খুঁজুন
সোমবার, ২২শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কিছু সিদ্ধান্ত দৃঢ়ভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে, শিক্ষাক্রম নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৪, ৫:৩৪ অপরাহ্ণ
কিছু সিদ্ধান্ত দৃঢ়ভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে, শিক্ষাক্রম নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী

সমালোচনার ভয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন থেকে ‘সরকার পিছপা হবে না’ বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

তিনি বলেছেন, ভালো কিছু করার লক্ষ্যে সরকার দৃঢ়তার সঙ্গে কিছু বিষয়ে অবশ্যই সিদ্ধান্ত নেবে।

নতুন শিক্ষাক্রম নিয়ে বিভিন্ন ধরণের সমালোচনা, অপপ্রচার ও চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তার করণীয় জানতে চাইলে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন নতুন শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি বলেন, “আমাদের চ্যালেঞ্জটা একটু কমপ্লেক্স। সরকারে থাকলে চ্যালেঞ্জ একটু কমপ্লেক্স হয়। আর হ্যাঁ, কিছু সমালোচনা হবে। সেই সমালোচনা নেওয়ার সক্ষমতা রাজনীতিবিদদের থাকতে হবে। সক্ষমতা আমাদের আছে। আমরা সেটা পারব।

“আমাদেরকে যে সিদ্ধান্তগুলো শিক্ষাবিদদের সাথে, বিশেষজ্ঞদের সাথে আলোচনা করে নেয়া হয়েছে…, শুধুমাত্র সমালোচিত হব এই ভয়ে যে সিদ্ধান্ত যথার্থ এবং সঠিক সেটা নিব না, তা হতে দেওয়া যায় না। দৃঢ়ভাবে কিছু সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন আমাদের অবশ্যই করতে হবে। এটার কোনো বিকল্প নেই।”

শুক্রবার দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে চট্টগ্রামের স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন নওফেল।

চলতি বছর প্রথম, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রমে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। আগামী শিক্ষাবর্ষে দ্বিতীয়, তৃতীয়, অষ্টম ও নবম শ্রেণি যুক্ত হবে নতুন শিক্ষাক্রমের তালিকায়।

নতুন শিক্ষাক্রমে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত কোনো পরীক্ষা না রাখা, এসএসসির আগে পাবলিক পরীক্ষা না নেওয়া, নবম-দশম শ্রেণিতে বিভাগভিত্তিক বিভাজন তুলে দেওয়াসহ একগুচ্ছ পরিবর্তন আনা হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, পরীক্ষা ও মুখস্ত নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে এসে অভিজ্ঞতাভিত্তিক শেখার মাধ্যমে নতুন শিক্ষাক্রমে পাঠ প্রক্রিয়া হয়েছে আনন্দময়।

তবে পরীক্ষা কমানো, বিভাগ বিভাজন তুলে দেওয়া, মূল্যায়ন পদ্ধতিসহ শিক্ষাক্রমের বিভিন্ন দিক নিয়ে অনেকে সমালোচনাও করছেন।

এর আগে নওফেল বলেছিলেন, প্রয়োজনে নতুন শিক্ষাক্রমে পরিবর্তন আসতে পরে।

এবার নওফেল বলেন, “একটা চ্যালেঞ্জের বিষয় হচ্ছে আসলে, নেগেটিভ জিনিস ভাইরাল হয় বেশি। এটা একটা। আরেকটা বিষয় হচ্ছে, নিবন্ধিত এবং আইনত স্বীকৃত গণমাধ্যম যেভাবে একটা বিষয় যাচাই-বাছাই অনুসন্ধান করে গণমাধ্যমে দেয়, সেভাবে কিন্তু সাধারণ মানুষ, যারা অপপ্রচার করে তারা বা আমরা যারা ব্যবহারকারী তারাও দিই না।

“দেখা যায়, নেগেটিভ প্রচারণার প্রতি আমাদের দৃষ্টি বেশি থাকে। নিজেরাও অনেক সময় অজান্তে নেগেটিভ প্রচারণাতে আমরা জড়িয়ে পড়ি। সেটা কাউন্টার করাটা সারা বিশ্বব্যাপী একটা চ্যালেঞ্জ।”

শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তার কর্মপরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে নওফেল বলেন, “কোনো রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীতা, ক্ষমতার দম্ভ, অহংকার- এ ধরণের কাজে আমি বিশ্বাস করি না। আমার বাবা চট্টলাবীর এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী সাড়ে ১৬ বছর চট্টগ্রামের মেয়র ছিলেন। আমি দেখেছি কিভাবে তিনি জনসেবা দিয়েছেন।

“প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় তিনি ছিলেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েছেন। রাজনৈতিক ক্ষমতা, আমি যেহেতু শৈশব থেকে দেখে এসেছি সেগুলোর প্রতি তাই আমার কোনো লোভ লালসা নেই।”

এই সরকারকে জনসেবায় কিভাবে আরো বেশি করে কাজে লাগানো যায় সেই লক্ষ্যে কাজ করবেন জানিয়ে নওফেল বলেন, “বিশেষ করে তরুণ সমাজকে কিভাবে আরো কর্মমুখী করতে পারি, শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরো বেশি ইন্ডাস্ট্রির সাথে, অর্থনৈতিক সম্পৃক্ত করতে পারি সেলক্ষ্যে আমরা কাজ করব।”

চট্টগ্রাম নগরীর বিদ্যমান সমস্যা সমাধানে নওফেল কি ভাবছেন এমন প্রশ্নে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী আমাদের বলেছেন, চট্টগ্রামকে ঘিরে অনেক উন্নত, আন্তর্জাতিক মানের অবকাঠামো তিনি করে দিয়েছেন। সুদূর টেকনাফ থেকে শুরু করে সেই ফেনী পর্যন্ত। নানা ধরণের অবকাঠামো এখানে হয়েছে।

“এই অঞ্চলকে ঘিরে যে বাণিজ্য হত, অর্থনীতিতে যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান, সেসমস্ত জায়গায় তরুণরা কিভাবে ভূমিকা রাখতে পারে, তরুণদের কিভাবে কর্মসংস্থান হতে পারে, সে বিষয়ে তিনি আমাদের বিশেষভাবে কাজ করতে বলেছেন।”

সবার সঙ্গে আলোচনা করেই করণীয় নির্ধারণ করবেন জানিয়ে নওফেল বলেন, “আমাদের নেতৃবৃন্দ এখানে যারা আছেন। যারা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগ এবং প্রগতিশীল অন্যান্য রাজনৈতিক দলে সমূহের যারা আছেন, তাদের সবার সাথে আলোচনা করে একটা ইকোনমিক ইকো-সিস্টেম আমরা যাতে করতে পারি।

“এবং ইকোনমির সাথে এডুকেশনের একটা সম্পর্ক, সেটা যাতে আমরা সৃষ্টি করতে পারি। এর মাধ্যমে আমরা আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে চাই। আমাদের সন্তানরা শুধুমাত্র ভবিষ্যতের আশায় বিদেশে পাড়ি দেবেন এবং বিদেশে যাওয়া ছাড়া যদি তাদের আর কোনো গতি না থাকে তাহলে বুঝে নিতে হবে আমরা যারা চট্টগ্রামে আছি এটা আমাদের ব্যর্থতা। এই বিষয়গুলো নিয়ে আমরা কাজ করব।”

এর আগে বৈঠকে চট্টগ্রাম নগর পুলিশের কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়সহ স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Feb2

এক গোল খেয়ে নিউজিল্যান্ডকে ৩ গোল দিলো মিশর

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৯:৪৭ পূর্বাহ্ণ
এক গোল খেয়ে নিউজিল্যান্ডকে ৩ গোল দিলো মিশর

প্রথমার্ধে এক গোল হজম করলেও তা শোধ করতে পারেনি মিশর। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে নিউজিল্যান্ডকে হতাশ করে একে একে ৩ গোল দিয়ে ম্যাচ জিতে নিয়েছে মোহাম্মদ সালাহরা। আসরের প্রথম ম্যাচ বেলজিয়ামের বিপক্ষে ড্র করা মিশর এবার পেলো জয়ের দেখা। চতুর্থ বিশ্বকাপ খেলতে নেমে নিজেদের বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম জয়ের দেখা পেলো মিশর।

এর আগে, ১৯৩৪, ১৯৯০, ২০১৮ বিশ্বকাপে মোট ৮ ম্যাচে খেলেও কোনো জয়ের দেখা পায়নি। ২০২৬ সালে এসে পেলো প্রথম জয়ের দেখা।

সোমবার (২২ জুন) কানাডার বিসি প্লেস স্টেডিয়ামে ‘জি’ গ্রুপের ম্যাচের ১৫ মিনিটে পিছিয়ে যায় মিশর। পরে তিনটি গোলই মিশর করে দ্বিতিয়ার্ধে। নিউজিল্যান্ডের হয়ে গোল করেন ফিন সারম্যান। পরে দ্বিতীয়ার্ধে মিশরের মোহাম্মদ জিকো, মোহাম্মদ সালাহ এবং ডেভিড ত্রেজেগে করেন গোল।

প্রথমার্ধে আক্রমণে এগিয়ে ছিলো নিউজিল্যান্ড। সেই আক্রমণের অংশ হিসেবেই ১৫ মিনিটে গোল করে কিউইদের এগিয়ে নেন ফিন সারম্যান। মাইকেল পেইন দারুণ একটি কর্নার কিক নেন। বক্সের ভেতরে লাফিয়ে উঠে হেডে গোল করেন সারম্যান। প্রথমার্ধে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় নিউজিল্যান্ড।

৫৮ মিনিটে ডান দিক থেকে বক্সে বল পেয়ে মোহামেদ হানি চমৎকার একটি ক্রস ভাসিয়ে দেন। বক্সের মাঝখানে সম্পূর্ণ অরক্ষিত অবস্থায় থাকা জিকো হেডে বল জালে জড়িয়ে দেন। প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের কোনো সুযোগই ছিল না। নিখুঁত ক্রস আর দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে গোল করে সমতা ফেরায় মিশর।

এরপর বক্সের ডান প্রান্তে বল পেয়ে জিকোর সঙ্গে দারুণ এক-দুই পাস খেলেন সালাহ। এতে বক্সের ভেতরে শট নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়, আর তিনি কোনো ভুল না করে নিচের বাঁ কোণে বল জড়িয়ে দেন ৬৭ মিনিটে।

৮২ মিনিটে আরও একটি গোল করে মিশর হেড থেকেই।এই গোলে সহায়তা করেন সালাহ। দারুণ ক্রাস করেন ডান দিক থেকে বদলি নামা ত্রেজেগে মাত্র নিজের তৃতীয় টাচেই হেড করে বল জালে জড়িয়ে দেন।

চেষ্টা করলেও কোনো গোল আর করতে পারেনি কিউইরা। প্রথম ম্যাচে ইরানের বিপক্ষে ২-২ গোলে ড্র করার মিশরের কাছে এগিয়ে গিয়েও হারলো ৩-১ গোলে। আর বেলজিয়ামের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করা মিশর ম্যাচটি জিতলো ৩-১ ব্যবধানে।

‘জি’ গ্রুপে মিশরের পরবর্তী প্রতিপক্ষ ইরান। ম্যাচটি আগামী ২৭ জুন। একই দিন বেলজিয়ামের বিপক্ষে মাঠে নামবে নিউজিল্যান্ড।

স্পেনের পর উরুগুয়েকেও রুখে দিল লড়াকু কেপ ভার্দে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৭:৩৬ পূর্বাহ্ণ
স্পেনের পর উরুগুয়েকেও রুখে দিল লড়াকু কেপ ভার্দে

শুরুতে এগিয়ে গেলেও প্রথমার্ধে ২-১ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়ে বিশ্বকাপে প্রথমবার খেলতে আসা কেপ ভার্দে। কিন্তু এরপরও দমে যায়নি তারা। বিশ্বমঞ্চে নিজেদের প্রথমবার মেলে ধরা আফ্রিকার দেশ কেপ ভার্দে দেখাল লড়াকু ফুটবলের আসল রূপ। সাবেক বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেনের পর এবার ফুটবল পরাশক্তি উরুগুয়েকেও আটকে দিল তারা। মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে গ্রুপ ‘এইচ’র রোমাঞ্চকর ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র হয়েছে।

ম্যাচের প্রথমার্ধেই জমে উঠেছিল লড়াই। ২১ মিনিটে প্রায় ৩০ গজ দূর থেকে কেভিন পিনার নেওয়া ফ্রি-কিক উরুগুয়ের জাল কাঁপালে রূপকথার শুরু হয় কেপ ভার্দের। দেশের ফুটবল ইতিহাসে প্রথম বিশ্বকাপ গোলের দেখা পায় তারা।

তবে প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে (৪৪ মিনিটে) ম্যাক্সিমিলিয়ানো আরাউহো এবং যোগ করা সময়ে (৪৫+৫ মিনিটে) আগুস্তিন কানোপিওর ব্যাক-টু-ব্যাক গোলে ২-১ ব্যবধানে লিড নিয়ে বিরতিতে যায় মার্সেলো বিয়েলসার উরুগুয়ে।

বিরতি থেকে ফিরে লিড ধরে রাখতে মরিয়া উরুগুয়ে আক্রমণাত্মক ধার বজায় রাখলেও কেপ ভার্দের জমাট রক্ষণভাগ আর ফাটল ধরতে দেয়নি। উল্টো ম্যাচের ৬১তম মিনিটে হেলিও ভারেলার করা গোল স্তব্ধ করে দেন লা সেলেস্তেদের। শেষ বাঁশি বাজা পর্যন্ত ২-২ সমতা ধরে রেখে মাঠ ছাড়ে দুদল।

প্রথম ম্যাচে ফেভারিট স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে রুখে দেওয়ার পর উরুগুয়ের বিপক্ষে এই ড্র কেপ ভার্দেকে নকআউট পর্বের রেসে টিকিয়ে রাখল। অন্যদিকে, সৌদি আরবের পর কেপ ভার্দের সাথেও পয়েন্ট ভাগাভাগি করায় গ্রুপ পর্বে টিকে থাকার সমীকরণ কঠিন হয়ে উঠল উরুগুয়ের জন্য।

এই ড্রয়ের পর দুদলেরই পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ২। গোল ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় দুই নম্বরে অবস্থান করছে উরুগুয়ে, তিনে কেপ ভার্দে। এদিকে সর্বোচ্চ ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে অবস্থান স্পেনের। আর তলানিতে আছে সৌদি আরব।

বেলজিয়ামকে রুখে দিয়ে টেবিলের শীর্ষে ইরান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ২২ জুন, ২০২৬, ৭:১৯ পূর্বাহ্ণ
বেলজিয়ামকে রুখে দিয়ে টেবিলের শীর্ষে ইরান

শক্তিশালী বেলজিয়ামকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে দিয়ে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘জি’র টেবিলের শীর্ষে উঠে এসেছে ইরান। লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে ১০ জনের বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচটি ০-০ ব্যবধানে শেষ হওয়ায় দুই দলই মূল্যবান ১ পয়েন্ট করে ভাগ করে নিয়েছে। ২ ম্যাচ শেষে ২ পয়েন্ট এবং বেশি গোল করার সুবাদে বেলজিয়ামকে দুই নম্বরে নামিয়ে গ্রুপের শীর্ষস্থানটি দখল করেছে ইরান।

মাঠের শক্তিতে বেলজিয়াম যোজন যোজন এগিয়ে থাকলেও ক্যালিফোর্নিয়ার লস অ্যাঞ্জেলেস স্টেডিয়ামে ফুটবলবিশ্ব দেখল এক চরম নাটকীয় ম্যাচ। প্রথমার্ধে ইরানের গোল বাতিল আর দ্বিতীয়ার্ধে বেলজিয়ামের লাল কার্ডের ধাক্কা- সব মিলিয়ে ম্যাচটি ছিল উত্তেজনায় ঠাসা।

ম্যাচের প্রথমার্ধের ২৫ মিনিটে প্রথম নাটকীয়তার জন্ম হয়। বেলজিয়ামের রক্ষণভাগকে বোকা বানিয়ে বল জালে জড়িয়ে উদযাপনে মেতে উঠেছিলেন ইরানি ফরোয়ার্ড মেহেদি তারেমি। কিন্তু ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির নিখুঁত অফসাইড কলে কপাল পোড়ে ইরানের। অল্পের জন্য অফসাইড হওয়ায় গোলটি বাতিল করেন রেফারি।

১-০ লিড পাওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হলেও দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের ভাগ্য ইরানের দিকে আরও হেলে পড়ে বেলজিয়াম শিবিরে লাল কার্ডের আঘাতে। ম্যাচের ৭০তম মিনিটে ইরানের একটি বিপজ্জনক কাউন্টার অ্যাটাক রুখতে গিয়ে ফাউল করে বসেন বেলজিয়ান ডিফেন্ডার। এর আগেই হলুদ কার্ড থাকায় রেফারি তাকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড তথা লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ ছাড়ার নির্দেশ দেন।

১০ জনের বেলজিয়ামকে পেয়ে শেষ ২০ মিনিট আক্রমণের ধার বাড়ায় ইরান। তবে বেলজিয়ান গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়ার দারুণ কিছু সেভের কারণে ডেডলক ভাঙা সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত দুই ম্যাচ শেষে ২ পয়েন্ট নিয়ে নকআউটের দৌড়ে বেলজিয়ামের সমানতালেই টিকে রইল লড়াকু ইরান।