খুঁজুন
শুক্রবার, ৫ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২২শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে শান্তিপূর্ণভাবে চলছে পোশাক কারখানা, নেই শ্রমিক অসন্তোষ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: রবিবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৪, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ণ
চট্টগ্রামে শান্তিপূর্ণভাবে চলছে পোশাক কারখানা, নেই শ্রমিক অসন্তোষ

সাভার-গাজীপুর শিল্পাঞ্চলে গত দুই মাস ধরে পোশাকশ্রমিক অসন্তোষ চললেও বন্দরনগরী চট্টগ্রামে পরিস্থিতি পুরো ব্যতিক্রম। বহিরাগতগত ছাড়াও অন্যদের উসকানি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করায় এখানে শ্রমিক অন্দোলন মতো ঘটনা ঘটেনি। গত ৬ আগস্ট থেকেই বন্দরনগরীতে ৬০০টির বেশি পোশাক কারখানায় চলছে নিরবচ্ছিন্ন উৎপাদন।

৫ আগস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পরদিনই চট্টগ্রামে খুলে দেওয়া হয় সব গার্মেন্টস কারখানা। পরের দিন ৬ আগস্ট শ্রমিক উপস্থিতির হার ৮০ শতাংশ হলেও ৭ আগস্ট শতভাগ শ্রমিক উপস্থিতি নিয়ে উৎপাদনে যায় কারখানাগুলো। এরপর থেকে কোনোরকম সংকট ছাড়াই চলছে তৈরি পোশাকের উৎপাদন। বেতন-ভাতা নিয়মিত পরিশোধ হওয়ায় শ্রমিকরাও সাচ্ছন্দ্যে কর্মস্থলে আসছেন, কাজ করছেন।

জানা গেছে, সাভার, আশুলিয়া ও গাজীপুরের শ্রমিক অসন্তোষ মাথায় রেখে চট্টগ্রামের নিরাপত্তা সাজিয়ে নিয়েছে শিল্প পুলিশ। বিশেষ করে গোয়েন্দা তথ্যের মাধ্যমে ঠেকানো হয়েছে সব ধরনের গুজব এবং উসকানিমূলক তৎপরতা। শ্রমিক অধ্যুষিত এলাকা হিসেবে পরিচিত ষোলশহর দুই নম্বর গেট, বায়েজিদ, শেরশাহ এবং অক্সিজেন এলাকায়ও নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ সুলাইমান বলেন, শ্রমিক এবং মালিকদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরির চেষ্ট করা হয়েছে। এছাড়া জোরদার করা হয়েছে সব ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা।

বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) দাবি, নাশকতা ঠেকাতে চট্টগ্রামের গার্মেন্টস মালিকরা যেমন প্রশাসনের সহযোগিতা পেয়েছেন, তেমনি নিজেরাও কারখানায় উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করছেন। আর শ্রমিক নেতারাও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন স্থিতিশীল পরিবেশ বজায় রাখার।

বিজিএমইএর সহসভাপতি রাকিবুল আলম চৌধুরী বলেন, দুষ্কৃতকারীদের শনাক্ত করা হয়েছে। শ্রমিক নেতা ও শ্রমিকদের সঙ্গে নিয়ে সব ধরনের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করা হচ্ছে।

জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের চট্টগ্রাম বিভাগের সভাপতি এ এম নাজিম উদ্দিন বলেন, কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনার তথ্য পেলে বা আশঙ্কা করা মাত্রই শ্রমিক, মালিক ও বিজিএমইএ নেতারা বসে আলোচনা করে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে। এটি অব্যাহত থাকবে।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম নগরীতে ৪৫৬টি গার্মেন্টস কারখানায় ১১ লাখের বেশি শ্রমিক কর্মরত রয়েছেন। এছাড়া, চট্টগ্রাম ইপিজেড, কোরিয়ান ইপিজেড এবং কর্ণফুলী ইপিজেডে গার্মেন্টস কারখানা আছে ১৫০টি। এগুলোতে শ্রমিকসংখ্যা ২ লাখের মতো।

Feb2

‘জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সকে স্বাধীনতা কমপ্লেক্স করা প্রতিহিংসার রাজনীতির ছোবল’

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ২:৫০ অপরাহ্ণ
‘জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সকে স্বাধীনতা কমপ্লেক্স করা প্রতিহিংসার রাজনীতির ছোবল’

জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সকে ফ্যাসিবাদের সময়ে স্বাধীনতা কমপ্লেক্স করা প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির ছোবল বলে মন্তব্য করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।

শুক্রবার (৫ জুন) নগরের কাজীর দেউড়ির জিয়া স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, দেখুন এই বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে মেজর জিয়া থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপতি জিয়া ঘাটে ঘাটে, ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে তাঁর যে অবস্থান সেটা বাংলাদেশকে অনেক বেশি আলোড়িত করেছে, সমৃদ্ধ করেছে। সেই রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতি রক্ষার্থেই এ স্মৃতি জাদুঘর। এটা আমরা দেখলাম, পরিপূর্ণভাবে দেখতে পারিনি। আজ সকালে এসেছি।

আমার পাশে আছেন মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, ডান পাশে চট্টগ্রামের কৃতী সন্তান মাননীয় সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম দক্ষিণের আহ্বায়ক সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইদ্রিস মিয়া, জেলা প্রশাসক, আমার মন্ত্রণালয়ের সচিব, অতিরিক্ত সচিবসহ অন্যান্য কর্মকর্তা আছেন। আমরা এটা দেখলাম। এসে শুনলাম। এর অনেক রুম আমরা খালি দেখেছি। কারণ এটা রেনোভেশন হচ্ছে। সুন্দর করে রেনোভেট করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত জিনিসগুলো সংরক্ষণ করা হবে। আমরা এরপর যাব জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্সে যেটি ফ্যাসিবাদের সময়ে স্বাধীনতা কমপ্লেক্স করা হয়েছিল সম্পূর্ণভাবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতি ঈর্ষা করে। এটা একটা প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির ছোবল। ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতে জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স আমরা নতুন করে করব। সেটি আমরা পরিদর্শন করব। আরও কিছু স্থাপনা পরিদর্শন করব।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এ দেশের স্বাধীনতায় মহান মুক্তিযুদ্ধে যে মহান ঘোষণাটি দিয়েছিলেন। সেই ঘোষণার পর একটার পর একটা উনার পদক্ষেপ ছিল। উনি যুদ্ধ করেছেন। উনি বীরউত্তম হয়েছেন। উনি সেনাপ্রধান হয়েছেন। উনি সফল রাষ্ট্রনায়ক হয়েছেন। বাংলাদেশের সমৃদ্ধির জন্য উনি একসময় বাংলাদেশের চিত্রই পাল্টে ফেলেছিলেন। যদিও ফ্যাসিবাদ এসে বারবার সেটি ভূলুণ্ঠিত করেছে। আমরা সেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি এবং তাঁর স্মৃতিগুলো সংরক্ষণের জন্য মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় সব কিছু করবে।

কত দ্রুত জিয়া স্মৃতি জাদুঘরের মেরামত কাজ শেষ হবে জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, আমাদের সরকার অত্যন্ত আন্তরিক এ বিষয়ে। এ জন্য আজ মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের নেতৃত্বে আমরা পরিদর্শনে এসেছি। এ স্থাপনাটি এবং জিয়া স্মৃতি কমপ্লেক্স যেটিকে পরবর্তীতে স্বাধীনতা কমপ্লেক্স ঘোষণা করা হয়েছিল। এগুলো ঐতিহাসিক নিদর্শন। আগামী প্রজন্মের আসলে এগুলো জানতে হবে। তাদের এখানে আসতে হবে, দেখতে হবে। আমাদের ইতিহাস যদি না জানি তাহলে জাতি হিসেবে নিজেদের গড়ে তুলতে পারব না। ভূমিকম্পের কারণে এখানে কিছু ডেমেজ হয়েছে। আমরা দ্রুততম সময়ে মেরামত করে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার পদক্ষেপ নেব ইনশাআল্লাহ।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ
বিশ্ব পরিবেশ দিবস আজ

পরিবেশ সংরক্ষণ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের লক্ষ্যে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬ পালিত হচ্ছে।

জাতিসংঘের মানবিক পরিবেশ সম্মেলন (ইউনাইটেড নেশনস কনফারেন্স অন দ্য হিউম্যান এনভায়রনমেন্ট) এই দিনেই শুরু হয়েছিল। এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭২ সালের ৫-১৬ জুন পর্যন্ত। তখন থেকেই প্রতি বছর এই দিবস পালিত হয়ে আসছে। দিবসটি প্রথম পালিত হয় ১৯৭৪ সালে। প্রতি বছরই দিবসটি আলাদা আলাদা শহরে, আলাদা আলাদা প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে পালিত হয়। এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য- ‘প্রকৃতি থেকে প্রেরণা, জলবায়ুর জন্য, আমাদের ভবিষ্যতের জন্য’।

দিবসটি উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার এবং বিভিন্ন পরিবেশ ও উন্নয়নমূলক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

বিশ্ব পরিবেশ দিবস হলো পরিবেশ সুরক্ষায় জনসচেতনতা সৃষ্টি ও কার্যক্রম জোরদারের জন্য জাতিসংঘের অন্যতম প্রধান উদ্যোগ। বছরের পর বছর ধরে এটি জনসচেতনতা বৃদ্ধির অন্যতম বৃহৎ বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে, যা বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশে কোটি কোটি মানুষের অংশগ্রহণে পালিত হয়ে আসছে।

দৌলতদিয়া ঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আবারও বাস পড়ল নদীতে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ৫ জুন, ২০২৬, ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ
দৌলতদিয়া ঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে আবারও বাস পড়ল নদীতে

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ৭নং ফেরিঘাটে আবারও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বাস পদ্মায় পড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। তবে এ ঘটনায় এখনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া থেকে ঢাকাগামী এসবি পরিবহনের একটি বাস দৌলতদিয়া ৭নং ফেরিঘাট পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মায় পড়ে যায়। এখন পর্যন্ত হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বাস থেকে যাত্রী নামানো অবস্থায় ছিল বলে মনে হচ্ছে।

রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন বলেন, বাস পদ্মায় ডুবে যাওয়ার ঘটনা শুনেছি। আমি ঘটনাস্থলে যাচ্ছি।

প্রসঙ্গত, গত ২৫ মার্চ দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ৩ নম্বর পল্টুন থেকে কুষ্টিয়ার কুমারখালি থেকে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী ‘সৌহার্দ্য পরিবহনে’র একটি বাস ফেরিতে ওঠার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যায়। এ ঘটনায় মোট ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।