খুঁজুন
, ,

বাংলাদেশ-ভারত পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকে চোখ সবার

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Sunday, 8 December, 2024, 11:11 am
বাংলাদেশ-ভারত পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠকে চোখ সবার

‘কূটনৈতিক সম্পর্কের দৃশ্যমান অবনতি’ এবং উভয় দেশের ‘রাজনৈতিক উত্তেজনার’ মধ্যেই সোমবার (৯ ডিসেম্বর) ঢাকায় বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন বাংলাদেশ ও ভারতের পররাষ্ট্র সচিব। বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব মো. জসিম উদ্দিন এবং ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি নিজ নিজ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন।

বাংলাদেশে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর দুই দেশের মধ্যে এটিই উচ্চ পর্যায়ের প্রথম বৈঠক। বৈঠকটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যখন বাংলাদেশে সনাতন ধর্মীয় একজন নেতার গ্রেফতারের প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে ভারত, সাথে বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নিপীড়নের অভিযোগও তুলেছে – আবার কলকাতা ও আগরতলায় বাংলাদেশ হাই কমিশনে হামলার ঘটনা নিয়ে প্রতিবেশী দুই দেশের সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছে।

বিশ্লেষকদের অনেকে মনে করেন, পররাষ্ট্র সচিবদের বৈঠক থেকে বড় কিছু অর্জনের সুযোগ না থাকলেও, বিদ্যমান পরিস্থিতিতে দুই দেশ বৈঠক বা আলোচনায় বসেছে- এটাই হবে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মোহাম্মদ রফিকুল আলম বলেছেন, দুই দেশের মধ্যকার ‘কমন বিষয়’গুলোই আলোচনায় আসবে।

‘সীমান্ত, বাণিজ্য, কানেকটিভিটি, পানির মতো অনেক বিষয় দুই দেশের আলোচনায় সাধারণভাবে থাকে। তবে, এজেন্ডায় শেষ পর্যন্ত কী থাকবে তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট উইং কাজ করছে,’ বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন তিনি।

সাবেক কূটনীতিক হুমায়ুন কবির বলছেন, এজেন্ডায় যাই থাকুক, সব ধরনের উস্কানি নিরসন করে উত্তেজনা কমিয়ে এনে দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য এবারের এই বৈঠক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ ও ভারতীয় পররাষ্ট্র সচিবের এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকটি ‘ফরেন অফিস কনসালটেশন (এফওসি) নামে পরিচিত। এটি মূলত দুই দেশের সব বিষয় নিয়েই আলোচনার একটি ফোরাম।

এফওসি বৈঠকে নতুন ইস্যু যেমনি উঠে আসে, তেমনি আগের সিদ্ধান্তগুলো দুই দেশের তরফে কোনটি কতটা বাস্তবায়ন হলো তা নিয়ে পর্যালোচনাও হয়ে থাকে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে কোন ক্ষেত্রে কী করা যায় তেমন কিছুও আলোচনা হয় এই ফোরামে।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল তার নিয়মিত ব্রিফিংয়ে বলেছেন, এফওসি বৈঠক হলো বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে একটি কাঠামোবদ্ধ বিষয় এবং ভারতও এ বৈঠকের দিকে তাকিয়ে আছে।

ব্রিফিংয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একজন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মি. জয়সোয়াল বলেছেন ‘আইনি অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধা এবং সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ বিচারের বিষয়টি ভারত আবারও উল্লেখ করছে’।

বৈঠকটি নিয়ে এত আলোচনা কেন

ফরেন অফিস কনসালটেশন (এফওসি) বৈঠক একটি নিয়মিত ও স্বাভাবিক কূটনৈতিক কার্যক্রম হলেও বিভিন্ন কারণে এবারের বৈঠকটি অতিরিক্ত আগ্রহ তৈরি করেছে।

বৈঠকটির বিষয়ে গত বুধবার পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘এটা খুবই স্পষ্ট, আমরা চাই ভালো সম্পর্ক। তবে সেটা ‘রেসিপ্রোকাল’ হতে হবে, দুই পক্ষকেই চাইতে হবে এবং সে লক্ষ্যে কাজ করতে হবে।’

মূলত শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ‘সংখ্যালঘু ইস্যুতে’ দুই দেশের সম্পর্কের দৃশ্যমান অবনতি হয়েছে। এবং সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোর ঘটনাপ্রবাহ দুই দেশের মধ্যে যে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে – তাতে এই বৈঠকে কী আলোচনা হয়, এবং এখান থেকে নতুন কোন দিকে পরিস্থিতি মোড় নেয় কী-না তা নিয়ে আগ্রহ আছে মানুষের মনে।

সর্বশেষ গত দুই সপ্তাহের মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য বিবৃতি ছাড়াও বাংলাদেশে সনাতম ধর্মাবলম্বীদের একজন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ করে’ গ্রেফতারের ঘটনার জের ধরে ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশ হাই কমিশনে হামলার ঘটনায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে।

এ ঘটনায় ভারতীয় রাষ্ট্রদূত প্রণয় ভার্মাকে গত মঙ্গলবার ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ। ইতোমধ্যে ভারতের কলকাতা ও আগরতলায় বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশনের প্রধানরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বৃহস্পতিবার ঢাকায় ফিরে এসেছেন।

এদিকে, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বৈঠকের পর প্রণয় ভার্মা সাংবাদিকদের বলেছিলেন যে, কোনো নির্দিষ্ট একটি ইস্যুকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক মূল্যায়ন করা যাবে না।

‘আমরা আমাদের আলোচনা চলমান রাখবো। বৈঠক তারই একটা অংশ। আমাদের বিস্তৃত সম্পর্ক রয়েছে, পারস্পরিক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট সম্পর্ক রয়েছে,’ বলছিলেন তিনি।

বাংলাদেশ সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টাও ভারতের নাম উল্লেখ করে নানা মন্তব্য করেছেন, যা ব্যাপকভাবে আলোচনায় এসেছে। বাংলাদেশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ভারত বিরোধী প্রচারণা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

আবার বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ব্যাপকভাবে নির্যাতন করা হচ্ছে- ভারতীয় মিডিয়ায় এমন প্রচারেও ক্ষোভ প্রকাশ করা হচ্ছে বাংলাদেশে। বাংলাদেশ সরকারও এ ধরনের খবর সত্য নয় বলে দাবি করেছে।

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বুধবার দেশের সব রাজনৈতিক দল এবং বৃহস্পতিবার ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে এ নিয়ে বৈঠক করেছেন।

আবার শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এবারের আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত নেতাদের পক্ষ থেকে ভারতকে নিয়ে যেসব বক্তব্য বিবৃতি এসেছে, তাতে ভারতের দিক থেকেও নিরাপত্তা ইস্যুতে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে অনেকে ধারণা করছেন।

সাবেক কূটনীতিক হুমায়ুন কবির বলছেন, সব মিলিয়েই দুই দেশের মধ্যে ‘সম্পর্কের শীতলতা’ কিংবা ‘উত্তেজনা’ তৈরি হয়েছে।

‘এখন বৈঠকে যদি এই উত্তেজনা কমিয়ে আনতে দুই দেশ একমত হতে পারে, তাহলেও তো সম্পর্ক স্বাভাবিক করার দিকে অগ্রসর হওয়া যায়। সেটিই হওয়া উচিত,’ বিবিসি বাংলাকে বলছিলেন তিনি।

তবে, ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা যে ধারণা দিয়েছেন তাতে ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিষয়টি আলোচনায় আসবে কী-না তা এখনো নিশ্চিত নয়।

যদিও ভারতে অবস্থান করে শেখ হাসিনার বক্তব্য বিবৃতি নিয়ে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা স্বয়ং বিভিন্ন সাক্ষাতকারে উষ্মা প্রকাশ করেছেন।

গত সপ্তাহে শেখ হাসিনা যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে আওয়ামী লীগ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়েছেন। লন্ডনেও একটি অনুষ্ঠানে তার টেলিফোনে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে ভারতে অবস্থান করে শেখ হাসিনার বিবৃতি দেওয়ার বিষয়টিতে বাংলাদেশের সরকারের আপত্তির বিষয়টি আলোচনায় আসতে পরে বলে অনেকে মনে করছেন।

একই সাথে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতীয় গণমাধ্যম ও কিছু রাজনৈতিক দলের সংখ্যালঘু ইস্যুতে ‘অপতথ্য প্রচার’ এর বিষয়টিতেও ভারতীয়দের দৃষ্টি আকর্ষণের বিষয়টি আলোচনায় থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তবে, শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ বা এমন কিছু এই আলোচনায় আসার সুযোগ নেই। কারণ বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ আগেই বলেছে, বিচারিক আদালতে শেখ হাসিনা বিরুদ্ধে করা মামলার যে বিচার চলছে, তার রায় হবার পরেই তারা এ বিষয়ে ভারতের সাথে আলোচনা করবে।

আলোচনায় কী কী আসতে পারে

পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের এ বৈঠকে আলোচনার জন্য প্রাথমিক এজেন্ডা ঠিক করে থাকে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট শাখাগুলো। আবার আলোচনার সময় অনেক ক্ষেত্রে নতুন নতুন বিষয়ও উঠে আসে। তবে ঠিক কী নিয়ে আলোচনা হবে তা সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত এজেন্ডা ঘোষণা বা প্রকাশ করেনি কোনো পক্ষই।

কর্মকর্তারা যে ধারণা দিচ্ছেন তা হলো, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের যেকোনো আলোচনায় কয়েকটি বিষয়টি নিয়মিত আলোচনায় আসে। বাংলাদেশ যেমন অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন কিংবা আরও বিশেষ ভাবে তিস্তাসহ কিছু নদীর পানির বিষয়টি উল্লেখ করে থাকে।

এর বাইরে বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনা ও সীমান্ত পরিস্থিতিও গুরুত্ব পেয়ে থাকে।

পাশাপাশি গত ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর বাংলাদেশে ভিসা কার্যক্রম অনেকটাই বন্ধ করে রেখেছে ভারত। বৈঠকে এ বিষয়টিও উঠে আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।

তবে এর বাইরেও যে বিষয়টির দিকে সবার নজর থাকবে সেটি হলো- সংখ্যালঘু ইস্যুকে ঘিরে দুই দেশ তাদের নিজেদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে কী-না কিংবা কীভাবে করে।

বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ভারত বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলে আসছে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ সরকার সংখ্যালঘু নির্যাতনের অভিযোগ সত্যি নয় বলে মনে করে এবং তারা মনে করে ভারতীয় গণমাধ্যম ও কিছু রাজনৈতিক দল এ বিষয়ে অপপ্রচার ও অতিরঞ্জন করছে।

সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির বলছেন, ভারতের সরকারি দলের লোকজনকেই বাংলাদেশ নিয়ে বেশি কথা বলতে দেখা যাচ্ছে।

‘এখন দুই দেশ যদি একমত হয় যে উত্তেজনা কমিয়ে আনা হবে – তাহলেই সম্পর্কের শীতলতা কাটিয়ে ওঠার সুযোগ তৈরি হবে।’

প্রসঙ্গত, পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি কাল সোমবারই ঢাকায় এসে সচিব পর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেবেন। সফরকালে তিনি পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সাথেও সাক্ষাত করবেন। তবে প্রধান উপদেষ্টার সাথে তার সাক্ষাৎ চূড়ান্ত হয়েছে কী-না সেটি এখনো জানা যায়নি।

Feb2
Feb2

শিশুদের বিকাশের সুযোগ দিলে দেশের ভিত্তি মজবুত হবে: প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 6 October, 2026, 12:57 pm
শিশুদের বিকাশের সুযোগ দিলে দেশের ভিত্তি মজবুত হবে: প্রধানমন্ত্রী

শিশুদের নিজেদের প্রতিভা ও গুণাবলি বিকাশের সুযোগ করে দিতে পারলে দেশের ভিত্তি আরও মজবুত হবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, একটি পরিবারের ভিত্তি যেমন তার সন্তানদের সঠিকভাবে বেড়ে ওঠার ওপর নির্ভর করে, তেমনি দেশের ভবিষ্যৎও নির্ভর করে শিশুদের সঠিক বিকাশের ওপর।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) শিশু অধিকার দিবস ২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, আজকের অনুষ্ঠানটি মূলত শিশুদের নিয়ে। তাই বড়দের বক্তব্যের চেয়ে শিশুদের কথা শোনাই হওয়া উচিত এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। নিজের শৈশবের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, শিশু একাডেমির কার্যক্রম শুরুর সময় তিনি নিজেও শিশু হিসেবে সেখানে এসেছিলেন।

শৈশবের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি জানান, শিশু একাডেমির ‘শিশু’ ম্যাগাজিনে তিনি ও তার ছোট ভাইয়ের লেখা প্রকাশিত হয়েছিল। অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত বোর্ডে নিজের একটি গল্প ও ছোট ভাইয়ের লেখা দেখতে পেয়ে পুরোনো স্মৃতি ফিরে আসার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, আজকে তোমরা শিশু হিসেবে যেমন এখানে উপস্থিত হয়েছো, একদিন আমিও এই শিশু একাডেমিতে এসেছিলাম। শিশু হিসেবেই এসেছিলাম। একজন শিশু অতিথি হিসেবে আমি এই শিশু একাডেমিতে এসেছিলাম।

শিশুদের বিভিন্ন প্রতিভার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেউ ভালো ছবি আঁকতে পারে, কেউ কবিতা আবৃত্তি করতে পারে, কেউ গান, নাচ কিংবা কোনো বাদ্যযন্ত্র বাজাতে পছন্দ করে। প্রত্যেক শিশুর ভেতরে কোনো না কোনো গুণ রয়েছে এবং সেই গুণ বিকাশের জন্য প্রয়োজন যথাযথ সুযোগ।

নিজের গিটার ও কিবোর্ড শেখার আগ্রহের কথা উল্লেখ করে তিনি শিশুদের উদ্দেশে বলেন, যারা গিটার, হারমোনিয়াম, বাঁশি কিংবা অন্য কোনো বাদ্যযন্ত্র বাজাতে পছন্দ করে, তারা যেন তা ভালোভাবে শেখে এবং সম্পূর্ণ করে। যারা গান বা নাচ পছন্দ করে, তাদেরও সেই প্রতিভা বিকাশে মনোযোগ দেয়ার আহ্বান জানান তিনি। একইভাবে যারা কেরাত ও কোরআন তেলাওয়াত পছন্দ করে, তাদের তা সুন্দরভাবে রপ্ত করার পরামর্শ দেন।

শিশুদের প্রতিভা বিকাশে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, প্রাথমিক পর্যায় থেকেই শিশুদের খেলাধুলায় অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রথমবারের মতো প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যায় থেকে সারাদেশে ২২ লাখ শিশু- ১১ লাখ ছেলে ও ১১ লাখ মেয়ে ফুটবল প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে। এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখা গেলে এখান থেকেই ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক মানের খেলোয়াড় তৈরি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শিশুদের প্রতিভা বিকাশে ‘নতুন কুঁড়ি’ কার্যক্রমের পাশাপাশি ক্রীড়া কার্যক্রমও নতুন করে চালু করার কথা জানান তিনি। সিলেট থেকে শুরু করে ঢাকার আর্মি স্টেডিয়ামে ক্রীড়া আয়োজন সম্পন্ন করার কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, শিশুদের শুধু সংস্কৃতি ও শিল্পচর্চায় নয়, খেলাধুলাতেও পারদর্শী করে তুলতে হবে। একটি শিশুর শিল্প, সংস্কৃতি, সংগীত ও খেলাধুলার ক্ষেত্রে অন্তত কোনো একটি বিষয়ে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ থাকা প্রয়োজন।

শিশুদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ সবার জন্য নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, দেশের অধিকাংশ পরিবারের পক্ষে ব্যক্তিগতভাবে সন্তানদের এসব সুযোগ করে দেয়া সম্ভব নয়। তাই শহরের পাশাপাশি প্রত্যন্ত গ্রামের শিশুরাও যেন শিল্প, সংস্কৃতি, সংগীত ও খেলাধুলার সুযোগ পায়, সে জন্য স্কুল পর্যায় থেকে এসব সুবিধা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, প্রত্যেকটি বাচ্চার মধ্যে কোনো না কোনো কিছু একটা কোয়ালিটি আছে। আমাদের দরকার শুধু তাকে সেই সুযোগটা করে দেওয়া, যার মাধ্যমে সে নিজেকে বিকশিত করতে পারবে।

সরকারপ্রধান আরও বলেন, এ-সংক্রান্ত কাজগুলো মোটামুটিভাবে গুছিয়ে আনা হয়েছে এবং ২০২৭ অথবা ২০২৮ সাল থেকে পুরো প্রক্রিয়া শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী গান, বাদ্যযন্ত্র ও খেলাধুলার বিভিন্ন ক্ষেত্র বেছে নেয়ার সুযোগ পাবে বলেও জানান তিনি।

ভবিষ্যতে উচ্চশিক্ষা ও কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে শিশুদের প্রস্তুত করতে স্কুল পর্যায় থেকে অতিরিক্ত বিদেশি ভাষা শেখানোর পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি আরবি, ম্যান্ডারিন, জার্মান, জাপানিজসহ কয়েকটি বিদেশি ভাষার মধ্য থেকে শিশুরা নিজেদের পছন্দের একটি ভাষা বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবে।

শিশুদের প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্যের প্রতি যত্নশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাড়ি, স্কুল কিংবা আশপাশের এলাকায় থাকা গাছের যত্ন নিতে হবে। পশুপাখির প্রতিও সদয় হতে হবে। প্রকৃতি ও প্রাণীর প্রতি মানুষের দায়িত্বশীল আচরণ একটি মানবিক বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

গার্ডেন ভিউ ন্যাশনাল একাডেমী কর্তৃক এসএসসি ২৬ কৃতি শিক্ষার্থীদের বর্ণিল সংবর্ধনা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 6 October, 2026, 10:53 am
গার্ডেন ভিউ ন্যাশনাল একাডেমী কর্তৃক এসএসসি ২৬ কৃতি শিক্ষার্থীদের বর্ণিল সংবর্ধনা

চট্টগ্রাম ব্যুরোঃ বন্দরনগরী জনপ্রিয় ও পশ্চিম খুলশী জালালাবাদ হাউজিং সোসাইটির স্বনামধন্য মাধ্যমিক বিদ্যাপীঠ গার্ডেন ভিউ ন্যাশনাল একাডেমীর উদ্যোগে এসএসসি ২০২৬ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানন রবিবার (৪ অক্টোবর) বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে জাঁকজমকপূর্ণ পরিবেশ ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বর্ণাঢ্য সাজে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুকিম বিল্লাহ”র সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদ প্রকৌশলী মেজবাহ উদ্দিন রাজু। আলোচনায় প্রধান বক্তা ছিলেন ইডেন রেসিডেন্সিয়াল স্কুলের চেয়ারম্যান আব্দুল আউয়াল।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ আলোচক ও সম্মানিত অতিথি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন জাতীয় নাগরিক অধিকার, নিরাপত্তা ও নির্বাচন বিশ্লেষক এবং দৈনিক ডেইলি ক্যাপিটাল ভিউজ এর নির্বাহী সম্পাদক ও পার্বত্য উন্নয়ন এবং আধিবাসী পূর্নবাসন কমনওয়েলথ এর মহা পরিদর্শক সৈয়দ আবুল বরকত আকাশ।

অত্র একাডেমির সিনিয়র শিক্ষক রাসেল খানের সঞ্চালনায় বর্ণাঢ্য এ আয়োজনে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন গার্ডেন ভিউ ন্যাশনাল একাডেমির প্রধান শিক্ষক ফাতেমা। বিশেষ মেহমান হিসেবে বক্তব্য রাখেন ফয়সাল মুন,মঞ্জুর আহমেদ, মোসলেহ উদ্দীন, প্রতিষ্ঠানের উপদেষ্টা মাওঃ নুরুউদ্দীন সাহেব, মাওঃ মাহবুবর রহমান, সালাহউদ্দীন চৌধুরী সুমন, মাওঃ শাহ্ মোঃ শরীফ উল্লাহ সহ প্রমূখ।

একইসাথে বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা,অভিভাবকবৃন্দ এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি ও বিশেষ আলোচক কৃতী শিক্ষার্থীদের অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জনে আন্তরিক অভিনন্দন জানান এবং আগামী দিনে দেশের যোগ্য ও আলোকিত নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান। নাগরিক অধিকার ও নির্বাচন বিশ্লেষক সৈয়দ আবুল বরকত আকাশ বলেন, নতুন প্রজন্ম ক্রমশ বেপরোয়া ও বিনয়হীন হয়ে পড়ছে তাই তিনি অভিভাবক ও শিক্ষকদের আহবান করেন যে স্ব স্ব ধর্ম বর্ণ অনুসারে ছাত্রছাত্রী তথা সন্তানদের আদব শিক্ষার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। নম্র ভদ্র বিনয়ী ও নৈতিক চিত্তের মানুষ তৈরি করতে হলে অবশ্যই মানবিকতা এবং সৃষ্টির প্রতি মানুষ হিসেবে মানুষের প্রতি,ছাত্র শিক্ষকের প্রতি, শিক্ষক ছাত্রের প্রতি পরিবার সদস্যরা একে অপরের প্রডি শ্রদ্ধা সম্মান বিনয়ী আচরণ সহ আদবের চর্চা ও অনুশীলন এর প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন।

পরিশেষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান চলতি ২০২৬ সালে গার্ডেন ভিউ ন্যাশনাল একাডেমি থেকে উত্তীর্ণ কৃতী শিক্ষার্থীদের হাতে বিশেষ সম্মাননা স্মারক তুলে দেয় অনুষ্ঠানের অতিথিবৃন্দ।

চট্টগ্রাম এলএ শাখায় ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ জারীকারক লোকমান চৌধুরীকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর তথ্য

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 5 October, 2026, 6:51 pm
চট্টগ্রাম এলএ শাখায় ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ জারীকারক লোকমান চৌধুরীকে ঘিরে চাঞ্চল্যকর তথ্য

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ভূমি অধিগ্রহণ (এলএ) শাখায় ভূমি অধিগ্রহণের ক্ষতিপূরণের চেক ছাড়সহ বিভিন্ন কার্যক্রমে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন এলএ শাখার জারীকারক লোকমান চৌধুরী।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দায়িত্ব পালনের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে তিনি ভূমির মালিকদের কাছ থেকে নির্দিষ্ট হারে অর্থ আদায়ের একটি প্রক্রিয়া গড়ে তুলেছেন।

অভিযোগ রয়েছে, লোকমান চৌধুরী চেইনম্যান হিসেবে চাকরি শুরু করে পরবর্তীতে পদোন্নতি পেয়ে জারীকারক হন। জারীকারক হওয়ার পর থেকেই তার জীবনযাপন ও কর্মকাণ্ড নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। এলএ শাখা থেকে যেসব এলাকায় ভূমি অধিগ্রহণের বরাদ্দ বা ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালিত হয়, সেসব এলাকায় তাকে প্রায়ই জারীকারকের দায়িত্ব দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ রয়েছে।
পটিয়ায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকল্প ঘিরে অভিযোগ
প্রায় এক বছর আগে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে পটিয়ার গৌরালা, নাইখান ও জঙ্গলখাইন মৌজায় ভূমি অধিগ্রহণ কার্যক্রমে জারীকারকের দায়িত্ব পান লোকমান চৌধুরী।

অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্ব পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ভূমির মালিকদের কাছে নোটিশ পৌঁছে দেওয়ার সময় তাদেরকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়।

পরবর্তীতে পটিয়ায় তার এক নিকটাত্মীয়ের একটি কক্ষে কথিতভাবে অফিসের মতো পরিবেশ তৈরি করে ভূমির মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পাশাপাশি নিজের বাসায়ও তাদের ডেকে নিয়ে দ্রুত ক্ষতিপূরণের চেক ছাড় করিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।

ভূমির মালিকদের সঙ্গে ১৫ শতাংশ হারে অর্থ লেনদেনের চুক্তি করার অভিযোগও উঠেছে লোকমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে।

অভিযোগের সঙ্গে সার্ভেয়ার সিন্ডিকেটের সম্পৃক্ততার দাবি
এই পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে এলএ শাখার একটি শক্তিশালী সার্ভেয়ার সিন্ডিকেট জড়িত বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি। তাদের দাবি, ভূমি অধিগ্রহণের মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন কার্যক্রমে সিন্ডিকেটটি সক্রিয়ভাবে কাজ করে এবং ভূমির মালিকদের কাছ থেকে বড় অঙ্কের অর্থ আদায় করা হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় ব্যক্তি প্রতিবেদককে জানান, লোকমান চৌধুরী ও সংশ্লিষ্ট সার্ভেয়ারদের মাধ্যমে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে বলে তারা জানতে পেরেছেন।

‘আমি একা খাইনি’—লোকমান চৌধুরী
অভিযোগের বিষয়ে লোকমান চৌধুরীর বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনি একা টাকা নেননি এবং ঊর্ধ্বতন মহলকে ১০ শতাংশ দিতে হয়েছে বলে দাবি করেন।

তিনি বলেন, ভূমির মালিকদের সঙ্গে তিনি শুধু চুক্তি করেন। মাঠপর্যায়ের মূল কাজ করেন সার্ভেয়াররা। এ কাজে সার্ভেয়ার দেলোয়ার, অমিত মজুমদার, রাজীব ও সিরাজ জড়িত বলে তিনি দাবি করেন।

লোকমান চৌধুরীর ভাষ্য অনুযায়ী, ভূমির মালিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দেওয়ার পর সার্ভেয়াররা তাদের কাছ থেকে ১৪ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত অর্থ নেন। তিনি নিজেকে ‘ছোট কর্মচারী’ দাবি করে বলেন, তার প্রাপ্তি ছিল তুলনামূলকভাবে কম।

এ সময় তিনি আরও দাবি করেন, ৮ ধারার নোটিশের ক্ষেত্রে নাজিরকে ‘ম্যানেজ’ করে নোটিশ গ্রহণের ব্যবস্থা করতে হয় এবং এ প্রক্রিয়াতেও অর্থ লেনদেন হয়ে থাকে।

নাজিরের বক্তব্য
অভিযোগের বিষয়ে নাজির মোয়াজ্জেম হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন বলে জানান। তিনি বলেন, এ বিষয়ে তিনি প্রথমবার শুনছেন এবং কোনো ধরনের দুর্নীতির সঙ্গে তিনি জড়িত নন।

তিনি আরও জানান, বিষয়টি সম্পর্কে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগ তদন্তের দাবি
এলএ শাখার মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি দপ্তরে ভূমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিপূরণ প্রদানের ক্ষেত্রে এ ধরনের অভিযোগ ওঠায় বিষয়টি নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না—এখন সেটিই দেখার বিষয়।

পরবর্তী পর্বে: লোকমান চৌধুরীর বিরুদ্ধে ওঠা অন্যান্য অভিযোগ, তার কথিত সম্পদ অর্জনের তথ্য, সংশ্লিষ্ট সার্ভেয়ারদের ভূমিকা এবং অভিযোগের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বক্তব্য নিয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে।