান, মো. এরশাদুল হক, মো. জসীম উদ্দিন চৌধুরী, মো. আমিনুল ইসলাম, আবু সুফিয়ান, মোহাম্মদ অহিদ সিরাজ চৌধুরী, দেলোয়ার হোসেন।

চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী):

চৌধুরী মোহাম্মদ গালিব সাদলী, আরেফ উল হক, মুহাম্মদ মুজিবুর রহমান চৌধুরী, মো. আলমগীর চৌধুরী, আবদুল্লাহ কবির, মোহাম্মদ জমির উদ্দিন সিকদার, মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, মুজিবুর রহমান, আবু নাছের মো. সরওয়ার আলম, এড. মুজিবুল হক, শেখর দত্ত, সাইফুদ্দিন আহমেদ রবি, আবুল হোসেন মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন, সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী (শামস্), মোসলেহ উদ্দিন মনসুর, মো. ছৈয়দুল মোস্তফা রাজু, নাজমা আক্তার।

Feb2

মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ অপরাহ্ণ
মানবিক ডিসি জাহিদের কাছে সাহায্যপ্রার্থীদের ঢল

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের গণশুনানিতে ভিড় বাড়ছেই মানবিক সহায়তা প্রত্যাশী মানুষের। অসুস্থতা, দারিদ্র্য, কর্মহীনতা ও চরম আর্থিক সংকটে পড়ে জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসছেন শেষ আশ্রয়ের খোঁজে। এসব আবেদন ঘেঁটে দেখা গেছে—প্রতিটি কাগজের আড়ালে লুকিয়ে আছে বেঁচে থাকার তীব্র আর্তি।

ক্যানসারে আক্রান্ত লাভলী দাস গুপ্তা ভারতের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা চালাতে গিয়ে তার পরিবারের সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে না পেরে তিনি আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) সারা দেশে মানবিক ডিসি হিসেবে পরিচিত চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়েছেন। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে গেলে জীবন ঝুঁকিতে পড়বে জেনে জেলা প্রশাসক তাকে আর্থিক সহয়তা প্রদান করেন তাৎক্ষণিকভাবে।

৫৫ বছর বয়সী মোহাম্মদ সুমন গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছেন। রোগ নির্ণয়ের জন্য তাকে একাধিক পরীক্ষা করাতে হয়েছে একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে। এসব পরীক্ষার খরচ বহন করতে গিয়ে তিনি এখন আর্থিকভাবে বিপর্যস্ত। জেলার অভিভাবককে তিনি জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো সামর্থ্য তার আর নেই। তাকেও নিরাশ করলেন না মানবিক ডিসি।

একইভাবে ৬৫ বছর বয়সী হাছিনা বেগমও চিকিৎসা ব্যয়ের ভারে ন্যুব্জ। বয়সজনিত অসুস্থতায় ভুগলেও অর্থাভাবে নিয়মিত চিকিৎসা নিতে পারছেন না। জীবনের এই শেষ সময়ে চিকিৎসা সহায়তা না পেলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কার কথা জানান জেলার শীর্ষ কর্মকর্তাকে।

জামিলা বেগম নামের এক নারী জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে হাজির হয়ে ডিসি জাহিদুল ইসলামকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকায় চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। পরিবারের আয়ের কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস না থাকায় তিনি এখন সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। জেলা প্রশাসকের আর্থিক সহয়তা পেয়ে উচ্ছ্বসিত জামিলা।

অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারানোর কথা জানিয়েছেন মো. মনজুর আলম আরেক নাগরিক। আগে উপার্জন করে পরিবার চালালেও বর্তমানে কাজ করতে না পারায় সংসার চালানোই কঠিন হয়ে পড়েছে। চিকিৎসা ব্যয় বহনের পাশাপাশি পরিবারের নিত্যপ্রয়োজনীয় খরচ জোগানোও এখন অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে জানানো হয় জেলা প্রশাসককে। তার পাশেও দাড়ালেন মানবিক ডিসি।

মো. নুরুল ইসলাম আরেক অসহায় নাগরিক দীর্ঘদিন ধরে চিকিৎসা নিতে গিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। ধার-দেনা করে চিকিৎসা চালালেও এখন আর কোনো উপায় নেই। চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকির কথা উল্লেখ করে তিনি জেলা প্রশাসকের জরুরি সহায়তা কামনা করেছিলেন। তাকেও ফিরিয়ে দেননি ডিসি জাহিদুল ইসলাম।

একই নামে আরেক প্রবীণ নাগরিক নিজেকে বয়সের ভারে ন্যুব্জ ও অসহায় উল্লেখ করে চিকিৎসা সহায়তা চেয়েছেন। তিনি জানান, শারীরিক দুর্বলতা ও অসুস্থতার কারণে তিনি সম্পূর্ণ অন্যের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন। তাকেও নিরাশ করেন নাই ডিসি।

রাঙামাটি জেলার লংগদু উপজেলার বাসিন্দা, বর্তমানে চট্টগ্রামে বসবাসরত মো. সামাদ আলী জেলা প্রশাসককে বলেন, দারিদ্র্য ও অসুস্থতার কারণে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া তার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। তিনি নিজেকে সম্পূর্ণ অসহায় উল্লেখ করে ডিসির সহযোগিতা কামনা করেছিলেন। তাকেও নগদ অর্থ সাহায্য করলেন জেলা প্রশাসক।

গণশুনানিতে জমা পড়া আবেদনগুলোর সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, অধিকাংশ আবেদনকারী দীর্ঘমেয়াদি বা জটিল রোগে আক্রান্ত। চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে গিয়ে অনেকে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। আবার অনেকে অসুস্থতার কারণে কর্মক্ষমতা হারিয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানিতে এ ধরনের আবেদন সরাসরি শোনা হচ্ছে এবং তাৎক্ষণিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই প্রক্রিয়া প্রশাসনকে মানুষের আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে এবং জরুরি সহায়তা প্রদানে কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১২ অপরাহ্ণ
দিল্লিতে ভারত-বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক

দিল্লিতে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে দিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পর তারা একান্তে আলোচনা করেন।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, বৈঠকে দুই দেশের আঞ্চলিক ও দ্বীপক্ষীয় সম্পর্কের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরও উপস্থিত ছিলেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে করা এক পোস্টে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও তার প্রতিনিধিদলকে আজ বিকেলে আতিথেয়তা দিতে পেরে আনন্দিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক আরও জোরদার করার বিষয়ে আলোচনা করেছি। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়েছে। আমরা ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখতে সম্মত।’

গত ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠন করে বিএনপি। নতুন সরকারের আমলে এটিই বাংলাদেশের কোনো মন্ত্রীর প্রথম ভারত সফর।

এ শুভেচ্ছা সফরে গতকাল দিল্লিতে পৌঁছান খলিলুর রহমান। ভারতে পৌঁছানোর প্রথম দিনেই দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর আজ সকালে ভারতের কয়েকজন সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের সঙ্গে প্রাতঃরাশ সভায় যোগদান করেন। বিকেলে ভারতের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রী হারদীপ সিং পুরির সঙ্গে তার বৈঠকের কথা রয়েছে।

২০২৪-এর জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে ভাটা পড়ে। তবে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

আগামী ১১ ও ১২ তারিখ মরিশাসের পোর্ট লুইসে অনুষ্ঠিতব্য ভারত মহাসাগরীয় সম্মেলনে যোগ দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান। এর আগে পারস্পরিক মর্যাদা ও আস্থার ভিত্তিতে দীর্ঘ মেয়াদে সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বার্তা নিয়ে ভারত সফরে যান তিনি।

বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ
বিসিবিতে বাপের দোয়া, মায়ের দোয়া কমিটি করিনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কমিটি ভেঙে মঙ্গলবার তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি। এই কমিটি এখন গোটা বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের আলোচনার বিষয়। এই আলোচনা আজ জায়গা করে নিয়েছে জাতীয় সংসদের অধিবেশনেও।

সেখানেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে (বিসিবি) তামিম ইকবালের নেতৃত্বে আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। তিনি একজন খেলোয়াড়। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

মূলত, আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহর এক প্রশ্নের জবাবেই এসব কথা বলেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, ‘ক্রিকেট বোর্ডসহ সারাদেশের ক্লাবগুলোতে প্রভাব বিস্তার করে অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার ইনকোয়ারি করেছে, তদন্তের পর বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। পরে তামিম ইকবালের নেতৃত্বে বিসিবির আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে। এখানে বাপের দোয়া মায়ের দোয়া কমিটি করিনি।’

এর আগে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘বিসিবি এখন আর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড নাই, এটা এখন বাপের দোয়া ক্রিকেট বোর্ডে পরিণত হয়ে গেছে।’