খুঁজুন
, ,

চট্টগ্রামের ১৬ আসনে নৌকার মাঝি হতে চায় ২২১ জন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 22 November, 2023, 7:45 pm
চট্টগ্রামের ১৬ আসনে নৌকার মাঝি হতে চায় ২২১ জন

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক নৌকার মনোনয়ন ফরম বিতরণ ও জমা দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার শেষদিনে ২৩ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। চার দিনে চট্টগ্রামের ১৬ আসনে নৌকা প্রতীকের ২৩০টি ফরম বিক্রি করা হয়েছে। এরমধ্যে কয়েকজন একাধিক আসন থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দিয়েছেন। ২২১ জন নৌকা-প্রত্যাশী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগের উপ-কমিটির সদস্য ও দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সালাউদ্দিন সাকিব বলেন, গতকাল শেষদিনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনেছেন ২৩ জন। গত চার দিনে ২৩০টি মনোনয়ন ফরম বিতরণ করা হয়েছে।

আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্র জানায়, চার দিনে চট্টগ্রামের ১৬ টি আসনে আওয়ামী লীগের ফরম কিনেছেন ২২১ জন। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন চট্টগ্রাম- ৮ (বোয়ালখালী-পাঁচলাইশ) আসনে।

চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই):
মাহবুব উর রহমান, মো. গিয়াস উদ্দিন, মোহাম্মদ মোস্তফা।

চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি):
মোহাম্মদ শাহজাহান, সাদাত আনোয়ার সাদী, খদিজাতুল আনোয়ার, বেলাল মোহাম্মদ নূরী, সাবরিনা চৌধুরী, হাসিবুন সুহাদ, মোহাম্মদ গোলাম নওশের আলী, আফতাব উদ্দিন চৌধুরী, হোসাইন মো. আবু তৈয়ব, ফখরুল আনোয়ার, সৈয়দ রাজিয়া মোস্তফা, মোহাম্মদ হারুন, তৌহিদ মু. ফয়সল কামাল, সরোয়ার উদ্দিন চৌধুরী, এমআর আজিম, মোহাম্মদ ছালামত উল্লাহ চৌধুরী, মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, খোরশেদ আহমদ জুয়েল, এটিএম পেয়ারুল ইসলাম, কাজী মো. তানজীবুল আলম, আব্দুল নাসের।

চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ):

মো. রাজিবুল আহসান, মাহফুজুর রহমান, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, মো. জাফর উল্লাহ, মানিক মিয়া তালুকদার, একেএম বেলায়েত হোসেন, মহিউদ্দিন আহমেদ, মো. জামাল উদ্দিন চৌধুরী, সরোয়ার হাসান জামিল, রুমানা নাসরিন, রফিকুল ইসলাম, মো. ইউনুছ আলী জীবন।

চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুন্ড ও চসিক আংশিক):

মো. ফখরুদ্দিন চৌধুরী, আবদুল্লাহ আল বাকের ভূঁইয়া, মোহাম্মদ পারভেজ উদ্দীন, ড. নিছার উদ্দীন আহমদ মঞ্জু, মোহাম্মদ ইমরান, এসএম আল মামুন, দিদারুল আলম, চৌধুরী মোহাম্মদ জিন্নাত আলী, রতেন্দু ভট্টচার্য্য, আবু মনির মোহাম্মদ শহীদুল হক চৌধুরী, মহিউদ্দিন।

চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী ও চসিক আংশিক):

মোহাম্মদ রাশেদুল ইসলাম, মোহাম্মদ শামীম, মুহাম্মদ শাহজাহান চৌধুরী, মনজুরুল আলম চৌধুরী, এড. মো. ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী, ইউনুস গনি চৌধুরী, মোহাম্মদ আবদুস সালাম, মোহাম্মদ মঈনুদ্দিন, মোহাম্মদ ইউনুছ, বাসন্তী প্রভা পালিত, মো. নাছির হায়দার করিম, ডা. নূরউদ্দিন জাহেদ, মাহমুদ সালাহউদ্দিন চৌধুরী, মাসুদুল আলম।

চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান):

এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী, মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী, মো. মুসলিম উদ্দিন চৌধুরী, ইমরানুল কবির, মোহাম্মদ আবুল কালাম, দেবাশীষ পালিত, বখতেয়ার উদ্দিন খান, মো. ছালামত আলী।

চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া ও বোয়ালখালী আংশিক):

মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ, মো. ওসমান গনি চৌধুরী।

চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী ও চসিক আংশিক) :

মো. খোরশেদ আলম, মো. মনছুর আলম পাপ্পী, এটিএম আলী রিয়াজ খান রক্সি, জিনাত সোহানা চৌধুরী, মো. এমরান, জাবেদুল আজম মাসুদ, মো. আরশাদুল আলম, মো. সাইফুল ইসলাম, কফিল উদ্দিন খান, নোমান আল মাহমুদ, মোহাম্মদ আবদুল কাদের, মো. মোবারক আলী, মো. বেলাল হোসেন, সেলিনা খান, আবদুচ ছালাম, এসএম কফিল উদ্দিন, মো. দিদারুল আলম, কাজী শারমিন সুমি, এসএম নুরুল ইসলাম, বিজয় কুমার চৌধুরী, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, মো. দিদারুল আলম, মুজিবুর রহমান, মো. নুরুল আনোয়ার, মো. আবু তাহের, আশেক রসুল খান, এম.এ সুফিয়ান সিকদার, শেখ আমেনা খাতুন।

চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী):

মুহাম্মদ শাহজাহান চৌধুরী, আমিনুল হক, শাহাজাদা মোহাম্মদ ফৌজল মুবিন খান, এড. মো. ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী, শফিক আদনান, শেখ ইফতেখার সাইফুল চৌধুরী, আ জ ম নাছির উদ্দীন, শফর আলী, মো. রাশেদুল হাসান, মহিবুল হাসান চৌধুরী, মুজিবুর রহমান, মো. দিদারুল আলম, মো. শহিদুল আলম, রিয়াজ হায়দার চৌধুরী, এম. জহিরুল আলম দোভাষ, মশিউর রহমান চৌধুরী, মো. জালাল উদ্দীন।

চট্টগ্রাম-১০ (পাহাড়তলী-ডবলমুরিং):

মো. মহিউদ্দিন বাচ্চু, মোহাম্মদ এমদাদুল ইসলাম, আ জ ম নাছির উদ্দীন, শফর আলী, কেবিএম শাহজাহান, মো. খোরশেদ আলম, মোহাম্মদ ইউনুছ, সৈয়দ মাহমুদুল হক, মো. দেলোয়ার হোসেন ভূঁইয়া, মো. আসলাম হোসেন, সাইফুদ্দিন খালেদ, জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবর, আব্দুস সবুর লিটন, মো. ছালামত আলী, একেএম বেলায়েত হোসেন, মো. ফয়সল আমীন, মোহাম্মদ অহিদ সিরাজ চৌধুরী, মো. সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ মনোয়ার হোসেন, মো. এরশাদুল আমীন, আবুল ফজল কবির আহমদ।

চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর-পতেঙ্গা):

শেখ মাহমুদুল ইসহাক, মোহাম্মদ এনামুল হক, মো. আলতাফ হোসেন চৌধুরী, আ জ ম নাছির উদ্দীন, শফর আলী, জিয়াউল হক সুমন, মো. রাশেদুল হাসান, মো. খোরশেদ আলম, নজরুল ইসলাম বাহাদুর, এম. আবদুল লতিফ, দেবাশীষ পাল, রেখা আলম চৌধুরী, মো. জাবেদ ইকবাল, সওগাতুল আনোয়ার খান, মশিউর রহমান চৌধুরী, ইকবাল আলী, মোহাম্মদ আব্দুল লতিফ, মোজাফ্ফর আহমদ, হাজী জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, মো. ইলিয়াছ, ইমরান ফাহিম নূর, সায়রা বানু রুশনী, মো. মাহবুবুর রহমান, নওশাদ সরোয়ার, ছালেহ আহমদ চৌধুরী, আকবর হোসেন, এম.এনামুল হক চৌধুরী।

চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া):

মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, মো. আবদুর রশীদ, আলাউদ্দিন মোহাম্মদ আবদুল ওয়াদুদ, সামশুল হক চৌধুরী, চেমন আরা বেগম, সত্যজিৎ দাশ রুপু, হাজী মুহাম্মদ হারুনুর রশিদ, জুলকারনাইন চৌধুরী, মো. হাবিবুল হক চৌধুুরী, মো. মহিউদ্দিন, মোহাম্মদ ফারুক, রাশেদ মনোয়ার, মো. আবুল কালাম আজাদ চৌধুরী, প্রদীপ কুমার দাশ।

চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী):

শাহজাদা মহিউদ্দিন, সমীরন নাথ, সাইফুজ্জামান চৌধুরী, মুহাম্মদ বদিউল আলম।

চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ ও সাতকানিয়া আংশিক):

মফিজুর রহমান, নাছির উদ্দীন, আফতাব মাহমুদ, মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী, এম. মাসুদ আলম চৌধুরী, ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমদ আসিফ, রফিকুল ইসলাম, মোহা. কায়কোবাদ ওসমানী, মোহাম্মদ আবদুল কৈয়ম চৌধুরী, মোহাম্মদ আবদুল জব্বার চৌধুরী, মো. জাহিদুল ইসলাম, মীর মো, মহিউদ্দিন, মো. আবুল বশর ভূঁইয়া, মাহবুবুর রহমান, মামুন উল হক চৌধুরী, শাহিদা আক্তার জাহান, আবু আহমেদ চৌধুরী।

চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া):

আবু রেজা মুহাম্মদ নেজামুদ্দিন নদভী, সৈয়দ মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন, আব্দুল মোতালেব, সাজেদা সুরাত, মো. মইনুল ইসলাম মামুন, কামরুন নাহার, মোহাম্মদ আমান উল্লাহ জাহাঙ্গীর, মোহাম্মদ মঈনুদ্দিন হাসান চৌধুরী, আ. ম. ম মিনহাজুর রহমান, মো. এরশাদুল হক, মো. জসীম উদ্দিন চৌধুরী, মো. আমিনুল ইসলাম, আবু সুফিয়ান, মোহাম্মদ অহিদ সিরাজ চৌধুরী, দেলোয়ার হোসেন।

চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী):

চৌধুরী মোহাম্মদ গালিব সাদলী, আরেফ উল হক, মুহাম্মদ মুজিবুর রহমান চৌধুরী, মো. আলমগীর চৌধুরী, আবদুল্লাহ কবির, মোহাম্মদ জমির উদ্দিন সিকদার, মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, মুজিবুর রহমান, আবু নাছের মো. সরওয়ার আলম, এড. মুজিবুল হক, শেখর দত্ত, সাইফুদ্দিন আহমেদ রবি, আবুল হোসেন মোহাম্মদ জিয়া উদ্দিন, সামসুদ্দীন আহমদ চৌধুরী (শামস্), মোসলেহ উদ্দিন মনসুর, মো. ছৈয়দুল মোস্তফা রাজু, নাজমা আক্তার।

Feb2
Feb2

সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 9 October, 2026, 11:05 am
সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা

দেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভ্যাটসহ স্বর্ণালংকারে দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুই হাজার ২১৬ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

​শুক্রবার (৯ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানিয়েছে। সোনার এই নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

​বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, আজ (​শুক্রবার) সকাল ৯টায় বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির এক বৈঠকে এই নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

​নতুন মূল্য তালিকা অনুযায়ী, এখন ভ্যাটসহ সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণালংকারে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩১ হাজার ২৯৭ টাকা। যা গতকাল ছিল ২ লাখ ২৯ হাজার ৮১ টাকা।

​২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৯১৬ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা এখন থেকে বিক্রি হবে এক লাখ ৮৯ হাজার ৭১৫ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার নতুন দাম ১ লাখ ৫৪ হাজার ৯৫৬ টাকা।

​সোনার দাম বাড়ানো হলেও অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৪ হাজার ১৪১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৫৫৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৬৮৩ টাকা।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 9:45 pm
জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন চট্টগ্রাম রিজিয়নের বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নের এক বিশেষ সভা অদ্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬ ঘটিকায় চট্টগ্রামস্থ একটি রেস্টুরেন্ট’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশনের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ও টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস এর সভাপতিত্বে ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সহ সাধারণ সম্পাদক ও ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব তানভীর মল্লিকের সঞ্চালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেকেএ এর নির্বাহী পরিচালক ইমতিয়াজ সেলিম।

সভায় জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন (জেকেএ) চট্টগ্রাম রিজিয়নাল কমিটি গঠনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। জাতীয় কমিটির প্রস্তাবনা অনুযায়ী চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রামের বিশেষ ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব মুহাম্মদ শাহেদ-কে চট্টগ্রাম রিজিয়নের নতুন চেয়ারম্যান পদে মনোনীত করা হয়।

বরণ অনুষ্ঠানে জাপান কারাতে অ্যাসোসিয়েশন ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন বাংলাদেশের নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান রতন তালুকদার নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ-কে জেকেএ-এর টাই পরিয়ে দেন এবং টেকনিক্যাল ডিরেক্টর তুলুশ শামস ব্যাজ পরিয়ে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেন।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ব্যুরো প্রধান হাসান মুকুল, পিআরইউর সদস্য সচিব ইমরান এমি, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকী, সেলিম উদ্দিন রাসেল, জাফর আহমেদ খোকন, জিল্লুর রহমান জুয়েল, আতিকুর রহমান, জহিরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, রাশেদুল কলিম, শাবাব ইয়াজদানী, মঞ্জুর আলম মঞ্জুসহ কারাতের খেলোয়াড় বৃন্দ।

সভায় নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান মুহাম্মদ শাহেদ আগামী ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে নতুন কমিটি ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দেন।

জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Thursday, 8 October, 2026, 7:47 pm
জঙ্গল সলিমপুরে সারদার আদলে হচ্ছে পুলিশ একাডেমি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গাজুড়ে একটি পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। একই সঙ্গে ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ‘বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির দ্বিতীয় সভা’ এবং ‘চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত সভা’ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে এসব কথা জানান মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের সরকারি খাসজমি উদ্ধার করে এলাকাটিকে সন্ত্রাসমুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে রাজশাহীর সারদার আদলে প্রায় ৩০০ একর জায়গায় পুলিশ একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হবে। পাশাপাশি ৭২ একর জায়গায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তর করা হবে।

তিনি বলেন, জঙ্গল সলিমপুরের অবৈধ অধিবাসীদের পুনর্বাসন এবং সরকারি জমিতে নিয়মতান্ত্রিক সুশাসন প্রতিষ্ঠার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কক্সবাজারের পাহাড়ি এলাকায়, বিশেষ করে রঙ্গিখালী ও নোয়াখালীপাড়ায় পাহাড়কেন্দ্রিক অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনা রোধে রামুর ১০ ইনফ্যান্ট্রি ডিভিশনের নেতৃত্বে দুটি সেনাবাহিনী ক্যাম্প স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া ক্যাম্পের বাইরের ক্ষতিগ্রস্ত কাঁটাতারের বেড়া পুনর্নির্মাণ, সোলার লাইট স্থাপন, সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো এবং ওয়াচ টাওয়ার ও কন্ট্রোল টাওয়ার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ক্যাম্পের অভ্যন্তরে অপরাধ দমনে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, মাদক কারবার, অনলাইন জুয়া, মানবপাচার ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর তৎপরতা বন্ধে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) নেতৃত্বে সমন্বিত যৌথ অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

তিনি জানান, এপিবিএনে কর্মরত প্রায় ৪০০ উপপরিদর্শক (এসআই) পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে মামলার তদন্তভার দেওয়ার আইনি এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে। এতে অপরাধ দমন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

তবে জরুরি পরিস্থিতিতে সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জেনারেলের নেতৃত্বে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুযায়ী নিরাপত্তা জোরদারের বিধান বহাল রয়েছে বলেও জানান তিনি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতা এবং জাতিসংঘের সমন্বিত উদ্যোগে দ্রুততম সময়ে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সম্ভব বলে সরকার বিশ্বাস করে।