খুঁজুন
শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাহমুদুর রহমান কেবল একজন সাংবাদিক নন বরং সকল নির্যাতিত সাংবাদিকদের প্রতিনিধি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪, ৭:০৭ অপরাহ্ণ
মাহমুদুর রহমান কেবল একজন সাংবাদিক নন বরং সকল নির্যাতিত সাংবাদিকদের প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহবায়ক আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ বলেছেন, মজলুম সাংবাদিক এবং আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান কেবল একজন সাংবাদিক নন বরং সকল নির্যাতিত সাংবাদিকদের প্রতিনিধি। তার বিরুদ্ধে ১২৪টি মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন মামলা দেওয়া হয়েছে। তিনি প্রকৃত দেশপ্রেমিক এবং দেশের ক্রান্তিকালে একাই লড়ে গেছেন। তিনি চাইলে আজ ক্ষমতা ব্যবহার করে জামিন নিতে পারতেন। কিন্তু তিনি তা করেননি। এ দেশে শুধু মাহমুদুর রহমান নয়, যে সব সাংবাদিক সত্য লিখতে গেছেন, ফ্যাসিস্ট সরকার তাদেরকে মামলা দিয়ে দমন করেছে। যে সব সাংবাদিকরা ফ্যাসিস্টদের পক্ষ নিয়েছিল, তারা মুক্ত আকাশে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

মজলুম সাংবাদিক এবং আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের জামিন নামঞ্জুর করে যে মামলায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে তা মিথ্যা ও বানোয়াট। একজন দলীয় বিচারকের কাছে ন্যায়বিচার পাননি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল মাহমুদুর রহমান। এ কারণে অতিদ্রুত মাহমুদুর রহমানকে মুক্তি দেওয়াসহ আমার দেশ পত্রিকার উপর যে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া আছে তা তুলে নেওয়ার দাবি জানানো হয়।

তিনি আজ ৩০ সেপ্টেম্বর (সোমবার) সকাল ১১টা ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ চট্টগ্রাম কেন্দ্রে এসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ-এ্যাব, চট্টগ্রামের উদ্যোগে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর প্রতিবাদে এবং নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

এসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ-এ্যাব, চট্টগ্রামের প্রকৌশলী সেলিম মোহাম্মদ জানে আলমের সভাপতিত্বে, তিনি বলেন, এ দেশে মাহমুদুর রহমানের মতো সাংবাদিককে জেল খাটতে হচ্ছে এটা চরম লজ্জার। মানুষ হিসেবে যতটা আমি লজ্জিত, তার থেকে বেশি লজ্জিত একজন প্রকৌশলী হিসেবে। আইনের শাসন ফিরিয়ে আনার জন্য যারা কলম ধরেছিলেন, আজ তাদের বিরুদ্ধে স্বৈরাচারের দোষররা সর্বোচ্চ পর্যায়ে থেকে বিভিন্ন কলকাটি নাড়ছে।

সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী আতিকুজ্জামন বিল্লাহর পরিচালনায় মানববন্ধনে প্রধান বক্তার বক্তব্যে বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর বলেন, পতিত স্বৈরাচারের প্রতিহিংসামূলক নিকৃষ্ট মামলায় কলম সৈনিক ও সাহসী কণ্ঠ ড. মাহমুদুর রহমানের ওপর জুলুম করে ন্যায়ভ্রষ্ট বিচারের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়। আদালতকে সম্মান করে আজ তিনি আদালতে হাজিরা দেওয়ার পর বিচারক তাকে জামিন না দিয়ে জেলে পাঠিয়ে দিলেন। কোনোভাবেই তা মেনে নিতে পারছি না। নিকৃষ্ট এই মামলায় তাকে নিঃশর্ত খালাস দিয়ে অতি দ্রুত মুক্তি দেওয়া হোক।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, সম্মিলিত পেশাজীবি পরিষদের আহবায়ক সাংবাদিক জাহিদুল করিম কচি বলেন, মাহমুদুর রহমান স্বৈরশাসনের পুরো সময়জুড়ে স্বৈরতন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। স্বৈরাচারের হাতে তিনি রক্তাক্ত হয়েছেন। দেশ ত্যাগে বাধ্য হয়েছেন। জাতি আপনার অবদানকে চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে। কারণ আপনি একজন বীর।

বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক ইয়াছিন চৌধুরী লিটন, চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক আহবায়ক মোশারফ হোসেন দিপ্তী, দৈনিক দিনকালের ব্যুরোচীফ হাসান মুকুল, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো: কামরুল ইসলাম, সাবেক কমিশনার মনোয়ারা বেগম মনি। প্রকৌশলী নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এ্যাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রকৌশলী আমিনুল রহমান সুমন, এ্যাবের সহ-সভাপতি প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন, সি: যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী আরিফ হাছান চৌধুরী, সহ-সভাপতি প্রকৌশলী জমির উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী আবুল বাশার, প্রকৌশলী মুনতাসির মুন্না, প্রকৌশলী ইমরান খান, প্রকৌশলী মো: কামরুজ্জামন, প্রকৌশলী দুলাল হোসেন, প্রকৌশলী কামাল উদ্দিন, প্রকৌশলী এমদাদুল হক শাহীন, প্রকৌশলী জাহাংগীর আলম, দপ্তর সম্পাদক প্রিয়ম চৌধুরী, বৈষম্য বিরোধী সাংবাদিক ঐক্যের সমন্বয়ক আরিয়ান লেনিন, এতে মহানগর বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সংহতি প্রকাশ করেন জাফর আহমদ, ফজলুল হক সুমন, সাজ্জাদ হোসেন খান, লোকমান হাকিম, মো: মাসুম, ইকবাল হোসেন সুমন, মো: আবির, চুয়েট ছাত্রদল নেতা ওয়াজদ রাশেদ, প্রকৌশলী বশির আহমেদ জাফর সহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

Feb2

‘জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সকে স্বাধীনতা কমপ্লেক্স করা প্রতিহিংসার রাজনীতির ছোবল’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ২:৫০ অপরাহ্ণ
‘জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সকে স্বাধীনতা কমপ্লেক্স করা প্রতিহিংসার রাজনীতির ছোবল’

জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সকে ফ্যাসিবাদের সময়ে স্বাধীনতা কমপ্লেক্স করা প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির ছোবল বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।

শুক্রবার (৫ জুন) নগরের কাজীর দেউড়ির জিয়া স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, দেখুন এই বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে মেজর জিয়া থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতি জিয়া ঘাটে ঘাটে, ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে তাঁর যে অবস্থান সেটা বাংলাদেশকে অনেক বেশি আলোড়িত করেছে, সমৃদ্ধ করেছে। সেই রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি রক্ষার্থেই এ স্মৃতি জাদুঘর। এটা আমরা দেখলাম, পরিপূর্ণভাবে দেখতে পারিনি। আজ সকালে এসেছি।

আমার পাশে আছেন মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, ডান পাশে চট্টগ্রামের কৃতী সন্তান মাননীয় সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম দক্ষিণের আহ্বায়ক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইদ্রিস মিয়া, জেলা প্রশাসক, আমার মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিবসহ অন্যান্য কর্মকর্তা আছেন। আমরা এটা দেখলাম। এসে শুনলাম। এর অনেক রুম আমরা খালি দেখেছি। কারণ এটা রেনোভেশন হচ্ছে। সুন্দর করে রেনোভেট করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত জিনিসগুলো সংরক্ষণ করা হবে। আমরা এরপর যাব জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সে যেটি ফ্যাসিবাদের সময়ে স্বাধীনতা কমপ্লেক্স করা হয়েছিল সম্পূর্ণভাবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি ঈর্ষা করে। এটা একটা প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির ছোবল। ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতে জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স আমরা নতুন করে করব। সেটি আমরা পরিদর্শন করব। আরও কিছু স্থাপনা পরিদর্শন করব।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এ দেশের স্বাধীনতায় মহান মুক্তিযুদ্ধে যে মহান ঘোষণাটি দিয়েছিলেন। সেই ঘোষণার পর একটার পর একটা উনার পদক্ষেপ ছিল। উনি যুদ্ধ করেছেন। উনি বীরউত্তম হয়েছেন। উনি সেনাপ্রধান হয়েছেন। উনি সফল রাষ্ট্রনায়ক হয়েছেন। বাংলাদেশের সমৃদ্ধির জন্য উনি একসময় বাংলাদেশের চিত্রই পাল্টে ফেলেছিলেন। যদিও ফ্যাসিবাদ এসে বারবার সেটি ভূলুণ্ঠিত করেছে। আমরা সেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি এবং তাঁর স্মৃতিগুলো সংরক্ষণের জন্য মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় সব কিছু করবে।

কত দ্রুত জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের মেরামত কাজ শেষ হবে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, আমাদের সরকার অত্যন্ত আন্তরিক এ বিষয়ে। এ জন্য আজ মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের নেতৃত্বে আমরা পরিদর্শনে এসেছি। এ স্থাপনাটি এবং জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স যেটিকে পরবর্তীতে স্বাধীনতা কমপ্লেক্স ঘোষণা করা হয়েছিল। এগুলো ঐতিহাসিক নিদর্শন। আগামী প্রজন্মের আসলে এগুলো জানতে হবে। তাদের এখানে আসতে হবে, দেখতে হবে। আমাদের ইতিহাস যদি না জানি তাহলে জাতি হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে পারব না। ভূমিকম্পের কারণে এখানে কিছু ডেমেজ হয়েছে। আমরা দ্রুততম সময়ে মেরামত করে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার পদক্ষেপ নেব ইনশাআল্লাহ।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ
বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ

পরিবেশ সংরক্ষণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের লক্ষ্যে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬ পালিত হচ্ছে।

জাতিসংঘের মানবিক পরিবেশ সম্মেলন (ইউনাইটেড নেশনস কনফারেন্স অন দ্য হিউম্যান এনভায়রনমেন্ট) এই দিনেই শুরু হয়েছিল। এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭২ সালের ৫-১৬ জুন পর্যন্ত। তখন থেকেই প্রতি বছর এই দিবস পালিত হয়ে আসছে। দিবসটি প্রথম পালিত হয় ১৯৭৪ সালে। প্রতি বছরই দিবসটি আলাদা আলাদা শহরে, আলাদা আলাদা প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে পালিত হয়। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য- ‘প্রকৃতি থেকে প্রেরণা, জলবায়ুর জন্য, আমাদের ভবিষ্যতের জন্য’।

দিবসটি উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার এবং বিভিন্ন পরিবেশ ও উন্নয়নমূলক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস হলো পরিবেশ সুরক্ষায় জনসচেতনতা সৃষ্টি ও কার্যক্রম জোরদারের জন্য জাতিসংঘের অন্যতম প্রধান উদ্যোগ। বছরের পর বছর ধরে এটি জনসচেতনতা বৃদ্ধির অন্যতম বৃহৎ বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে, যা বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশে কোটি কোটি মানুষের অংশগ্রহণে পালিত হয়ে আসছে।

দৌলতদিয়া ঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আবারও বাস পড়ল নদীতে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আবারও বাস পড়ল নদীতে

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ৭নং ফেরিঘাটে আবারও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বাস পদ্মায় পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় এখনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী এসবি পরিবহনের একটি বাস দৌলতদিয়া ৭নং ফেরিঘাট পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পড়ে যায়। এখন পর্যন্ত হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বাস থেকে যাত্রী নামানো অবস্থায় ছিল বলে মনে হচ্ছে।

রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন বলেন, বাস পদ্মায় ডুবে যাওয়ার ঘটনা শুনেছি। আমি ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।

প্রসঙ্গত, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ৩ নম্বর পল্টুন থেকে কুষ্টিয়ার কুমারখালি থেকে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী ‘সৌহার্দ্য পরিবহনে’র একটি বাস ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। এ ঘটনায় মোট ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।