খুঁজুন
বৃহস্পতিবার, ৪ঠা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চিংড়ির ‘হোয়াইট স্পট ভাইরাসের’ নতুন ভেরিয়েন্ট শনাক্ত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৩, ১:০৩ অপরাহ্ণ
চিংড়ির ‘হোয়াইট স্পট ভাইরাসের’ নতুন ভেরিয়েন্ট শনাক্ত

দেশের রপ্তানি আয়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎস চিংড়ি খাত। চিংড়ির অন্যতম শত্রু বলা হয় ‘হোয়াইট স্পট সিনড্রোম’ ভাইরাসকে। এই ভাইরাসের আক্রমণের ৩ থেকে ৭ দিনের মধ্যেই মারা যায় চিংড়ি। কিন্তু ভাইরাসের নেই কোন সুনির্দিষ্ট প্রতিষেধক কিংবা টিকা।

সুখবর হলো- ভয়ংকর এ ভাইরাসের জিনোম সিকুয়েন্সিং (জিনোম বিন্যাস উন্মোচন) করেছে চট্টগ্রামের এক দল গবেষক। গবেষণায় হোয়াইট স্পট ভাইরাসের নতুন ধরণ শনাক্ত হয়েছে। যাতে দেখা যায়- এই ভাইরাসের ব্যাপক আকারে প্রকোপের জন্য দায়ী নতুন একটি ভ্যারিয়েন্ট। যার কারণে প্রতি বছর শত কোটি টাকা লোকসান গুণছেন চাষিরা।

নতুন ভেরিয়েন্ট আবিষ্কৃত হয়েছে কক্সবাজার ও সাতক্ষীরার চিংড়ি মাছের মধ্যে। এই ভেরিয়েন্টের নাম দেয়া হয়েছে ‘বিডি-কক্স এবং বিডি-সাত’। মূলত কক্সবাজার ও সাতক্ষীরা থেকে চিংড়ির নমুনা সংগ্রহ করে এ গবেষণার কাজ চালিয়ে যান গবেষকরা। যার জন্য দুটি জেলার সাথে মিল রেখে নতুন ভেরিয়েন্টের নাম রাখা হয়। ২০২১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত এই গবেষণা কার্যক্রম চলে।

প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে চিংড়ির এই প্রাণঘাতী হোয়াইট স্পট ভাইরাসের জীবন রহস্য উন্মোচন করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। যা যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োলজিক্যাল ইনফরমেশন (এনসিবিআই) ও আমেরিকান সোসাইটি অব মাইক্রোবায়োলজিতে গৃহীত হয়েছে।

গবেষণায় বলা হয়, চিংড়ির কোষের আনুষঙ্গিক প্রোটিন হিসেবে ‘রেব সেভেন’ নামের পরিবাহক থাকে। এই পরিবাহকের সাহায্যে ভাইরাসটি চিংড়ির দেহের ভেতরে প্রবেশ করে। কোষে ঢোকার পর এই ভাইরাস চিংড়িকে দুর্বল করে ফেলে। পাশাপাশি ভাইরাসের সংখ্যা বৃদ্ধি করে। একপর্যায়ে চিংড়ি মারা যায়।

গবেষণায় যুক্ত ছিলেন- চবির জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. এস এম রফিকুল ইসলাম ও অধ্যাপক ড. আদনান মান্নান ও ইনস্টিটিউট অফ মেরিন্স সায়েন্সের অধ্যাপক ড. এস এম শরিফুজ্জামান এবং ড. শাহনেওয়াজ চৌধুরী। সহ-প্রধান গবেষক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বিভাগের ড. আনোয়ার হোসেন, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জুনায়েদ সিদ্দিকী ও আইসিডিডিআরবি’র বিজ্ঞানী এনায়েত হোসেন। এতে আরও যুক্ত ছিলেন রুবেল আহমেদ, কল্যাণ চাকমা, আশিকুর আলিম আকাশ এবং মোবারক হোসেন পারভেজ।

গবেষকরা জানান, বাংলাদেশে বর্তমানে অবস্থান করছে সম্পূর্ণ নতুন ভোরিয়েন্টের একটি ভাইরাস। যা ভারত, তাইওয়ান, থাইল্যান্ড এবং অন্যান্য দেশের চেয়ে একেবারেই ভিন্ন এবং এর জিনোমিক গঠন অনেক বেশি স্বতন্ত্র। বাংলাদেশে ১ হাজার ২৮০টি নতুন মিউটেশন বা জিনের ভিন্নতা পাওয়া গেছে এ গবেষণায়। এ দেশের ভাইরাসের ধরনগুলো অন্য দেশের থেকে ভিন্ন। উৎপত্তিগত বিশ্লেষণ (ফাইলোজেনেটিক ট্রি) ও বিভিন্ন ধরন বিশ্লেষণ (ক্লেড অ্যানালাইসিস) করে গবেষকেরা এ চিত্র দেখতে পান।

গবেষণায় আরও ওঠে আসে, কক্সবাজার এবং সাতক্ষীরা অঞ্চলের ভাইরাসের জিনোমেও দেখা গেছে ব্যাপক পার্থক্য। ধারণা করা হচ্ছে জিনের এই ভিন্নতার কারণ- দেশের আবহাওয়া, পানির বৈশিষ্ট্য, লবণাক্ততা ও ভৌগলিক অবস্থান। কক্সবাজারে এই ভাইরাসের প্রকোপ বেশি সাতক্ষীরার তুলনায়। শীতকালের তুলনায় বর্ষাকালে এর প্রকোপ বেশি পাওয়া গেছে।

গবেষক অধ্যাপক ড. আদনান মান্নান বলেন, ‘গবেষণার মূল উদ্দেশ্য ছিল, বাংলাদেশে বিরাজমান হোয়াইট স্পট সিনড্রোম ভাইরাসের প্রকরন কেমন, এর জিনোম সিকুয়েন্সের মাধ্যমে চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও ভিন্নতা শনাক্তকরণ এবং এই ভাইরাসের কোন বিষাক্ত প্রোটিন বা জিন মাছের সংক্রমণ ও মৃত্যুর ক্ষেত্রে মূল ভুমিকা রাখে তার রহস্য উদঘাটন করা। ’

অধ্যাপক ড. এস এম রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে কোন টিকা কিংবা প্রতিষেধক না থাকায় তার নিয়ন্ত্রণ অসম্ভব ছিল। জিনোম সিকুয়েন্সের মাধ্যমে এমআরএনএ ভিত্তিক টিকা বা এরকম কোন প্রতিষেধক চিন্তা করা যেতে পারে। এই গবেষণার ফল থেকে মাছচাষিরা জানতে পারবে-এই ভাইরাসের উৎস কি, কিভাবে ছড়ায়। এই তথ্যগুলো পরবর্তীতে প্রতিরোধ ব্যবস্থা পরিকল্পনায় ও প্রতিষেধক তৈরিতে মূল ভুমিকা রাখতে পারে।’

হোয়াইট স্পট সিনড্রোম ভাইরাস : হোয়াইট স্পট সিনড্রোম ভাইরাস মূলত চিংড়ি মাছের সাদা বৃত্তাকার দাগ সৃষ্টির জন্য দায়ী। এটি একটি অত্যন্ত প্রাণঘাতী এবং ছোঁয়াচে। যা আক্রমণের দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে মারা যায়। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে পুরো চিংড়ি ঘের বা প্রজেক্ট এক সপ্তাহে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। হোয়াইট স্পট সিনড্রোম ভাইরাস ক্রাস্টাশিয়ান পর্বের প্রাণীগুলোকে আক্রমণ করে। যেমন : চিংড়ি, লবস্টার, কাঁকড়া ইত্যাদি।

১৯৯৪ সালে বাংলাদেশে এই ভাইরাস প্রথমবারের মত পরিলক্ষিত হয় কক্সবাজারের হ্যাচারিতে। ১৯৯৮ সালে খুলনা অঞ্চলের ৯০ ভাগ চিংড়ি হ্যাচারিতে এই ভাইরাসের সংক্রমণ পাওয়া যায় প্রথমবারের মত এবং ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ মাইক্রোবায়োলজি ও মাইকোলজিতে প্রকাশিত এক সাম্প্রতিক গবেষণা অনুযায়ী প্রতি বছর দেশের ২০ ভাগ উৎপাদিত চিংড়ি নষ্ট হয়ে যায় এই ভাইরাসের কারণে। এই ভাইরাসের কারণে ২৬ হাজার টন থেকে রপ্তানিকৃত চিংড়ি কমে ১৮ হাজার টনে হ্রাস পায় ১৯৯৮ সালে।

Feb2

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার

বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করেছে সরকার।

বুধবার (৩ জুন) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মিডিয়া সেল তাদের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানিয়েছে।

পোস্টে বলা হয়েছে, বিএনপি সরকারের ১০০ দিন-জনদুর্ভোগ লাঘবে প্রিপেইড বিদ্যুৎ মিটারের অতিরিক্ত মাসিক চার্জ প্রত্যাহার করে সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি নিশ্চিত করা হয়েছে।

এর আগে গত ২৯ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছিলেন, বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারে মাসিক ভাড়া বা মিটার চার্জ প্রত্যাহার করা হবে।

বর্তমানে প্রিপেইড মিটারে প্রতি কিলোওয়াটে মাসিক ডিমান্ড চার্জ ৪২ টাকা এবং সিঙ্গেল ফেজে মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। এ চার্জের সঙ্গে অতিরিক্ত ৫ শতাংশ ভ্যাট যুক্ত হয়। এই অতিরিক্ত চার্জ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ ছিল।

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৭:২৩ অপরাহ্ণ
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার ফাইনালে বাংলাদেশ

সুপার সাব মোসাম্মাৎ সাগরিকার গোলে নেপালকে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। বুধবার ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ২-১ গোলে হারিয়েছে নেপালকে।

নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু হওয়ার পর টানা তৃতীয়বার ফাইনালে খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আগের দু’বার এই নেপালকে হারিয়েই হয়েছিল চ্যাম্পিয়ন। এবার চ্যাম্পিয়নশিপের হ্যাটট্রিক করার মিশন বাংলাদেশের সামনে।

দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে দুই বদলি খেলোয়াড় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও সাগরিকার চমৎকার বোঝাপড়ায় লিড নেয় বাংলাদেশ। ডান দিক দিয়ে ঢুকে শামসুন্নাহার বল ফেলেন গোলমুখে। কোনো ভুল করেননি সাগরিকা। নেপালের এক ডিফেন্ডার তাকে আটকানোর চেষ্টা করেও পারেনি। বল ঠেলে দেন জালে। বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ২-১ ব্যবধানে। বাকি কয়েক মিনিট ওই লিড ধরে রেখে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েরা উঠে যায় ফাইনালে। এই নিয়ে বাংলাদেশ টানা তিনবার উঠলো সাফের ফাইনালে।

২৩ মিনিটে গোল খেয়ে পিছিয়ে পড়েছিল বাংলাদেশ। তারপর সমতায় ফেরে ইনজুরি সময়ে প্রথম মিনিটে। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় তারকা ঋতুপর্ণার কর্নার থেকে করা গোলে স্বস্তি ফিরেছে লাল-সবুজ জার্সিধারী মেয়েদের ডাগআউটে। ডানপ্রান্ত থেকে ঋতুপর্ণার নেওয়া অসাধারণ কর্নার কিকটি হাতে লাগিয়েছিলেন নেপালের গোলরক্ষক। তবে থামাতে পারেননি। গোলরক্ষকের হাত হয়ে বল চলে যায় জালে।

দিপা শাহীর কর্নার হাতে লাগিয়েও ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে পারেননি মিলি আক্তার। বল চয়ে যায় একটু ফাঁকায় দাড়ানো গিতা রানার কাছে। তিনি সুযোগ বুঝে বলটি পাঠিয়ে দেন জালে। ম্যাচের প্রথম লিড নিয়েছিল নেপাল।

৩৬ মিনিটে বক্সের মাথা থেকে প্রীতি রানীর নেওয়া শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে ক্রসবার হয়ে ফিরে আসলে বাংলাদেশ বেঁচে যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের গোলে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছে প্রথম সেমিফাইনালের প্রথম অর্ধ।

কোচ পিটার বাটলার ৪০ মিনিটে দুটি পরিবর্তন করেন। সুরভী আকন্দ প্রীতির জায়গায় শামসুন্নাহার জুনিয়র ও উমেহলা মারমার জায়গায় তহুরা খাতুনকে নামিয়ে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছিলেন বাংলাদেশ কোচ। শেষ দিকে আনিকাকে উঠিয়ে কোচ মাঠে নামান সাগরিকা। সেই সাগরিকাই বাংলাদেশকে ভাসান ফাইনালে ওঠার আনন্দে।

নেপালকে ফাইনালে হারিয়ে গত দুটি সাফের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই নেপালের বিপক্ষে বাংলাদেশের সেমিফাইনালের লড়াইও জিতলো বাংলাদেশের মেয়েরা। বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের স্বপ্নও টিকে থাকলো।

৪৭ মিনিটে বাংলাদেশ গোলরক্ষক ও ডিফেন্ডারদের ভুলে শট নিয়েছিলেন রেখা পাউদেল। তবে তার শট পোস্টে লেগে ফিরলে আবার বেঁচে যায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে বদলি সাগরিকার শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন নেপালের গোলরক্ষক আনজিলা।

এ নিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বাংলাদেশের কাছে টানা তিন ম্যাচ হারলো নেপাল। তবে ভুটানের রেফারি ৬ মিনিটের ইনজুরি সময়ের খেলা চালিয়েছেন ১৩ মিনিটের মতো।

বাংলাদেশ একাদশ

মিলি আক্তার, আফঈদা খন্দকার, শামসুন্নাহার, কোহাতি কিসকু, মমিতা খাতুন (মনিকা চাকমা, ৪৬ মিনিট), মারিয়া মান্দা (অধিনায়ক), আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী (সাগরিকা), উমেহলা মারমা (তহুরা খাতুন, ৪০ মিনিট), সুরভী আকন্দ প্রীতি (শামসুন্নাহার জুনিয়র, ৪০ মিনিট), সুরভী আক্তার আরফিন ও ঋতুপর্ণা চাকমা।

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ জুন, ২০২৬, ৩:৪৭ অপরাহ্ণ
পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বাড়ল বিদ্যুতের দাম

পাইকারি ও গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ঘোষণা অনুযায়ী, পাইকারি পর্যায়ে ১৯.৮৫ শতাংশ এবং গ্রাহক পর্যায়ে গড়ে ১৬.৬৮ শতাংশ মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। পাইকারি বিদ্যুতের দাম ৭ টাকা থেকে ১ টাকা ৩৯ পয়সা বৃদ্ধি করে ৮ টাকা ৩৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। খুচরা পর্যায়ে ৯ টাকা ১১ পয়সা থেকে ১ টাকা ৫২ পয়সা বাড়িয়ে ১০ টাকা ৬৩ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩ জুন) রাজধানীর রমনায় ইন্সটিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) ভবনের ষষ্ঠ তলায় কমিশন কার্যালয়ের শুনানি কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে নতুন এ মূল্য ঘোষণা করে বিইআরসি।

নতুন মূল্য গত ১ জুন থেকে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়।

এর আগে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়ে গত ২০ ও ২১ মে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে দেশের ছয়টি বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেয়।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধির আবেদন করেছে।

তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।

সবশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাহী আদেশে পাইকারি বিদ্যুতের গড় দাম ইউনিটপ্রতি ৬ টাকা ৭০ থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা করা হয়েছিল।