খুঁজুন
শনিবার, ১৮ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শহীদ বুদ্ধিজীবীরা দেশের ক্ষণজন্মা শ্রেষ্ঠ সন্তান: তারেক রহমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১:০৭ অপরাহ্ণ
শহীদ বুদ্ধিজীবীরা দেশের ক্ষণজন্মা শ্রেষ্ঠ সন্তান: তারেক রহমান

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের দেশের ক্ষণজন্মা শ্রেষ্ঠ সন্তান উল্লেখ করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, তাঁরা একটি সমৃদ্ধ এবং মাথা উঁচু করা জাতি দেখতে চেয়েছিলেন। তাঁরা ন্যায় বিচারভিত্তিক শোষণমুক্ত একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রত্যাশা করেছিলেন। কিন্তু হানাদার বাহিনীর দোসররা চূড়ান্ত বিজয়ের প্রাক্কালে স্বাধীন বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করতে পরিকল্পিত এ হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত করে।

১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস জাতির ইতিহাসে এক মর্মস্পর্শী ও শোকাবহ দিন। তিনি শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের হাতে শাহাদাত বরণকারী দেশের প্রথম শ্রেণির শহীদ বুদ্ধিজীবীদের অম্লান স্মৃতির প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার অব্যবহিত পরেই অগণতান্ত্রিক শক্তি তাদের মুখোশ খুলে ফেলে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর মতো দেশের মানুষের সর্বজনীন গণতান্ত্রিক অধিকারগুলো একের পর এক হরণ করতে থাকে, এক নদী রক্ত আর ত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া আমাদের রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ত্ব দিনে দিনে দুর্বল করে এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও সমাজ নির্মাণে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রত্যাশা ধূলিসাৎ করে।’

‘সেই দুঃশাসনের ঐতিহ্য ধারণ করে তাদের উত্তরসূরী আওয়ামী ফ্যাসিস্টরা বিভেদ, অনৈক্য, সংকীর্ণতা, গুম, খুন ও ক্রসফায়ার করে ঐক্যবদ্ধ জাতি গড়া ও জাতীয় অগ্রগতির পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছিল এবং গণতন্ত্রকে নির্বাসনে পাঠিয়েছিল। আমাদের রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক বিকাশ এবং দেশকে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করার বদলে একদলীয় দুঃশাসনের বাতাবরণ তৈরি করে।’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আমাদের পুনরায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রকৃত গণতন্ত্রের চর্চা করতে হবে। হারিয়ে যাওয়া আইনের শাসন, স্বাধীন বিচার বিভাগ এবং বহুমত ও পথের রাজনৈতিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। এ ক্ষেত্রে শহীদ বুদ্ধিজীবীরা আমাদের প্রেরণার উৎস হিসেবে কাজ করে যাবেন।

তিনি আরও বলেন, আজকের এ শোকাবহ দিনে আমি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাই- আসুন শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রত্যাশার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমরা একসঙ্গে কাজ করি।

তারেক রহমান শহীদ বুদ্ধিজীবীদের পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

Feb2

হজযাত্রীদের কাছে দেশ ও জাতির জন্য দোয়া চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৫২ পূর্বাহ্ণ
হজযাত্রীদের কাছে দেশ ও জাতির জন্য দোয়া চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

২০২৬ সালের পবিত্র হজের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে। শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চলতি মৌসুমের প্রথম হজ ফ্লাইটের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনী ফ্লাইটে গিয়ে হজযাত্রীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এ সময় তিনি দেশ ও জাতির জন্য তাদের কাছে দোয়া চান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনারা প্রত্যেকে আল্লাহর মেহমান। আপনাদের যাদের আল্লাহর ঘরে যাওয়ার তৌফিক হয়েছে, তারা যদি হাত তুলে দোয়া করেন, আল্লাহ আপনাদের দোয়া কবুল করবেন।”

আল্লাহর মেহমানদের দেশ ও জাতির কল্যাণে দোয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আপনারা দেশ ও দেশের মানুষের জন্য দোয়া করবেন যেন আল্লাহ তৌফিক দেন, আমাদের সামনে যত সমস্যা-বিপদ আছে, সেগুলো যেন আমরা মোকাবিলা করতে পারি। দেশের মানুষের জন্য নেওয়া উদ্যোগগুলো যেন সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে পারি। তিনি আগামী বছর থেকে সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর পাশাপাশি হজের খরচ কমানোর আশ্বাস দেন।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা সরকার গঠনের আগেই অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েই এই হজ ব্যবস্থার বেশিরভাগ কাজগুলো হয়ে গিয়েছিল। তারপরও যতটুকু সম্ভব আমরা চেষ্টা করেছি, অন্তত ১২ হাজার টাকা কমানোর চেষ্টা করেছি। আগামী বছর যাতে আরো খরচ কমাতে পারি, কম খরচে যাতে হজে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে পারি সেজন্য দোয়া করবেন।”

এসময় ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ, বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম (রিতা), স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, ধর্মসচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ, বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব ফাহমিদা আখতারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ইরানের বন্দরে অবরোধ না তুললে হরমুজ বন্ধ করে দেওয়া হবে

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৩০ পূর্বাহ্ণ
ইরানের বন্দরে অবরোধ না তুললে হরমুজ বন্ধ করে দেওয়া হবে

ইরানের উপসাগরীয় বন্দরগুলোর ওপর থেকে যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ না তুলে নিলে হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের ঘালিবাফ।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে এক পোস্টে ঘালিবাফ বলেন, ট্রাম্প গত এক ঘণ্টায় সামাজিকমাধ্যমে সাতটি পোস্ট করেছেন। যার সবগুলোই মিথ্যা। তবে ট্রাম্পের কোন পোস্টগুলো মিথ্যা সেটি উল্লেখ করেননি তিনি।

ইরানি স্পিকার বলেন, “হরমুজ খোলা নাকি বন্ধ, এটির নিয়মাবলী কী হবে— সেটি মাঠপর্যায়ে নির্ধারিত হবে, সামাজিকমাধ্যমে নয়। হরমুজে জাহাজ চলাচল করবে নির্ধারিত রুটে এবং ইরানের অনুমতি সাপেক্ষে।”

হরমুজ খুললেও ইরানের বন্দর অবরোধ থাকবে: ট্রাম্প

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:২৮ অপরাহ্ণ
হরমুজ খুললেও ইরানের বন্দর অবরোধ থাকবে: ট্রাম্প

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য ইরান উন্মুক্ত করে দিলেও দেশটির ওপর নৌ-অবরোধ বজায় রাখার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া পৃথক দুটি পোস্টে তিনি এই অবস্থান পরিষ্কার করেন।

ডোনাল্ড ট্রাম্প তার পোস্টে লেখেন, ‘হরমুজ প্রণালি এখন ব্যবসা এবং জাহাজ চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। তবে ইরানের সাথে আমাদের যাবতীয় লেনদেন বা চুক্তি শতভাগ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত দেশটির ওপর আরোপিত মার্কিন নৌ-অবরোধ পূর্ণ শক্তিতে বহাল থাকবে।’

তবে এই সমঝোতা প্রক্রিয়াটি খুব দ্রুত শেষ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি। ট্রাম্পের মতে, চুক্তির অধিকাংশ পয়েন্ট বা বিষয় ইতোমধ্যে আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত করা হয়েছে।

এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ঘোষণা করেন, লেবাননে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির প্রতি সম্মান জানিয়ে হরমুজ প্রণালি উন্মুক্ত করা হয়েছে। লেবাননে ১০ দিনের এই যুদ্ধবিরতি চলাকালীন সব ধরনের বাণিজ্যিক জাহাজ এই পথ দিয়ে নিরাপদে যাতায়াত করতে পারবে।

উল্লেখ্য, লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা ছিল ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার আলোচনার অন্যতম প্রধান শর্ত। গতকাল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প লেবাননে এই ১০ দিনের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন। যদিও সমুদ্রপথটি উন্মুক্ত হওয়ায় বিশ্ববাজারে স্বস্তি ফিরেছে, তবে ইরানের বন্দরগুলোতে মার্কিন অবরোধ বহাল থাকায় দুই দেশের মধ্যকার চূড়ান্ত সমঝোতা এখন সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।