খুঁজুন
, ,

দাপুটে বিএনপি নেতা খোরশেদ আলমকে বহিস্কারের নেপথ্যে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 4 November, 2024, 9:01 pm
দাপুটে বিএনপি নেতা খোরশেদ আলমকে বহিস্কারের নেপথ্যে

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নেতা খোরশেদ আলমকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বিএনপির সহ দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো.তাইফুল ইসলাম টিপু স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনবিরোধী কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের প্রেক্ষিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা খোরশেদ আলমকে সংগঠনের প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

জানা গেছে, খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে বিএনপির ভাবমূর্তি ও সুনাম নষ্ট করে দুর্নীতি, চাঁদাবাজী, পদ/বদলি বানিজ্য করে স্বৈরাচার ও আওয়ামিলীগপন্থী সিবিএ নেতাদের পুনর্বাসন করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম এমইএস কলেজের প্রিন্সিপাল সরওয়ারকে ছাত্র-জনতা হত্যা মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া এবং তাকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক হল আহবায়কের ভূয়া পদবী বিক্রি করে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদাবাজির ফোনালাপ ভাইরাল হয়েছে। এরআগে কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের ভূমি অধিগ্রহণ শাখায় বিভিন্ন টাউট ও দালালের সাথে যোগসাজশে লাখ লাখ টাকা দুর্নীতি ও কমিশন আদায়ে হাতে নাতে ধরা পড়েন খোরশেদ। ওই মামলায় কক্সবাজার জেলা আদালতে দন্ডবিধি ১৮৬০ এর ১৮৬ ধারায় সে সাজাপ্রাপ্ত ও দন্ডিত হন।

জানা গেছে, খোরশেদ আলম বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসলাম চৌধুরীর ব্যক্তিগত সহকারীর দায়িত্ব পালনকালে আর্থিক অনিয়ম ও কেলেংকারীতে অভিযুক্ত হওয়ায় ওই পদ থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। সদ্য ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামীগ সরকারের আমলে কক্সবাজারে ১২টি মেগা প্রকল্পসহ ৭৪টি প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়ায় কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ শাখার একটি সিন্ডিকেটের সাথে যোগসাজশে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেন তিনি। এ বিষয়ে দুদকে দুইটি মামলায় অভিযুক্ত হন খোরশেদ।
তার বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ রয়েছে, কক্সবাজারের মহেষখালী উপজেলায় প্রস্তাবিত সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণে দুই বা ততোধিক ব্যক্তির মধ্যে বিরোধপূর্ণ ও মামলা বিদ্যমান জায়গার টাকা উত্তোলন করে দেওয়ার নিশ্চয়তা দিয়ে বেশ কিছু সংখ্যক জমির মালিক থেকে উচ্চহারে কমিশন হিসেবে অগ্রিম টাকা নিয়ে আর ফেরত না দেওয়া।

রুপালী ব্যাংক এর চট্টগ্রাম বিভাগীয় কার্যালয়ের বিভিন্ন নির্বাহী থেকে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের উপর রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বিশেষ করে সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপি নেতা সালাহ উদ্দিন আহমেদ ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ড. শাহাদাত হোসেনের নাম ও রূপালী ব্যাংকের জিয়া পরিষদের প্রভাব দেখিয়ে যান খোরশেদ।

তিনি, স্থানীয় ম্যানেজমেন্টকে জিম্মি করে আওয়ামীগের ব্যাংকের পেশাজীবি সংগঠন “বঙ্গবন্ধু পরিষদের” সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকসহ বিভিন্ন দুর্নীতিবাজ অফিসারদের ব্যাংকের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় পদায়ন করছে। অসৎ ও দুর্নীতিবাজ অফিসারকে ব্যাংকের জিএম এর পিএস করার জন্য নানামুখী চাপ দিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে যা ব্যাংকের লোকাল ম্যানেজমেন্টের কাজে নিয়মিত বাধা সৃষ্টি করছে। এতে চেয়ন অব কমান্ড ভেংগে পড়ার মত অবস্থা। আর এক্ষেত্রে তার বদলি বানিজ্য ও পদায়ন বানিজ্যে প্রত্যক্ষ সহযোগিতা ও ঘুষ বাণিজ্যে করছে রূপালী ব্যাংক শান্তিরহাট শাখার প্রিন্সিপাল অফিসার মোহাম্মদ মাইমুনর রশিদ।

Feb2
Feb2

সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 2 September, 2026, 11:48 pm
সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস

সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টায় মির্জা আব্বাসকে বহনকারী ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

এ সময় তার স্ত্রী আফরোজা আব্বাসও সঙ্গে ছিলেন।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

গত ১১ মার্চ ইফতারে পানি পান করার সময় হঠাৎ জ্ঞান হারান মির্জা আব্বাস। অবস্থার উন্নতি না হলে গভীর রাতে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

১৫ মার্চ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসার পর তাকে মালয়েশিয়ায় চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মির্জা আব্বাস।

প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়ন বন্ধ করে স্বতন্ত্র রানওয়ে নির্মাণের চিন্তা নেই

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 2 September, 2026, 6:31 pm
প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়ন বন্ধ করে স্বতন্ত্র রানওয়ে নির্মাণের চিন্তা নেই

রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়ন বন্ধ করে স্বতন্ত্র রানওয়ে বা ঘাঁটি নির্মাণের কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে দেশের আবহাওয়া পূর্বাভাস ব্যবস্থা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করতে আধুনিকায়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। সাইবার হামলা ও নতুন বহুমাত্রিক হুমকি মোকাবিলায় দেশীয়ভাবে ড্রোন তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও সংসদকে অবহিত করেন সরকারপ্রধান।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে বিভিন্ন সংসদ সদস্যের লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান।

সংরক্ষিত নারী আসন-৪১ এর সংসদ সদস্য মাহফুজা হান্নানের এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী দেশের সমগ্র আকাশসীমার নিরাপত্তা ও আকাশ প্রতিরক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিমান বাহিনীর দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফলে ঢাকা ও অন্যান্য শহরের আকাশ প্রতিরক্ষা সক্ষমতা প্রস্তুত রাখা জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, পৃথক বিমানঘাঁটি ও রানওয়ে নির্মাণ অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও দীর্ঘমেয়াদি বিষয়। বাংলাদেশের সীমিত ভূমি ও বিদ্যমান অবকাঠামোর সর্বোত্তম ব্যবহারের কথা বিবেচনায় নিয়ে কেবল প্রশিক্ষণের জন্য পৃথক রানওয়ে না বানিয়ে বিদ্যমান সুবিধার যথাযথ ব্যবহারকেই সরকার অধিক বাস্তবসম্মত মনে করছে।

চট্টগ্রাম-১২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে দক্ষিণ এশিয়ায় প্রাকৃতিক দুর্যোগ বৃদ্ধির কথা স্বীকার করলেও আবহাওয়া পূর্বাভাসে বাংলাদেশ পিছিয়ে রয়েছে—এমন বক্তব্য সঠিক নয় বলে জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় ৫ থেকে ১০ দিনের আগাম পূর্বাভাসসহ ঘূর্ণিঝড়, ভারী বৃষ্টি, বজ্রপাত ও অন্যান্য দুর্যোগের সতর্কবার্তা দিচ্ছে। পূর্বাভাস সক্ষমতা আরও আধুনিক ও নিখুঁত করতে পর্যবেক্ষণ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ, উন্নত ডেটা বিশ্লেষণ ও দক্ষ জনবল তৈরির চেষ্টা নিরবচ্ছিন্নভাবে অব্যাহত রয়েছে।

সংরক্ষিত নারী আসন-২ এর সংসদ সদস্য শিরীন সুলতানা এবং সংরক্ষিত নারী আসন-১০ এর সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির পৃথক দুই প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী প্রতিরক্ষা আধুনিকায়ন ও বেসামরিক কার্যক্রমে সশস্ত্র বাহিনীর অংশগ্রহণের আইনি ভিত্তি তুলে ধরেন। শিরীন সুলতানের প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, বহুমাত্রিক হুমকি মোকাবিলায় সশস্ত্র বাহিনীর সাইবার নিরাপত্তা নীতিমালা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি দেশীয়ভাবে ড্রোন উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে এবং সমুদ্রে নজরদারি বাড়ানোর কার্যকর পদক্ষেপ গৃহীত হয়েছে।

নিলোফার চৌধুরী মনির প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী নিশ্চিত করেন, অসামরিক কার্যক্রমে সশস্ত্র বাহিনীর অংশগ্রহণের স্পষ্ট নীতিমালা রয়েছে। তিনি জানান, সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচনকালীন দেশের সার্বিক নিরাপত্তায় এবং ‘In Aid to the Civil Power’ নির্দেশিকা অনুযায়ী দুর্যোগ ও ক্রান্তিকালে অসামরিক প্রশাসনকে সশস্ত্র বাহিনী সরাসরি সহায়তা করে থাকে। এছাড়া ফৌজদারি কার্যবিধির (সিআরপিসি) ১২৯ ধারা অনুযায়ী অসামরিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনীকে প্রয়োজনীয় আইনি ক্ষমতা দেওয়া হয়।

১২ কেজি এলপিজির দাম কমলো ১৩ টাকা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 2 September, 2026, 6:16 pm
১২ কেজি এলপিজির দাম কমলো ১৩ টাকা

সেপ্টেম্বর মাসের জন্য তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের খুচরা মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫৮৫ টাকা। গত মাসে যা ছিল ১৫৯৮ টাকা।

আজ বুধবার নতুন দাম ঘোষণা করা হয়। আজ সন্ধ্যা থেকেই যা কার্যকর হবে।

এর আগে, জুলাই মাসে একই সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৫২৮ টাকা। আগস্ট মাসে দাম বাড়ানো হয়েছিল ৭০ টাকা। যদিও জুলাইয়ে তার আগের মাস জুনের ১ হাজার ৮৮৫ টাকা থেকে ৩৫৭ টাকা কমানো হয়েছিল।

বিইআরসি জানায়, বেসরকারি এলপিজির ভোক্তাপর্যায়ে দাম প্রতিকেজি ১৩২ টাকা ১২ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ সন্ধ্যা থেকে নতুন দাম কার্যকর হবে।

একইসঙ্গে যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের দামও কমানো হয়েছে। প্রতি লিটার ৭৩ টাকা ৬৭ পয়সা থেকে কমিয়ে ৭৩ টাকা ৯ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। জুলাই মাসে এর দাম ছিল ৭০ টাকা ৪০ পয়সা।

এ ছাড়া, বাসাবাড়িতে কেন্দ্রীয়ভাবে ব্যবহৃত রেটিকুলেটেড পদ্ধতিতে তরল অবস্থায় সরবরাহ করা এলপিজির দাম প্রতি ঘনমিটার ২৮৫ টাকা ৩০ পয়সা নির্ধারণ করেছে কমিশন।