খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৯ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৬শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে উত্তপ্ত বোয়ালখালী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২০, ১২:০১ পূর্বাহ্ণ
অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে উত্তপ্ত বোয়ালখালী

বোয়ালখালী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি : ঘনিয়ে আসছে চট্টগ্রাম-৮ আসনের উপ-নির্বাচন। বৃষ্টি ও শীত উপেক্ষা করে প্রচার প্রচারণায় মেতে আছেন প্রার্থীরা। এ নির্বাচনকে ঘিরে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র অভিযোগ- পাল্টা অভিযোগে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে বোয়ালখালী। এতে সংঘাত-সংঘর্ষের আশংকা করছেন সাধারণ ভোটাররা। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুষ্ঠুৃ রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় প্রশাসন।

শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি ও শীতে বোয়ালখালী উপজেলার জন জীবনে নেমে এসেছে স্থবিরতা। সমান তালে আওয়ামী লীগ বিএনপি’র অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগে ভোটের আমেজ ম্রিয়মান হয়ে পড়েছে। থমথমে এ পরিস্থিতিতে উদ্বেগ উৎকণ্ঠায় রয়েছেন এলাকাবাসী।

গত বছরের ৭ নভেম্বর এ আসনের সাংসদ মঈন উদ্দীন খান বাদলের মৃত্যুতে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ১৩ জানুয়ারি। এতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোছলেম উদ্দীন আহমদ (নৌকা), বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবু সুফিয়ান (ধানের শীষ), বিএনএফ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ (টেলিভিশন), ইসলামিক ফ্রণ্ট বাংলাদেশের সৈয়দ মোহাম্মদ ফরিদ আহমদ (চেয়ার), ন্যাপের বাপন দাশগুপ্ত (কুঁড়েঘর) এবং স্বতন্ত্রপ্রার্থী মোহাম্মদ এমদাদুল হক (আপেল) প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন।

এ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোছলেম উদ্দীন আহমদকে পেয়ে উজ্জ্বীবিত দলীয় নেতাকর্মীরা। প্রচার প্রচারণায় মেতে আছেন তারা। বিএনপিও দলীয় প্রার্থী আবু সুফিয়ানকে বিজয়ী করতে গণসংযোগে নামেন। এছাড়া অন্যান্য প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণায় খুব বেশি সাড়া না জাগালেও আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র পাল্টাপাল্টি অভিযোগে আতংকিত এলাকাবাসী। সর্বত্র আলোচনা চলছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার।

শুরু থেকে শাসক দলের বিরুদ্ধে নিবার্চনী প্রচার-প্রচারণায় বাধা প্রদান, পোস্টার-ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা, গাড়ি ভাংচুর ও হামলার অভিযোগ আনছেন বিএনপি প্রার্থী আবু সুফিয়ান। এছাড়া সরকার দলীয় সাংসদ, মেয়র ও এক মন্ত্রীর বিরুদ্ধেও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ আনেন তিনি।

একই সাথে বিএনপির বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ করছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মোছলেম উদ্দীন আহমদ। তিনি বলেন নৌকার পক্ষে সাধারণ মানুষের জনজোয়ার দেখে বিএনপি’র নেতাকর্মীরা অপপ্রচার চালিয়ে ভোটারদের বিভ্রান্ত করছেন। তারা গুজব ছড়িয়ে আতংক সৃষ্টি করে সুন্দর নির্বাচনী পরিবেশ বানচালের চেষ্ঠা করছেন।

উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মোকারম বলেন, একের পর এক গুজব ছড়িয়ে ভোটের সুষ্ট পরিবেশকে বিনষ্ট করতে উঠে পড়ে লেগেছেন বিএনপি। ৩ জানুয়ারি শুক্রবার সকালে বোয়ালখালীতে বহিরাগত লোকজন এনে একটি এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছে বলে গুজব ছড়ায়। ওইদিন রাতের আধাঁরে পৌরসভার কয়েকটি স্থানে নৌকার নির্বাচনী কার্যালয়ে থাকা পোস্টার-ব্যানার ও নৌকার আদলে তৈরী প্রতীকে আগুন দিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

পৌরসভা বিএনপি’র সভাপতি ও পৌর মেয়র হাজি আবুল কালাম আবু বলেন, প্রতিদ্ধন্দ্বি প্রার্থীর কর্মী সমর্থকদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডে আসন্ন নির্বাচন নিয়ে শংকায় রয়েছে সাধারণ মানুষ। প্রচারণায় বাধা, পোষ্টার-ব্যানার ছিঁড়ে ফেলাসহ হামলার ঘটনা ঘটিয়ে চলেছে আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীরা।

বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবু সুফিয়ান বলেন, ধানের শীষের গণজোয়ার দেখে দিশেহারা হয়ে পড়েছে আওয়ামী লীগ। ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এ গণজোয়ার রুখে দেওয়া যাবে না। সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিপুল ভোটে বিজয়ী হবো এবং এলাকাবাসীর আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটাবো।

ভোটারদের সাথে কথা বলে জানা যায়, নির্বাচনে মুখ্য হলেন ভোটাররা। তারা ভোট দিয়েই তাদের আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটাতে চান। কোনো ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা বা সংঘাত-সংঘর্ষ চান না। ভোটের সুষ্ঠ পরিবেশ যেন বজায় রাখতে প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানান তাঁরা।

বোয়ালখালী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিন ফারুকী জানান, নির্বাচনে অংশ নেয়া প্রার্থীরা নিজ নিজ সমর্থনে জমজমাট প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা এখনো পর্যন্ত ঘটেনি। পুলিশ সর্তক রয়েছে জানিয়ে তিনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আছিয়া খাতুন বলেন এখনো পর্যন্ত সুনিদিষ্ট কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রয়েছে। আতংকিত হওয়ার কোন কারণ নেই। কেউ যদি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্ঠা করে তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Feb2

অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:৩২ অপরাহ্ণ
অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৩ দিন অনলাইনে ক্লাস ও বাকি ৩ দিন সশরীরে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সপ্তাহের শনিবার, সোমবার ও বুধবার অফলাইন বা সশরীরে ক্লাস নেয়া হবে। আর রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। শনিবার (১১ এপ্রিল) থেকে ঢাকা মহানগরীতে চালু হচ্ছে এই পদ্ধতি। জোড়-বিজোড় দিন ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

এছাড়াও মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য অনলাইন ক্লাসের সিদ্ধান্ত পরে জানানো।

জানা যায়, আগামী সপ্তাহে তা শুরু হবে । ভিকারুন্নেসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মতো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ পদ্ধতি চালু হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা মামলার রায়ের পর আসামিদের হট্টগোল, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রায় ঘোষণার পর ট্রাইব্যুনালে হট্টগোল করেছেন সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা।

দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণা পরে ট্রাইব্যুনাল থেকে বের হওয়ার সময় তারা দায়িত্বরত পুলিশের সাথে ধাক্কাধাক্কি করেন।

এ সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বলেন, আমরা এ রায় মানি না। আমাদের ফাঁসানো হয়েছে, আমরা নির্দোষ।

এদিন দুপুর ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত দুজন আসামি হলেন, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির হোসেন এবং সাবেক কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

এই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বাকি ২৫ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ অপরাহ্ণ
আবু সাঈদ হত্যা: দুই পুলিশ সদস্যর মৃত্যুদণ্ড, অন্যদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার দায়ে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দুই পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। বাকি ২৮ আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।

যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত তিনজন হলেন- সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতোয়ালি জোন) আরিফুজ্জামান ওরফে জীবন, তাজহাট থানার সাবেক অফিসার ইনচার্জ রবিউল ইসলাম ওরফে নয়ন ও বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় ওরফে মাধব।

এর আগে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ রায় পড়া শুরু হয়। প্যানেলের অপর দুই সদস্য বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

বিস্তারিত আসছে…